আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
আরভিন্দ কেজরিওয়াল আবারো দিল্লির ক্ষমতার পথে
ভারতের রাজধানী দিল্লির ক্ষমতায় টানা তৃতীয়বারের মত জয়ের পথে রয়েছে আরভিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।
রাজ্যের ৭০ টি আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে দলটি এগিয়ে রয়েছে।
ব্যাপক প্রচারণার পর দিল্লিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভোট হয়।
বিজেপির পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাস্তায় নেমে ভোটারদের কাছে ভোট চান।
সবশেষ যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে আম আদমি পার্টি ৫৮ আসনে এগিয়ে আছে। সেখানে বিজেপি নেতৃত্ব দিচ্ছে ১২ টি আসনের।
৫১ বছর বয়সী মি.কেজরিওয়াল দিল্লির সরকার চালিত স্কুল, সাশ্রয়ী মূল্যের ক্লিনিক, কম দামে পানি এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা-এসব তার কৃতিত্ব হিসেবে দেখান।
তিনি ধারাবাহিকভাবে যে বিষয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছেন সেটা হল রাজ্যের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন।
আর এর জন্য পুলিশ ফোর্স এবং জমির উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে, যেটা এখনো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রয়েছে।
বিবিসির ভারত প্রতিনিধি সৌতিক বিশ্বাস বলছেন কেজরিওয়ালের এই জয় 'ভাল কাজ এবং কার্যকর প্রশাসনের জয়'।
এএপি পার্টি অফিসের সামনে দলের কর্মীরা জয় উদযাপন করতে শুরু করেছে।
বিবিসি হিন্দিকে দেয়া সাক্ষাতকারে দলের কর্মীরা বলছেন তারা শাসন-পদ্ধতি এবং উন্নয়নের' পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। এবং "বিভেদ সৃষ্টিকারী রাজনীতি থেকে দুরে থেকেছে"।
অন্যদিকে বিজেপি তাদের প্রচারণায় শাহিন-বাগে বিতর্কিত সিটিজেন অ্যামেন্ডমেন্ট এক্ট এর বিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে এসেছে। এই বিক্ষোভকারীদের অধিকাংশই মুসলিম।
বিশেষ করে বড় সংখ্যায় মুসলিম নারীদের ভয়াবহ দেশদ্রোহী বলা হয়েছে, আরো বলা হচ্ছে তারা দেশটিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করতে চায়।
বিজেপি আরো অভিযোগ করছে আম আদমি পার্টি তাদের সমর্থন করছে- বিজেপির এই কৌশল কাজ করেনি বলেই মনে হচ্ছে।
তাদের বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের মধ্যে ছিল 'দেশদ্রোহীদের গুলি করে মারো'।
আম আদমি পার্টির আমানাতুল্লাহ খান ভালোভাবেই ওখলা আসনে এগিয়ে রয়েছেন। এই আসনের মধ্যে রয়েছে শাহিন বাগ।
কিন্তু এএপি এগিয়ে থাকার পরেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন এখন দেখার বিষয় কতগুলো আসনে বিজেপি জেতে।
এদিকে কংগ্রেস পার্টি ২০১৫ সালে দিল্লিতে যেমন কোন আসন পায়নি তেমনি এবারো মনে হচ্ছে কোন আসন পাবে না।