পত্রিকা: 'নতুন পে স্কেল একবারেই বাস্তবায়ন করা হবে'

সমকালের প্রথম পাতার খবর— নতুন পে স্কেল একবারেই বাস্তবায়ন করা হবে।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে একবারেই বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।
কারণ, নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়ন হলে আইবাস সিস্টেমে (অনলাইনে বেতন নির্ধারণী) সমন্বয় করা কঠিন হবে।
পে স্কেল একবারে বাস্তবায়ন করা হলেও কমিশনের সুপারিশের চেয়ে বেতনের হার কমানো হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আইবাস সিস্টেমে জটিলতার পাশাপাশি দুই ধাপে এ কাজ বাস্তবায়ন করতে গেলে টাকা খরচ হবে বেশি।
এছাড়া, চাকরিজীবীর মধ্যে অসন্তোষও বাড়তে পারে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে ৬০-৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৯০-১০০ শতাংশ।
এদিকে, জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা আজ সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Dhaka-Beijing ties draw close scrutiny from New Delhi; অর্থাৎ ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নিবিড় দৃষ্টি রাখছে নয়াদিল্লি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
অপরদিকে, বাংলাদেশ ও বঙ্গোপসাগর ঘিরে বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে নয়াদিল্লিতে নতুন করে পর্যালোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এমন এক সময়ে এটি ঘটল, যখন কি না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। ২০২৪ সালের অগাস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে শুরু হওয়া এই টানাপোড়েন এখনও পুরোপুরি কাটেনি, যদিও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা গিয়েছিল।
পররাষ্ট্র নীতি বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের সাথে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রেখে বাংলাদেশ কীভাবে চীনের সাথে গভীর সম্পর্ক এগিয়ে নেবে, সেটি এখন মূল প্রশ্ন।
গত মাসে তারেক রহমানের চীন সফরের সময় দেশটির গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে (জিডিআই) যোগ দেয় বাংলাদেশ এবং অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, শিল্পাঞ্চল, পানি ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং কৌশলগত সংলাপের মতো বিষয়ে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
যেখানে বিশেষ গুরুত্ব পায় 'চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর' বাস্তবায়নে চীনের নতুন উদ্যোগ, কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক নতুন '২+২' সংলাপ, চট্টগ্রাম ও মোংলায় চীনের সহায়তায় শিল্প প্রকল্প এবং তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে বেইজিংয়ের সমর্থন।
এদিকে, গত ৩রা জুলাই এক সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নয়াদিল্লি 'নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ' করছে।
বিশেষ করে তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ভারতের অবস্থান আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে এবং এ ধরনের বিষয়গুলো দ্বিপাক্ষিক কাঠামোগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত।

আ.লীগের বিচার নিয়ে আইনি অস্পষ্টতা, সংশয়— দেশ রূপান্তরের প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আর রাজনীতি করতে না পারা এবং দলটিকে বিচারের আওতায় আনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে আওয়ামী লীগকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার ইস্যুটি।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলটিকে আদালতের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করলে প্রতিক্রিয়া সূদরপ্রসারী হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে চলে যেতে পারে দেশ।
অন্যদিকে, আইন বিশেষজ্ঞদের মত হলো, কোন আইনে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার করা হবে, তা অস্পষ্ট। বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হলেও তা রাজনীতির জন্য ভালো বার্তা দেবে না। এর মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে অমোচনীয় সংকট ও ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে।
তারা মনে করছেন, সুনির্দিষ্ট অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচার হতে পারে। তবে এই কারণ দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামী লীগের বিচার দেশ, গণতন্ত্র ও রাজনীতির জন্য শুভ হবে না।

সংবাদের প্রথম পাতার দ্বিতীয় খবর— আ. লীগের করা আইনেই দলটির বিরুদ্ধে তদন্ত: প্রধান কৌঁসুলি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ আমলে প্রণীত আইনেই দলটি নিষিদ্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সন্ত্রাসের অভিযোগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে আওয়ামী লীগেরই প্রণীত আইনের বিধান অনুযায়ী দলটি নিষিদ্ধ হতে পারে এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে— যোগ করেন আমিনুল ইসলাম।
গতকাল রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি এ কথা বলেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান প্রতিবেদনের শিরোনাম— Mysterious case of 250 high-risk, loaded containers going missing from Chattogram; অর্থাৎ চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য বোঝাই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ২৫০টি কন্টেইনারের হদিস মিলছে না।
খবরে বলা হয়েছে, কার্গো খালাসে কঠোর ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে শুল্ক সংক্রান্ত অনিয়মের সন্দেহে চিহ্নিত অন্তত ২৫০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ আমদানি কন্টেইনারের হদিস পাওয়া যাচ্ছে না।
দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, চোরাচালান, ভুল ঘোষণা বা রাজস্ব ফাঁকির সন্দেহে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট থাকা ২৫০টি কন্টেইনারের অবস্থান শনাক্ত করার জন্য চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস গত নয় মাস ধরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার তাগাদা দিয়ে আসছে।
একই তথ্য চেয়ে অন্তত তিনটি চিঠি পাঠানোর পর গত এপ্রিলে কাস্টমসের অডিট, ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগ সর্বশেষ তাগাদা দেয়। তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কন্টেইনারগুলোর অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য দেয়নি।
এই তালিকায় ২০২১ সালের ৮৩টি, ২০২২ সালের ৬১টি, ২০২৩ সালের ৪০টি এবং ২০২৪ সালের ৬৬টি কন্টেইনার রয়েছে।
শুল্ক বিধি অনুযায়ী, তদন্তকারীরা সরেজমিনে পরীক্ষা না করা পর্যন্ত এই চালানগুলো খালাস করা সম্ভব নয়।
অথচ কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, কন্টেইনারগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা না যাওয়ায় সেই পরিদর্শন কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— ক্যাডেট কলেজের আদলে হবে ৬০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এতে বলা হয়েছে, ক্যাডেট কলেজের আদলে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে ৬০০ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে সরকার।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি আসনে ছেলেদের জন্য একটি এবং মেয়েদের জন্য একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হবে আবাসিক এবং তাতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
সরকারের নির্দেশনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৬০০টি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একটি প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৬৮ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে হিসাব করা হয়েছে।
দেশে এখন পুরোপুরি আবাসিক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। অল্প কিছু পুরোনো স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছাত্রাবাস রয়েছে। অন্যদিকে, বেসরকারিভাবে অনেক আবাসিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে।
এদিকে, দেশে এখন ক্যাডেট কলেজ আছে ১২টি। তার মধ্যে ৯টি ছেলেদের এবং ৩টি মেয়েদের। ক্যাডেট কলেজগুলো আবাসিক; সেখানে সপ্তম শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, পড়াশোনা হয় এইচএসসি পর্যন্ত।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকারি পর্যায়ে 'সেন্টার অব এক্সিলেন্স' গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চমানের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— বন্ধ ৪৪ কারখানা যাচ্ছে বেসরকারি মালিকানায়।
এই খবরে বলা হয়েছে, বন্ধ ও লোকসানে থাকা ৪৪ টি সরকারি কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ওই সব কারখানার জমি ও বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে সেখানে নতুন করে বিনিয়োগ করবেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা।
এতে অর্থনীতি গতিশীল হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়বে বলে সরকার আশা করছে।
সরকারের এই উদ্যোগকে প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক মনে করলেও সতর্কতার কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, সঠিক বিনিয়োগকারী নির্বাচন ও চুক্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না।
জানা গেছে, পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনের আওতায় থাকা ৪৪ টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য চিহ্নিত করে একটি এসওই (স্টেট-ওনড এন্টারপ্রাইজ) ইনভেস্টমেন্ট পোর্টফোলিও তৈরি করছে সরকার।
দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে ১০ হাজার একরের বেশি জমি। সেখানে রয়েছে গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগসহ প্রয়োজনীয় শিল্প অবকাঠামো। ইতোমধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব স্থাবর সম্পদের ব্যবসায়িক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের উপপুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ৩৩ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হয়েছে।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রাখা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদ ও কয়েকজন কয়েকটি জেলার এসপি ছিলেন।
গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনের তালিকায় থাকা ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম ও ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম গ্রেপ্তারের পর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Corruption probe on: DSCC engr's 'escape' to Shahe Alam's hometown; অর্থাৎ শাহে আলমের এলাকায় ডিএসসিসি প্রকৌশলীর 'পলায়ন' নিয়ে দুর্নীতির তদন্ত শুরু।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
সেই তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই খোদ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের জেলা বগুড়ায় নবগঠিত সিটি কর্পোরেশনে বদলি হয়েছেন তিনি।
দুর্নীতির পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, দরপত্র কারচুপি, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে আনিসুরের বিরুদ্ধে।
গুঞ্জন উঠেছে, দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রেহাই দিতেই আনিসুর রহমানের মাথায় রাজনীতির ছাতা মেলে ধরেছেন প্রভাবশালী কেউ।
গত ৩০ জুন বগুড়ায় তাকে বদলির আগে প্রকাশ পায়, শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ৪০০ কোটি টাকার আধুনিকীকরণ প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আনিসুর রহমান দরপত্রে বিশেষ কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন।
ডিএসসিসির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই শর্তগুলো মূলত ওরিয়ন, এনডিই এবং ইউসিসি–এই তিনটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছিল, যাতে অন্য কোনো প্রতিযোগী এই দরপত্রে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারে।

বণিক বার্তার প্রধান সংবাদ— স্কুল ফিডিংয়ে মানহীন খাবার, সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভাবক।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া কমানোর লক্ষ্য নিয়ে গত বছরের ১৫ নভেম্বর শুরু হয় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি।
প্রথম পর্যায়ে দেশের ৬২ জেলার ১৫০টি উপজেলায় চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে প্রাথমিকের প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে প্রতিদিন খাবার পৌঁছে দেয়ার কথা।
তবে বিভিন্ন জেলা থেকে নিম্নমানের খাবার, কম ওজনের খাদ্যসামগ্রী, সংরক্ষণে অনিয়ম এবং খাবার খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এসব ঘটনা অভিভাবক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, পুষ্টি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চালু হওয়া কর্মসূচি উল্টো নিম্নমানের খাবারের কারণে সন্তানদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:

নয়া দিগন্তের শেষের পাতার খবর— মিয়ানমার পরিস্থিতির ওপর সরকার নজর রাখছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর বাংলাদেশ সরকার নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি আরাকান আর্মিকে দমনে রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী অভিযান জোরদার করেছে। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যুদ্ধ বিমান থেকে বোমা ফেলার শব্দ শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া, আরাকান আর্মি প্রধান আহত হয়ে বাংলাদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন; এমন একটি খবর চাওড় হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এ বিষয়ে পররাষ্টমন্ত্রী জানান, আরাকান আর্মির প্রধান বাংলাদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন; এমন কোনো তথ্য সরকারের কাছে নেই।

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুন-বিলবোর্ডে 'প্রধানমন্ত্রীর ছবি' প্রকাশ করা যাবে না। এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে এখন। যেখানে অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ নিয়ে বলেছেন, গতকাল সকালে গুলশানের বাসা থেকে সচিবালয়ে আসার সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেখতে পান সড়কে একটি মন্ত্রলালয়ে আয়োজিত কর্মসূচি উপলক্ষে ব্যানার-ফেস্টুনে নিজের ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে এসে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে ডেকে নির্দেশনা দিলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি করা হয়।








