করোনাভাইরাস: লকডাউনের পর আবার শুরু হলো জার্মান ফুটবল

Published

করোনাভাইরাস মহামারির পর আজ থেকে আবার শুরু হয়েছে জার্মানির শীর্ষ ফুটবল লিগ বুন্দেসলিগার খেলা।

ছয়টি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় খেলাটি ছিল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড আর শালকের মধ্যে । কারণ, এটি হচ্ছে 'ডার্বি' - অর্থাৎ একই অঞ্চলের দুই ক্লাবের মধ্যেকার ম্যাচ। জার্মান ফুটবলে পশ্চিমাঞ্চলীয় রুর এলাকার এই দু্টি ক্লাবের মধ্যেকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও রেষারেষির ইতিহাস বহু পুরোনো ।

বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এ ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছে।

তবে এ দু'দলের ভক্তদের এবার বাড়িতে বসেই খেলা দেখতে হয় - কারণ সব খেলাই হচ্ছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে।

ইউরোপের প্রধান ফুটবল লিগগুলোর মধ্যে জার্মানির বুন্দেসলিগাই প্রথম - যা করোনাভাইরাস সংক্রমণজনিত লকডাউনের পর আবার চালু হলো।

ফুটবল ফ্যানরা যাতে স্টেডিয়ামে ঢুকতে না পারে বা কোনরকম গোলমাল না বাধায়, সে জন্য স্টেডিয়ামগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে খেলার সময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি আরোপ করা হয়।

খেলোয়াড়দের সবার কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়, তা ছাড়া প্রতিটি দলই ছিল কোয়ারেন্টাইনে - তারা শনিবার মাঠে নামার আগ পর্যন্ত এক সপ্তাহ ধরে হোটেলে থেকেছে এবং সেখান থেকেই ট্রেনিং করতে গিয়েছে।

খেলার সময়টুকুর বাইরে খেলোয়াড়দের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়।

ম্যাচের দিন খেলোয়াড়, স্টাফ এবং ক্লাব কর্মকর্তা মিলে প্রায় ৩০০ লোক ছিল স্টেডিয়ামে।

লকডাউন শিথিল হচ্ছে ইতালিতেও

ইতালির সরকারও ধীরে ধীরে করোনাভাইরাসজনিত লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসছে, এবং আজ সরকার এক ডিক্রি জারি করেছে যে আগামী ৩রা জুন থেকে অন্য দেশ ও ইতালির মধ্যে যাতায়াত আবার শুরু হবে।

এ ছাড়া ১৮ই মে থেকে দোকান ও রেস্তোরাঁগুলো খুলে দেয়া হবে। গত ৪ঠা মে থেকে পার্ক ও কলকারখানাগুলো খুলেছে।

আরো পড়ুন:

ইতালিতে করোনাভাইরাস সংক্রমণে ৩১ হাজার ৬০০-রও বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের পর এটি কোভিড-১৯এ তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা।

ইরানে খুলে দেয়া হচ্ছে মাজারগুলোর চত্বর

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলছেন, তার সরকার রমজানের পরই দেশটির মাজারগুলোর চত্বর খুলে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, রমজানের পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রোটোকল অনুযায়ী খেলাধূলার কার্যক্রমও শুরু হবে।

ইরানে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৫ জন লোক কোভিড-১৯ পজিটিভ বলে সনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৯০২ জনের।

মি রুহানি বলেন, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলোর আওতার ভেতরে থেকেই মাজারগুলোর চত্বর খুলে দেয়া হবে, তবে এগুলোর প্রবেশতোরণগুলো বন্ধ ধাকবে।

এ ছাড়া ৬ই জুন থেকে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও কাজ শুরু করবে।

বিবিসি বাংলায় আরো খবর: