আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
সমাবেশ ঘিরে দিনভর সংঘর্ষের পর রোববার বিএনপির হরতাল
ঢাকায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচি নিয়ে সংঘর্ষ এবং সহিংসতায় একজন পুলিশ সদস্যসহ মোট দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মহাসমাবেশে হামলার অভিযোগ তুলে রবিবার সারা দেশে হরতাল ডেকেছে বিএনপি। পাল্টা শান্তি সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। শনিবার সারাদিনের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে ছিল বিবিসি বাংলার সরাসরি আয়োজন।
সরাসরি কভারেজ
ব্রেকিং, রবিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি
রবিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি।
দলটির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পাতায় এই ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ন্যাশনালিস্ট পার্টির ফেসবুকের ভেরিফায়েড পাতায় দেয়া ঘোষণায় বলা হয়েছে, নয়াপল্টনে বিএনপির শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ আওয়ামী পুলিশের হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল।
কাকরাইলের উত্তেজনার ছবি
ঢাকার কাকরাইল মোড়ে কিছুক্ষণ আগে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
কাকরাইল থেকে বিবিসি বাংলার শাহনেওয়াজ রকির তোলা ছবি।
কাকরাইলে পুলিশ বক্স ও গাড়িতে আগুন
ঢাকার কাকরাইল মোড়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠিসোঠা নিয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনের মোড়ে একদল ব্যক্তি কয়েকটি বাস ভাঙ্গচুর করছেন। অন্য মানুষজনের ওপরেও তাদের লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। এদের বেশ কয়েকজন হেলমেট পড়া ছিলেন।
সেই সময় কাকরাইল মোড়ে একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন দেয়া হয় বলে পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এছাড়া আইডিইবি ভবনে রাখা একটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়।
বিএনপি কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ একাধিক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে।
এসব ঘটনায় একজন সাংবাদিক আহত হয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন।
এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বহনকারী একটি বাস ও দুটি পিকআপে হামলা হয়। এসব বাস ও পিকআপ ভাংচুর করা হয়। আওয়ামী লীগের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা করেছেন।
সেই সময় সেখানে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই- চট্টগ্রামের জনসভায় শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপিকে ‘ভোট চোর’ আখ্যায়িত করে বলেছেন সেই বিএনপি এখন সরকার পতনের হুমকি দেয় কিন্তু আওয়ামী লীগকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।
“জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। আর ওরা (বিএনপি) ভোট চোর, জনগনের অর্থ চোর। বিএনপি জামাত মানেই হলো হত্যা, খুন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ,” তিনি চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত টানেল উদ্বোধনের পর জনসমাবেশে দেয়া এক ভাষণে এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনা যখন চট্টগ্রামে বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ঢাকায় সরকারের পদত্যাগের দাবিতে মহাসমাবেশ করছে বিএনপি। বিএনপির সমমনা দলগুলোও আলাদা সমাবেশ করছে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায়।
শেখ হাসিনা আগামী সংসদ নির্বাচনে তার দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন তার দল ক্ষমতায় আছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। “আপনাদের দোয়া চাই যেন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকে। লুটরাদের হাতে যেন দেশ না পড়ে”।
গত পনের বছরে তার সরকারের আমলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বর্ণণা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন বলে এতো উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আমরা যখন উন্নয়ন করি বিএনপি জামাত তখন ধ্বংস করে । আগুন দিয়ে জ্যান্ত মানুষ মারার ইতিহাস তাদের। এরা খুন করা ছাড়া কিছু জানেনা। আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মী খুন করেছে তারা”।
এর আগে পতেঙ্গা প্রান্তে টানেলের ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধন করেন তিনি। পরে জনসভায় তিনি জানান নদীর তলদেশ দিয়ে এমন টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই টানেলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন তিনি।
২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবরের স্মৃতি
আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার সাথে জামায়াতের রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় এদিন।
আটাশে অক্টোবর ছিল বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিন।
সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন তৈরি করেছিল।
আটাশে অক্টোবরের আগের দিন এবং পরের দিনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক সংঘাত হয়েছিল।
তিন দিনের তুমুল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কার্যত রাজপথ দখলে নেয়।
সেই ঘটনা প্রবাহ পড়তে পারেন এই লিঙ্কে ক্লিক করে।
কাকরাইলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় ফেসবুক লাইভ করে বিএনপি। তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ভিডিও এটি।
তবে বিবিসি বাংলা এই ভিডিওটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি।
শাপলা চত্বর সুনসান, বিএনপির সমাবেশের দিকে যাচ্ছে জামায়াত
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাথে জামায়াতে ইসলামীও শনিবার সমাবেশের জন্য অনুমতি চেয়েছিল। মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় ‘মহাসমাবেশ’ করার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চায় তারা।
কিন্তু জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধিত দল নয়-এমন বক্তব্য দিয়ে পুলিশ আগেই জানিয়েছিলো যে তাদের সমাবেশের কোন অনুমতি দেয়া হবে না।
তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটি শনিবারে শাপলা চত্বরে তাদের মহাসমাবেশ সফল করার আহবান জানায়।
অন্যদিকে ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয় অনুমতি ছাড়া কাউকেই কোন সমাবেশ করতে দেয়া হবে না।
সকাল থেকে এদিকে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা দেখা যায়। তবে শাপলা চত্বর এলাকা ছিল ফাঁকা। সেখানে জামায়াতের কোন নেতাকর্মীকে দেখা যায় নি। পুরো এলাকা পুলিশ ঘিরে রেখেছে।
তবে বিবিসি বাংলার নাগিব বাহার জানিয়েছেন, নটরডেম কলেজের কাছাকাছি একসাথে জড়ো হয়ে জামায়াতের কর্মীরা বিএনপির সমাবেশের দিকে যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের ছবি
রড, লাঠির খোঁজে পুলিশ
রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সাধারণত রুটিন চেকআপ শেষে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে, তবে সন্দেহভাজন হলে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনে আটক করার কথা জানানো হয় পুলিশের পক্ষ থেকে।
ওয়ারি জোনের এডিসি এস এম শামীম বিবিসিকে বলেন, তারা সমাবেশে আসা লোকদের কাছে রড, লাঠি বা কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য আছে কি-না তা যাচাই করে দেখছেন। এরইমধ্যে তারা অনেকের কাছ থেকে এগুলো জব্দ করেছেন এবং অনেককে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কাকরাইলে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ, বিস্ফোরণের শব্দ
কাকরাইলে সার্কিট হাউজ মোড়ে কয়েকটি পিকআপে করে আওয়ামী লীগের মিছিল যাচ্ছিল। সেই রাস্তায় আগে থেকেই বিএনপির কর্মীদের অবস্থান ছিল।
এক পর্যায়ে সেখানে বাদানুবাদের তৈরি হয়।
তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আওয়ামী লীগ কর্মীদের পিকআপ ভাংচুর করে বিএনপির কর্মীরা।
এরপর দুপুর ১টার দিকে ১২ থেকে ১৪টা ককটেল অথবা সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানাচ্ছেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন।
কর্ণফুলি টানেল উদ্বোধন, জনসভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
চট্টগ্রামে কিছুক্ষণ আগে কর্ণফুলী নদীর নিচে স্থাপিত সড়ক টানেল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল থেকে এতে যান চলাচল শুরু হবে।
পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি। সরকারের মেগাপ্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি একটি, যেটা নির্বাচনের আগে উদ্বোধন করা হল।
উদ্বোধনের পর প্রথম যাত্রী হিসেবে টোল দিয়ে টানেল পাড়ি দেন শেখ হাসিনা। এরপর আনোয়ারায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন তিনি।
এই কর্ণফুলী টানেলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনি জেনে রাখতে পারেন।
বিএনপির সমাবেশ থেকে জানাচ্ছেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন
মিছিল নিয়ে আসছে আওয়ামী লীগও
বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের সমাবেশ স্থলের দিকেও ছোট ছোট মিছিল নিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে দলটির নেতা কর্মীদের।
এখনো সমাবেশের মঞ্চে কেউ হাজির হয়নি। মঞ্চের সামনেও বলতে গেলে তেমন লোক সমাগত নেই। জিপিও এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।
তবে জমায়েত লক্ষ্য করা যাচ্ছে সচিবালয়ের সামনে। সেখানেই একে একে মিছিল নিয়ে এসে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
ক্ষমতাসীনদের 'উস্কানি' দেয়ার অভিযোগ বিএনপির
এরইমধ্যে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে মঞ্চ থেকে মাইকে নানান নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে হাজির হওয়া কর্মী সমর্থকদের। সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে নানান স্লোগান দিচ্ছেন তারা।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "আমাদের এক দফা দাবি পরিষ্কার, সবার আগে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। নতুন নির্দলীয় সরকার গঠন করে নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে।”
তবে তিনি অভিযোগ করেন সমাবেশকে ঘিরে ক্ষমতাসীনদের তরফ থেকে 'সংঘাতে উস্কানি' দেয়া হচ্ছে। তাদের নেতাকর্মীদের উপর হয়রানি করা হচ্ছে, একই সাথে তল্লাশি ও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
খবরটির বিস্তারিত পাবেন এখানে।
আওয়ামী লীগের নজর এখন চট্টগ্রামে বিকেলে ঢাকায়
আজ চট্টগ্রামে কর্ণফুলী টানেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ জনসভার আয়োজন করেছে। এরইমধ্যে সে জনসভায় বক্তব্য দিতে শুরু করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
প্রধান অতিথি দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সেখানে অংশ নেবেন অনেক কেন্দ্রীয় নেতারাও।
এদিকে ঢাকায় শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করে রেখেছে আওয়ামী লীগ। বায়তুল মোকাররমের সামনে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে হাজির হতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে এখানে মূল সমাবেশ শুরু হবে বিকেল আড়াইটা থেকে।
আওয়ামী লীগ জানিয়েছে তাদের সমাবেশে প্রায় দুই লাখ মানুষ যোগ দিবে।
এভাবেই খন্ড খন্ড মিছিল করে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দিকে আসতে দেখা যায় দলটির নেতা কর্মীদের।
আরামবাগে পুলিশের ব্যারিকেড
কমলাপুর-আরামবাগের দিক থেকে নয়াপল্টনের দিকে যাওয়া বিএনপির বিশাল মিছিলের সামনে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেছে পুলিশ। নটরডেম কলেজের সামনে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সেখানে মিছিলের সামনে থাকা নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশকে কথা বলতে দেখা যায়।
মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসছেন বিএনপি নেতা কর্মীরা
রাজধানীর বিভিন্ন দিক থেকে হেঁটে ও মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন অভিমুখে যাচ্ছেন বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা।
বিবিসি বাংলার নাগিব বাহার জানান, আরামবাগ থেকে নটরডেমের রাস্তা পুরোটা লোকারণ্য। ফলে দুপাশেই রাস্তা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় বিএনপি সমর্থকরা এসে একসাথে হচ্ছেন ও পরবর্তীতে মিছিল করে নয়া পল্টন সমাবেশস্থল অভিমুখে যাত্রা করছেন তারা।
রাজধানীতে গণপরিবহন সংকট
দুই দলের সমাবেশ ঘিরে রাজধানীতে দেখা দিয়েছে গণপরিবহন সংকট। বিবিসির সংবাদদাতা নাগিব বাহার ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানাচ্ছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় লোকাল বাসের পরিমাণ বেশ কম দেখা যাচ্ছে রাস্তায়। ফলে অনেক মানুষকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বাসের জন্য।
একই চিত্র দেখেছেন মিরপুর থেকে গুলশান আসার পথে বিবিসি বাংলার তানহা তাসনিম। শনিবার বলে লোকজন রাস্তায় তুলনামূলক কম থাকলেও বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। অনেক জায়গায় পুলিশের অবস্থান আছে। রাস্তায় গাড়ির পরিমাণও কম। বেশিরভাগ বাস এখনো রাস্তার পাশেই পার্ক করে রাখা।
কুড়িল-বাড্ডা সড়কেও একই অবস্থা দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ পরপর একটি লোকাল বাস আসলেও সেটা আগে থেকেই ভর্তি থাকায় অনেকেই তাতে উঠতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে বিকল্প উপায়ে মোটরসাইকেল বা সিএনজি নিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। অনেকে আবার হেঁটেও রওয়ানা দিয়েছেন।
বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছে পুলিশ।