এডিটার'স মেইলবক্স: সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি আর প্রধানমন্ত্রীকে 'তৈল-মর্দন'

ঢাকা বিমান বন্দরে শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭৪ সালে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি : ঢাকা বিমান বন্দরে শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭৪ সালে।
Published

আজ শুরু করছি ১৫ বছর আগে বিবিসি বাংলায় প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানমালা নিয়ে একটি প্রশ্ন দিয়ে। অনুষ্ঠানটি ছিল ২০০৪ সালের 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি '।

প্রশ্নটি করেছেন এক যোগে চার বন্ধু - তিয়াশ, আতিক, আপ্পি মিজান,যারা বিসিএস-এ ভাইভা দেবার জন্য অপেক্ষা করছেন:

'বঙ্গবন্ধুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বলা হয় কেন? অনাগত ভবিষ্যতে কি তাঁর চেয়ে শ্রেষ্ঠ নেতা আসতে পারেন না? এর যুক্তিসঙ্গত উত্তর কোথাও পাওয়া যায় না। তাই এই অভিধার স্রষ্টা বিবিসি নিউজ বাংলার কাছেই এহেন প্রশ্নের ব্যাখ্যা কামনা করছি।'

শেখ মুজিবের চেয়ে বড় মাপের বাঙালি নেতা ভবিষ্যতে হবে কি না, সে প্রশ্নের জবাব আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব না তিয়াশ, আতিক, আপ্পি এবং মিজান। উত্তরের জন্য আপনাদের হয়তো আরো ৫০ বা ১০০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের অনুষ্ঠানের নাম আমরা 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ' দিয়েছিলাম যাতে শ্রোতারা ইতিহাসের যে কোনো অধ্যায় থেকে ব্যক্তিত্বকে মনোনয়ন করতে পারেন। এবং তাদের সিদ্ধান্ত মতে, এখনো পর্যন্ত শেখ মুজিব হচ্ছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি । ভবিষ্যতে কী হবে, সেটাতো ভবিষ্যতের ব্যাপার। আপনাদের ধন্যবাদ।

গণমাধ্যমের সামনে শেখ হাসিনা, ৩১-১২-২০১৮।

ছবির উৎস, INDRANIL MUKHERJEE

ছবির ক্যাপশান, তৈল মর্দন?: গণমাধ্যমের সামনে শেখ হাসিনা।

পরের চিঠি লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

'আমি প্রায়ই দেখি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনগুলোতে দেশীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের তৈলমর্দন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন করতে! কিন্তু একদিনও দেখলাম না, বিবিসি বাংলার কোন সাংবাদিককে প্রশ্ন করতে। ওখানে কি বিবিসির সাংবাদিককে প্রশ্ন করতে দেয়া হয় না? না-কি বিবিসির সাংবাদিকরা নিজেরাই প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকেন?'

বিবিসি বাংলার সাংবাদিককে প্রশ্ন করতে দেয়া হয় না - বিষয়টি সেরকম না মি. ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে অনেক সিনিয়র সাংবাদিক উপস্থিত থাকেন যারা অগ্রাধিকার পান। তাছাড়া, যারা প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন তাদের ইচ্ছার ওপরও নির্ভর করে কে মাইক্রোফোন পাবে আর কে পাবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

সিসিটিভি ক্যামেরাা

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, জামালপুরের ডিসির অফিসে ভিডিওটি কোন সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে নাকি গোপন ক্যামেরা ব্যাবহার করে তোলা হয়েছে তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশের জামালপুরে জেলা প্রশাসকের দফতরে গোপনে ধারণকৃত ভিডিও নিয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। সে বিষয়ে লিখেছেন আলী হোসেন, তবে তিনি বিবিসি বাংলার বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগ এনেছেন:

'বাংলাদেশের প্রায় সকল পত্রিকায় এসেছে যে, জামালপুর জেলার ডিসি স্বীকার করেছেন তার সেক্স স্ক্যান্ডাল সংক্রান্ত বিশেষ রুমটি তার এবং ভিডিওতে দেখানো মহিলাটির পরিচয়ও প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বিবিসি বাংলার নিউজে ঐ মহিলার পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি কেন? এখানে কি বিবিসি বাংলা তথ্য গোপন করার চেষ্টা করে নি?'

আমাদের রিপোর্টে যেহেতু মহিলার পরিচয় দেয়া হয়নি মি. আলী, যেটা অন্যান্য মিডিয়াতে দেয়া হয়েছে, তাই আপনি অবশ্যই বলতে পারেন আমরা তথ্য গোপন করেছি। কিন্তু তার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। মহিলার পরিচয় এই খবরের মুখ্য বিষয় না। মুখ্য বিষয়টি হলো একটি সরকারি অফিসে এধরনের ঘটনা এবং তার ভিডিও প্রচার। মহিলার পরিচয় আমরা প্রকাশ করিনি, কারণ তিনি এখানে ক্ষমতাবান ব্যক্তি ছিলেন না। তাঁর পরিচয় প্রকাশ করে তাঁকে সামাজিক ভাবে হেনস্তা করা বা হয়রানির শিকার করা আমাদের কাজ নয়। আপনাকে ধন্যবাদ।

মশা

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের আতঙ্ক?

ডেঙ্গু নিয়ে অনেকেই চিঠি লিখেছেন গত এক মাসে। আজকেও লিখেছেন চুয়াডাঙার আলমডাঙ্গা থেকে কাজী সাইদ:

'সাম্প্রতিক কালে ডেঙ্গু বাংলাদেশের মানুষের জন্য ভয়াবহ রূপ ধারণ করলেও সরকার এবং সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ায় এর প্রকোপ আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে। তবে কমে যাওয়ার এই চিত্রটি ঢাকাতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বেশি। ঢাকার বাইরের অবস্থা কিন্তু এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ।

'যেহেতু প্রত্যন্ত এলাকায় ডেঙ্গুর চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল, সেজন্য হাতেগোনা যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি বলেই মনে হচ্ছে। সুতরাং শুধু রাজধানী ঢাকাকে বিবেচনা না করে এর সাথে সারা বাংলাদেশ থেকে কিভাবে এডিস মশা এবং ডেঙ্গু চিরতরে নির্মূল করা যায় সে দিকটি বিবেচনায় আনতে হবে।'

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি. সাঈদ। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শহরে, এমনকি গ্রামাঞ্চলেও যে এডিস মশার উৎপাত বাড়ছে, তার লক্ষণ বিভিন্ন খবর থেকে বোঝা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য দেখার দায়িত্ব যাদের, অর্থাৎ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তর, তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিশ্চয়ই নেবে। তবে কর্তৃপক্ষ যাতে কাজে অবহেলা না করে তার জন্য স্থানীয় জনগণকেই চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী, কক্সবাজার, জানুয়ারি ২০১৯।
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী: নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত।

এবার রোহিঙ্গা বিষয়ে দু'একটি চিঠি, প্রথমটি লিখেছেন পঞ্চগড়ের বড়শী থেকে মোহাম্মদ উজ্জ্বল ইসলাম:

'দু'দুবার প্রত্যাবাসনের জন্য তারিখ নির্ধারণ করলেও রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহের জন্য প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ভেস্তে যায়। বাংলাদেশ মানবিকতার খাতিরে রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখন যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু এখন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেউ কথা বলছে না কেন? তাদের রাখাইনে পাঠানোর জন্য কেন সেরকম কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না?'

আরো লিখেছেন গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে মোহাম্মদ সুমন মিয়া:

'রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দেবার দায়িত্ব কি বাংলাদেশের? মানে, যে নিরাপত্তা ইস্যু রোহিঙ্গারা দাঁড় করিয়েছে সেই নিরাপত্তাটা কি বাংলাদেশে তৈরি করে দিবে? বিশ্বের বড় বড় ক্ষমতাবান দেশগুলো রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে কোন উদ্যোগই নিতে পারছে না। তারা কেন মিয়ানমারকে চাপ দিচ্ছে না? কেন তারা চুপ ?

'আশ্রয়দাতা হিসেবে বাংলাদেশ যে মানবিকতা দেখিয়েছেন তা বিশ্বের দরবারে প্রশংসনীয়। কিন্তু রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য যে কতটা হুমকি তা বিচার বিশ্লেষণ করে দেখেছেন?'

কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্পে কয়েকজন রোহিঙ্গা শিশু, জানুয়ারি ২০১৯।
ছবির ক্যাপশান, রোহিঙ্গা শিশুরা জন্ম নিচ্ছে এবং বড় হচ্ছে শরণার্থী শিবিরে।

আপনাদের দু'জনকেই ধন্যবাদ উজ্জ্বল ইসলাম এবং সুমন মিয়া। নিজ দেশে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা যে বাংলাদেশ করে দিতে পারবে না, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে বিষয়টি হচ্ছে, রোহিঙ্গারা ভয়াবহ এক পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। যেমন ১৯৭১ সালে এক কোটি বাঙালি পাকিস্তান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচার জন্য ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

আমার মতে, মিয়ানমার যতদিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা এবং নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা দেবে না, ততদিন তাদেরকে সে'দেশে ঠেলে পাঠানো উচিত হবে না, কারণ তা হবে আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তবে আপনারা একটি কথা ঠিকই বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবশ্যই উচিত মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করা যাতে তারা রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার দিতে সম্মত হয়।

এবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিছুটা হতাশার সুরে লিখেছেন রংপুরের এ টি এম আতাউর রহমান রঞ্জু, যিনি বর্তমানে ঢাকায় আছেন:

'বিবিসি বাংলার ফেসবুক পেজ বন্ধ হওয়ায় খারাপ লাগছে। আগে বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে গেছি, এখন নেই। শ্রোতা সম্মেলনও নেই। তাই আমরা যারা বিবিসি বাংলাকে ভালবাসি তাদের মিলিত হওয়ার সুযোগ কম। অনুরোধ করছি, বিবিসি বাংলার একটা শ্রোতা সম্মেলন করার জন্য,যাতে আমরা সুসংগঠিত থাকতে পারি।'

আমাদের ফেসবুক পেজ তো বন্ধ হয়নি মি. রহমান। তবে আপনি নিশ্চয়ই ফেসবুকে আমাদের রেডিও অনুষ্ঠানের লাইভ স্ট্রিমিং-এর কথা বলছেন, যেটা কয়েক মাস আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। আমি আপনার সাথে একমত, আমাদের আবার কয়েক জায়গায় শ্রোতা সম্মেলন করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

বিবিসির সাথে গান-গল্প অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিল্পীদের কয়েকজন।
ছবির ক্যাপশান, বিবিসির সাথে গান-গল্প অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিল্পীদের কয়েকজন।

পরের চিঠি লিখেছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থেকে প্রশান্ত কুমার রায়:

'বিবিসির সাথে গান-গল্পে মেতে উঠত আমাদের দেশের গুণী শিল্পীরা । তা শুনে শিল্পীদের অনেক অজানা কথা ও তাঁদের মধুর কণ্ঠে গান শুনতে পারতাম, যা মনকে ভরিয়ে দিত। গান-গল্প প্রোগ্রামটি খুব মিস করি। প্রোগ্রামটি কী কারণে বন্ধ করা হলো? আর কি প্রোগ্রামটি চালু করা হবে না?'

আপনার হয়তো মনে নেই মি. রায়, গত বছর এপ্রিল মাসে আমাদের ভোরের অধিবেশন প্রভাতী এবং রাতের পরিক্রমা বন্ধ করে দেয়া হয়। যেহেতু ঐ দুই অধিবেশনে ফিচারগুলা থাকতো, তাই গান-গল্পসহ সকল ফিচার বন্ধ হয়ে যায়। অনুষ্ঠানটি ফিরিয়ে আনা হয়তো সম্ভব হবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

ভিডিওর ক্যাপশান, পাটের বাইসাইকেল

আমাদের সাইটে একটি ভিডিও দেখে অভিভূত হয়েছেন বলে জানাচ্ছেন ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে জহিন মুমতাহিনাহ:

'২৬শে অগাস্ট বিবিসি বাংলার ফেইসবুক পাতায় "পাট দিয়ে বাইসাইকেল তৈরি করলেন বাংলাদেশের এক তরুণ" শীর্ষক শাহনেওয়াজ রকির ভিডিও ক্লিপটি চোখে পড়লো এবং ভিডিওটি দেখে সত্যিই অভিভূত হলাম।

'পাট এক সময় বাংলাদেশে সোনালী আঁশ হিসাবে বিখ্যাত ছিল। বেশ ক'বছর আগে পাটের জিন রহস্য আবিষ্কারের পর এর বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। সরকার এর বহুমাত্রিক ব্যবহারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এক্ষেত্রে পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নোমান সৈকত পাট দিয়ে বাইসাইকেল তৈরি করে নিঃসন্দেহে একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রশংসনীয় কাজ করেছে। অবশ্যই এটি সৃজনশীল ও উৎসাহব্যঞ্জক অনুপ্রেরণামূলক কাজ।'

ভিডিওটি ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনার চিঠি নিশ্চয়ই সহকর্মী রকিকে অনুপ্রেরণা দিবে।

সব শেষে ভিন্নধর্মী একটি চিঠি, লিখেছেন কুড়িগ্রামের বড়গ্রাম থেকে ফিরোজুল ইসলাম:

'আজ খুব ভালো লাগছে। কারণ, এত দিন পরে মনে পড়ল সেই স্কুল পালানোর কথা, পড়া না হলে পিছনের সিটে বসা, স্কুল ছুটির পরে পাড়ার পুকুরে ইচ্ছা মত ডুবাডুবি করা, বৃষ্টির দিনে গাছের পাতা মাথায় দিয়ে স্কুল যাওয়া, টিফিনের সময় একে অন্যের তরকারি শেয়ার করা, বাড়িতে পড়া না হলে পেটের ব্যথা বলে অজুহাত দেয়া সহ আরো কত কী! আপনাদের কি মনে পড়ে?'

হঠাৎ আপনার শৈশবের কথা কেন মনে পড়লো, তা তো বললেন না মি. ইসলাম? তবে আমাদের স্বীকার করতে হবে, শহরের জীবনে শৈশবটা অত মজার ছিল না, আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

বিলকিছ আক্তার, সরকারী ম্যাটস, টাঙ্গাইল।

আরিফুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।

ফয়সাল আহমেদ সিপন, ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ

মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সতিশ সরকার রোড, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা।

পলাশ চন্দ্র রায়, মাড়েয়া, পঞ্চগড়।

শামীম উদ্দিন শ্যামল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

মুকুল সরদার, দাকোপ, খুলনা।

বৃত্তি রায়, মোহাম্মদপুর, ঠাকুরগাঁও।

এস এম.লিয়াকত আলী, পার্বতীপুর দোলাপাড়া, রংপুর ।