পত্রিকা: 'কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী - অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে বিরোধী দল'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হয়েছে, দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে বিরোধী দল প্রস্তাবিত বাজেটের বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, তাদের (বিরোধী দল) লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্যে একটাই, সেটা হচ্ছে- দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীলতা ও অশান্তি তৈরি করা এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করা।

শনিবার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখননের পর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বলছে যে এই বাজেট তারা মানে না, এই গণবিরোধ বাজেট তারা মানে না। আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দল মানে না।

যেই বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও বিরোধী দলের পছন্দ নয়। তাহলে এবার বিরোধী দলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন?

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- 123 India-registered Rohingyas pushed in by BSF still in BD অর্থাৎ ভারতে নিবন্ধিত ১২৩ রোহিঙ্গা এখনো বাংলাদেশে, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেই

ভারতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরে নিবন্ধিত অন্তত ১২৩ জন রোহিঙ্গা এখনো বাংলাদেশের অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয়ে আছেন। ২০২৫ সালের মে মাস থেকে তিন মাসের মধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাদের বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে পাঠায়।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে বিএসএফের অন্তত ৪৩টি অনুপ্রবেশ বা পুশ ইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে থেকে ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত রোহিঙ্গা বাদে মোট ২ হাজার ৩৪৪ জনকে ভারত বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে ১২৬ জন ছিলেন ভারতীয় নাগরিক।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় গত বছরের ১৪ জুলাই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেয়।

তবে ভারতে ইউএনএইচসিআরে নিবন্ধিত এসব রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

দেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন, নির্মাণ, টেলিযোগাযোগ, পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো বড় ধরনের কাঠামোগত ও আর্থিক সংকটে রয়েছে।

অর্থ বিভাগের এক সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, দেশের ৮১ শতাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানই বর্তমানে মাঝারি থেকে অতি উচ্চ মাত্রার আর্থিক ঝুঁকিতে রয়েছে।

এর মধ্যে বিপিডিবি, ডেসকো, ডিপিডিসি, বাপেক্স, তিতাস গ্যাস, যমুনা অয়েল, টিসিবি, বিআরটিসি ও বিমান বাংলাদেশের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান উচ্চ থেকে অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অদক্ষতা, আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বাণিজ্যিক ভিত্তির চেয়ে গোষ্ঠীগত স্বার্থে পরিচালিত হওয়ায় বছরের পর বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠান লোকসান গুনছে।

খবরে বলা হচ্ছে, নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে সাড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের উচ্চাভিলাষী এক বাজেট দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, এখন থেকে দেশের অর্থনীতি হবে বিনিয়োগনির্ভর। কেননা, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হচ্ছে ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলার করা, যা এখন আছে এর ঠিক অর্ধেক।

তবে এর কোনো লক্ষ্যই পূরণ হবে না, যদি দেশের ব্যাংক খাত গভীর সংকটে ও ভঙ্গুর অবস্থায় থাকে। কেননা, বাংলাদেশের অর্থনীতি পুরোপুরিই ব্যাংক খাতনির্ভর।

ব্যাংক খাতের সম্পদ দেশের মোট জিডিপির ৫০ শতাংশ। এই সম্পদের ৮৫ শতাংশই ঋণ ও বিনিয়োগ। এমনকি সরকারও নির্ভর করে ব্যাংক খাতের ওপর। এবার অর্থমন্ত্রী যে বাজেট ঘাটতি করেছেন, তার ৪৬ শতাংশ অর্থই আসবে ব্যাংক খাত থেকে।

ইশতেহারে আর্থিক খাতের জন্য সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাজেটে উল্লেখ করেননি অর্থমন্ত্রী।

দেশের এই ব্যাংক খাতের করুণ চিত্র অর্থমন্ত্রীই বাজেটে তুলে ধরেছেন। যেমন: ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছয় লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা বা ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

আগামী অর্থবছরের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের মোট বরাদ্দের বড় একটি অংশ সরাসরি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় হচ্ছে না। মোট বরাদ্দের প্রায় ৪৩ দশমিক ২ শতাংশ চলে যাবে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন এবং কৃষি ভর্তুকিতে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি ভর্তুকির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৭ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সমান। আর পেনশন ব্যবস্থাপনায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা।

প্রতি বছর অতি দরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক সুরক্ষার জন্য বাজেটে নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা হয়।

তবে বাজেটের আকার বড় দেখাতে এমন কিছু খাতও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেখানো হয়, যেগুলোর অর্থ সরাসরি দরিদ্র মানুষের পেছনে ব্যয় হয় না।

আগে সঞ্চয়পত্রের সুদ এবং বিভিন্ন ব্লক বরাদ্দও সামাজিক নিরাপত্তা বাজেটের অংশ হিসেবে দেখানো হতো। এতে কর্মসূচির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১৪৫টি।

চলতি অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের সুদ আলাদা করায় এই সংখ্যা কমে ৯৫ এ নেমে এসেছে। আর আগামী অর্থবছরে তা আরও কমিয়ে ৯০টি করা হয়েছে।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- রাজস্ব আদায়ের কঠিন অঙ্ক। খবরে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

এ লক্ষ্য চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন হবে। কারণ সরকার ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বললেও বাস্তবে এটি ৫৪ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।

সংস্থাটির মতে, চলতি অর্থবছরের নয় মাসে (জুলাই-মার্চ পর্যন্ত) রাজস্ব আদায় হয়েছে তিন লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

এপ্রিল থেকে জুন-২০২৬ পর্যন্ত তিন মাসে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা আদায় করলেও বছর শেষে সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি আদায় কঠিন হবে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- ব্যবসা চাঙ্গায় গুচ্ছ পদক্ষেপ। খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণাকালে অর্থমন্ত্রী বেসরকারি খাতকে গতিশীল করতে একগুচ্ছ যুগান্তকারী ও বৈপ্লবিক 'বিনিয়ন্ত্রণ' (ডি-রেগুলেশন) কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার শুধু কর ছাড়ই দেয়নি, দেশি শিল্প সুরক্ষায় বেশ কিছু আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি বাড়িয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় উৎপাদকদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত সেবায় সময়, ব্যয়, অনিশ্চয়তা ও দাপ্তরিক জটিলতা কমাতেই সরকারের এই নীতিগত অবস্থান।

তবে সরকারের এই বড় বার্তার বিপরীতে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃত্ব ও শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে আলাপকালে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

আজকের পত্রিকার খবর- ইটিসিতে কাজ করে না ৭০ % গাড়ির ট্যাগ। খবরে বলা হয়েছে, সেতুতে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ( ইটিসি ) পদ্ধতিতে টোল দিতে অপরিহার্য আরএফআইডি ট্যাগ ৭০ শতাংশ গাড়ির ক্ষেত্রেই কাজ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইটিসি ব্যবস্থা চালু করা সংস্থাগুলো এ দাবি করেছে।

তবে আরএফআইডি ট্যাগযুক্ত আধুনিক নম্বরপ্লেট প্রস্তুতকারী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ( বিআরটিএ ) দাবি করছে , বেশির ভাগ গাড়ির আরএফআইডি ট্যাগই সচল।

দ্রুত টোল পরিশোধের জন্য দেশের কিছু সড়ক ও বড় সেতুতে চালু হয়েছে ডিজিটাল টোল দেওয়ার পদ্ধতি ইটিসি ।

এ পদ্ধতিতে গাড়ির নম্বরপ্লেটে থাকা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগের মাধ্যমে টোল পরিশোধ করা হয় ।

এ ট্যাগ ছাড়া ইটিসি ব্যবস্থা গাড়ির তথ্য ' রিড করতে ' পারে না। ইটিসি থাকতেও অনেক গাড়ি হাতে টোল দিচ্ছে।

প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন ট্র্যাকিং করা যাবে । এতে করে চুরি হওয়া গাড়ির অবস্থান শনাক্ত এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যাবে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন , এ থেকে সেভাবে প্রত্যাশিত সুবিধা পাওয়া যায়নি।

এই খবরে বলা হচ্ছে- সীমান্তে কোনো মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হবে না এবং সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা হবে- ভারতের পক্ষ থেকে দেয়া এমন প্রতিশ্রুতি বারবার ভঙ্গ করছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সম্প্রতি সীমান্তে এক দিকে বন্দুকের মুখে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের মরিয়া চেষ্টা, অন্য দিকে নিরীহ বাংলাদেশীদের গুলি করে হত্যার ঘটনায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

সীমান্তে বিএসএফের একতরফা আগ্রাসনের কারণে নো ম্যান্স ল্যান্ডে আটকে পড়া নারী ও শিশুদের নিয়ে সেখানে চরম মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, আইন অমান্য করে এই ধরনের পুশইন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও জেনেভা কনভেনশনের চরম লঙ্ঘন।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- তহবিলে ধস বেতনে উৎসব! প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে- রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড বিভিন্ন সময় মুনাফা করার কথা বললেও তাদের বিপুল দেনার কথা উল্লেখ করে না।

কার্যত লোকসানি এই প্রতিষ্ঠান ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ হাজার কোটি টাকার বেশি দেনা রেখে ৯৩৭ কোটি টাকার মুনাফা ঘোষণা করে।

এদিকে আয় না বাড়লেও নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার মধ্যেই হঠাৎ গত মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হয় প্রায় ১৮৫ শতাংশ।

এমনকি চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহীসহ কয়েকজন বড় কর্তার বেতন কয়েকগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর ফলে বছরে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়বে সংস্থাটির। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার বিমানকে লাভজনক করতে না পারলেও প্রায় তিন হাজার ছয়শ কোটি টাকার ফান্ড রেখে যায়। গত চার মাসে সেই ফান্ড ১২শ কোটিতে নেমেছে।

এদিকে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেকটা 'ঢেলে সাজানো' হয়েছে কর্তাদের চেয়ার। চুক্তি করা হয়েছে ১৪টি বোয়িং কেনার।