সাতক্ষীরায় ত্রাণ নিয়ে জার্মান রাষ্ট্রদূতের অভিযোগ, যা বলছে প্রশাসন

সাতক্ষীরায় ত্রাণ বিতরণ করছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত

ছবির উৎস, https://twitter.com/peterfahren

ছবির ক্যাপশান, সাতক্ষীরায় ত্রাণ বিতরণ করছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত
Published
পড়ার সময়: ১ মিনিট

বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় ত্রাণ বিতরণ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলৎজ।

জলবায়ু পরিবর্তন ও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ছয় হাজার পরিবারের মধ্যে ওই ত্রাণ বিতরণের কর্মসূচি নিয়েছিলো ঢাকার জার্মান দূতাবাস।

পনেরই নভেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলৎজ নিজেও যোগ দিয়েছিলেন।

তবে আজ এক টুইট বার্তায় তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, সাতক্ষীরার কিছু রাজনীতিক ত্রাণ সাহায্যকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা ঠিক মতো সেগুলো যাদের প্রয়োজন তাদের মধ্যে বিতরণ করতে পেরেছেন।

বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

Skip X post
X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of X post

যদিও সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলায় এ ত্রাণ বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন সেখানকার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা।

তিনি বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ত্রাণ বিতরণের জন্য তালিকা প্রণয়ন ও বিতরণের সব কাজ করেছে দূতাবাসের মনোনীত এনজিও।

"আমরা বিকেলের দিকে ঝামেলা শুনে সেখানে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম, শেষ দিকে যে পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী ছিলো তা বেশি লোককে দেয়ার জন্য কমিয়ে ভাগ করে দেয়া হচ্ছে। তবে কোনো ঝামেলা আমাদের চোখে পড়েনি।"

শাহীন সুলতানা বলেন, আসলে শেষের দিকে অনেক বেশি লোকজন চলে এসেছিলো। তবে দূতাবাসের মনোনীত এনজিওই সব তদারকি করেছে।

প্রায় ছয় হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে জার্মান দূতাবাস

ছবির উৎস, https://twitter.com/peterfahren

ছবির ক্যাপশান, প্রায় ছয় হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছে জার্মান দূতাবাস

স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল বলছেন, প্রতিটি ত্রাণের প্যাকেটে লেখা ছিলো ২৫ কেজি।

"কিন্তু শেষ দিকে ১২ কেজি করে দেয়া হলে যে এনজিওর মাধ্যমে দেয়া হচ্ছিলো তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যেই এটা নিয়ে কথা ওঠে। তখন জানানো হয় যে বেশি লোকজনকে দেয়ার জন্য প্যাকেট ভাগ করে দেয়া হচ্ছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

মি. শাকিল বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা কেউ এর ধারেকাছেও যায়নি।

"তারা ডেকেছিলো বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে পরে আবার চলে এসেছিলাম। শেষ দিকে প্যাকেটের পরিমাণে কম থাকায় তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে সমস্যা হয়েছে। পরে এসি ল্যান্ডসহ অন্যরা গিয়েছেন। আর কোনো সমস্যার কথা শুনিনি"।