ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু সোমবার থেকে- আইনজীবীর ঘোষণা

ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্য পেনসিলভানিয়ার বিশটি ইলেকটোরাল ভোট ঝুলিতে আসার সাথে সাথে জো বাইজেন পেরিয়ে গেলেন জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের লক্ষ্যমাত্রা। তিনি নেভাডা জিতেছেন। জর্জিয়া আর অ্যারিজোনায় এগিয়ে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সরাসরি কভারেজ

  1. অ্যারিজোনায় বাইডেন এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান কমছে

    অ্যারিজোনা থেকে পাওয়া সর্বশেষ নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন এগিয়ে থাকলেও ভোটের ব্যবধানে কমে আসছে।

    বুধবার রাত এবং বৃস্পতিবার সকালে রাজ্যটির সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ কাউন্টি মেরিকোপা আরো এক লাখ ৪০ হাজার ব্যালটের ফল প্রকাশ করেছে।

    এতে দেখা যাচ্ছে যে, ৭৪ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে মেরিকোপা কাউন্টিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। তবে আগের ব্যবধানের তুলনায় ১১ হাজার ভোট কম পেয়েছেন তিনি।

    সব মিলিয়ে পুরো রাজ্যে ৬৮ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন।

    মেরিকোপা কাউন্টিতে নতুন করে দুই দফা প্রকাশিত ফলে, ট্রাম্প ৫৭% ভোট পেয়েছেন।

    কিন্তু পুরো রাজ্যেই কি একই অবস্থা চোখে পড়ছে?

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিততে হলে ট্রাম্পকে অ্যারিজোনার অন্যান্য স্থানগুলোতে যত ভোট এখনো গণনা বাকি আছে তার সবই পেতে হবে। এমনকি যেসব এলাকায় ডেমোক্র্যাটরা ভোট পেয়ে থাকে সেসব এলাকার ভোটও পেতে হবে তাকে।

    তবে অ্যারিজোনার ফল এখনি অনুমান করাটা আগাম হয়ে যাবে বলে মনে করে বিবিসি। তারপরও সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস-এর কয়েকটি আউটলেট ধারণা করছে যে, রাজ্যটিতে ডেমোক্র্যাটরা জয় পাবে।

    এর আগে জানানো হয়েছে যে মেরিকোপা কাউন্টির রেকর্ডারের অফিস, যেখানে সারা রাত ধরে ভোট গণনা করা হয়েছে তার বাইরে জড়ো হয় দুই শতাধিক রিপাবলিকান সমর্থক।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেয়া ভোট গণনা করা হবে না-সামাজিক মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এই বিক্ষোভ হয়।

    ট্রাম্পের সমর্থকরা অ্যারিজোনায় বিক্ষোভ করেছে।

    ছবির উৎস, Reuters

    ছবির ক্যাপশান, ট্রাম্পের সমর্থকরা অ্যারিজোনায় বিক্ষোভ করেছে।
  2. নেভাদার ভোট ব্যবস্থা আইনি চ্যালেঞ্জের জন্য “বেশ দুর্ভেদ্য”: অ্যাটর্নি জেনারেল

    নেভাদায় নির্বাচনের ফল সামান্য ব্যাধানে ঝুলে আছে, যদিও ভোট গণনা এখনো চলছে।

    অনিয়মের অভিযোগ তুলে ট্রাম্পের শিবির এরইমধ্যে চারটি রাজ্যের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে।

    কিন্তু নেভাদার অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যারন ফোর্ড বলেছেন, রাজ্যটি কোন আইনি পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছে না। সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন “আমাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে বলতে হয় যে, এখানকার ভোট ব্যবস্থা বেশ দুর্ভেদ্য।”

    বুধবার বিবিসিকে ফোর্ড বলেছিলেন, সব ধরণের প্রমাণ এটা নিশ্চিত করেছে যে, রাজ্যটি “অবাধ, নিরাপদ এবং সুরক্ষিত নির্বাচন” অনুষ্ঠিত করেছে।

    “আমরা জানতাম যে এই প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ কিন্তু এটি কাজ করছে,” ডেমোক্র্যাটরা বলছে।

    “এতে কিছুটা সময় লেগেছে কারণ জালিয়াতি প্রতিহত করতে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি- যেমন স্বাক্ষর যাচাই, ইউনিক বারকোডসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।”

    পোস্টাল ব্যালট গণনা কীভাবে করা হবে সে বিষয়েও বিস্তারিত বর্ণনা দেন তিনি।

    “এই ব্যালটগুলো স্থানীয় কাউন্টি রেজিস্ট্রার এর কাছে পাঠানো হয়েছে এবং তারা স্বাক্ষর যাচাই করে দেখেছে এবং তারা একটি গণনা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে গেছে যা আবার দ্বিপক্ষীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের দল পর্যবেক্ষণ করেছে,” বিবিসিকে তিনি বলেন।

    “প্রতিটি পর্যায় এবং ধাপে যাচাই প্রক্রিয়া কার্যকর ছিল যা আমাদের নির্বাচনের সুষ্ঠুতা রক্ষা করেছে।”

    নির্বাচনের দিন, নেভাদার এক বিচারক লাস ভেগাস এলাকায় আগাম ভোট গণনা বন্ধের দাবিতে রিপাবলিকানদের আনা একটি মামলা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। যে মামলায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং মেইলে পাঠানো ব্যালট প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ ছিল।

    নেভাদার কর্তৃপক্ষ বলছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে পরবর্তী ফল ঘোষণা করা হতে পারে।

    ভোটার

    ছবির উৎস, EPA

  3. আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে

    যুক্তরাষ্ট্রের ভোট নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ। ঘটেছে ভাঙচুর আর সহিংসতার মতো ঘটনাও।

    মিনিয়াপোলিস রাজ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটকও করেছে পুলিশ।

    সেই বিক্ষোভের চিত্র দেখে নিতে পারেন এই ভিডিওতে।

    ভিডিওর ক্যাপশান, আমেরিকা নির্বাচন ২০২০: রেজাল্ট নিয়ে চরম উত্তেজনা, বিক্ষোভ, ভাংচুর, আটক
  4. জালিয়াতির অভিযোগে 'কলঙ্কিত' হয়েছে মার্কিন নির্বাচন: আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

    আন্তর্জাতিক এক পর্যবেক্ষক মিশন বলছে, মার্কিন নির্বাচনকে “আইনি অনিশ্চয়তা এবং জনগণের বিশ্বাসকে দুর্বল করার নজিরবিহীন প্রচেষ্টা কলঙ্কিত করেছে।”

    দ্য অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি এন্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ বা ওএসসিই নামে সংস্থাটি বলছে, কোভিড-১৯ এর কারণে নানা ধরণের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নির্বাচনটি “প্রতিযোগিতামূলক এবং ভালভাবে পরিচালিত” হয়েছে।

    তারা বলছে, “একইসাথে নির্বাচনী প্রচারণায় গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণ নীতিগত বিতর্ককে আড়াল করে ফেলেছে এবং পদ্ধতিগত কারচুপির ভিত্তিহীন অভিযোগকে সামনে নিয়ে এসেছে”।

    প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য নিয়ে দেয়া বিবৃতিতে ওএসসিই মিশন বলেন, “পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ, বিশেষ করে বর্তমান প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে- তাও আবার নির্বাচনের রাতে- এ ধরণের বিষয়গুলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে জনগণের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।”

    বৃহস্পতিবারের ভোটের আগে পোস্টাল এবং আগাম ভোট নিয়ে শত শত মামলা হয়েছে। ব্যালট পোস্ট করা এবং রিসিভ করার সময়সীমা এবং প্রত্যক্ষদর্শীর স্বাক্ষর থাকার বিষয়গুলো নিয়েই এই মামলা গুলো হয়েছে।

    রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলো বলছে যে, জালিয়াতি কমিয়ে আনার জন্য বিধিনিষেধ আরোপের দরকার ছিল। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছে যে, সেগুলো ছিল নাগরিক অধিকার চর্চায় বাধা দেয়ার চেষ্টা।

    নির্বাচনের রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্যে ভোটকে “আমেরিকান জনগণের ওপর একটি প্রতারণা” বলে উল্লেখ করেছিলেন।

    ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এখন পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন, জর্জিয়া এবং মিশিগানে ভোট গণনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে-কোন প্রমাণ না থাকলেও তাদের অভিযোগ, এ রাজ্যগুলোতে কারচুপি হয়েছে।

    বিক্ষোভ

    ছবির উৎস, EPA

  5. “মোহনীয়!”: মার্কিন নির্বাচন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে রাশিয়া

      • Author, স্টিভ রোজেনবার্গ
      • Role, বিবিসি মস্কো সংবাদদাতা

    আমেরিকার নির্বাচনের ঘটনাবলীর উপর গভীরভাবে নজর রেখেছে রাশিয়ার গণমাধ্যম আর রাজনীতিবিদরা।

    “পরাশক্তির ভরাডুবির এ দৃশ্য দেখাটা মোহনীয়!”

    মার্কিন নির্বাচন নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার এক সংসদ সদস্য।

    রাশিয়ার ক্ষমতাসীন কিছু ব্যক্তি মনে করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, মামলা-মোকদ্দমা আর সাধারণ নির্বাচন পরবর্তী বিশৃঙ্খলা থেকে লাভবান হতে পারে মস্কো। ভূ-রাজনীতিকে তারা শূণ্য-ফলাফলের একটি খেলা মনে করেন যাতে প্রতিপক্ষ দুর্বল মানে হচ্ছে অন্যপক্ষ শক্তিশালী। তারা হিসাব করে, যুক্তরাষ্ট্রে ঐক্যবদ্ধ না থাকলে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে তারা বরং নিজেদের সমস্যা নিয়েই ব্যস্ত থাকবে।

    তবে রাশিয়ার সবাই এ চিন্তা করে না। রাশিয়ার রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক অঙ্গনে এমন অনেকে রয়েছেন, যারা মনে করে, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল আমেরিকার কাছ থেকে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। আর একজন দৃঢ় মার্কিন প্রেসিডেন্টই রাশিয়া ও মার্কিন সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে পারেন।

    Skip X post
    X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

    এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

    সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না

    End of X post

  6. বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে হিসাব আলাদা হয় কেন?

    যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের লাইভ কাভারেজে প্রার্থীদের আসন পাওয়ার হিসাব যদি আপনি দেখে থাকেন তাহলে কিছুটা বিভ্রান্তই হবেন।

    কারণ অনেক সংবাদ মাধ্যম ধরেই নিয়েছে যে অ্যারিজোনা(যেখানে অতিরিক্ত ১১টি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট রয়েছে) এবং উইসকনসিনে(১০টি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট রয়েছে) বাইডেনই জয় পাবেন।

    বিবিসি মনে করে এই অনুমান ধরে নিয়ে হিসাব করলে তা কিছুটা অগ্রিম হয়ে যায়।

    এ বছর তথ্য নেয়ার ক্ষেত্রে বিবিসি রয়টার্স, নির্বাচনী প্রতিষ্ঠান এডিসন রিসার্চ- যারা জনমত জরিপের তথ্য সংগ্রহে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নেটওয়ার্ক- যারা জাতীয় নির্বাচনী জরিপ নিয়ে কাজ করে, তাদের সহায়তা নিয়েছে।

    উইসকনসিনে ৯৯% ভোট গণনা শেষেও দুই প্রার্থীই হাড্ডাহাড্ডি অবস্থানে রয়েছে।

    অ্যারিজোনায় ৮৫% ভোট গণনা শেষ এবং সেখানে বাইডেন ৫১% ভোটে এগিয়ে রয়েছেন আর ট্রাম্প পেয়েছেন ৪৮% ভোট।

    এবারের নির্বাচনের মূল শব্দ মনে হচ্ছে 'ধৈর্য্য'। আপনি আমাদের সাথেই থাকুন এবং যেকোন আপডেট আসার সাথে সাথে আমরা আপনাকে জানাবো।

  7. “স্থায়ী মার্কার” নিয়ে অভিযোগ নাকচ করলো অ্যারিজোনা

    “স্থায়ী কালির মার্কার” বা শার্পি ব্যবহার করে দেয়া ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ ছিল তা ঠিক নয় উল্লেখ করে এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে অ্যারিজোনা রাজ্য কর্তৃপক্ষ।

    স্থায়ী মার্কার বা শার্পি ব্যবহার করার এই প্রক্রিয়াকে উল্লেখ করা হয়েছে শার্পিগেট বলে।

    টুইটারে এক পোস্টে রাজ্যের শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তা, সেক্রেটারি অব স্টেট কেটি হবস বলেন, শার্পি ব্যবহার করে দেয়া ভোট অবৈধ বলে ধরা হবে না।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু পোস্টে অভিযোগ ছিল যে, অ্যারিজোনায় রিপাবলিকান ভোটারদের ভোট দেয়ার জন্য শার্পি দেয়া হয়েছিল যাতে ব্যালট “পড়ার অযোগ্য” হয়।

    “নির্বাচনের কর্মীরা ভোটারদের কাছ থেকে কলম নিয়ে তার পরিবর্তে শার্পি ব্যবহার করতে বলেছিল। যেসব ভোট শার্পি দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছিল সেগুলো আর পড়া যাবে না,” ফেসবুকের এক পোস্টে বলা হয়।

    ডেমোক্র্যাটরা বলছে, “শার্পিগেট” নামে পরিচিতি পাওয়া এই অভিযোগকে একটা ভুল তথ্যের প্রচারণার অংশ, যা জো বাইডেনের এগিয়ে থাকাকে ছোট করে দেখানোর জন্য করা হচ্ছে।

    অ্যারিজোনায় ৮৫% ভোট গণনা করা হয়েছে যার মধ্যে ৭৯ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। শুধু ১৯৯৬ সাল ছাড়া ১৯৫২ সাল থেকে প্রতিবারই এই রাজ্যে জয় পেয়ে আসছে রিপাবলিকানরা।

    Skip X post
    X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

    এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

    সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না

    End of X post

  8. মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যেভাবে অন্য দেশের তুলনায় একেবারেই ভিন্ন

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প
    ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী জো বাইডেন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিশ্বের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি। যুদ্ধ, মহামারি বা জলবায়ৃ পরিবর্তনের মতো কোন আন্তর্জাতিক সংকটের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী ভুমিকা রাখছেন তার প্রভাব অপরিসীম।

    এ কারণেই প্রতি চার বছর পরপর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে আসে, তখন এর ফলাফল কী হবে তা নিয়ে সারা পৃথিবীতেই তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ।

    তবে এটাও ঠিক যে এই নির্বাচনের প্রক্রিয়াটা ঠিক কীভাবে কাজ করে তা অনেকেই হয়তো পুরোপুরি বুঝতে পারেননা।

    এ কারণেই আমরা তৈরি করেছি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য এই সরল গাইড - যাতে যিনি প্রথমবার ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছেন তার একটু সুবিধে হয়।

    প্রতিবেদনটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

  9. অ্যারিজোনায় ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ

    অ্যারিজোনার মেরিকোপা কাউন্টির একটি ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে রিপাবলিকান সমর্থক বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নেয়ার পর ভোট গণনা বন্ধ করবে নাকি করবে না- এমন দ্বিধায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ। ট্রাম্পের পক্ষে পড়া ভোট গণনা করা হবে না - সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়ার পর ট্রাম্পের সমর্থকেরা ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান নেয়। অনেক বিক্ষোভকারী ভোটকেন্দ্রে ঢুকে পড়ার পর তাদেরকে আবার বাইরে বের করে আনা হয়। কর্তৃপক্ষ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ডাকলেও গণনাকারীরা তাদের গণনা বন্ধ করেনি।

    অ্যারিজোনার ফল কি হবে তা এখনো ধারণা করা যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা পর্যন্ত মেরিকোপা কাউন্টির ৮২% ভোট গণনা শেষ হয়েছে যেখানে জো বাইডেন এগিয়ে রয়েছেন। এখনো ৪ লাখ ভোট গণনা বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    ফিনিক্স শহরটিও এই কাউন্টির অংশ। ঐহিত্যগতভাবে এটি রিপাবলিকান রাজ্য হলেও সম্প্রতি এটি দোদুল্যমান রাজ্যে পরিণত হয়েছে।

    Skip X post, 1
    X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

    এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

    সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না

    End of X post, 1

    Skip X post, 2
    X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

    এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

    সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না

    End of X post, 2

  10. ভোট গণনার উত্তেজনার মধ্যেই বিক্ষোভ শুরু

    নির্বাচনী রণক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত রাজ্যগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে যখন টানটান উত্তেজনা চলছে ঠিক তখনই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিক্ষোভ।

    পোর্টল্যান্ড,ওরেগনে প্রতিটি ভোট গণনার দাবিতে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস হয়ে উঠলে ন্যাশনাল গার্ড সক্রিয় হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিক্ষোভ থেকে কিছু মানুষ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে সিটি সেন্টারে কিছু দোকানের জানালা ভাঙচুর করেছে। একে দাঙ্গা বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

    এদিকে মিনিয়াপোলিসে দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী রাস্তা দখল করলে সেখান থেকে কয়েক জনকে আটক করেছে পুলিশ। মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বলছে, বিক্ষোভকারীরা ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার ভোট বন্ধের আহ্বানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছিলেন।

    একই ধরণের বিক্ষোভ হয়েছে নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া এবং শিকাগোতে।

    ডেট্রয়েটে, ট্রাম্প সমর্থকরা ভোট গণনা কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়ে “ভোট গণনা বন্ধ করো” বলে স্লোগান দিতে থাকে। সেসময় জানালা ভাঙচুর করে তারা। অ্যারিজোনার ফিনিক্সেও একই ধরণের ছোটখাটো বিক্ষোভ হয়েছে।

    বিক্ষোভ

    ছবির উৎস, Get

  11. গত কয়েক ঘণ্টায় যা হলো

    গত রাতে উল্লেখযোগ্য কোন পরিবর্তন না এলেও ছয়টি দোদুল্যমান রাজ্যে ভোট গণনা এখনো চলছে। বাইডেনের জয়ের পথে অনেকটা পরিষ্কার হয়ে এলেও যেকোন সময় ফল বদলে যেতে পারে। বর্তমানে বাইডেনের দখলে ২৪৩টি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট রয়েছে এবং ট্রাম্পের রয়েছে ২১৪টি। হোয়াইট হাউজে যাওয়ার জন্য ইলেক্টোরাল কলেজের ২৭০টি ভোট দরকার।

    • মিশিগানে জো বাইডেন জয় পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে- ২০১৬ সালে এই রাজ্যে ট্রাম্পের কাছে হেরেছিলেন হিলারি ক্লিনটন।
    • জর্জিয়ার কর্তৃপক্ষ বলছে যে, সব ভোট গণনা না করা পর্যন্ত ভোট গণনা চালিয়ে যাবেন তারা। সকাল ১০:৪৫ মিনিট পর্যন্ত আরো ৯০ হাজার ভোট গণনা বাকি ছিল। ধীরে ধীরে ট্রাম্পের ভোটের ব্যবধান কমে আসছে। এখন এটি এসে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজারে।
    • নেভাদায় চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। মাত্র ৭ হাজার ৬৪৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। বুধবার কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা তিন টার দিকে পরবর্তী ফল ঘোষণা করা হবে।
    • অ্যারিজোনা জানিয়েছে যে বেলা ১০ টা পর্যন্তও ভোট আসছে। কিন্তু কোন দল এগিয়ে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।
    • উইসকনসিনে এখনো খুব বেশি খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তবে বাইডেন ২০ হাজার ৫১০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
    • পেনসিলভানিয়াতে ট্রাম্পের ব্যবধান কমে এসেছে। এ পর্যন্ত ৯০% ভোট গণনা করা হয়েছে। ট্রাম্প এক লাখ ৬৪ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। বুধবার বিকেলে তিন লাখ ৭০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন তিনি।
    • নর্থ ক্যারোলাইনায় ৯৬% ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এতে ট্রাম্প ৭৬ হাজার ৭৩৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
    • জর্জিয়ায় ট্রাম্পের প্রচারণা দল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ট্রাম্প প্রচারণা দল। এ নিয়ে চারটি রাজ্যে অনিয়মের অভিযোগ তুললো তারা।
    • দুই দলই বিক্ষোভ করেছে। ডেট্রয়েট, মিশিগান এবং ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভানিয়ায় ডেমোক্র্যাটরা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে “আমার ভোট গণনা করুন” লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেছে। ট্রাম্পের সমর্থকরাও ভোট কেন্দ্রে গিয়ে বিক্ষোভ করেছে-অ্যারিজোনায় তারা ভোট গণনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
    • সেনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে রিপাবলিকানরা। তবে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে চারটি আসন ছিনিয়ে নেয়ার আশা করছে ডেমোক্র্যাটরা।
    বিক্ষোভ

    ছবির উৎস, Reuters

  12. এই মুহূর্তে কার জন্য জয় সহজ?

    বাইডেন:

    এখন অ্যারিজোনা, নেভাডা এবং উইসকনসিন রাজ্যে এগিয়ে আছে বাইডেন - এটা ধরে রাখতে পারলেই যথেষ্ট তার জয়ের জন্য।

    মিশিগানের ডেট্রয়েটের ভোটগুলো বেশিরভাগই পড়েছে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। সেখানে পোস্টাল ভোটেই এগিয়ে গেছেন বাইডেন।

    অ্যারিজোনায় এখনো পোস্টাল ভোট গণনা শেষ হয়নি। তবে সেখানে স্থিতিশীল একটি লিড আছে বাইডেনের।

    নেভাডায় দু'জেনর মধ্যে পার্থক্য খুবই কম, ব্যবধান মাত্র কয়েক হাজার ভোটের। এখানে নির্বাচনের দিনের ভোট পড়েছে ট্রাম্পের পক্ষে, আর পোস্টাল ব্যালটের ভোট বাইডেনের পক্ষে।

    ট্রাম্প:

    যেসব জায়গায় ট্রাম্প এগিয়ে আছেন, সেসব জায়গায় লিড ধরে রাখতে হবে।

    বিশেষত, পেনসিলভানিয়া এবং জর্জিয়া রাজ্যে।

    এখন পর্যন্ত বাইডেন যেসব রাজ্যে এগিয়ে আছেন, সেসবের অন্তত একটি রাজ্যে রিপাবলিকানদের জয় দরকার।

    নেভাডায় ভোটের ব্যবধান খুবই কম। এই স্টেটে ফলাফল ট্রাম্পের পক্ষে নিয়ে আসতে তাকে হয়তো খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।

    যেসব পোস্টাল ভোট দেরিতে এসেছে, সেগুলো যদি ট্রাম্পের পক্ষে থাকে, তাহলে বর্তমান পূর্বাভাস ঘুরতে সময় লাগবে না।

    উইসকনসিনে ট্রাম্প পিছিয়ে আছেন।

    পেনসিলভানিয়া এবং জর্জিয়া এখন পর্যন্ত বর্তমান প্রেসিডেন্টের শেষ ভরসার স্থান। কিন্তু কেবলমাত্র এসব স্টেটে জয়ই তার হোয়াইট হাউজ ধরে রাখা নিশ্চিত করতে পারবে না।

    এর কারণ জর্জিয়ার আটলান্টার ভোট গণনা বাকি - এই কাউন্টিতে সাধারণত ডেমোক্র্যাট ভোট বেশি পড়ে।

    অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ায় লাখ লাখ ভোট গণনা বাকি রয়েছে।

    ট্রাম্প ও বাইডেন
  13. ভোটের ডামাডোলে করোনাভাইরাসের রেকর্ড

    ভোটের ডামাডোলে করোনাভাইরাসের রেকর্ড
  14. ট্রাম্পের আহ্বানে কান দিলেন না পেনসিলভানিয়ার গভর্নর

    ভোট গণনা বন্ধ করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রচারণা দলের আহ্বান উপেক্ষা করে পেনসিলভানিয়ার গভর্নর টম উলফ জানিয়েছেন, তার রাজ্যে ভোট গণনা চলবে।

    এর আগে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, পেনসিলভানিয়ায় ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করছে ডেমোক্র্যাটরা।

    প্রচারণা দলের ডেপুটি ব্যবস্থাপক জাস্টিন ক্লার্ক বলেন, ডেমোক্র্যাটরা রিপাবলিকান ভোট বঞ্চিত করে সেগুলো কমিয়ে দেখানোর পরিকল্পনা করছে। তবে সেখানে ভোট জালিয়াতি কিংবা অনিয়মের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

    “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর এমন চেষ্টা লজ্জাজনক,” বলেন ডেমোক্র্যাট গভর্নর মি. উল্ফ। “প্রত্যেক পেনসিলভানিয়াবাসীর ভোটের অধিকার রক্ষায় আমি লড়ে যাবো। প্রতিটি ভোট যাতে গণনা করা হয় তার জন্য আমার সাধ্যের সবটুকু চেষ্টা করবো।”

    বিক্ষোভ

    ছবির উৎস, EPA

  15. কোন প্রার্থী কী বললেন?

    ট্রাম্প ও বাইডেন
  16. পেনসিলভানিয়ায় কমে আসছে ভোটের ব্যবধান

    সবশেষ গণনা বলছে, পেনসিলভানিয়া রাজ্যে যেখানে ট্রাম্প বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন সেখানে কমে আসছে ব্যবধান।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত মোট ভোটের ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এক লাখ ৬৪ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন ট্রাম্প। বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ বাইডেনের তুলনায় ট্রাম্পের ভোটের ব্যবধান ছিল তিন লাখ ৭৯ হাজার ৬৩৯টি।

    সিবিএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পোস্টাল ভোট এই মোড় অনেকটা ঘুরিয়ে দিয়েছে। পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ৩১ লাখ পোস্টাল ভোটের মধ্যে ৬৩%পড়েছে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে।

    ২০টি ইলেক্টরাল কলেজের ভোট থাকায় পেনসিলভানিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী রাজ্য। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দিয়ে দোদুল্যমান রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশের আগে এটি টানা ছয় বার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

    Vote counting

    ছবির উৎস, Getty Images

    ছবির ক্যাপশান, পেনসিলভানিয়ায় পোস্টাল ভোট গণনা করছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মীরা।
  17. এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে

    • এখন পর্যন্ত ২৪৩টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন জো বাইডেন, ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি। জয় পেতে প্রয়োজন ২৭০টি ভোট।
    • জো বাইডেন বলেছেন, এটা পরিস্কার যে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় রাজ্যগুলোতে জয় পাচ্ছেন। যদিও মূল ফলাফল এখনো আসেনি।
    • জর্জিয়া, পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন ও মিশিগানে ভোট গণনা বন্ধে মামলা করেছে ট্রাম্প শিবির।
    • ভোটগ্রহণ ও গণনার দুইদিনে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় দুই লাখ মানুষের মধ্যে নুতন করে কোভিড সংক্রমণ হয়েছে।
    • ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্য নেভাডার ভোটের ফলাফলের ওপর মনোযোগ সবার। ধারণা করা হচ্ছে এই রাজ্যের ফলাফলের ওপর নির্ধারিত হতে পারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল।
    • পেনসিলভানিয়া রাজ্যে লক্ষ লক্ষ পোস্টাল ভোট গণনা করা হবে আজ সারারাত জুড়ে, তাই চূড়ান্ত ফল আজ প্রকাশ করা নাও হতে পারে। অ্যারিজোনা রাজ্য জানিয়েছে যে আজ চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে না।
    • মার্কিন নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভোট পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন জো বাইডেন। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বাইডেনের পাওয়া ভোট প্রায় সাড়ে ৭ কোটি ১৫ লাখ। এর আগে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ার রেকর্ড ছিল বারাক ওবামা’র, যিনি ২০০৮ সালে ৬.৯৫ কোটি ভোট পেয়েছিলেন।
    • ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৩ টি অঙ্গরাজ্যে জয় পাবেন বলে পূর্বাভাস। এর মধ্যে রয়েছে টেক্সাস, ওহাইও এবং ফ্লোরিডা।
    • প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন, যদিও কোন প্রমাণ দেননি, তিনি বলেছেন তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।
    • বাইডেন প্রচারণা শিবির বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য 'আপত্তিকর' এবং তারা আরো বলছে 'গণনা বন্ধ হবে না'।
    • কোনো কারণে যদি টাই হয়, অর্থাৎ দুই প্রার্থীব ২৬৯টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পায়, তাহলে কংগ্রেসের নিম্মকক্ষের সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে প্রেসিডেন্ট। সেসময় প্রত্যেক রাজ্যের একজন প্রতিনিধি একটি করে ভোট দিতে পারবেন। বিজীয় হতে কোনো প্রার্থীকে অন্তত ২৬টি ভোট পেতে হবে।
    • যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ জায়গাতে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি থাকলেও মিশিগানের ডেট্রয়েটে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দুই দলের প্রার্থীদেরই আদালত কক্ষে ঢুকতে দেয়া হয়নি।
  18. পালাবদল

    যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে বিবিসি বাংলার লাইভ পেইজে সকাল থেকে সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    এতক্ষণ আপনাদের সাথে ছিলাম আমি নাগিব বাহার, আমি এখান থেকে বিদায় নিচ্ছি।

    এখন থেকে এই পাতায় নির্বাচন সংক্রান্ত খবর, বিশ্লেষণ আর আপডেট দেবেন সহকর্মী মুন্নী আক্তার।

  19. বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি: যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা প্রধান

    যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সাইবার বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন যে ভোট গণনায় বিদেশি কোনো পক্ষ হস্তক্ষেপ করেছে, এমন কোনো প্রমাণ সরকারের কাছে নেই।

    এক বিবৃতিতে ক্রিস্টোফার ক্রেবস তুলে ধরেন যে ‘কোনো বিদেশি পক্ষ আমেরিকানদের ভোট দেয়া থেকে বিরত রাখতে পেরেছে অথবা ভোটের গণনায় পরিবর্তন করতে পেরেছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই।’

    ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের বিপক্ষে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টার পেছনে রাশিয়ার ভূমিকা ছিল বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

    মি ক্রেবস বলেছেন, “ভোট গণনার প্রক্রিয়া চলাকালীন বা চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগে বিদেশি কোনো পক্ষ যেন প্রভাব খাটাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি অব্যাহত রাখবো আমরা।"

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির এখন পর্যন্ত কারচুপির অভিযোগ করার পাশাপাশি একাধিক রাজ্যে ভোট গণনার ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নিলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

  20. সেনেটে ফের রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা এখনো নিশ্চিত না হলেও সেনেট এবং হাউজ অব রেপ্রেজেন্টেটিভের অধিকাংশ প্রতিযোগিতার ফলই চূড়ান্ত হয়েছে। যেই প্রার্থীই জয় লাভ করুক, তারা বিভক্ত একটি কংগ্রেসরই সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

    রিপাবলিকানদের কাছ থেকে অন্তত চারটি আসন জিতে সেনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার আশা ছিল ডেমোক্র্যাটদের। তবে তারা মাত্র একটি আসন দখল নিতে পেরেছে।

    আর ‘হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’এর আসন ভারসাম্যও প্রায় অপরিবর্তিতই রয়েছে। সেখানেও ডেমোক্যাটরা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।