আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
এডিটার'স মেইলবক্স: শপিং মল খোলা থেকে ভারতে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা নিয়ে প্রশ্ন, অভিযোগ
- Author, সাবির মুস্তাফা
- Role, সম্পাদক, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
বাংলাদেশ এবং ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি যতই নাজুক হচ্ছে, আমাদের পাঠকদের উদ্বেগ স্বাভাবিক কারণেই বাড়ছে। মঙ্গলবার শেষে বাংলাদেশে প্রতি দশ লক্ষয় ১০১জন আক্রান্ত হয়েছেন। ভারতে এই হারটা অর্ধেক। তবে বাংলাদেশে অনেকে উদ্বিগ্ন হয়েছেন লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে।
সেরকম উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:
''বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ এখন ঊর্ধ্বমুখী। ঠিক এই পরিস্থিতিতেও সরকার শপিং মল এবং দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে কেবল অর্থনৈতিক স্থবিরতাকে কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠার জন্য। এখন বাজারগুলোতে যে পরিমাণ জন সমাগম চোখে পড়ছে সেটি সামাল দেওয়া সরকারের একার পক্ষে আদৌ সম্ভব নয়। বাজারগুলিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।''
কথাটা আপনি ঠিকই বলেছেন মি. সরদার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নীতি তখনি সফল হবে, যখন জনগণ এটার গুরুত্ব বুঝে নিজ থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলবে। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া এ'রকম নীতি বাস্তবায়ন খুবই কঠিন।
একই ধরণের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইর থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:
''করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং মল-মার্কেট খোলার নির্দেশনা থাকলেও, তা না মেনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পুরো দমে চলছে ঈদের কেনাকাটা। সীমিত সময়ে কেনাকাটার সুযোগে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই অধিকাংশ মার্কেটে। বরং দেড় মাস পর সড়ক থেকে শুরু করে ছোট-বড় মার্কেট ও শপিং মলে দেখা গেছে উপচে পড়া ভিড়। মার্কেটগুলো যেন জনসভার স্থলে পরিণত হয়েছে। কোনো রকম নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই চলছে কেনাবেচা। দোকান মালিক ও ক্রেতাদের আরো সচেতন হওয়া জরুরি বলে মনে করি।''
আপনি যে চিত্র তুলে ধরেছেন মি. আহমেদ, সেটা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা। দেশের দোকান-পাটগুলোতে , এমনকি বড় বড় শপিং মলগুলোতেও ক্রেতাদের হেঁটে বেড়ানোর জায়গা খুবই কম। ছোট ছোট দোকানে মানুষের সদিচ্ছা থাকলেও পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
এখানে একটি পথ আছে। দোকান মালিকদের নিজ উদ্যোগে গুনে গুনে ক্রেতাদের ঢোকাতে হবে যাতে কোন এক সময়ে দোকানে অতিরিক্ত মানুষ না থাকে। তাতে ক্রেতারা বিরক্ত হবেন, হয়তো অনেকে রেগে যাবেন, কিন্তু দোকান কর্তৃপক্ষ যদি অটল থেকে এই পদ্ধতি চালিয়ে যায়, তাহলে দোকানের ভেতরে অন্তত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যাবে।
করোনাভাইরাসের পরীক্ষা কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের হুগলীতে যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়ে গেল, তা নিয়ে বিবিসি বাংলার রিপোর্টিংকে 'হিন্দু-বিদ্বেষী' বলে লিখেছেন ভারত থেকে সামির বিশ্বাস:
''আপনারা কি সব সময় হিন্দু বিদ্বেষী খবর প্রচার করেন? আপনারা কি নিরপেক্ষ খবর প্রচার করতে পারেন না? কেন আপনারা সব খবরে হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন? যেখানে হিন্দু আক্রান্ত সেখানেও হিন্দুদের বিপক্ষে কথা বলেন। মুসলিম কি আপনাদের খুব প্রিয় তা হলে মুসলিম ধর্ম প্রচার করুন, অযথা হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্রচার করবেন না (হুগলীর তেলেনীপাড়ার ঘটনা)।''
না মি. বিশ্বাস, আমরা কখনোই হিন্দু-বিদ্বেষী খবর প্রচার করি না। আমরা হিন্দু, মুসলিম বা অন্য কোন সম্প্রদায়ের পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলি না। নিরপেক্ষ থেকে প্রতিটি ঘটনার খবর বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিবেশন করাই আমাদের নীতি।
হুগলীর ঘটনা নিয়ে মঙ্গল এবং বুধবার আমারা যে দুটো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছি তার কোনটাতেই কোনো সম্প্রদায়ের পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলা হয়নি। হিন্দু-বিদ্বেষের প্রশ্নই ওঠে না। আমাদের সংবাদদাতা অনেকের সাথে কথা বলে ঘটনা প্রবাহর সঠিক চিত্র তৈরি করার চেষ্টা করেছেন। সেখানে দু'পক্ষ এক অপরকে দোষারোপ করেছে, দুই সম্প্রদায়ের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সবই প্রতিবেদন দুটোতে স্থান পেয়েছে। সবার অবগতির জন্য প্রতিবেদন দুটির লিঙ্ক নিচে দেয়া হলো:
ফিরে যাচ্ছি বাংলাদেশে লকডাউন শিথিল করার বিষয়ে, লিখেছেন ঝিনাইদহ থেকে কাজী সাঈদ:
''আসলে কয়দিন ধরে আমিও খুব চিন্তিত এ বিষয়টি নিয়ে। অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান এবং আমাদের দেশের অবস্থা বিচার করলে দাঁড়ায়, করোনা এখন পিক টাইম পার করছে। ঠিক এই সময় তড়িঘড়ি করে লকডাউন তুলে নেওয়া বেশ সাহসের পরিচয় বলা চলে। বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো যেখানে করোনা ভাইরাসের কাছে চরমভাবে পর্যুদস্ত, সেখানে আমাদের দেশের মানুষ এত বেপরোয়া হয় কীভাবে? আমার তো মনে হয় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও আমরা জনগণ নিজেরা নিজেদেরকে বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছি।''
বিষয়টি অত্যন্ত জটিল তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই মি. সাঈদ। উঁচু মানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও অনেক উন্নত দেশ এই ভাইরাস মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে, নিজেদের অর্থনীতি স্থবির করে দিয়ে সংক্রমণ আটকাতে হচ্ছে। কাজেই, কাজটা যে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশ, যার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নাজুক, তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখানে যেমন বিচক্ষণ রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, তেমনি দরকার সাধারণ মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ।
সৌদি আরব থেকে লিখেছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম আহমেদ তাহসান। লকডাউনের পাশাপাশি তিনি নামাজ-রোজা পালন করার আহ্বান জানাচ্ছেন:
''আমি মনে করি বাংলাদেশে বর্তমান যে অবস্থা, তাতে আর কিছু দিন লকডাউন দিলে হয়তো আল্লাহর রহমত হতে পারতো। এখন প্রতি দিন যে ভাবে লোক মারা যাচ্ছে, এবং রোগী আক্রান্ত হচ্ছে, তাতে করোনাভাইরাস শহর থেকে গ্রামে ছড়াতে বেশি দিন লাগবে না। বাংলাদেশ সরকার নিশ্চয়ই জ্ঞানী, তাই বলতে চাই, লকডাউন আর কিছু দিন থাকুক। ভালো করার মালিক তিনি যিনি তামাম দুনিয়া সৃষ্টি করেছেন। সবাইকে বলতে চাই, সময় থাকতে নামাজ রোজা করুন, সৎ পথে চলুন।''
আপনার মত অনেকেই লকডাউন বহাল রাখার ওপর জোর দিচ্ছেন মি. আহমেদ। আর এটাও ঠিক, বিপদ-আপদের সময় অনেকেই ধর্মের আশ্রয় নেন, এবং দোয়া-প্রার্থনার মাধ্যমে স্বস্তি পাবার চেষ্টা করেন।
পরের চিঠিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:
''গত মঙ্গলবার বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত "করোনাভাইরাস: বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় বেহাল দশা, দায় কার" শীর্ষক প্রতিবেদনটির সূত্র ধরে বলছি, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা এবং এটা পাওযার অধিকার সকল নাগরিকের আছে। তাছাড়া, এটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের এবং সকলে দায় এড়াতে পারলেও সরকার পারে না। কিন্তু এ চরম ক্রান্তিকালে তাদের এ দায় ঠেলাঠেলির কারণে বলির পাঁঠা হচ্ছে ভুক্তভোগী রোগীরা।
এ কারণে অনেক করোনা রোগী হাসপাতালের সেবা গ্রহণ করতে ভয় পাচ্ছে, তারা বাসায় অবস্থান করেই চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি, এ সময় যে বা যারা দায়িত্ব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে, তাদের কোনক্রমেই ছাড় দেওয়া উচিৎ নয় এবং এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া খুবই জরুরি।'' (কাদির কল্লোলের প্রতিবেদন পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন )
বিশ্বজুড়ে দেখা যাচ্ছে মি. রহমান, বেশির ভাগ করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর হাসপাতালে যাবার প্রয়োজন হচ্ছে না। শুধুমাত্র যাদের অন্যান্য জটিল রোগ আছ বা প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টে ভুগছেন, তাদেরই হাসপাতাল নেয়া হচ্ছে। সেজন্য জোর দেয়া উচিত ব্যাপক হারে পরীক্ষা করা, যাতে আক্রান্ত বা তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদের কোয়ারেন্টিনে নেয়া যায়। আর আমার মতে, সঙ্কট যখন তুঙ্গে, তখন কে কিসের জন্য দায়ী, সেই বিতর্কে সময় নষ্ট না করে মানুষকে বাঁচানো এবং ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। বিপদ কেটে গেলে কে গাফিলতি করেছে, কাকে শাস্তি দিতে হবে ইত্যাদি তদন্ত করার অনেক সময় পাওয়া যাবে।
এবারে একটি অভিযোগ। বিবিসি ব্রিটেনের মহামারির খবর এড়িয়ে যাচ্ছে বলে লিখেছেন পঞ্চগড়ের বড়শশী থেকে মোহাম্মদ উজ্জ্বল ইসলাম:
''বিবিসি বাংলা ব্রিটিশ গণমাধ্যম হয়েও যুক্তরাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি তার শ্রোতা-দর্শক এবং পাঠকদের জন্য নিয়মিত তুলে ধরে নি। ব্রিটিশ সরকার বিবিসি বাংলার উপর এমন কোন নির্দেশনা দিয়েছে কি? যার জন্য নিজে দেশের তথ্য প্রচার করতে চাচ্ছে না?''
না মি. ইসলাম, সেরকম কোন নির্দেশনা ব্রিটিশ সরকার বিবিসিকে দেয়নি এবং সেরকম কোন নির্দেশনা দেবার অধিকারও ব্রিটিশ সরকারের নেই। আর বিবিসি বাংলা ব্রিটেনের সার্বিক পরিস্থিতি এড়িয়ে গেছে, এরকম কথা আমি মানতে রাজী না। যখনই কোন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, তখন আমরা সেটা রিপোর্ট করেছি। মাত্র বুধবার একটি বড় বিশ্লেষণ ছাপা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে ব্রিটেনে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি হিসেবের দ্বিগুণ হতে পারে। নিচে কয়েকটা লিঙ্ক দেয়া হলো, পড়ে দেখতে পারেন:
করোনাভাইরাস চিকিৎসায় ওষুধ বাজারে আসছে জেনে বেশ আশান্বিত হয়েছেন রংপুরের দেব প্রসাদ রায়:
''ইবোলা সংক্রমণে ব্যবহৃত অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছে। দ্রুত সেরে ওঠার ক্ষেত্রে রেমডেসিভির ইতিবাচক প্রমাণ মিলেছে। যদিও করোনা আক্রান্ত রোগীদের সবার ক্ষেত্রে ওষুধটির প্রয়োগ সম্ভব হবে না। শুধুমাত্র গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধটি ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশে কয়েকটি ওষুধ প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠানকে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রেমডেসিভির তৈরির অনুমোদন দিয়েছে। এবং ওষুধটি এ মাসেই বাজারে আসছে। এতে আশা করা যায়, বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় যে নাজুক অবস্থা সেটা কিছুটা হলেও কমে আসবে।''
আমি দু:খিত মি.রায় কিন্তু বিষয়টিকে আপনি যেভাবে দেখছেন, ঠিক সেটা না। করোনা রোগীদের ওপর রেমডেসিভির পরীক্ষা করে দ্রুত সেরে ওঠার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং, পরীক্ষার সময় যাদের রেমডেসিভির দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে রোগী মারাও গিয়েছেন। তবে যারা রেমডেসিভির ব্যবহার করেছেন তারা অন্যান্যদের তুলনায় গড়ে চার দিন আগে সেরে উঠেছেন। কিন্তু এখনো পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি, এবং এই ওষুধকে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা বলা মোটেই ঠিক হবেনা।
এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গে যাই। রেডিও সম্প্রচার নিয়ে লিখেছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে এম নাজমুল হোসাইন:
''বিবিসি বাংলার কাছে আমার একটি প্রশ্ন হলোঃ আপনারা কি শর্ট ওয়েভ এর উন্নতি নিয়ে কোন চিন্তা করেন? কারণ গ্রামে অধিকাংশ জায়গায় এফএম কভারেজ থাকে না। তাই বিবিসি বাংলা শোনার জন্য শর্ট ওয়েভের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। কিন্তু বর্তমানে বিবিসি বাংলার শর্ট ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি অনেক দুর্বল যা ভালোভাবে শোনা যায় না। বিষয়টি একটু বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।''
সত্যি কথা বলতে মি. হোসাইন, শর্ট ওয়েভের ওপর বিবিসির খুব একটা ভরসা আর নেই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, গত বছর বিবিসি ভারত এবং পাকিস্তানে শর্টওয়েভ সম্প্রচার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশে শর্ট ওয়েভ শ্রোতা খুব কম হলেও, সম্প্রচার এখনো বহাল আছে। কিন্তু আর কত বছর থাকবে তা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারবো না।
এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার:
জ্যোতিষ রায়, টংগী, গাজীপুর।
মোহাম্মদ রমিজ উল ইসলাম, ঢাকা।
মাহাফুজার রহমান তুফান, রংপুর।
মোহাম্মদ রেজাউল রহিম, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
জাহাঙ্গির রনি, ঢাকা।
আরিফুল ইসলাম, খুলনার, পাইকগাছা।
খন্দকার জাহিদুল ইসলাম মারুফ, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মোহাম্মদ শাহিন তালুকদার, মৌকরন, পটুয়াখালী।
মোহাম্মদ রাসেল বিশ্বাস, ঢাকা।
মোহাম্মদ রিয়াদ সরকার, কুমিল্লা।