আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
বিলেতে ড্রাকুলা সম্মেলনে ভ্যাম্পায়ারের সাজে কেন এত মানুষের জমায়েত
ব্রিটেনে ভ্যাম্পায়ারের সাজ-পোশাক পরে আসা মানুষদের এক সম্মেলন তৈরি করেছে নতুন এক গিনেস বিশ্বরেকর্ড।
উত্তর ইয়র্কশায়ারের হুইটবি অ্যাবিতে এই ড্রাকুলা সম্মেলনে ১ হাজার ৩৬৯ অংশগ্রহণকারীর সাজসজ্জা ছিল দেখার মতো।
ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলার প্রকাশের ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৭ সালে।
আঠারোশ নব্বই সালে উপন্যাসিক স্টোকার হুইটবি অ্যাবি সফর করে তার গথিক হরর উপন্যাসের প্লট সম্পর্কে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।
আরো দেখুন:
কাউন্ট ড্রাকুলার জন্য রেকর্ড
ইংলিশ হেরিটেজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।
ব্রাম স্টোকারের উপন্যাসের প্রকাশনার পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি সারা বছর ধরে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
তারই অংশ হিসেবে ব্রিটেনে ড্রাকুলার সব অনুসারীকে এক জায়গায় করে নতুন গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়ার আয়োজন করা হয়।
এর আগে ড্রাকুলা সম্মেলনের বিশ্ব রেকর্ডটি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। সেখানে ১,০৩৯ জন ড্রাকুলা প্রেমিক জড়ো হয়েছিলেন।
বিশ্ব রেকর্ড তৈরির প্রচেষ্টার আগে হুইটবি অ্যাবির ম্যানেজার মার্ক ইউলিয়ামসন জানান, এই অনুষ্ঠানে যোগদানের ব্যাপারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ আগ্রহ দেখিয়েছেন।
এদের অনেকেই উত্তর ইয়র্কশায়ারের এই রিসোর্টে এসে হাজির হন। অনেকেই এসেছেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে স্থানীয় ব্যান্ড ওয়েস্টার্না গান পরিবশেন করে। পাশাপাশি থিয়েটার গ্রুপ 'টাইম উইল টেল' পরিবশেন করে ড্রাকুলা উপন্যাসের অংশবিশেষ।
গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের একজন বিচারক জ্যাক ব্রুকব্যাংক বলেন, "কাউন্ট ড্রাকুলার পোশাক কী হবে সে ব্যাপারে নিয়মকানুন ছিল খুবই কঠোর।"
"প্রত্যেককে পরতে হয়েছিল কালো জুতো, কালো ট্রাউজার, ওয়েস্টকোট, শার্ট, কালো আলখাল্লা এবং ড্রাকুলার দাঁত।"
হুইটবিতে যেসব দর্শণার্থী আসেন আদের মধ্যে অনেকেই জানতে চান ড্রাকুলার কবর সম্পর্কে। তারা ভুলে যান যে এটি এক কল্প-কাহিনি।
গত বছর স্থানীয় সেন্ট মেরিস চার্চ তাদের দরোজায় একটি নোটিশ বসিয়ে জানিয়ে দেয় দর্শর্ণার্থীরা যেন এব্যাপারে অযথা প্রশ্ন না করেন।
হুইটবিতে যে বাড়িতে ব্রাম স্টোকার বাস করেছিলেন এবং ড্রাকুলা উপন্যাসের ব্যাপারে গবেষণা করেছিলেন সেখানে তার স্মৃতিতে বসানো হয়েছে একটি স্মারক ফলক।