আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু সোমবার থেকে- আইনজীবীর ঘোষণা

ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্য পেনসিলভানিয়ার বিশটি ইলেকটোরাল ভোট ঝুলিতে আসার সাথে সাথে জো বাইজেন পেরিয়ে গেলেন জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের লক্ষ্যমাত্রা। তিনি নেভাডা জিতেছেন। জর্জিয়া আর অ্যারিজোনায় এগিয়ে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সরাসরি কভারেজ

  1. বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া

    ডোনাল্ড ট্রাম্প পরাজয় স্বীকার করে নেবার জন্য অপেক্ষা না করেই বিশ্ব নেতারা প্রেসিডেন্ট পদে সদ্য নির্বাচিত মি. ট্রাম্পের প্রতিপক্ষ জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    জার্মান চান্সেলার এঙ্গেলা মেরকেল বলেছেন তিনি জো বাইডেনের সাথে “ভবিষ্যতে সহযোগিতার” ভিত্তিতে কাজ করার জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছেন।

    “আমাদের সময়কার যে বিশাল চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে তা মোকাবেলায় আমেরিকা ও ইউরোপ তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক অটুট রেখে কাজ করবে,” বলেন মিস মেরকেল।

    ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ এক টুইট বার্তায় মি. বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন: “বর্তমানের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। আসুন একসাথে কাজ করি।”

    স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেস বলেন তিনি বাইডেন ও কমালা হ্যারিসের সাথে “সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী” এবং তিনি তাদের “গুড লাক” অভিনন্দন জানান।

    গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিস বলেছেন বাইডেন তার দেশের “প্রকৃত বন্ধু”।

    “তিনি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেবার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত।”

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই অবশ্য এতটা উষ্ণতা প্রকাশ করেননি। তিনি আমেরিকান গণতন্ত্রকে ব্যঙ্গ করে বলেছেন: “নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক্, আমেরিকান প্রশাসনে রাজনৈতিক, নাগরিক ও নৈতিক সব পর্যায়ে নিশ্চিত স্খলন খুবই স্পষ্ট।”

    কানাডার প্রধানমন্ত্রীজাস্টিন ট্রুডো মি. বাইডেন ও কমালা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করার পর একটি দীর্ঘ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন যাতে তিনি বলেছেন কানাডা ও আমেরিকার মধ্যে “সম্পর্ক অন্যন্য – যা বিশ্বে ব্যতিক্রমী”।

    দুই দেশের সরকার “শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায়, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে এবং বিশ্বে জলবায়ু সমস্যার মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করবে।”

  2. রিপাবলিকান নেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    রিপাবলিকান পার্টির উর্ধ্বতন নেতাদের প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে।

    মি. বাইডেনের জয়ের খবর মিডিয়াতে আসার পর দলের সভানেত্রী রনা ম্যাকড্যানিয়েল টুইট করেছেন: “নির্বাচনে কে জিতবে সে সিদ্ধান্ত মিডিয়ার নয়, সে সিদ্ধান্ত ভোটারদের।” তিনি বলেছেন “অনিয়ম ও জালিয়াতির তদন্ত করতে সময় লাগবে।”

    মি. ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন এই নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে, যদিও তিনি কোন তথ্য প্রমাণ দেননি। আজ আরও আগে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেন “কোনরকম ভোট জালিয়াতির” কোন তথ্য প্রমাণ নেই।

    মিসৌরির রিপাবলিকান সেনেটার জশ হলিও টুইটারে মিজ ম্যাকড্যানিয়েলের মত একই দাবি করেছেন।

    তবে মি. ট্রাম্পের একজন সমালোচক, রিপাবলিকান সেনেটার মিট রমনি, সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও সদ্য নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন।

    তিনি লিখেছেন তিনি ও তার স্ত্রী মনে করেন "তারা সজ্জন মানুষ এবং তাদের সদিচ্ছা রয়েছে"।

  3. ব্রেকিং, জো বাইডেন নেভাডায় জিতছেন বলে নিশ্চিত পূর্বাভাস

    বিবিসি জানাচ্ছে জো বাইডেন নেভাডা অঙ্গরাজ্যে বিজয় পেয়েছেন।

    এই বিজয়ের ফলে সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ওই রাজ্যের আরও ছয়টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাচ্ছেন।

    তার সর্বমোট ভোট দাঁড়াচ্ছে ২৭৯।

    নেভাডায় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ২৫,৬৯৯ টি বেশি ভোট পেয়েছেন।

    ১৯৯২ সাল থেকে নেভাডা মূলত ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আসছে। তবে ২০০০ এবং ২০০৪ সালে এই রাজ্য রিপাবলিকান প্রার্থী জর্জ ডাব্লিউ বুশকে জয়যুক্ত করেছিল।

  4. রূদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষার পর বিভিন্ন দেশে বাইডেনের জয়ের খবর

    আমেরিকার সংবাদ নেটওয়ার্কগুলো জো বাইডেন জিতেছেন এ খবর জাননোর পর সাথে সাথেই এ খবর ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। বিশ্বের মানুষ একটা ফলের জন্য রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল।

    চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলি থেকে শুরু করে ব্রাজিলের ফলহা ডি সাও পাওলো সংবাদপত্র সর্বত্র এখন শিরোনাম একটাই।

    বিশেষ করে এবারের নির্বাচন নিয়ে সারা বিশ্বে তুমুল আগ্রহ ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প এক মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নথিভুক্ত হতে যাচ্ছেন কি না সেটা নিয়ে বিপুল আগ্রহ ছিল পৃথিবীর নানা দেশের মানুষের। ১৯৯০য়ের দশকের গোড়ার দিকের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া আর সব প্রেসিডেন্ট দু্‌ই মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

    পিপলস ডেইলির ব্রেকিং খবর.....২৭০টির বেশি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে জো বাইডেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন.....

    একই ধরনের শিরোনাম ভারতের হিন্দুস্থান টাইমসে.. আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করেছেন....

  5. আইনি যুদ্ধের জন্য তৈরি ট্রাম্প টিম, সোমবার থেকে চ্যালেঞ্জ শুরু

    ফিলাডেলফিয়াতে এক সংবাদ সম্মেলনে মি. ট্রাম্পের আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি বলেছেন, নির্বাচনের ফলের বিরুদ্ধে তারা সোমবার থেকে আইন চ্যালেঞ্জ শুরু করবেন।

    ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ফিলাডেলফিয়াতে অনেক মৃত বাসিন্দা এবার ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে অভিনেতা উইল স্মিথের মৃত পিতার নামেও ভোট দেয়া হয়েছে।

    মি. জুলিয়ানির কথায়, "আমরা যে পরিমাণ ভোটে এগিয়েছিলাম তা দুর্নীতি ছাড়া অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে না।"

    তবে একথার পক্ষে কোন প্রমাণ আছে বলে মনে হচ্ছে না।

    মি. জুলিয়ানি বলেন তার পাশে যারা দাঁড়ানো তাদের মধ্যে ৫০ থেকে ৬০জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক আছেন এবং তাদের “নিয়মিতভাবে ডাক যোগে পাঠানো ভোটের কোন অংশ পর্যবেক্ষণ করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

    তবে ফেডারেল বিচারক ইতোমধ্যেই বলেছেন ট্রাম্প প্রচার টিমের সদস্যরা ফিলাডেলফিয়াতে এই মুহূর্তে ভোট গণনার কাজ পর্যবেক্ষণ করছেন।

    নির্বাচনের রাত থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোট গণনার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছেন এবং বলেছেন তিনিই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন।

    নির্বাচনী কর্মকর্তারা বারবার বলছেন যে “কোনরকম ভোট জালিয়াতির কোন তথ্যপ্রমাণ নেই।”

  6. ব্রেকিং, নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভাষণ দেবেন আজ রাতে

    আমেরিকার নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আজ ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে তার প্রচারণা সদর দফতর থেকে ভাষণ দেবেন স্থানীয় সময় রাত আটটায় (জিএমটি দিবাগত রাত একটা)।

    প্রচারণা টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তার সাথে থাকবেন তার স্ত্রী জিল বাইডেন।

    সেখানে থাকবেন নব-নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস এবং তার স্বামী ডাগ এমহফ। তবে তিনি কোন ভাষণ দেবেন কিনা তা জানানো হয়নি।

  7. 'আমরা পেরেছি জো': কমালা হ্যারিস

    ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে জো বাইডেন বিজয়ী হয়েছেন এই খবর প্রকাশের পর তার রানিং মেট কমালা হ্যারিস তাকে ফোন করে বলেন: ''আমরা পেরেছি জো''।

    বাইডেন প্রচারণা টিমের কমিউনিকেশন ডিরেকটার এই ফল ঘোষণার আগে আমেরিকায় বিবিসির পার্টনার চ্যানেল সিবিএসকে জানান ডেলাওয়ারে মি. বাইডেনের সদর দফতরের পরিবেশ "উৎসবমুখর" এবং "উল্লসিত"।

  8. ওয়াশিংটনে বিজয়োল্লাস, ট্রাম্পের আইনি যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি

    মি বাইডেনের বিজয়ের খবর জানাজানি হবার পর রাজধানীওয়াশিংটন ডিসির বিএলএম প্লাজায় উল্লসিত লোকজন ‘ঈশ্বরকে প্রশংসা, ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদায় নিয়েছেন” বলে গান গাইতে দেখা গেছে।

    সিএনএন জানাচ্ছে, জো বাইডেনের বিজয়ের খবর প্রকাশের কয়েক মুহূর্ত পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন, “বাইডেন মিথ্যে জয়ের ভাব ধরার জন্য তাড়াহুড়ো করছেন”, এবং “ভোটযুদ্ধ এখনো শেষ হবার অনেক বাকি।“

    ওই বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের আইনি যুদ্ধ সোমবার থেকে শুরু হবে।

  9. বিবিসির নির্বাচনী তথ্য কীভাবে আর কোথা থেকে আসছে?

    বিভিন্ন গণমাধ্যম আলাদা আলাদা উৎস থেকে নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে একেকটি ওয়েবসাইটে একেক ধরনের তথ্য-উপাত্ত দেখা যাচ্ছে- যা অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে।

    বিবিসি সকল তথ্য-উপাত্ত পাচ্ছে রয়টার্সের কাছ থেকে, যা আসছে নির্বাচন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এডিসন রিসার্চ ফার্ম থেকে- যারা মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের বুথ ফেরত জরিপ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইলেকশন পুলে মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করছে।

    কোন কোন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, জো বাইডেন বিজয়ী হয়ে গেছেন। কেন?

    গতকাল পৃথক আরেকটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গ্রুপ-ডিসিশন ডেস্ক হেডকোয়ার্টার ঘোষণা করে যে, জো বাইডেন হবু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। পেনসিলভানিয়ায় মি. বাইডেন নির্বাচিত হয়ে গেছেন, এমন পূর্বাভাস ধরে নিয়ে তারা এই ঘোষণা দিয়েছে।

    সুতরাং যেসব গণমাধ্যম তাদের তথ্য ব্যবহার করেছে- যেমন ভক্স এবং বিজনেস ইনসাইডার- তারা এই তথ্য প্রচার করেছে।

    অন্যদিকে অ্যারিজোনায় জো বাইডেন জয় পেয়েছেন, এমন পূর্বাভাস প্রচার করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এবং ফক্স নিউজ। যার ফলে তাদের হিসাবে মি.বাইডেনের মোট ইলেকটোরাল ভোট দাঁড়ায় ২৬৪টি।

    তবে অ্যারিজোনা বা পেনসিলভানিয়ায় জো বাইডেনের জয়ের ব্যাপারে এখনো পূর্বাভাস দেয়নি বিবিসি, কারণ সেটা এখনো আগাম বলা হয়ে যাবে।

    ফলে বিবিসির হিসাবে জো বাইডেনের এখন পর্যন্ত পাওয়া ইলেকটোরাল ভোট ২৫৩টি আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২১৪টি।

  10. ট্রাম্পের দিক থেকে কি সরে যাচ্ছে তার সমর্থক প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো?

    মিডিয়া মোঘল রুপার্ট মারডক নিজে এবং তার মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোকে দীর্ঘদিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক হিসাবে মনে করা হতো। কিন্তু সেখানে একটা পরিবর্তন ঘটতে চলেছে বলে বলা হচ্ছে।

    মারডকের মালিকানাধীন ফক্স নিউজ, নিউইয়র্ক পোস্ট এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল- তিনটি প্রভাবশালী প্রচার মাধ্যম তাদের পাঠক বা দর্শকদের ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়ের ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে শুরু শুরু করেছে।

    সেই সঙ্গে তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতেও শুরু করেছে।

    কোন তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই নির্বাচনে জালিয়াতির যে অভিযোগ তুলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজের তারকা উপস্থাপক শ্যন হ্যানিটি বলেছিলেন, এই নির্বাচনের ফলাফলের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ করার অধিকার আমেরিকানদের আছে।

    তবে শুক্রবারই ফক্স নিউজের আরেকটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপক ব্রেট বেইয়ার বলেছেন, ‘’আমরা এরকম কিছু দেখতে পাইনি। আমাদের সামনে এরকম কোন তথ্য আসেনি।’’

    ২০১৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিল ফক্স নিউজ। কিন্তু এখন তারা ট্রাম্পের বিদায়ের ব্যাপারে দর্শকদের সতর্ক করে দিতে শুরু করেছে। কীভাবে তার বিদায় নেয়া উচিত, সে বিষয়েও তারা পরামর্শ দিতে শুরু করেছে।

    ট্রাম্প সমর্থক হিসাবে পরিচিত ফক্স নিউজের উপস্থাপক লরা ইনগ্রাহাম অনুষ্ঠান চলাকালে বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফল পক্ষে না গেলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের উচিত হবে ধৈর্য ও স্থিরতার সঙ্গে তা মেনে নেয়া। পরাজয় হলে সেটা মেনে নিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেলেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উত্তরাধিকার অর্থবহ হয়ে উঠবে।

    একই রকমের বার্তা দিয়ে রুপার্ট মারডকের আরেকটি পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি মতামত নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।

    সেখানে বলা হয়েছে, ''ট্রাম্প হারতে পছন্দ করেন না, তিনি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত লড়াই করবেন। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত হলে আমেরিকার গণতন্ত্রকে মেনে নিয়ে মর্যাদার সঙ্গে অফিস ছেড়ে গেলে তিনি নিজের প্রতি ও দেশের প্রতি সম্মান দেখাবেন।''

    আর রুপার্ট মারডকের ট্যাবলয়েড পত্রিকা নিউইয়র্ক পোস্ট-এ শুক্রবার প্রকাশিত দুইটি মতামত নিবন্ধে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাচনে হারতে যাচ্ছেন।

    তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই নির্বাচনে কারচুপির যে অভিযোগ তুলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাও আমলে নেয়নি পত্রিকাটি।

  11. ভোট গণনা এখন যে পর্যায়ে রয়েছে

    বিবিসির নিউইয়র্ক সংবাদদাতা নিক ব্রায়ান্ট ভোট গণনার সর্বশেষ পরিস্থিতির কিছু তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেছেন।

    পেনসিলভানিয়া থেকে বাংলাদেশ সময় রাত আটটা নাগাদ আরো কিছু ফলাফল আসতে পারে। সেটা জো বাইডেনের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

    এখন পর্যন্ত রাজ্যটির ৯৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে।

    এই রাজ্যে ২০টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।

  12. এক নজরে গণনার সর্বশেষ

    আমাদের লাইভ পেজে যদি আপনি সবে যোগ দিয়ে থাকেন, তাহলে সবশেষ খবর জানিয়ে দিচ্ছি।

    এখনও ছয়টি রাজ্যে ভোট গণনা চলছে। বিজয়ীর নাম ঘোষণা করতে আরও কিছু সময় লাগবে।

    জো বাইডেন জয়ের পথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। জয়ের জন্য তার আরও ১৭টি ইলেকটোরাল ভোট প্রয়োজন।

    যে ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোর ফলাফল গরুত্বপূর্ণ দুই প্রার্থীর জন্য সেখানে ভোট গণনার সবশেষ:

    • পেনসিলভেনিয়ায় জো বাইডেন এই মুহূর্তে ২৮,৮৮৩ ভোটে এগিয়ে আছেন। এই রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট সবচেয়ে বেশি- বিশটি। এই রাজ্যে জিততে পারলে মি. বাইডেন জেতার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট পেয়ে যাবেন।
    • অ্যারিজোনাতেও তিনি মি. ট্রাম্পের চেয়ে ২৯,৮৬১ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। সেখানে ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে ১১টি।
    • নেভাডাতে এগিয়ে মি. বাইডেন- ভোটের ব্যবধান এই মুহূর্তে ২২,৬৫৭।
    • জর্জিয়াতেও এগিয়ে আছেন জো বাইডেন, তবে সেখানে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ব্যবধান খুবই কম- ৭,২৪৮ ভোট। রাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এত অল্প ব্যবধানের কারণে সেখানে ভোট পুন:গণনা হবে।
  13. যেভাবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পদ্ধতি কাজ করে

    সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো প্রার্থী জয়ী হতে পারেন না। নির্বাচনে বিজয়ী হতে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে হয়।

    ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে ২৭০টি ভোট প্রয়োজন হয় একজন প্রার্থীর।

    ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে, তা জেনে নিতে পারেন এখানে:ইলেকটোরাল ভোট পদ্ধতি যেভাবে কাজ করে

  14. এখনও জানা যায়নি পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে

    তেসরা নভেম্বর ভোট গ্রহণ শেষ হলেও এখনো আমরা একজন নিশ্চিত বিজীয় পাইনি।

    ভোট গণনা ধীরে ধীরে চলছে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন এখনো এগিয়ে আছেন।

    শুক্রবার রাতে (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময়) এক বক্তব্যে জো বাইডেন জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করলেও বিজয়ের ঘোষণা দেননি।

    ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোতে বাইডেন প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

    পেনসিলভানিয়ায় বাইডেন ২৮,৮৮৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই রাজ্যে জিতলে ২০টি ইলেকটোরাল ভোট জিতে নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করবেন বাইডেন।

    অ্যারিজোনাতেও ব্যবধান একই ধরণের, সেখানে ২৯,৮৬১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন।

    নেভাডাতেও বাইডেন এগিয়ে রয়েছেন ২২,৬৫৭ ভোটে।

    জর্জিয়াতে বাইডেন এগিয়ে থাকলেও অন্য রাজ্যগুলোর মত সেখানে ব্যবধান এত বেশি নয়। জর্জিয়ায় দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ৪,৩৯৫ ভোটের। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন জর্জিয়ায় ভোট পুনর্গননা করা হবে।

  15. পেনসিলভানিয়া ও জর্জিয়ায় কোন ধরণের ভোটারদের কী পরিমাণ ভোট পেয়েছেন দুই প্রার্থী

    পেনসিলভানিয়ায় বাইডেনের সমর্থকদের মধ্যে ৭৬% ভাগ শ্বেতাঙ্গ, ১৫% কৃষ্ণাঙ্গ, ৭% ল্যাটিন এবং ১% এশিয়ান। মার্কিন আদমশুমারির হিসেবে রাজ্যটিতে ৮১% নাগরিক শ্বেতাঙ্গ।

    অন্যদিকে ট্রাম্পের সমর্থনের সিংহভাগই – ৯৭% - এসেছে শ্বেতাঙ্গদের কাছ থেকে। কৃষঙ্গ ভোট ১%, পেনসিলভানিয়ার ল্যাটিন ২% এবং ১% এর কম এশিয়ান ভোট।

    ঐ রাজ্যের ভোটারদের প্রায় ৭% বলেছেন যে তারা আগের নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন।

    জর্জিয়াতে জনসংখ্যার ৬০% শ্বেতাঙ্গ এবং ৩২% কৃষ্ণাঙ্গ, সেখানে জো বাইডেন অ-শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন।

    সেখানে বাইডেনকে ভোট দেয়াদের ৫৩% কৃষ্ণাঙ্গ, ৩৫% শ্বেতাঙ্গ, ৮% ল্যাটিন এবং ২% এশিয়ান।

    ঐ অঞ্চলেও শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্প বেশি ভোট পেয়েছেন। ট্রাম্পের ভোটারদের মধ্যে ৮৫% শ্বেতাঙ্গ, ৭% কৃষ্ণাঙ্গ, ৬% ল্যাটিন এবং ১% এশিয়ান।

  16. আমরা প্রতিপক্ষ হতে পারি, কিন্তু আমরা শত্রু নই: বাইডেন

    আমেরিকানদের ‘ক্ষোভ ও চক্রান্ত ত্যাগ’ করার আহ্বান জানিয়েছেন জো বাইডেন।

    করোনাভাইরাস মহামারি, অর্থনৈতিক মন্দা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারণার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের উপস্থিতি বিবেচনায় রেখে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী তার বক্তব্যে বলেছেন, “এরকম কঠিন লড়াইয়ের নির্বাচনের পর উত্তেজনা তীব্র থাকে। কিন্তু আমাদের আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা রয়েছে, দলীয় সমস্যা নিয়ে যুদ্ধ করার সময় আমাদের নেই।”

    “আমরা প্রতিপক্ষ হতে পারি, কিন্তু আমরা শত্রু নই।”

  17. ৩০০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের আশা বাইডেনের

    ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আশাবাদ ব্যক্তি করেছেন যে তার দল ৩০০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে যাচ্ছেন।

    ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকান অঞ্চল অ্যারিজোনা ও জর্জিয়াতে দুই দশকেরও বেশি সময় পর ডেমোক্যাটরা জিতবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন জো বাইডেন।

  18. আমরা জিততে যাচ্ছি: বাইডেন

    পেনসিলভানিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ভোটের ব্যবধান বাড়তে থাকায় ডেলাওয়ারে এক বক্তব্যে জো বাইডেন জয়ের আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, “আমরা ৭ কোটি ৪০ লাখের বেশি ভোট পেয়েছি যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আর কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থী পাননি।”

    চূড়ান্তভাবে বিজয়ের ঘোষণা না দিলেও তার দল ‘পুরো জাতির সমর্থনে পরিষ্কার সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ অর্জন করতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

  19. বক্তব্য রাখতে যাচ্ছেন বাইডেন

    পেনসিলভানিয়া রাজ্যে বাইডেন ২৭ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ডেলাওয়ারের উইলমিংটন থেকে বক্তব্য রাখার কথা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর।

    অ্যালেহেনি কাউন্টির পোস্টাল ব্যালট গণনা হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের ভোটের ব্যবধান বেড়েছে এবং পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ২০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথেও এগিয়ে গেছেন।

  20. পেনসিলভানিয়ায় দেরিতে আসা ব্যালট আলাদা রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    নির্বাচনের দিন স্থানীয় সময় রাত ৮টার পর কেন্দ্রে আসা ব্যালট আলাদাভাবে গণনা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট বিচারক স্যামুয়েল অ্যাল্টো।

    পেনসিলভানিয়ার রিপাবলিকানরা দেরিতে আসা ভোট গণনা না করার জন্য আইনি চ্যালেঞ্জ করলেও তা অনুমোদিত হয়নি।

    তার বদলে তেসরা নভেম্বরের পরে আসা ব্যালটগুলো আলাদা করে গণনা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    পেনসিলভানিয়ায় শুরুতে ট্রাম্প এগিয়ে থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের সংখ্যা বাড়তে থাকলে এক পর্যায়ে বাইডেন এগিয়ে যেতে শুরু করেন। বর্তমানে বাইডেন প্রায় ২২ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েঝেন, তবে এখনও কোনো প্রার্থীর জন্য জয় সুনিশ্চিত নয়।