ধন্যবাদ
লকডাউন কীভাবে ও কতটুকু কার্যকর হচ্ছে তা নিয়ে বিবিসির লাইভ আপডেট আজ এখানেই শেষ হলো।
তবে লকডাউন, করোনাভাইরাস এবং দেশ-বিদেশের সর্বশেষ তথ্য পেতে নজর রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে:
www.bbcbangla.com
করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের লকডাউন। কীভাবে ও কতটুকু কার্যকর হচ্ছে, তার সর্বশেষ খবরাখবর নিয়ে ছিল বিবিসির লাইভ আপডেট।
সায়েদুল ইসলাম
লকডাউন কীভাবে ও কতটুকু কার্যকর হচ্ছে তা নিয়ে বিবিসির লাইভ আপডেট আজ এখানেই শেষ হলো।
তবে লকডাউন, করোনাভাইরাস এবং দেশ-বিদেশের সর্বশেষ তথ্য পেতে নজর রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে:
www.bbcbangla.com
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০৭৫ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট শনাক্ত হলেন ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের আর মোট মৃত্যু হলো ৯,৩১৮ জনের।
আগেরদিনও বাংলাদেশে ৭,০৮৭ জন করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছিল আর মৃত্যু হয়েছিল ৫৩ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের হার ২৩.৪০ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,৯৩২ জন আর মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪১৪ জন।

ছবির উৎস, Bangladesh Health Department
আগামী ৮ই এপ্রিল থেকে দেশে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম।
মন্ত্রিপরিষদের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দেশে টিকার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। নির্ধারিত সময়েই দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাটে বিক্ষোভ করেছেন লকডাউনে আাটকে পড়া যাত্রীরা।
মুন্সিগঞ্জের সাংবাদিক মীর নাসিরউদ্দিন উজ্জ্বল জানান, রবিবার ঝড়ের কারণে একদফা ফেরি চলাচল বন্ধ করার পর রাতে আবার চালু হয়েছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে ভোর ছয়টা থেকে ফেরি চলাচল আবার বন্ধ করে দেয়া হলে মাওয়া প্রান্তে অনেক গাড়ি ও যাত্রী আটকে পড়ে।
ফলে সকাল থেকে তারা মাওয়ায় বিক্ষোভ করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে ফেরি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর একটি বিশেষ ফেরির মাধ্যমে তাদের পারাপারের ব্যবস্থা করলে বিক্ষোভ প্রশমিত হয়।
চট্টগ্রাম থেকে সাংবাদিক মিন্টু চৌধুরী জানাচ্ছেন, দূরপাল্লার বাস বা যানবাহন বন্ধ রয়েছে, তবে শহরে প্রাইভেটকার, সিএনজি, মোটরসাইকেল চলতে দেখা যাচ্ছে। মানুষজনের উপস্থিতি অবশ্য কম।
তিনি জানাচ্ছেন, বিভিন্ন বেসরকারি অফিস, গার্মেন্টস কারখানা খোলা রয়েছে।
লকডাউন কার্যকর করতে ছয়টি মোবাইল কোর্ট শহরে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ২০২০ সালের ২৬শে মার্চ থেকে দুই মাস সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।
তার ঠিক এক বছর পরে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ায় ৫ই এপ্রিল ২০২১ সালে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
কিন্তু গত বছরের তুলনায় এবার লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই রয়েছে অনেকটা শিথিল ভাব।
একদিনে প্রশাসনকে লকডাউন কার্যকরে যেমন কঠোর হতে দেখা যাচ্ছে না, সাধারণ মানুষজনকেও বাইরে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির উৎস, Shahnewaz Rocky
সিলেট থেকে সাংবাদিক আহমেদ নূর জানাচ্ছেন, শহর জুড়ে ঢিলেঢালা লকডাউন চলছে।
দূরপাল্লার যানবাহন ও বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে শহরে রিক্সা, সিএনজি ও প্রাইভেট কার দেখা যাচ্ছে। অনেক মানুষও নানা কাজে বের হয়েছেন।
তিনি ধারণা করছেন, বিকাল চারটার পরে এই সংখ্যা কমে আসতে পারে।

ছবির উৎস, Ahmed Noor

ছবির উৎস, Afroza Neela
খুলনা থেকে সাংবাদিক গোরাঙ্গ নন্দী জানাচ্ছেন, শহরের অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই যে দেশে একটা লকডাউন চলছে।
তিনি জানাচ্ছেন, দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ থাকলেও শহরে ব্যক্তিগত গাড়ি, ভাড়ার গাড়ি চলছে। দোকানপাটও খোলা রয়েছে। অনেক অফিসে কার্যক্রম চলছে। শহরে অনেক মানুষজন নানা কাজে বের হয়েছেন।

ছবির উৎস, Gouranga Nandy
রাজশাহী থেকে সাংবাদিক আনোয়ার আলী হিমু জানাচ্ছেন, সকাল থেকেই রাজশাহীতে মানুষজন খুব একটা বের হচ্ছেন না। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। তবে গলির ভেতরে রিক্সা আর সড়কে কিছু প্রাইভেট কার চলতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে দোকানপাট খোলা রাখার দাবিতে দুপুর ১২টার দিকে আরডিএন মার্কেটের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আজকের মধ্যে তাদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত না দিলে কাল থেকে তারা নিজেরাই দোকান খুলতে শুরু করবেন।

ছবির উৎস, Razu Ahmed

ছবির উৎস, Qadir Kallol

ছবির উৎস, Qadir Kallol

ছবির উৎস, Qadir Kallol

ছবির উৎস, Qadir Kallol
বিবিসির সংবাদদাতা কাদির কল্লোল জানাচ্ছেন, ঢাকার শাহবাগে র্যাবের একটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
লকডাউনের ভেতরে যেসব যানবাহন বেরিয়েছে, সেসব যাত্রীদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, যে কেন তারা বাইরে বের হয়েছে? তাদের গাড়ির কাগজপত্রও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।



ছবির উৎস, Faisal Titumir
লকডাউন চলার সময় কয়েকটি ফেসবুক পাতায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাংচুরের ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে 'লাইভ' লেখা রয়েছে, যা সরাসরি দেখছেন কয়েক হাজার মানুষ।
ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অনেক মানুষ পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করছেন। গাড়িতে লেখা রয়েছে দক্ষিণ খান থানা। শিরোনাম দেয়া রয়েছে, লকডাউনে পুলিশের গাড়ি ভাংচুর।
সোমবার ওই ভিডিওটি একযোগে একটি পাতাতেই সরাসরি দেখছিলেন অন্তত ২৫ হাজার মানুষ। অন্তত ১৬টি ফেসবুক পাতা থেকে ভিডিওটি সরাসরি প্রচার করা হয়েছে।
বিবিসির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভিডিওটি অন্তত এক বছর আগেও প্রচারিত হয়েছিল।
অবশ্য দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিকদার মো. শামীম হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, দেড় বছর আগে পুলিশের একটি অভিযানের সময় একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল। সেই ঘটনায় মামলা হয়েছে, অনেককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
''সেই ভিডিওটি কুচক্রী মহল এখন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করছে,'' বলছিলেন মি. হোসেন।
কারা এই ভিডিও প্রচার করছে, সেটা খুঁজে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
তিনি জানান, ২০২০ সালের ১৩ই মে দুপুর ১২টার দিকে কোটবাড়ি রেলগেট এলাকায় বেআইনি অটোরিকশা ধরতে পুলিশ অভিযানে যায়। তখন অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণকারীরা পুলিশের ওপর হামলা করে ও গাড়ি ভাঙচুর করে। সেই ঘটনায় মামলার পর বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

ছবির উৎস, Getty Images
বাংলাদেশের সকল আদালতে যেসব জামিন প্রদান করা হয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেয়া হয়েছে, সেসব জামিন ও আদেশের মেয়াদ আগামী দুই সপ্তাহের জন্য বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
রবিবার হাইকোর্ট বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সেই সঙ্গে ৫ই এপ্রিল থেকে ১১ই এপ্রিল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। অন্যান্য অধস্তন আদালত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনা না করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে একজন ম্যাজিস্ট্রেট স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দায়িত্বপালন করবেন।

ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
তারা বলেন, যেখানে বেশিরভাগ যানবাহন চলছে, অফিস-কারখানা-বইমেলা খোলা রাখার সুযোগ দেয়া হয়েছে, তাহলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান-মার্কেট খোলা রাখার সুযোগ দেয়া হোক।
রবিবারও ঢাকার নিউমার্কেট, গাউছিয়া ও নীলক্ষেত, মিরপুর, উত্তরার দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ করে মিছিল ও সমাবেশ করেন।
এই সময় তারা 'লকডাউন মানি না' বলে শ্লোগান দেন। এই সময়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
নিউমার্কেটের একজন ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, ''আমরা ব্যবসায়ীদের সারা বছরের ব্যবসা হয় এই সময়ে, ঈদের আগের দুই মাসে। গত বছর আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এবারও যদি এই সময় মার্কেট বন্ধ থাকে, তাহলে তো আমাদের পথে বসে যেতে হবে।''
তিনি দাবি করেন, যেভাবে বিশেষ বিবেচনায় শিল্প-কারখানা চালু রাখা হয়েছে, সেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলা রাখার সুযোগ দেয়া হোক।
সাতদিনের লকডাউন শুরু হওয়ার পরেও ঢাকার রাস্তায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
লকডাউনের মধ্যেও বিশেষ ব্যবস্থায় অফিস-কারখানা, বইমেলা খোলা রাখার সুযোগ থাকায় অনেক মানুষকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাইরে বের হতে হয়েছে। কিন্তু গণপরিবহন না থাকায় তারা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
অনেক অফিসযাত্রী মানুষকে গণপরিবহনের উদ্দেশ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেকে সিএনজি, ব্যক্তিগত গাড়ি বা রিক্সায় চড়ে গন্তব্যস্থলে রওনা হয়েছেন।
ঢাকার গ্রিনরোড থেকে মতিঝিলে যাওয়ার কথা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সোহানা ইয়াসমিনের। তিনি বলছিলেন, রাস্তায় কোন বাস নেই। অথচ, প্রাইভেটকার, সিএনজি, রিক্সা চলছে অবাধে। সিএনজি অনেক কম, ভাড়া চাইছে দ্বিগুণ।
মিরপুর,জিগাতলা, যাত্রাবাড়ি, কমলাপুর, বাসাবো, মালিবাগ, বাড্ডা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কর্মস্থলগামী মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকলেও গণপরিবহন নেই। অনেককে রিকশা, সিএনজি, ছোট পিকআপে করেও গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

লকডাউনের মধ্যে গণপরিবহন না পেয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ড অবরোধ করেছেন অফিসগামী মানুষ।
সোমবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ এসে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।
অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, লকডাউন সত্ত্বেও সড়কে প্রাইভেটকার, ট্রাক, সিএনজি চলাচল করছে। কারখানা ও অফিসও খোলা রয়েছে। কিন্তু শ্রমিক বা কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য কোন পরিবহন নেই। ফলে অফিস খোলা থাকার পরেও তারা যেতে পারছেন না।
তারা দাবি করেন, অফিস-কারখানা খোলা রাখলে তাদের জন্য গণপরিবহনেরও ব্যবস্থা করতে হবে।

ছবির উৎস, Getty Images
প্রজ্ঞাপনে মোট ১১টি বিধিনিষেধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
১. সকল প্রকার গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। গণপরিবহনের আওতায় রয়েছে সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট। তবে বিদেশগামী বা বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
২. আইনশৃঙ্খলা, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর সমূহের কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা সহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ তাদের কর্মচারী ও যানবাহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
৩. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত অফিস ও আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে তাদের প্রয়োজনীয় জনবল নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা নেয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে। শিল্প কারখানা ও নির্মাণ কার্যাদি চালু থাকবে।
৪. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ সৎকার ছাড়া অন্য কোন কাজে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না।
৫. খাবারের দোকান ও হোটেল রেস্তোরায় কেবল খাদ্য বিক্রয় ও সরবরাহ করা যাবে। সেখানে বসে খাওয়া যাবে না।
৬. শপিং-মল সহ অন্যান্য সেবা সমূহ বন্ধ থাকবে। কিন্তু মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বা অনলাইনে অর্ডার নিয়ে পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। কেউ সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবে না।
৭. কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্মুক্ত স্থানে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে।
৮. ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু রাখার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নেবে।
৯. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপনের ব্যবস্থা নেবে।
১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন উপরের নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল জোরদার করবে।
১১. এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।