আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু সোমবার থেকে- আইনজীবীর ঘোষণা

ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্য পেনসিলভানিয়ার বিশটি ইলেকটোরাল ভোট ঝুলিতে আসার সাথে সাথে জো বাইজেন পেরিয়ে গেলেন জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের লক্ষ্যমাত্রা। তিনি নেভাডা জিতেছেন। জর্জিয়া আর অ্যারিজোনায় এগিয়ে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সরাসরি কভারেজ

  1. ট্রাম্প বা বাইডেন- কে জিতলে কেমন হতে পারে বৈশ্বিক পরিস্থিতি?, ভিডিওটি যদি ইতোমধ্যেই না দেখে থাকেন..

    বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমেরিকার শীর্ষ পদে বসতে মুখোমুখি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জো বাইডেন।

    বলা হয়ে থাকে, আগামী কয়েক বছরে বৈশ্বিক পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে তার অনেকটাই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে কে ক্ষমতায় বসছেন তার উপর।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতলে কেমন হতে পারে বৈশ্বিক পরিস্থিতি? আর যদি জো বাইডেন জেতেন?

    চীন, ইরান কিংবা মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে রাজনীতি, অভিবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুকে সামনে রেখে এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন বিবিসির তাফসীর বাবু।

  2. জর্জিয়ায় বাইডেন এগিয়ে, বিপদে ট্রাম্প

    গুরুত্বপূর্ণ জর্জিয়া রাজ্যে ভোট গণনায় জো বাইডেন এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৯০০ ভোটে এগিয়ে গেছেন। আর মাত্র কয়েক হাজার ভোট গণনা বাকি আছে।

    জর্জিয়ার ১৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। এই রাজ্য মি. বাইডেনের পক্ষে গেলে তার থলিতে ২৬৯টি ইলেকটোরাল ভোট আসবে, অর্থাৎ চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য মাত্র একটি বাকি থাকবে। জয়ের জন্য প্রয়োজন ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট।

    জর্জিয়ায় মি. বাইডেনের জয় ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সরাসরি বিজয়ের সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দিবে। মি. ট্রাম্প যদি বাকি রাজ্যগুলোতে জয়ীও হন – যেটার সম্ভাবনা খুবই কম – তাহলেও তিনি ২৬৯টি ইলেকটোরাল ভোট পাবেন, যার ফলে এই প্রতিযোগিতা অমীমাংসিত বা ড্র হবে যেটা মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীন।

    জর্জিয়ায় মি. বাইডেনের বিজয় ডেমোক্র্যাট পার্টির জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হবে। এই রাজ্য ১৯৬৪ সাল থেকে এ’পর্যন্ত চার বার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিয়েছে, শেষ বার ছিল ১৯৯২ সালে যখন বিল ক্লিনটন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ছিলেন। জর্জিয়ার আশে-পাশের রাজ্যগুলো সব রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে, আমেরিকার রাজনৈতিক মানচিত্রে যেগুলো লাল রং-এ দেখানো হয়। মি.বাইডেন জয়ী হলে মানচিত্রে জর্জিয়া হবে লাল সমুদ্রে একটি নীল দ্বীপ।

  3. কখন চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া সম্ভব?

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মঙ্গলবারে অনুষ্ঠিত হলেও আমরা এখনও কোনো বিজীয় পাইনি। এখন পর্যন্ত যা পরিস্থিতি, তাতে এগিয়ে রয়েছে বাইডেনই।

    জর্জিয়াতে দুই প্রার্থী আসলে সমতায় রয়েছেন। ট্রাম্প সেখানে এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান নেমে এসেছে মাত্র ৬০০ ভোটে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা ব্যালট গণনা চালিয়ে যাবেন এবং শুক্রবারের মধ্যে এই রাজ্যের চূড়ান্ত ফলাফল পেয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তারা।

    প্রায় ৮৯% ভোট গণনা শেষে নেভাডায় ১১ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন।

    পেনসিলভানিয়ায় ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার ব্যবধান ২০ হাজার ভোটে নেমে এসেছে। সেখানে এখনো লক্ষাধিক ভোট গণনা বাকি।

    অ্যারিজোনায় বাইডেন অনেক ভোটে এগিয়ে থাকলেও বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ভোটে।

    আলাস্কা ও নর্থ ক্যারোলাইনায় এখনো ভোট গণনা চলছে, দুই রাজ্যেই এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প।

  4. নেভাডাতেও মামলা করেছে ট্রাম্প শিবির

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যে একই ধরণের পদক্ষেপ নেয়ার পর নেভাডাতেও মামলা করেছে ট্রাম্প শিবির।

    মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম এবিসি নিউজের খবর অনুযায়ী, অভিযোগ গুলোর মধ্যে কয়েকটি এরই মধ্যে আদালতের সামনে উপস্থাপন করা হলেও সেগুলো অসফল হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ব্যালট গণনা বন্ধ করার একটি দাবিও ছিল।

    কোনো ধরণের প্রমাণ পেশ না করে মামলার অভিযোগে বলা হয়: “ক্লার্ক কাউন্টির নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অস্বাভাবিকতা ছিল। তার মধ্যে ৩ হাজারের বেশি অযোগ্য মেইল ইন ভোট ছিল।”

    যেসব রাজ্যে বাইডেন এগিয়ে রয়েছেন বা ট্রাম্পের এগিয়ে থাকার ব্যবধান কমে গেছে, সেসব রাজ্যে নির্বাচনি কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন ট্রাম্প।

    নেভাডা রাজ্যে বাইডেন এগিয়ে থাকলেও ট্রাম্প সমর্থকরা ভোট গণনা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

  5. সম্ভাবনাময় বাইডেনের জন্য ‘নিরাপত্তা জোরদার করা হবে’

    মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা শুক্রবার থেকে সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে খবর প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

    পত্রিকাটি খবর প্রকাশ করেছে যে, শুক্রবার জো বাইডেন ভাষণ দিতে পারেন, এমন তথ্য গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়েছেন বাইডেনের এজেন্টরা।

    যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র ক্যাথরিন মিলহোয়ান এই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেছেন যে তার সংস্থা শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য করে না।

    এ বিষয়ে জো বাইডেনের সহযোগীরাও কথা বলতে রাজি হননি।

    জো বাইডেন ও তার নির্বাচনী প্রচারণার দল ডেলাওয়ারের একটি কনভেনশন সেন্টারে অবস্থান করছেন।

  6. ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে যা বলছেন দুই প্রার্থী

    ট্রাম্প দাবি করছেন 'আইন-সম্মত' ভোট গুনলে তিনিই নির্বাচনে জয়ী হবেন।

    তবে জো বাইডেন তার সমর্থকদের ধৈর্য্য ধরতে আহ্বান করেছেন।

  7. ২০০০ সালে ভোট গণনা নিয়ে যা হয়েছিল

    নির্বাচনে ভোট গণনার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এবার যেমন দু পক্ষের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, সেরকমই দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল ২০ বছর আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে, ফ্লোরিডার ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে।

    ডেমোক্র্যাট আল গোর ও রিপাবলিকান জর্জ ডব্লিউ বুশের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। তবে ভোটের দিন মনে হচ্ছিল যে আল গোরই জিততে যাচ্ছেন।

    জনপ্রিয় ভোটে গোর অনেক এগিয়ে থাকলেও ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে দুই প্রার্থীর লড়াই হচ্ছিল। সব নির্ভর করছিল ফ্লোরিডার ইলেকটোরাল কলেজ ভোট কার পক্ষে যায়, তার ওপর।

    ঐ সময় ফ্লোরিডা রাজ্যে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনী নীতি অনুসরণ করা হচ্ছিল। ভোট গণনার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর ভোট পুনর্গণনার দাবি ওঠে।

    বুশ শিবিরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোর শিবির চারটি কাউন্টিতে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করে।

    শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ পর মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ৫-৪ ভোটে জর্জ বুশকে বিজয়ী ঘোষণা করে।

    এখন পর্যন্ত আমেরিকার শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপে নির্বাচনের ফল নির্ধারণের ঘটনা ঐ একবারই।

  8. জিততে হলে কার কী দরকার?

    আপনি যদি মাত্র আমাদের সাথে যোগ দিয়ে থাকেন, তাহলে একনজরে দেখে নিতে পারেন নির্বাচনে জিততে হলে কোন প্রার্থীর কোন রাজ্যে জয় প্রয়োজন।

  9. চূড়ান্ত ফলাফল কত দূরে?

    বৃহস্পতিবারের ভোট গণনা এখনও শেষ হয়নি এবং বাকি পাচটি রাজ্যে কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থী জয় পেতে যাচ্ছেন কি না, তাও এখন পর্যন্ত ধারণা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে জো বাইডেন ধীরে ধীরে বিজয়ের দিকে আগাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।

    চারটি ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যের ওপর এখন সবার নজর

    জর্জিয়া: এই রাজ্যে ট্রাম্প এখনও সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবারে যেখানে ১৮ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন তিনি, শুক্রবার সকাল ১১ টা (বাংলাদেশ সময়) পর্যন্ত ঐ ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে ১,৮০০ ভোটে। এখনও প্রায় ১৫ হাজার ভোট গণনা বাকি রয়েছে।

    নেভাডা: দিনের শুরুতে বাইডেন এগিয়ে ছিলেন ৮ হাজার ভোটে, এখন ১১ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

    পেনসিলভানিয়া: বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে ট্রাম্প এগিয়ে ছিলেন ১ লাখ ৬০ হাজার ভোটে। তবে মেইল-ইন ব্যালট গণনা শুরু হওয়ার পর থেকে ব্যবধান কমতে শুরু করে। এখন ট্রাম্প এগিয়ে রয়েছেন প্রায়ঢ ২৫ হাজার ভোটে, আর গোনা বাকি ২ লাখ ২০ হাজার ভোট।

    অ্যারিজোনা: বাইডেন এখানে ৬৯ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ভোটে। এখনও ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি ব্যালট গণনা বাকি রয়েছে।

  10. দুই প্রার্থী যেভাবে জয় পেতে পারেন

    পেনসিলভানিয়া, নেভাডা, অ্যারিজোনা, জর্জিয়া ও নর্থ ক্যারোলাইনা - এই পাঁচটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যের ভোট এখনও গণনা চলছে।

    শুধু পেনসিলভানিয়া অথবা বাকি চারটি রাজ্যের যে কোনো দু’টিতে জয় পেলে জো বাইডেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন।

    অন্যদিকে মি ট্রাম্পের আবারো হোয়াইট হাউজের দায়িত্ব ফিরে পেতে প্রয়োজন পেনসিলভানিয়া এবং বাকি চারটি রাজ্যের তিনটিতে বিজয়।

  11. নেভাডায় ‘৩,০৬২টি কারচুপির ঘটনা’ রিপোর্ট করেছে রিপাবলিকানরা

    যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের কাছে নেভাডা রিপাবলিকান পার্টি একটি সুপারিশ পাঠিয়েছে, যেখানে ‘নির্বাচন কারচুপির অন্তত ৩,০৬২টি ঘটনা’ তুলে ধরা হয়েছে।

    পার্টির পক্ষ থেকে এক টুইটে অভিযোগ তোলা হয় রাজ্য থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার পর যারা ভোট দিয়েছেন, তারা কারচুপির সাথে জড়িত।

    নেভাডায় এখনো ভোট গণনা চলছে, যার সবশেষ ফলাফল অনুযায়ী জো বাইডেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে মাত্র ১১,৪০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। ঐ রাজ্যের ৮৯% ব্যালট এখন পর্যন্ত গণনা শেষ হয়েছে।

  12. নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের অভিযোগ কী?

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার অভিযোগ তুলেছেন, প্রমাণ ছাড়া, যে ‘আইন-সম্মত ভোট’ গণনায় তারই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কথা। কিন্তু এই দাবির কোনো যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি নেই। এখনো যেসব ভোট গণনা করা হচ্ছে সবই মেইল করে পাঠানো, আইন-সম্মত ভোট।মেইল ইন ভোটগুলো শেষে গোনা হচ্ছে কারণ অনেক রাজ্যের ক্ষেত্রে সেটিই নিয়ম।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকমাস আগে থেকেই তার সমর্থকদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করে আসছিলেন। পোস্টাল ভোটে জালিয়াতির সুযোগ বেশি থাকে দাবি করে ঐ ধরণের মন্তব্য করছিলেন তিনি। তবে মার্কিন নির্বাচনে জালিয়াতির সুযোগ খুবই কম থাকে। ২০১৭ সালে ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের এক গবেষণা অনুযায়ী মার্কিন নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির সম্ভাবনা ০.০০০৯%।

    মি ট্রাম্পের ঐ ধরণের বক্তব্যের কারণে অধিকাংশ মেইল ইন ভোট জো বাইডেনের সমর্থকদের কাছ থেকে আসার সম্ভাবনা বেশি। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে নিজের সমর্থকদের মেইল ইন ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন জো বাইডেন।

  13. 'তারা নির্বাচন চুরি করছে': ট্রাম্প

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রতিপক্ষ কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন চুরির চেষ্টা করছে। ওয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি কোন প্রমাণ উপস্থাপন করেন নি, তবে তিনি বলেছেন বিভিন্ন রাজ্যে তারা আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন দাখিল করেছেন।

    তিনি বলেন ‘আইন-সম্মত’ ভোট গুনলে তিনি সহজেই বিজয়ী হয়েছেন।যদি, তার ভাষায়, ‘বেআইনি ভোট’ গোনা হয় তাহলে তাদের কাছ থেকে নির্বাচন চুরি করা হচ্ছে।

    মি. ট্রাম্প বলেন যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে তিনি অনেক ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু পরে ‘রহস্যজনক’ ভাবে অনেক নতুন ভোট গোনা শুরু হয়।

    তিনি দাবী করেন, এখানে নির্বাচন শেষ হবার পর ভোট পাঠানো হয়েছে, বেআইনি ভোট গ্রহণ করা হয়েছে, গোপনে ভোট গোনা হয়েছে, ভোট গণনা কেন্দ্রে রিপাবলিকান দলের পর্যবেক্ষকদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। তবে তার এসব দাবীর পক্ষে তিনি কোন প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

    তিনি নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে প্রকাশিত জনমত জরীপের তীব্র নিন্দা করে বলেন যে, তার সমর্থকদের নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে জো বাইডেনকে এগিয়ে দেখিয়ে এসব জরীপ প্রচার করা হয়েছিল।

    নির্বাচনের আগে বেশির ভাগ জরীপে দেখা গিয়েছে মি. বাইডেন দেশব্যাপী এগিয়ে। অনেক পর্যবেক্ষক ধারণা করেছিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর বিপুল বিজয় হবে।

  14. পরাজয় মানার পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্প কর্মকর্তা

    আমেরিকান টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএস ট্রাম্প নির্বাচনী কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রিপোর্ট করেছে যে, জো বাইডেন জয় ঘোষণা করলেই ডোনাল্ড ট্রাম্প পরাজয় মেনে নেবেন, তেমন কোন পরিকল্পনা প্রেসিডেন্টের নেই।

    ‘’একটি সুষ্ঠু এবং অবাধ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জয়ী হবেন,’’ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সিবিএস বলে।

  15. ওয়াইট হাউসের ভেতরে

      • Author, টারা ম্যাককেলভি
      • Role, বিবিসি নিউজ, ওয়াশিংটন

    চার বছর আগে মি. ট্রাম্প বলেছিলেন যে নির্বাচনে ‘কারচুপি’ করা হয়েছে। তিনি এখন একই অভিযোগ তুলছেন। তার নির্বাচনী কর্মকর্তারা ভোট জালিয়াতির কথা বলছেন এবং একটি বিবৃতি দিয়েছেন: ‘’তারা আমাদের কাছ থেকে নির্বাচন চুরি করতে পারে’’ – তবে তারা বলেন নি এই অভিযোগ কিসের ভিত্তিতে করা হচ্ছে।

    ওয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের দফতর ওয়েস্ট উয়িং-এ, অফিস ঘরগুলো বেশ নীরব। ওয়াইট হাউস উপ প্রেস সচিব ব্রায়ান মর্গেনস্টার্ন দিন-রাত কাজ করে চলছেন (আমাকে বললেন, তিনি রাতের উচ্ছিষ্ট মুরগী ফ্রাই দিয়ে সকালের নাস্তা করেছেন)এবং কী হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন। ‘’পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে,’’ তিনি বলেন, ‘’আমরা সবাই স্রোতের সাথে চলছি।‘’

    এখানে মনে হচ্ছে না কেউ চলে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অফিস ডেস্ক গুলোতে চিঠি-পত্রের স্তূপ পরে আছে আর ওয়াইট হাউসের লোগো যুক্ত কাগজের কফি কাপ ছড়িয়ে আছে। পেছনে সিএনএন চলছে একটি টেলিভিশন স্ক্রিনে, তাদের ঘোষণা: ‘’জয়ের প্রান্তে বাইডেন।‘’

    অন্তত এই অফিসে কেউ ঐ রিপোর্ট আমলে নিচ্ছে না। তারা নিজেদের মধ্যে গল্প করছেন, টেলিফোন কলের উত্তর দিচ্ছেন আর আরেটি দীর্ঘ রাতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।

  16. বিদেশি হস্তক্ষেপের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি: যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা প্রধান

    যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সাইবার বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন যে ভোট গণনায় বিদেশি কোনো পক্ষ হস্তক্ষেপ করেছে, এমন কোনো প্রমাণ সরকারের কাছে নেই।

    এক বিবৃতিতে ক্রিস্টোফার ক্রেবস তুলে ধরেন যে ‘কোনো বিদেশি পক্ষ আমেরিকানদের ভোট দেয়া থেকে বিরত রাখতে পেরেছে অথবা ভোটের গণনায় পরিবর্তন করতে পেরেছে, এমন কোনো প্রমাণ নেই।’

    ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের বিপক্ষে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টার পেছনে রাশিয়ার ভূমিকা ছিল বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

    মি ক্রেবস বলেছেন, “ভোট গণনার প্রক্রিয়া চলাকালীন বা চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগে বিদেশি কোনো পক্ষ যেন প্রভাব খাটাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি অব্যাহত রাখবো আমরা।"

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির এখন পর্যন্ত কারচুপির অভিযোগ করার পাশাপাশি একাধিক রাজ্যে ভোট গণনার ক্ষেত্রে আইনি পদক্ষেপ নিলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেনি।

  17. বিবিসি বাংলার এই লাইভ পেজ থেকে আপাতত বিদায় নিচ্ছি আমি মাসুদ হাসান খান। আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। তবে ভোটের গুরুত্বপূর্ণ সব খবরাখবর এর পরও আমরা নিয়মিতভাবেই পোস্ট করে যাব। সেজন্য নজর রাখুন এই পাতায়।

  18. মামলার জন্য ট্রাম্প সমর্থকরা লক্ষ লক্ষ ডলার চাঁদা তুলছেন

    ভোটের ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলিতে যখন গণনার কাজ চলছে সেই সময়ে ট্রাম্প নির্বাচনী দল তাদের মামলা চালানো খরচ তোলার জন্য প্রচারকার্য চালাচ্ছে।

    নানা ধরনের আবেদন পাঠিয়ে ট্রাম্প সমর্থকদের সয়লাব করে দেয়া হচ্ছে যেখানে বলা হয়েছে নির্বাচনের ফল যাতে ‘চুরি’ করতে না পারে সেজন্য ‘বামপন্থীদের ঠেকিয়ে দিন।‘

    মামলার ব্যয়ের জন্য শুধুমাত্র আজকের দিনেই তারা ৮০ লক্ষ ডলার চাঁদা তুলেছেন বলে টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসকে জানিয়েছেন ‘ট্রাম্প ভিক্টরি’ নামের একটি গ্রুপের অর্থ বিষয়ক চেয়ারম্যান।

  19. কেন্টাকির শহরে নতুন মেয়র এক কুকুর!

    ভোট গণনার এই সংকটময় মুহূর্তেও যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে চলেছে নানা ধরনের মজার ঘটনা। তারই একটি এখানে:

    উইলবার হচ্ছে ছয়-বছর বয়সী এক ফ্রেঞ্চ বুলডগ।

    আগামী চারটি বছর তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    কারণ এই কুকুরটিকে কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের র‍্যাবিট হ্যাশ শহরের মেয়র পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। সত্যি তাই!

    উইলবারের মুখপাত্র অর্থাৎ তার মালিক এমি নোল্যান্ড বলছেন, পাঁচশোরও কম অধিবাসী এই ছোট্ট শহরটিতে কখনই কোন মানুষকে মেয়র পদে বসানো হয়নি।

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা ১৯৯০-এর দশকে প্রস্তাব করেন যে সেখানে ইতিহাস চর্চা করে যে সমিতি তার অর্থ সংগ্রহের জন্য মানুষ নয় কোন প্রাণীকে মেয়র নির্বাচিত করা হোক।

    আর তখন থেকেই এই রীতি চলে আসছে বলে টিভি চ্যানেল এনবিসিকে জানান এমি নোল্যান্ড।

    র‍্যাবিট হ্যাশে প্রথম যে কুকুর মেয়র নির্বাচিত হয় তার নাম গুফি।

    এরপর মোট পাঁচবার ঐ শহরে সারমেয় নেতৃত্বকে বরণ করা হয়েছে।

    এমি নোল্যান্ড জানান, উইলবার তার নতুন দায়িত্বকে বেশ গুরুত্বের সাথেই নিয়েছে।

    তবে নতুন মেয়রকে তার পেটে এবং কানে নিয়মিতভাবে আদর করতে হয়।

  20. ব্রেকিং, মিশিগানে ট্রাম্পের মামলা খারিজ করলেন বিচারক

    মিশিগান রাজ্যে ভোট গণনা স্থগিত চেয়ে ট্রাম্প প্রচার দলের এক মামলা বিচারক খারিজ করে দিয়েছেন।

    ঐ রাজ্যের ফার্স্ট ডিস্ট্রিক্ট অ্যাপিলস কোর্টের বিচারক সিনথিয়া স্টিভেন্স বলছেন, মামলাটি দায়ের হতে অনেক দেরি হয়েছে, কারণ গণনা শেষ হতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি।

    তিনি বলেন, মামলায় ভুল কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।

    ভোট গণনা প্রক্রিয়ায় কোনভাবে হস্তক্ষেপ করার আইনগত ক্ষমতা রাজ্যের সেক্রেটারি অফ স্টেটের নেই বলে তিনি জানান।

    প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী প্রচার কর্মকর্তারা যুক্তি দেন যে গণনার সময় রিপাবলিকান পর্যবেক্ষকদের হাজির থাকা উচিত।