আপনি যদি মাত্রই আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকেন, তাহলে আজ যুদ্ধের ১১তম দিনে কী ঘটছে এক নজরে দেখে নিতে পারেন:
·দক্ষিণাঞ্চলের অবরুদ্ধ শহর মারিউপোল শহর
থেকে আটকে পড়া বেসামরিক মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য দ্বিতীয় দিনের মতো চেষ্টা
চলছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, রুশ বাহিনীর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি নতুন
রুট ঠিক করা হয়েছে। স্থানীয় সময় দুপুর বারোটায় এটি খোলার কথা। তবে বাস্তবে সেখানে
কী ঘটছে তা পরিস্কার নয়।
·গতকাল রুশ বাহিনীর হামলার মুখে এরকম একটি
উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল।
·ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারি
দিয়েছেন যে, রুশ বাহিনী এখন বন্দর শহর ওডেসায় গোলাবর্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আশংকা
করছেন সেখানে এক ‘ঐতিহাসিক অপরাধ’ সংঘটিত হতে যাচ্ছে।
·রাশিয়ার যুদ্ধ কমান্ড যে এখন দক্ষিণাঞ্চলীয়
ফ্রন্টের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা
বলছেন, রুশদের লক্ষ্য ইউক্রেনকে কৃষ্ণসাগর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা।
·তবে রাজধানী কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমেও
তীব্র লড়াই চলছে। ইরপিন নামের একটি ছোট শহর তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার যে
বিশাল সামরিক কনভয় কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, সেটির সামনের অংশ এই শহরের কাছে।
শহরটির ওপর তীব্র গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে, বিমান হামলা চলছে।
·পূর্বদিকে খারকিভ এবং সুমি শহরেও নতুন
করে বোমা হামলা চলছে।
·ইউক্রেন থেকে এপর্যন্ত পনের লাখের বেশি
মানুষ পালিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গত দশ দিনে এরা সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিবেশি
বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে।
·যুক্তরাজ্যের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডোমিনিক
রাব বলেছেন, এই সংঘাত বহু বছর ধরে না হলেও বহু মাস ধরে চলতে পারে বলে আশংকা আছে।