আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আবদুল মতিন খসরু: বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মারা গেছেন
বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মতিন খসরু ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা গেছেন।
মিস্টার খসরু সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া, তিনি বর্তমান জাতীয় সংসদের আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন।
তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আবদুল মতিন খসরু।
তবে পরে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ হলেও আজ বিকেল চারটার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং বিকেল পৌনে পাঁচটায় মারা যান।
গত মাসে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর গত ১৫ই মার্চ কোভিড পরীক্ষা করান তিনি।
পরীক্ষায় পজিটিভ আসার পর ১৬ই মার্চ সিএমএইচে ভর্তি করা হয় তাকে। এরপর আইসিইউ-তে চিকিৎসা দেয়ার পর তার অবস্থার উন্নতি হয় এবং তাকে কেবিনে আনা হয়।
কিন্তু পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আবারও আইসিইউ-তে নেওয়া হয়।
মিস্টার খসরু ১৯৯৬ সাল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আইনমন্ত্রী হয়েছিলেন এবং তার সময়েই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়, যা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচারের পথ উন্মুক্ত করে।
বাংলাদেশের মুক্তিযু্দ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা আবদুল মতিন খসরু সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
১৯৫০ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি জন্ম নেয়া মিস্টার খসরু কুমিল্লা-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে পাঁচ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মিস্টার খসরুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।