রমনা বোমা হামলার রায় ঘোষণার নির্ধারিত দিন ১৬ই জুন

court

ছবির উৎস, focus bangla

ছবির ক্যাপশান, রমনা বটমূলে হামলার রায় হতে যাচ্ছে ১৩ বছর পর
    • Author, কাদির কল্লোল
    • Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
  • Published

বাংলাদেশে ঢাকার রমনা বটমূলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা ঘটনার এক যুগেরও বেশি সময় পর হত্যা মামলায় রায় হতে যাচ্ছে।

ঢাকার একটি দায়রা জজ আদালত ১৬ই জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছে।

আইনজীবীরা বলেছেন, মামলায় সাতবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হওয়ায় তদন্ত কাজ এবং বিচার শেষ হতে বিলম্ব হয়েছে।

২০০১ সালের পহেলা বৈশাখ বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এই বোমা হামলায় দশ জন নিহত এবং অনেক মানুষ আহত হয়।

ঢাকার রমনা বটমূলে ছায়ানটের বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ২০০১ সালে যখন বোমা হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটে, সেদিনই হত্যার অভিযোগে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দু’টি মামলা করেছিল পুলিশ।

সেই ঘটনার তের বছর পর এসে হত্যা মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে বিচার কাজে সমাপ্তি টানা হলো এবং ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করলো ১৬ই জুন।

মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি জাহিদ সরদার । তিনি বলেছেন, এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে বোমা হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল।

২০০১ সালেই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় আসার পর সেই আমলে দফায় দফায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করার কারণে তদন্তে বিলম্ব হয়। এর জেরে বিচার শুরু হতেই সময় লেগেছিল বলে ঐ সরকারি আইনজীবী উল্লেখ করেছেন।

“এই মামলায় মোট সাত বার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছিল। সর্বশেষ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তদন্ত কর্মকর্তা পাল্টানো হয়েছিল। সেই তদন্ত কর্মকর্তার চার্জশিটের ভিত্তিতেই বিচার কাজ হয়েছে।”

মামলার চার্জশিটে ১৪জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন হরকাতুল জেহাদ নেতা মূফতি আব্দুল হান্নান এবং বিএনপি আমলের সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ অভিযুক্ত ১৪ জনই হরকাতুল জেহাদের সাথে জড়িত।

মূফতি হান্নান এবং মাওলানা তাজউদ্দিনসহ আটক থাকা তিনজন প্রধান অভিযুক্তের জবানবন্দির ভিত্তিতে এসব তথ্য আদালতে শুনানিতে তুলে ধরা হয়েছিল।

দু’পক্ষের আইনজীবীরাই বলেছেন, তারা স্ব স্ব পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ আদালতে তুলে ধরেছেন। এখন তারা অপেক্ষা করছেন রায়ের জন্য।