আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেফতার, নিশ্চিত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে, ঢাকায় পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। দেশ-বিদেশের খবরের জন্য চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. অতি দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দুবাইয়ে গ্রেফতারকৃত পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদকে অতি দ্রুতই দেশে ফেরত আনা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    রোববার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি সাবেক আইজিপির গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করেন।

    পরে তিনি জানান, রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোল কর্তৃক সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছিল গ্রেফতারের জন্য।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত ১২ই জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টের জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ, ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো বা এনসিবি আবুধাবি হতে প্রেরিত একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাত পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন”।

    তিনি জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ আবেদন করে এবং আবুধাবির সাথে সমন্বয় পূর্বক অতি দ্রুতই তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে।

  2. দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার

    সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, “প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক চ্যানেলে তাকে দেশে ফেরত আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠানো হবে।”

    এদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রগুলো বলছে, গত ১২ই জুন ইন্টারপোল বাংলাদেশের পুলিশ কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে অবহিত করেছে।

    মি. আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ছিলেন। পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

    বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বেনজীর আহমেদ।

    ১৯৮৮ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেওয়া মি. আহমেদকে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী আইজিপি’, যার বক্তৃতা ও বিবৃতিতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ছিলো প্রায় নিয়মিত ঘটনা।

    ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেনজীর আহমেদ।

    এরপর ওই বছরের ১৫ই এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদালতের ক্রোকাদেশের প্রেক্ষিতে মি. আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা রিসোর্ট ও ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসন।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল ঢাকার একটি আদালত।

    ২০২২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর আইজিপির পদ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন মি. আহমেদ।

    এর কিছুদিন পরে ঢাকার একটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাপক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করে রিপোর্ট প্রকাশ করলে তা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হয়েছিল।

    এর কিছুদিন পরেই দেশ ছেড়ে দুবাই চলে যান তিনি।

    আরো পড়তে পারেন:

  3. রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে

    ঢাকায় পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।

    রোববার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

    গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপিল করেন তারা।

    অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপিল আবেদনের শুনানি শেষ করে রায় কার্যকর দেখতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ।

    পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আদেশটি তারা(কোর্ট) সেকশনে পাঠিয়ে দেবেন। আমরা প্রত্যাশা করি, সেটি যাওয়ার পরেই রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স শুনানির প্রস্তুতির কাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে, পেপারবুক তৈরি হয়ে যাবে।”

    প্রত্যাশিত দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেপারবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, আপিলটা মঞ্জুর হয়েছে এবং সেই আপিলটা মৃত্যুদণ্ডের রেফারেন্সের সঙ্গেই শুনানি হবে।

    “কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী যে দুই কার্যদিবসের কথা বলা হয়েছিল, সেটি হয়নি। কারণ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জেল আপিল করার জন্য সাতদিন সময় থাকে। আইনি বাধ্যবাধকতার ওই সময়টুকু তাদের দিতে হবে” বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

  4. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    আরো পড়তে পারেন: