ব্রেকিং, হাওয়াই জিততে যাচ্ছেন বাইডেন
হাওয়াই রাজ্যে জিততে চলেছেন জো বাইডেন। ১৯৫৯ সালে রাজ্যটি হওয়ার পর থেকে এখানে মাত্র দু বার রিপাবলিকান প্রার্থী জিততে পেরেছিলো। এ রাজ্যে ইলেক্টোরাল ভোট আছে চারটি।
আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্য পেনসিলভানিয়ার বিশটি ইলেকটোরাল ভোট ঝুলিতে আসার সাথে সাথে জো বাইজেন পেরিয়ে গেলেন জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের লক্ষ্যমাত্রা। তিনি নেভাডা জিতেছেন। জর্জিয়া আর অ্যারিজোনায় এগিয়ে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
হাওয়াই রাজ্যে জিততে চলেছেন জো বাইডেন। ১৯৫৯ সালে রাজ্যটি হওয়ার পর থেকে এখানে মাত্র দু বার রিপাবলিকান প্রার্থী জিততে পেরেছিলো। এ রাজ্যে ইলেক্টোরাল ভোট আছে চারটি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা যে “সত্যি কথা বলতে গেলে আমরা নির্বাচনে জিতেছি” নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ডেমোক্র্যাট রাজনীতিকরা। নিউইয়র্ক থেকে পুন:নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনায় থাকা কংগ্রেসম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেজ মিস্টার ট্রাম্পের দাবির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন এ দাবি 'অবৈধ, বিপজ্জনক ও একরোখা'। “ভোট গণনা করুন। ফলকে সম্মান করুন,” তিনি বলেছেন টুইটে। মিনেসোটার হাউজ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইলহান ওমর মিস্টার ট্রাম্পকে ‘বিপজ্জনক ব্যক্তি’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন তার টুইটে। বলেছেন, “আপনি ব্যালট গণনা বন্ধ করতে পারেননা”। তিনি বলেন, “এটা কোনো একনায়কতন্ত্র নয়”। মিনেসোটার সিনেটর আমি ক্লোবুচার বলেছেন, “সব ভোট গুনতে হবে। আমরা গণতন্ত্রে বাস করি”। ট্রাম্পের বক্তব্যের পরপরই এ মন্তব্য করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন? এই প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি। কিছু সম্ভাব্য বিষয় নিচে দেয়া হলো:
হয়তো কয়েকদিনেও জানা যাবেনা- এটাই হয়তো সম্ভাব্য পরিস্থিতি কারণ পোস্টাল ভোট নিয়ে লড়াই চলছে মিশিগান, উইসকনসিন এবং পেনসিলভানিয়ায়। এসব ভোটের গণনা এখনো সম্পন্ন হয়নি।
আইনজীবীরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন- ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করার হুমকি দিয়েছেন। এর মানে হলো এর নিষ্পত্তি হতে সময় লাগতে পারে কয়েক সপ্তাহ। অনিশ্চয়তা থেকে সহিংসতার আশঙ্কা- অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে এটি নিশ্চিত। যদিও অনেক আমেরিকান তাদের উদ্বেগের কথা বলছেন তারপরেও বড় ধরণের কোনো সহিংসতার দিকে যাবে কিনা পরিস্থিতি তা বলার মতো যথেষ্ট সময় এখনো আসেনি।
বিবিসি বাংলার এই লাইভ পাতা থেকে বিদায় নিচ্ছি আমরা, আহ্রার হোসেন এবং সায়েদুল ইসলাম। তবে এই পাতায় সর্বশেষ খবর, ফলাফল ও এবং বিশ্লেষণ প্রকাশ বন্ধ থাকবে না। এই মুহূর্ত থেকে আমাদের পরিবর্তে নির্বাচনের বাদবাকি খবর দেবেন সহকর্মী মীর সাব্বির এবং রাকিব হাসনাত। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে থাকবার জন্য।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এখন ভোট গণনা চলছে।
বেশ কিছু রাজ্য থেকে যে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ইলেকটোরাল কলেজের ভোটের হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় জো বাইডেন খানিকটা এগিয়ে থাকলেও দুজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে।
৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০টি রাজ্যের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাতে ২২০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে যাচ্ছে জো বাইডেন আর ডোনাল্ড ট্রাম্প পেতে যাচ্ছেন ২১৩টি ভোট।
বিজয়ী হতে হলে তাদের ইলেকটোরাল কলেজের ২৭০টি ভোট পেতে হবে।
বিপুল পোস্টাল ব্যালট পড়ায় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল পেতে আরো সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এর মধ্যেই ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে এক বক্তৃতায় ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন বলেছেন, তারা জয়ের পথে রয়েছেন বলে বিশ্বাস করেন।
প্রতিটা ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটার (নির্বাচনী প্রক্রিয়ার) সমাপ্তি হবে না।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি বিজয়ী হয়েছেন। কোন প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি দাবি করেছেন যে নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে।
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে লড়াই করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনের রাতে যখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ভোট গণনা চলছে, তখন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিক্ষোভ করতে শুরু করেছেন।
বেশিরভাগ স্থানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চললেও হোয়াইট হাউজের বাইরে সংঘর্ষের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।
লস অ্যাঞ্জেলস, ক্যালিফোর্নিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা, পোর্টল্যান্ড, ওরেগন এবং নিউ ইয়র্ক শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কায় আগে থেকেই বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট তালাবন্ধ করেছেন।
নির্বাচনের রাতে যখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ভোট গণনা চলছে, তখন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিক্ষোভ করতে শুরু করেছেন।
তাদের মিছিলের কারণে শহরের অনেক এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্ষোভকারীরা শ্লোগান দিচ্ছেন, ‘’আমরা যদি বিচার না পাই, তাহলে তোমরা শান্তিও পাবে না।‘’
বেশিরভাগ স্থানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চললেও হোয়াইট হাউজের বাইরে সংঘর্ষের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।
লস অ্যাঞ্জেলস, ক্যালিফোর্নিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা, পোর্টল্যান্ড, ওরেগন এবং নিউ ইয়র্ক শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কায় আগে থেকেই বিভিন্ন শহরের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানপাট তালাবন্ধ করেছেন।
সিবিএস নিউজের সাংবাদিক ক্রিস্টিনা রুফিনি তার টুইটার একাউন্টে বিক্ষোভের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।
সাধারণত নির্বাচনের দিন রাতেই ফলাফল সম্পর্কে আভাস পাওয়া যায়।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে আলাদা আলাদা সময়ে ভোট গ্রহণ শেষ হবে। ফলে ভোট গণনাও আলাদা আলাদা সময়ে শেষ হয়।
নির্বাচনের রাতে সব ভোট গণনা কখনোই শেষ হয়না। তবে কে বিজয়ী হতে যাচ্ছে, সেই সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলো যখন ধারণা করতে শুরু করে যে, কোন একজন প্রার্থীর আর পরাজয়ের সম্ভাবনা নেই, তখন থেকেই তারা তার নাম প্রচার করতে শুরু করে।
কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সব ভোট গণনা শেষ না হচ্ছে, ততক্ষণ এটা একটা পূর্বাভাস মাত্র। চূড়ান্ত ফলাফল নয়।
দেশজুড়ে বেশি ভোট পাওয়া মানেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া নয়। তাকে আসলে বেশি রাজ্যের ভোট পেতে হবে।
জনসংখ্যার বিচারে প্রতিটি রাজ্যের জন্য নির্দিষ্ট ইলেকটোরাল ভোট পান ওই রাজ্যের বিজয়ী প্রার্থী।
হোয়াইট হাউজে যেতে হলে প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট পেতে হবে।
২০১৬ সালে নির্বাচনের রাতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে বিজয়ী বলে দাবি করেন. তখন উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ভোট মিলে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট নিশ্চিত হয়ে যায়।
এই খবরের বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
ভোট দেয়ার জন্য আমেরিকান জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে হোয়াইট হাউজের ইস্ট রুম থেকে বক্তৃতা শুরু করেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজেকে বিজয়ী দাবি করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ''আমরা বিজয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলাম, সত্যি কথা বলতে, আমরাই বিজয়ী হয়েছি।''
এরপর কোন রকম প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে।
এটা আমেরিকান জনগণের সঙ্গে প্রতারণা দাবি করে তিনি জানান, নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে লড়াই করতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাবেন।
''আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে যাবো। এখন আমরা সব ভোট গণনা কার্যক্রম বন্ধ চাই। এটা খুবই দুঃখজনক একটি মুহূর্ত।'' বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
২০২০ সালের নির্বাচনে কয়েক কোটি মানুষ ভোট দিয়েছে, যা এখনো গণনা চলছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ের যে দাবি করেছেন তার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা এখন পর্যন্ত নেই।
অনেকেই পোস্টাল ব্যালট বা ডাক যোগে আসা ভোটের ব্যাপারে শুনেছেন-সন্দেহ নেই।
পোস্টাল ব্যালট নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালে এরকম ভোটের সংখ্যা ছিল এক-তৃতীয়াংশ। তবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এই বছর সেটা অনেক বেশি হয়েছে।
অনেক রাজ্যে ডাকে আসা ভোট আসা মাত্রই গণনা করা হয়। আবার কিছু কিছু রাজ্যে এরকম ভোট গণনার জন্য নির্বাচনের আগের কয়েকদিন নির্ধারিত করে রাখা হয়।
অন্য রাজ্যগুলোয় নির্বাচনের দিনের আগ পর্যন্ত ডাকে আসা ভোট বা পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয় না।
সবসময়ের মতো কয়েকটি সুইং স্টেটের ভোট গণনার দিকে সবাই কড়া নজরে তাকিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে পেনসিলভানিয়া আর উইসকনসিনের দখল নিতে চান উভয় প্রার্থী- ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন। এসব রাজ্যে নির্বাচনের দিন থেকে পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়েছে, যা কয়েকদিন পর্যন্ত চলতে পারে।
এর মধ্যেই মিশিগানের কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের সব ভোট গণনা শেষ হতে শুক্রবার পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
ব্লুমবার্গ নিউজ এর মধ্যেই খবর প্রকাশ করেছে যে, চূড়ান্ত ফলাফল বুধবার বিকালের (যুক্তরাষ্ট্রের সময়) আগে জানা যাবে না।
সুতরাং নির্বাচনের পুরো ফলাফল জানতে আরও বেশ খানিকটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি টুইটের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে সামাজিক মাধ্যম প্রতিষ্ঠান টুইটার বলছে, সেখানে ‘নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী তথ্য থাকতে পারে’ এবং নির্বাচন নিয়ে সঠিক তথ্য খুঁজে দেখার জন্য টুইটার ব্যবহারকারীদের পরামর্শ দিয়েছে।
ডেলাওয়ারে জো বাইডেন এক বক্তৃতায় বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জানিয়ে সবাইকে ভোট গণনা পুরোপুরি শেষ না হওয়ার পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহবান জানান।
এর কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি টুইট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘’তারা আমাদের বিজয় চুরি করার চেষ্টা করছে। আমরা তাদের সেটা কখনোই করতে দেবো না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে ভোট গ্রহণ হতে পারে না।‘’
ওই টুইটের ব্যাপারেই সতর্ক করলো টুইটার।
পুরো নির্বাচনের সময় জুড়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভোট চুরির নানা অভিযোগ তুলেছেন, তবে সেসবের পক্ষে কোন তথ্যপ্রমাণ দেননি।
নির্বাচনী রাতে ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে এক বক্তৃতায় ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন বলেছেন, তারা জয়ের পথে রয়েছেন বলে বিশ্বাস করেন।
বক্তৃতায় জো বাইডেন বলেছেন:
''আমরা জয়ের পথে রয়েছি বলে আমরা বিশ্বাস করি।
সব ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখন আমাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।
প্রতিটা ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটার (নির্বাচনী প্রক্রিয়ার) সমাপ্তি হবে না।
আমরা যে অবস্থায় রয়েছি, তাতে আমরা আশাবাদী।
আমরা অ্যারিজোনায় জয় পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এর মধ্যেই মিনেসোটায় জয় পেয়েছি। জর্জিয়াতেও আমাদের সম্ভাবনা রয়েছে। মিশিগানে জয় পাওয়ার ব্যাপারেও আমরা আশাবাদী।
পেনসালভানিয়াতে ভোট গণনা শেষ হতে সময় লাগবে। সব ভোট গণনা শেষ হলে সেখানেও আমরা জয় পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।
'আমরা আগামীকাল সকাল নাগাদ পুরো ফলাফল পেতে পারি। তবে এটা আমার বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের দায়িত্ব নয় বলা যে, কে বিজয়ী হবে? এটা আমেরিকান জনগণের সিদ্ধান্ত।'
ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি টুইট বার্তায় বিরোধী পক্ষকে অভিযুক্ত করে বলছেন, '' আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী, কিন্তু তারা নির্বাচন চুরির চেষ্টা করছে। আমরা কখনোই তাদের সেটা করতে দেবো না। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরে ভোট গ্রহণ করা যায় না।''
ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন ডেলাওয়ারের উইলমিংটনের চেজ সেন্টারে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাষণ দিতে যাচ্ছেন।
যেহেতু এখনো অনেক অঙ্গরাজ্যে ফলাফল আসছে, বেশ কয়েকটি সুইং স্টেটের ফলাফল এখনো বাকি রয়েছে, তাই মি. বাইডেন এই বক্তব্যে নিজেকে বিজয়ী হিসাবে ঘোষণা করার সম্ভাবনা কম।
ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও আজ রাতে ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে। হোয়াইট হাউজে তিনি নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ পার্টির আয়োজন করেছেন, যেখান চারশোর বেশি অতিথি থাকছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসের অনেকগুলো আসন, বেশ কিছু আইন হওয়া না হওয়া নিয়েও ভোটাভুটি হয়ে তাকে।
এবারের নির্বাচনে নিউ জার্সির ভোটাররা ব্যাপকভাবে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহার বৈধ করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এপি এই তথ্য জানিয়েছে।
এর মানে হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ১২তম অঙ্গরাজ্য হিসাবে নিউ জার্সিতে গাঁজা বৈধ হবে। ৬৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে এবং সবগুলো কাউন্টিতে সমর্থন পেয়েছে।
নিউ জার্সির এই সিদ্ধান্তের পরে জানা যাছে যে, অ্যারিজোনাতেও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গাঁজা বৈধ করার একটি প্রস্তাব পাস হতে যাচ্ছে।
গাঁজা বৈধ করা হবে কিনা, এই প্রশ্নে মনটানা এবং সাউথ ডাকোটাতেও ভোট গ্রহণ হয়েছে। তবে সেখানকার ফলাফল এখনো জানা যায়নি।