পত্রিকা: 'বেনজীরকে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- কত দ্রুত তাকে দেশে আনা সম্ভব?

সূত্রগুলো বলছে, প্রচলিত প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় গেলে সময় লাগতে পারে কয়েক মাস। কিন্তু সরকার চাইলে কূটনৈতিক ও আইনি তৎপরতা বাড়িয়ে প্রক্রিয়াটি দ্রুততর করতে পারে।

গতকাল দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে।

তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর কাগজপত্র ও আদালতের আদেশসহ সংশ্লিষ্ট নথি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলে নথিপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ্যানেলে ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ইউএই'র মধ্যে বিদ্যমান আইনি কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া হবে।

আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাওয়ার পর ইউএই কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। এরপরই প্রত্যর্পণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

খবরে বলা হচ্ছে, ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত (চেয়ারম্যানের চলতি দায়িত্ব) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেছেন, এখন পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই।

আমানতকারীদের নির্বিঘ্নে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ব্যাংকের প্রতি আস্থা রাখার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে যোগ্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনে যাচাই-বাছাই চলছে।

সোমবার ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জহির হোসেন এসব কথা বলেন। এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আলতাফ হোসেনসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও চেয়ারম্যানকে অপসারণের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী ও এমডিদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)।

সোমবার এবিবির চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিনের পক্ষ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাতের জন্য সময়োপযোগী ও বিচক্ষণ পদক্ষেপ।

'দিল্লিতে উপদেষ্টাকে হেনস্তা সম্পর্কে অস্বস্তি, প্রতিবাদ' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়টি অন্তত দুই দিন আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল বাংলাদেশ।

এরপরও গত রোববার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় আড়াই ঘন্টা অপেক্ষায় রাখা হয়। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে ঢাকায় ফিরে আসেন।

পূর্বনির্ধারিত সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার এমন পরিস্থিতির মুখে পড়ার ঘটনায় গতকাল সোমবার ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়।

এ সময় দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক পথে এগোনোর যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক এটনাগুলো তাতে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি করেছে।

সীমান্তে বিএসএফের 'পুশ ইন' চেষ্টার পর এবার প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে অপেক্ষায় রাখার ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।

খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করা নিয়ে গ্রাহকরা ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বড় জটিলতা দেখা দিয়েছে রিচার্জ করার সময় পাওয়া টোকেনের লম্বা সংখ্যা নিয়ে।

মিটারে টাকা রিচার্জ করার সময় ২০ ডিজিটের বদলে ২০০ থেকে ৩০০ সংখ্যার টোকেন নম্বর আসছে। এত বড় সংখ্যা প্রবেশ করাতে গিয়ে বারবার ভুল হওয়ায় মিটার লক হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ সংযোগ।

সমস্যা সমাধানের জন্য ছুটতে হচ্ছে বিদ্যুৎ অফিসে। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কোথাও কোথাও পুরো দিন বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে।

এর পাশাপাশি রিচার্জের পর আগের ব্যালান্স যোগ না হওয়া, বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ কেটে নেওয়া এবং সার্ভার জটিলতার অভিযোগও করছেন গ্রাহকরা।

'ফার্মেসিতেই মান হারাচ্ছে ওষুধ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

গরম থেকে বাঁচতে মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ফ্যানসহ নানা উপায় বেছে নিলেও জীবন রক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে সেটা মানা হয় না বেশির ভাগ ফার্মেসিতে। আর সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় ওষুধের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। সেই ওষুধ সেবন করে চিকিৎসায় সুফল পাচ্ছে না রোগীরা ।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক হিসাবে দেখা গেছে, দেশে সোয়া দুই লাখের বেশি ফার্মেসি রয়েছে। কিন্তু এর কতগুলোতে ওষুধ সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়, তার হিসাব নেই তাদের কাছে।

তবে ওষুধ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থার মতে, বেশির ভাগ ফার্মেসিতেই সঠিক তাপমাত্রায় ওষুধ সংরক্ষণ করা হয় না। সম্প্রতি আজকের পত্রিকার সরেজমিনেও বিষয়টি উঠে এসেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কলাবাগান, মহাখালীর পাশাপাশি ঢাকার বাইরে পিরোজপুর সদর হাসপাতাল সড়ক, ক্লাব রোড এবং কুমিল্লার কোটবাড়ি ও শহরের কান্দিরপাড় এলাকায় অন্তত ৫০টি ওষুধের দোকান পর্যবেক্ষণ করেছে আজকের পত্রিকা।

এতে দেখা গেছে, ৫০টির মধ্যে ৪৬টিতেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। ওষুধ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন , তাপমাত্রার সামান্য হেরফেরেও ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হয় ।

'আবাসনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আবাসন খাতে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকরা। এই খাতের বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে।

একটি ফ্ল্যাট বা বাড়ির পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দুই শতাধিক সংযুক্ত শিল্প খাতে ছড়িয়ে পড়ে। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ খাতের জুড়ি নেই। মূলধনের সঞ্চালন ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে এটি মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, জিডিপিতে প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান রাখা এই খাতের সংকট বাড়লে অর্থনীতিকেই বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাত এখন চরম মন্দার মুখে। জ্বালানি ও নির্মাণ উপকরণের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহার ও ডলারের অস্থিরতায় ফ্ল্যাট বিক্রি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।

নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এ অবস্থার মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রডের ওপর সুনির্দিষ্ট ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা এই খাতকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম '10 killings a day fuel concerns over law and order' অর্থাৎ 'দিনে ১০ খুন আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে'।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং অপরাধ জগতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি, টার্গেট কিলিং এবং সশস্ত্র হামলার বৃদ্ধির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এর জেরে মাত্র তিন মাসে দেশব্যাপী ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, পুলিশ। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১০টিরও বেশি হত্যাকাণ্ড হচ্ছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দুর্বল পুলিশি ব্যবস্থা এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শীর্ষ অপরাধীদের ফিরে আসাই এই সহিংসতার মূল কারণ।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৯১৫টি খুনের মামলার মধ্যে ৩১৭টি হয়েছে মার্চ মাসে। অর্থাৎ বিএনপি ক্ষমতায় আসার ঠিক পরেই। এরপর এপ্রিলে ২৮৮টি এবং মে মাসে ৩১০টি।

২০২৫ সালের একই সময়ে ৯৯৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে এর মধ্যে ২২৬টি ছিল পূর্ববর্তী ঘটনা থেকে আসা মামলা। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৭৯৪।

পুলিশের পরিসংখ্যানে আরও দেখা গেছে, চলতি বছর এ সময়ে সর্বাধিক ২০৭টি হত্যাকাণ্ড রেকর্ড হয়েছে ঢাকা রেঞ্জে। এরপর রয়েছে যথাক্রমে চট্টগ্রামে ১৮৬টি, রাজশাহীতে ১০৬টি এবং খুলনায় ৮৪টি।

নিউ এইজের শিরোনাম 'Proposed amendments to weaken ACC further' অর্থাৎ 'প্রস্তাবিত সংশোধনীতে দুদক আরও দুর্বল হবে'।

দুর্নীতি দমন আইনে প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোর কারণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই আরও পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এটি নজরদারি সংস্থাটির ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে এবং এর কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

দুর্নীতি দমন কমিশন নিজেই এখন এই আইনগত পরিবর্তনগুলোর প্রস্তাব করেছে। কারণ কমিশন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর একটি সংশোধনী খসড়া প্রস্তুত করেছে।

মাস তিনেক আগে বিএনপি সরকারের নেওয়া একটি সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই সংশোধনী খসড়াটি আনা হয়েছে। ওই সিদ্ধান্তে নতুন জাতীয় সংসদে কমিশনের ক্ষমতা জোরদার করার উদ্দেশ্যে আনা আগের একটি অধ্যাদেশ পাস আটকে দেওয়া হয়েছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে কয়েক সপ্তাহব্যাপী আলোচনার পর অধ্যাদেশটি খসড়া হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত নজরদারি সংস্থা হিসেবে এর মূল রূপকল্পের প্রতিফলন ঘটাতে পুনর্গঠন করা।

খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর ধরে গ্রামীণ অর্থনীতিতে চলমান স্থবিরতা আরও তীব্র হয়েছে। এর প্রভাবে গ্রামাঞ্চলে ব্যাংক ঋণের প্রবাহ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাংক ঋণের স্থিতি না বেড়ে বরং সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি কমেছে।

২০২৫ সালের মার্চ শেষে গ্রামাঞ্চলে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণ স্থিতি ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। আর চলতি বছরের মার্চে এ ঋণ স্থিতি কমে ১ লাখ ৩২ হাজার ১০৮ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

গ্রামীণ অর্থনীতিতে এমন এক সময়ে মন্দা ভাব চলছে, যখন দেশে আসছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। প্রবাসীরা কেবল চলতি অর্থবছরেই (১৪ জুন পর্যন্ত) ৩ হাজার ৪৩০ কোটি বা ৩৪ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

'যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধাবসান' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ ১০৬ দিনের রক্তক্ষয়ী ও বিধ্বংসী সঙ্ঘাতের পর অবশেষে যুদ্ধাবসানের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

দুই দেশই একটি সমঝোতা স্মারক বা 'মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং' চূড়ান্ত করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে এটিকে সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে যুদ্ধাবসানের একটি চুক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন আশার আলো দেখালেও এর স্থায়িত্ব ও কৌশলগত শর্তাবলি নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

চলতি সপ্তাহের আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এ চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে।

প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার সামরিক বৈরিতার অবসান ঘটবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পথ সুগম হবে।