প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০কে ঘিরে ভোটার জালিয়াতি, ভোটারদের ওপর নজরদারি, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন –
ইত্যাদি নানা রকম দাবি কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই ভাইরাল হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে ।
বিবিসির ডিসইনফরমেশন এ্যান্ড
সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্টার ম্যারিয়না স্প্রিং
জানাচ্ছেন, ভোটের দিনের আগে থেকেই বেশ কয়েক সপ্তাহ জুড়েই জালিয়াতি এবং ডাকযোগে
দেয়া ভোট নিয়ে প্রমাণবিহীন নানা রকম অভিযোগ ছড়াচ্ছিল।
ভোটার জালিয়াতি ছাড়াও আছে পোল-ওয়াচার নিয়ে গুজব।
কিন্তু পোল-ওয়াচার জিনিসটা কী?
এরা হচ্ছেন প্রশিক্ষণ পাওয়া এক ধরণের পরিদর্শক – যাদেরকে বিভিন্ন দল বা
প্রচারণা-শিবিরের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়।
এরা এক একটি নির্বাচনী কেন্দ্রে নিরবে বসে থাকেন,অস্বাভাবিক কোন
কিছু দেখলে তার নোট নেন, এবং তা পার্টি বা প্রচারণা-শিবিরের আইনজীবীকে জানান।
তারা যা ঘটছে তা দেখেন, কিন্তু তাতে কোনভাবে হস্তক্ষেপ করেন না, বরং একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে কাজ করেন – যাতে বেআইনি
বা অস্বাভাবিক কিছু ঘটলে এবং তা নিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ বা মামলা হলে তারা ঘটনার বিবরণ
দিতে পারেন।
আমেরিকান নির্বাচনে উনবিংশ শতাব্দী
থেকেই এটা চলে আসছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই – তাদের রিপোর্ট করার মত কিছুই ঘটে না।
কিন্তু এবার এই পোল ওয়াচারদের তৎপরতা গোলমালের কারণ হতে পারে এমন আশংকা
করেছেন অনেকে।
বিভিন্ন পত্রিকার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার তার সমর্থকদের আহ্বান
জানিয়েছেন যেন তারা ভোটকেন্দ্রগুলো গিয়ে সেখানে কিভাবে ভোট হচ্ছে তার ওপর নজর
রাখে।
ইউএসএ টুডে পত্রিকা জানাচ্ছে,পোল ওয়াচাররা যেন ভোটদানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না
পারে সে জন্য পুলিশ ও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর ওপর নজর রাখছেন।
এখন পর্যন্ত অবশ্য তেমন কোন ঘটনার খবর আসেনি।
ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর ফলেনির্বাচনের ফলাফলের ওপর অনাস্থা তৈরি হতে পারে,
এমন কি গোলমালও বেধে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।