পদ্মা সেতু: প্রকল্প ঠেকানোর ‘ষড়যন্ত্রকারীদের’ খুঁজে বের করতে সরকারকে কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট

Published

পদ্মা সেতু প্রকল্পে 'ষড়যন্ত্রকারীদের' খুঁজে বের করতে সরকারকে কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

পাঁচ বছর আগে জারি করা রুলের শুনানির পর মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

আদালত আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই কমিশন গঠন করতে বলেছে।

আরো পড়ুন:

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

তিনি বলেন "৩০ শে অগাস্ট ২০১৭ সালের সর্বশেষ প্রোগ্রেস রির্পোট আমারা পড়ে শোনালাম। আদালত নতুন করে নির্দেশ দিয়েছে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে একটা কমিশন গঠন করতে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি তদন্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করতে বলেছে।"

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছিল বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর বেঞ্চ।

ওই রুলে 'ষড়যন্ত্রকারীদের' খুঁজে বের করতে ১৯৫৬ সালের 'ইনকোয়ারি অ্যাক্ট' এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন অনুযায়ী কমিটি বা কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

সেই সঙ্গে 'প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের' কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল।

এছাড়া, কমিটি বা কমিশন গঠনে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা জানিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

ওই রুল জারির পাঁচ বছর পর গত শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে। এরপর এ সংক্রান্ত রুলের শুনানি চেয়ে হাই কোর্টে গত রবিবার বিষয়টি উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে সোমবার ও মঙ্গলবার রুলের বিষয়ে শুনানি করে কমিশন গঠনের আদেশ দিল হাই কোর্ট।

মি. মানিক বলেন, এই কমিশন আইন অনুযায়ী গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, "১৯৫৬ সালের 'ইনকোয়ারি অ্যাক্ট' এর তৃতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন গঠন করা হবে। তবে সেই কমিশনে কারা থাকবেন সেটা বলা হয় নি"।

দৈনিক ইনকিলাবে ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি 'ইউনূসের বিচার দাবি : আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলগুলো একাট্টা' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন ওই প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদের কথা উল্লেখ করে এই রুল জারি করে হাইকোর্ট।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: