কোভিড: দৈনিক মৃত্যু দুইশো'র নিচে নামছে না, আরো কমেছে শনাক্তের হার

Published

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৬ জন মারা গেছেন।

এই সময়ে সারা দেশে ৪৪ হাজার ৯৪১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ হাজার ২৩৬ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের চলমান ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই নতুন শনাক্ত রোগী ও মৃত্যুর হারের ক্ষেত্রে রেকর্ড হচ্ছিল।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১১ই জুলাই সর্বোচ্চ ২৩০ জন মারা গিয়েছিলেন। দৈনিক মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২৬ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এর আগে সর্বোচ্চ ১৩,৭৬৮ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছিল সোমবার।

তবে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিন দুইশো'র বেশি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হারের অনুপাত ধীরে ধীরে কমছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে শনাক্তের হার ছিল ২৭.২৩ ভাগ।

সোমবার থেকে মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ২৯.২১। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৯.১৪ ভাগ।

আরো পড়তে পারেন:

টানা পাঁচ দিন মৃত্যু সংখ্যা দু'শোর উপরে

আজ বৃহস্পতিবার পাওয়া পরিসংখ্যানসহ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ১৭ হাজার ২৭৮ জন।

আর গত বছরের ৮ই মার্চ প্রথম রোগী শনাক্তের কথা ঘোষণা করার পর থেকে সব মিলিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ লাখ ৭১ হাজার ৭৭৪ জনে।

গত পাঁচ দিন কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা দুইশোর উপরেই থাকছে।

ঢাকা ও খুলনায় আবারো সবচেয়ে বেশি মৃত্যু

গতকালের মত আজও সবচেয়ে বেশি ৭৪ জন মারা গেছে ঢাকায়। গতকাল সংখ্যাটি ছিল ৬৯ জন।

এরপরেই রয়েছে খুলনা। খুলনায় মারা গেছে ৫২ জন। আগের দিন সংখ্যাটি ছিল ৪৬।

বাংলাদেশ সরকারের একটি গবেষণায় জানা গেছে যে এখন সংক্রমণের ৮০ শতাংশই ভারতে প্রথমে শনাক্ত হওয়া ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট দ্বারা ঘটছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ১লা জুলাই থেকে আরোপ করা এক সপ্তাহের 'কঠোর লকডাউন' আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে, যা ১৪ই জুলাই পর্যন্ত কার্যকর ছিল।

কোরবানির ঈদের জন্য ১৫ থেকে ২৩শে জুলাই পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরপর ২৪শে জুলাই থেকে ৫ই অগাস্ট পর্যন্ত পুনরায় কঠোর লকডাউন জারি করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।