এডিটারস্ মেইলবক্স: বরগুনা হত্যা মানুষ নিষ্ক্রিয় কেন; বিশ্বকাপ ক্রিকেট

Published

এ সপ্তাহের অন্যতম আলোচিত একটি বিষয় ছিল বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রাস্তায় দিনের বেলা এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা। এ নিয়ে বেশ কিছু চিঠি এসেছে এই সপ্তাহে।

এর মধ্যে বড়শশী, পঞ্চগড় থেকে লিখেছেন মোঃ উজ্জ্বল ইসলাম:

''এই যে দিনে দুপুরে এধরনের ঘটনাটা ঘটলো এটার ভিডিও কি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়? কিন্তু এই সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করতো কারা? তারা এগুলো দিয়ে কতটুকু নজরদারি করে? নাকি শুধুই মানুষ দেখানোর উদ্দেশ্যে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে? বড় বড় শহরগুলোতে এধরণের ক্যামেরা অনেক দেখা যায়, তাহলে সেগুলো কি অকেজো বা যারা স্থাপন করেছে তারা কতটুকু সেগুলো মনিটরিং করে?''

বাংলাদেশে জেলা শহরগুলোতে প্রশাসনের উদ্যোগে অনেক জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে যে এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে সেই এলাকাতেও সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। কিন্তু যে ভিডিও ফুটেজ বাইরে এসেছে সেটা প্রশাসনের বসানো সিসিটিভি ক্যামেরায় তোলা কিনা তা পুলিশ আমাদের নিশ্চিত করে বলেনি। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে লিখেছেন মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''এই হামলার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমিও দেখেছি এক্ষেত্রে আমার অভিমত, আমরা ভিডিও করে ফেসবুকে হত্যা করার দৃশ্য ছড়াতে পারছি, কিন্তু একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য কেউ এগিয়ে যেতে পারলাম না! আমি মনে করি, সবচেয়ে বড় দোষ হচ্ছে আমাদের। আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থার দুর্বলতায় প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে, এভাবে আর কতদিন? এইসব অপরাধীদের ফাঁসি নয়, এমন শাস্তি দেয়া হোক যাতে সারাজীবন মানসিক ও শারীরিক কষ্টের মধ্যে জীবন কাটায় তারা। আর সেদিনের সেই আলোচিত খুনের সময় আশেপাশে যারা দাঁড়িয়ে ছিলেন, তারা দর্শক নয়; অপারেশনের অংশ বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে।''

আপনার দীর্ঘ চিঠির কিছু অংশ তুলে ধরলাম। যে প্রসঙ্গটি আপনি তুলেছেন সেটাও এই মুহূর্তে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। কেন আশপাশের মানুষ এগিয়ে আসেনি এবং এই আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি। বিবিসি বাংলা থেকে আমরা স্থানীয় মানুষদের কাছে এই প্রশ্ন রেখেছিলাম। তাদের বক্তব্য হল আক্রমণকারীরা ওই এলাকার দাগী অপরাধী - তাই আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ভয়ে এগিয়ে যায়নি বা নিজেদের প্রাণের ভয়ে হামলা ঠেকানোর উদ্যোগ নেয়নি। তবে এধরনের ঘটনার সময় মানুষের জোটবদ্ধভাবে হামলা ঠেকাতে উদ্যোগী হওয়া উচিত কিনা সেই নৈতিকতার প্রশ্ন এখন অনেকেই তুলছেন। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।

কেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষ রিফাতকে বাঁচাতে এগিয়ে যাননি এ নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

তবে এ প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আরও একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ঘোড়াদাইড়, গোপালগঞ্জ থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''এভাবে যদি অপরাধীরা সবার সামনেই অপরাধ করতে থাকে তাহলে দেশের আইন ব্যবস্থার প্রতি জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলবন। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত; তা না হলে এই ধরনের অপরাধ বাড়তেই থাকবে।''

বরগুনা জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম। তিনি বলেছেন এই হত্যার ঘটনায় মোট ১২জন এজাহারভুক্ত আসামীর মধ্যে তারা তিনজনকে আটক করেছেন এবং বাকিদের ধরার জন্য অভিযান চলছে। তিনি বলেছেন অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এবং উচ্চ আদালত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত তদারকি করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মানবাধিকার কর্মীরা বিবিসি বাংলাকে বলছেন সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সিস্টেম ভেঙে পড়েছে এবং মানুষ বিচারে বিশ্বাস করছে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

বরগুনায় রিফাত হত্যা নিয়ে আরেকটি চিঠি লিখেছেন মাদারগঞ্জ, জামালপুর থেকে উদ্বিগ্ন শ্রোতাবন্ধু ফরহাদ আহমেদ সবুজ:

''বাংলাদেশে একটি অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটল ২৬শে জুন। বরগুনা শহরের কলেজ রোড এলাকায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা। এর কিছুদিন আগে নুসরাত জাহান রাফি নামে একজন বালিকাকে গায়ে আগুন লাগিয়ে খুন করা হয়। এরকম হত্যা, ধর্ষণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে আসছে। কিছুদিন আগে আমার নিজ উপজেলা মাদারগঞ্জে বেপরোয়া বাইক চালানোর কারণে আবির নামের ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। আসামি এখনো পলাতক। আমরা সাধারণ জনগণ সবসময় আতঙ্কে থাকি হয়ত কখন আমাদেরও এরকম পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। এসব বিষয় আমাদের সাধারণ মানুষের দুঃশ্চিন্তার কারণ।''

একই বিষয়ে লিখেছেন সুকানদিঘী লালমনিরহাট থেকে আহসান হাবিব রাজুও। মানুষের সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনিও লিখেছেন যিনি সাহায্য করতে যাবেন তিনিও বিপদে পড়তে পারেন এই আশঙ্কা থেকে সাধারণ মানুষও এসব ঘটনা ঠেকাতে এগিয়ে আসছেন না। মতামতের জন্য আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।

পরের চিঠি লিখেছেন কপিলমুনি, খুলনা থেকে মো: শিমুল বিল্লাল বাপ্পী:

''জীবাণু কীভাবে আমাদের ক্ষতি করতে পারে, জীবাণু কীভাবে ধ্বংস করা যায় এবং শিশুদের কীভাবে জীবাণু থেকে নিরাপদ রাখা যায় এ বিষয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন পড়ে ভাল লেগেছে । একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই বাংলাদেশে চা এবং কফি খুবই জনপ্রিয়। আমরা গ্রাম শহরে নগরে দেখতে পাই শত শত লোক কাঁচের চায়ের কাপে চা কফি পান করছেন। দোকানদাররা অল্প গরম পানি দিয়ে চায়ের গ্লাসগুলি ধুয়ে আরেকজনকে একই পাত্রে চা কফি দিচ্ছেন। আসলে এত অল্প সময়ে গরম পানি দিয়ে গ্লাস পরিস্কার করলে কি পাত্র জীবাণু মুক্ত হচ্ছে? জীবাণু থেকে বাঁচতে চা-কফির দোকানগুলিতে ওয়ান- টাইম পাত্র ব্যবহার করা ভাল নয় কি?''

অবশ্যই ভাল। যে পাত্র একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া যায় অর্থাৎ ডিসপোজেবেল কাপ সেগুলো ব্যবহার করলে অবশ্যই কিছু জীবাণুর হাত থেকে বাঁচা সম্ভব। কিন্তু এধরনের কাপ ব্যবহার করা প্রথমত খরচসাপেক্ষ, দ্বিতীয়ত এধরনের কাপ যদি প্লাস্টিক বা সে জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি হয় তাহলে সেগুলো কোথায় ফেলা হচ্ছে - তা পরিবেশের ক্ষতি করছে কিনা সেটাও ভাবার দরকার রয়েছে। কাঁচের পাত্রে চা কফি পান করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই যদি ব্যবহারের পর তা ভাল করে ধুয়ে ফেলা হয়। আপনাকে ধন্যবাদ লেখার জন্য।

খুলনারই দাকোপ থেকে পরের চিঠির লেখক মুকুল সরদার:

"শীত প্রধান অনেক দেশে এখন চলছে প্রচন্ড দাবদাহ। আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন আগামী দিনগুলোতে এই তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। শীত প্রধান দেশে এই তাপমাত্রা সত্যি অপ্রত্যাশিত। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণেই কি আবহাওয়ার এই বিরূপ আচরণ? সত্যি যদি এমনটা হয় তবে কোন ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোচ্ছি আমরা?"

আপনি ঠিকই বলেছেন পশ্চিম ইউরোপে তাপমাত্রার পারদ নজিরবিহীন রেকর্ড ছুঁয়েছে। ফ্রান্সের দক্ষিণে গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। স্পেনের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ইতোমধ্যেই ৪৫ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। তবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন তাপমাত্রা এত বেশি হবার একবারের এই ঘটনা দেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না যে বিশ্ব উষ্ণায়নই এর জন্য দায়ী। তারা বলছেন বায়ুমণ্ডলের চাপ বেড়ে যাবার কারণে উত্তর আফ্রিকা থেকে- মূলত সাহারা মরুভূমি থেকে আসা উত্তপ্ত হাওয়া ইউরোপে এই প্রবল তাপপ্রবাহের কারণ। তবে তারা এটাও বলেছেন যে বিশ্বের উষ্ণায়ন এই প্রক্রিয়াকে আরও তীব্র করেছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে লিখেছেন সরকারি ম্যাটস, টাঙ্গাইল থেকে বিলকিছ আক্তার:

''আমি গভীরভাবে লক্ষ্য করছি, একমাত্র যেদিন বাংলাদেশের খেলা থাকে বিবিসি শুধু সেদিন খেলার পুরো বিশ্লেষণ ও বিশেষজ্ঞ মতামত প্রচার করে। কিন্তু অন্যান্য দলের খেলাগুলোতে আমরা সেরকম ম্যাচ রিপোর্ট বা বিশ্লেষণ শুনতে পাই না। শুধুই দায়সারা। এখানে আমার প্রশ্ন হলো, বিবিসি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য হলেও তো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। তাহলে কি অন্য দলের খেলার সংবাদ বিস্তারিত জানার অধিকার আমাদের নেই?''

আপনার অভিযোগটা পুরোপুরি মেনে নিতে পারছি না মিস আক্তার। আমরা বাংলাদেশের খেলাগুলোর বাইরে ইংল্যাণ্ড শ্রীলংকা ম্যাচ, দক্ষিণ আফ্রিকা ইংল্যাণ্ড ম্যাচ, ভারত নিউজিল্যাণ্ড ম্যাচ, ভারত পাকিস্তান ম্যাচসহ বহু ম্যাচের বিশ্লেষণ প্রচার করেছি। উপমহাদেশের দলগুলোর বাইরে যেসব দলের খেলা নিয়ে সাধারণভাবে আমাদের শ্রোতারা আগ্রহী সেসব ম্যাচ নিয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত আমাদের বেতার অনুষ্ঠানে নিয়মিতভাবে থাকছে হয় প্রবাহে নয় প্রত্যুষায়। আপনাকে ধন্যবাদ।

খেলার খবর নিয়ে গেন্ডারিয়া, ঢাকা থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান মন্তব্য করেছেন:

''২১ জুন বাংলার প্রবাহ অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে ক্রিকেট বিশ্লেষক বোরিয়া মজুমদারের বিশ্লেষণ শুনছিলাম। আমরা শ্রোতারা স্বভাবতই তার বিশ্লেষণ খুব মনোযোগ দিয়ে শুনি এবং তার বিশ্লেষণ সত্যিই অসাধারণ। কিন্তু শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি ভারত ও ইংল্যান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করলেন অথচ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে উড়িয়ে দিলেন।

কিন্তু ক্রিকেটে যে অঘটন বা পচাঁ শামুকে পা কাটে এ রকম একটি কথা প্রচলিত আছে, সে অনিশ্চয়তার বিষয়টিকে একদমই বিবেচনা করলেন না। অথচ শেষ পর্যন্ত সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে, সেই অনিশ্চয়তারই জয় হলো। শ্রীলঙ্কার কাছে ইংল্যান্ড পরাজিত হলো। অথচ বোরিয়া মজুমদার অনিশ্চয়তার বিষয়টিকে তার বিশ্লেষণে একবারও উচ্চারণ করলেন না।''

ক্রিকেট অবশ্যই অনিশ্চয়তার খেলা। হয়ত এবারের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার প্রথম দিককার পারফর্মেন্স এবং দলের ফর্মের নিরিখে তিনি তার বিশ্লেষণ দিয়েছিলেন। বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়েই বিশ্লেষকরা তাদের মতামত দিয়ে থাকেন- ফলাফলের একটা পূর্বাভাস দেন। কিন্তু খেলাধুলায় শেষ পর্যন্ত কী হবে সেটা নিশ্চিত করে কেউই বলতে পারেন না। তবে ইংল্যাণ্ডের পরবর্তী একটি ম্যাচ বিশ্লেষণে বোরিয়া মজুমদার অবশ্য এই অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ টেনেছিলেন এবং শ্রীলঙ্কার ওই ম্যাচে জয়ের কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন তার পূর্বাভাস শ্রীলঙ্কা কীভাবে ভুল প্রমান করেছিল। আপনি সেই বিশ্লেষণ শুনেছিলেন কীনা জানি না। লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

দৌলতপুর, খুলনা থেকে স্বর্ণা সরকার অরোরা - আপনি লিখেছেন বিশ্বকাপের চুলচেরা বিশ্লেষণগুলো আপনার ভাল লাগছে। আপনাকেও লেখার জন্য ধন্যবাদ।

ধানমন্ডি ঢাকা থেকে বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদন প্রসঙ্গে লিখেছেন শামীম উদ্দিন শ্যামল:

'' 'যে পবিত্র শহরে মসজিদ নিষিদ্ধ' শিরোনামে একটি সংবাদ পড়ছিলাম। যা বিবিসি নিউজ বাংলার ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হয়েছে। শিরোনামের শুরু শহর দিয়ে হয়েছে। আবার প্রতিবেদনের শুরু ও আলোচনা হয়েছে শহর 'আকসুম' দিয়ে। আকসুম উত্তর ইথিওপিয়ার একটি শহর। অথচ প্রতিবেদনের মাঝামাঝি ইথিওপিয়া নামটি এসেছে। একজন পাঠক যখন একটি প্রতিবেদন পড়বেন তখন অবশ্যই জানার আগ্রহ থাকবে কোন দেশের কোন শহরের কথা বলা হচ্ছে। কেননা, অধিকাংশ পাঠক আকসুম শহরের সাথে পরিচিত নন।''

আপনার সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত। প্রতিবেদনের শুরুতেই আমাদের বলা উচিত ছিল রিপোর্টের কেন্দ্রবিন্দু আকসুম শহরটি উত্তর ইথিওপিয়ায়। প্রতিবেদনটিতে এই বিভ্রান্তি তৈরির জন্য আমরা দু:খিত। আপনাকে লেখার জন্য ধন্যবাদ।

সম্প্রচার নিয়ে জানতে চেয়েছেন ঢাকা থেকে কে এম সায়েদ:

''বিবিসি বাংলায় রাত দশটায় ইংরেজি আর সাড়ে দশটায় বাংলা খবর কি এখন আর প্রচারিত হয় না? আর আপনাদের প্রচারিত সকাল, সন্ধ্যা বা রাতের সংবাদ ঠিক সময়ে শুনতে না পারলে, পরে আমার সুবিধা মতো দিনের অন্য যে কোন সময়ে ঐ সংবাদটি শুনতে পারার কোন অপশন আছে কি?''

মি: সায়েদ- এপ্রিল ২০১৮ থেকে বিবিসি বাংলার প্রভাতী ও পরিক্রমা অর্থাৎ বাংলাদেশে সকাল সাড়ে ছটা আর রাত সাড়ে দশটার দুটি অধিবেশন বন্ধ হয়ে গেছে । কাজেই আপনার প্রশ্নের উত্তর রাত সাড়ে দশটায় বাংলা খবর এখন আর প্রচারিত হয় না। সকাল সাড়ে সাতটা এবং সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দুটি অধিবেশন কোন কারণে শুনতে না পেলে আমাদের ওয়েবসাইটে তিনদিন পর্যন্ত পুরনো অনুষ্ঠান সুযোগ রয়েছে। লেখার জন্য ধন্যবাদ।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার।

এস এমএ হান্নান, চাটমোহর, পাবনা।

রবিউল ইসলাম, বাগেরহাট।

আলতাফ হুসাইন, গুয়াহাটি, আসাম।

সায়রা বানু, রাজশাহী।

এস এম মো.লিয়াকত আলী, পার্বতীপুর, রংপুর।

আরিফুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।

মাহবুবা ফেরদৌসী হ্যাপি, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।

রাকিব হোসেন রাহাত, কাপাসিয়া, গাজীপুর।

মোঃ আব্দুলহক, বড়কমলাবাড়ী, লালমনিরহাট।

মোহম্মদ এস আর চৌধুরী, পূর্ব লন্ডন।

আমাদের কাছে লেখার ঠিকানা bengali@bbc.co.uk। চিঠি লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/