ইউক্রেনের নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া সমাধান হবেনা: দাবিতে অনড় পুতিন
ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি নিয়ে বেলারুশে এক বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। অন্যদিকে, ফরাসী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্র তাকে ফোন করলে প্রেসিডেন্ট পুতিন আবারো বলেছেন ইউক্রেনের 'নিরস্ত্রীকরণ' এবং 'নিরপেক্ষ' রাষ্ট্র হিসাবে থাকার নিশ্চয়তা ছাড়া বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়।
সরাসরি কভারেজ
রাশিয়া হতাহতের কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে – ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইউক্রেনের পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি হালনাগাদ
গোয়েন্দা তথ্য টুইট করেছে।
এতে বলা হয়েছে: "পুতিনের স্থলবাহিনীর বেশিরভাগ অংশ কিয়েভের উত্তরে ৩০ কিলোমিটারেরও
বেশি দূরে অবস্থান করছে। তাদের অগ্রগতি ইউক্রেনীয় বাহিনী হোস্টোমেল এয়ারফিল্ডকে রক্ষা
করার কারণে ধীর হয়ে গেছে। লড়াইয়ের প্রথম দিন থেকেই এটি রাশিয়ার মূল লক্ষ্য ছিল"।
"চেরনিহিভ এবং খারকিভের আশেপাশে প্রচণ্ড লড়াই চলছে তবে উভয় শহরই ইউক্রেনের
নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।“
"সামরিক রসদের কমতি এবং ইউক্রেনের কঠোর প্রতিরোধ রাশিয়ান
অগ্রগতিকে ধীর করে দিয়েছে।
"রাশিয়ান জনগণকে যুদ্ধ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না জানানোর ক্রমাগত প্রচেষ্টা
সত্ত্বেও, রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনী প্রথমবারের মতো হতাহত হওয়ার কথা স্বীকার করতে বাধ্য
হয়েছে"।
শান্তি আলোচনার স্থান প্রস্তুত, বেলারুশ
বেলারুশ বলেছে যে, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠানের
জন্য তারা একটি স্থান প্রস্তুত করেছে। এদিকে রাশিয়ার পশ্চিম প্রতিবেশী ইউক্রেনে মস্কোর
আক্রমণ পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।
দেশটির স্বৈরশাসক আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো হামলায় যোগ দিতে সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত
এমন খবর সত্ত্বেও ইউক্রেন-বেলোরুশ সীমান্তের কাছে একটি স্থানে কূটনীতিকদের পাঠাতে সম্মত
হয়েছে ইউক্রেন।
"বেলারুশে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনার স্থান প্রস্তুত করা হয়েছে,
প্রতিনিধিদলের আগমন প্রত্যাশিত," রাশিয়ান এবং ইউক্রেনের পতাকা সহ একটি দীর্ঘ
টেবিলের ছবি প্রকাশ করে বেলারুশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোষ্টে
জানিয়েছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনাতোলি গ্লাজ বলেছেন, " প্রতিনিধিদলের
সবাই আলোচনার স্থানে পৌঁছানোর সাথে সাথেই আলোচনা শুরু হবে"।
ইউক্রেন বৈঠকে কোনো ছাড় না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট
ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি আশা করেন না যে আলোচনা থেকে কোন ফলাফল আসবে।
তিনি বলেন, "সব সময়ের মতো: আমি সত্যি বিশ্বাস করি না যে এই বৈঠক থেকে
কোন ফলাফল আসবে কিন্তু তার পরও তাদের চেষ্টা করতে দিতে হবে"।
ছবির উৎস, Belarus Foreign Ministry
ছবির ক্যাপশান, শান্তি আলোচনার জায়গা
মার্কিন নাগরিকদের 'ব্যক্তিগত ব্যবস্থায়' ইউক্রেন ত্যাগের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
কিয়েভে থাকা মার্কিন দূতাবাস, ইউক্রেনে থাকা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ বলে মনে
হলে "ব্যক্তিগত ব্যবস্থায়" দেশটি ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিকে দূতাবাস "অনিশ্চিত" বলে অভিহিত করেছে এবং কোন
রুট নেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে "সতর্ক বিবেচনার" আহ্বান জানিয়েছে। কারণ রুটগুলোর
কিছু আছে যানজটপূর্ণ, কিছু আবার যুদ্ধ অভিযানের সংস্পর্শে রয়েছে এবং অন্যগুলোর বেশ
কিছু অবকাঠামো, যেমন সেতু এবং সড়ক ধ্বংস করা হয়েছে।
দূতাবাস আরও সতর্ক করেছে যে, পোল্যান্ডের বেশিরভাগ সীমান্ত পারাপার - যা সরাসরি
ইউক্রেন ও মলদোভার পূর্বে অবস্থিত – সেখানে অত্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়
যা কখনও কখনও ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত হয়।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলেছে যে, আনুমানিক তিন লাখ ৬৮ হাজার
মানুষ রাশিয়ার আক্রমণ থেকে বাঁচতে ইউক্রেন থেকে প্রতিবেশী দেশগুলিতে আশ্রয় নিয়েছে।
তাদের মধ্যে প্রায় দেড় লাখ মানুষ পোল্যান্ডের পথে যাত্রা করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, ইউক্রেনে প্রায়
৬ হাজার ছয়শ মার্কিন নাগরিক বাস করে। তবে এটি এখনও স্পষ্ট নয় যে, এদের মধ্যে কতজন
এখনো দেশটিতে রয়ে গেছে।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না
End of X post
লড়াইয়ের মাঝেই কারফিউ থেকে জেগে উঠছে কিয়েভ
কিয়েভে স্থানীয় সময় এখন সকাল ৮টার বেশি। ইউক্রেনের রাজধানীর বাসিন্দারা এখন তাদের
ভূগর্ভস্থ আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বের হয়ে হতে পারবেন, তার কারণ সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘ কারফিউ
তুলে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মুদি দোকানগুলি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং গণপরিবহনগুলো চলাচল করতে শুরু করবে,
যদিও পাতাল ট্রেনগুলি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম চলাচল করবে।
ছুটির দিনেও বারবার বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে সেগুলির বেশিরভাগই কিয়েভের কেন্দ্র থেকে
বাইরে বলে মনে হচ্ছে। শহরের কেন্দ্রে রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য হামলা শেষমেশ
বাস্তবায়িত হয়নি এবং রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ ইউক্রেনের হাতেই এখনো রয়েছে।
কিয়েভের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে যুদ্ধ শেষ হয়নি, কারণ শহরের প্রায়
প্রতিটি এলাকার রাস্তায় লড়াই চলছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন যে, কিয়েভের বাসিন্দারা
সকালে উঠে উঠে এমন একটি শহরের দৃশ্য দেখবে যা তারা সচরাচর দেখে অভ্যস্ত নয়।
কিয়েভের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, "আপনি যখন সকাল ৮ টার পর শহর ত্যাগ
করবেন, তখন কিয়েভের রাস্তায় থাকা দুর্গ, ট্যাঙ্ক-প্রতিরোধী হেজহগ এবং অন্যান্য প্রতিরোধ
চোখে পড়তে পারে।
কারফিউ আবার রাত ১০টায় শুরু হবে এবং আগামীকাল সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে। তবে বাসিন্দাদের
পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে একেবারে প্রয়োজন না হলে দিনের বেলায় তাদের বাড়িঘর এবং
আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগ না করতে।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না
End of X post
ব্রাজিলের বলসোনারো ইউক্রেনকে উপহাস করেছেন
রোববার একটি সংবাদ সম্মেলনে, ব্রাজিলের কট্টর-ডানপন্থী পো্রসিডেন্ট জাইর বলসোনারো
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে উপহাস করেছেন। তিনি বলেছেন যে, জেলেনস্কির
জনগণ তাদের আশা-ভরসা একজন কমেডিয়ানের হাতে সপে দিয়েছিল।
বলসোনারো রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা করতে অস্বীকার করেছেন এবং রোববার বলেছেন যে,
ব্রাজিল এই সংঘাতে "নিরপেক্ষ" থাকবে। তিনি আরো বলেছেন, ব্রাজিল এবং রাশিয়া
"কার্যত ভাই ভাই"।
"আমরা পক্ষ নেব না, আমরা নিরপেক্ষ থাকব এবং যা কিছু দিয়ে সম্ভব সাহায্য করব,"
বলসোনারো বলেন।
"ইউক্রেনের জনগণের একটি বড় অংশ রুশ ভাষায় কথা বলে।"
তিনি দাবি করেছেন যে রবিবার তিনি পুতিনের সাথে দুই ঘন্টা আলোচনা করেছেন। তবে দেশটির
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে স্পষ্ট করেছে যে, তিনি এই মাসের শুরুতে মস্কো সফরের কথা
উল্লেখ করতে একথা বলেছেন।
দেশ রক্ষায় সক্ষম সবার হাতে অস্ত্র দিচ্ছে ইউক্রেন, বিবিসি ইউক্রেনিয়ান সার্ভিস রাজধানী কিয়েভের একটি অস্ত্র বিতরণ পয়েন্টে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল।
এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না YouTube কনটেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে
End of YouTube post
‘রাতভর’ চলেছে কামানের গোলাবর্ষণ
সারা রাত ধরে চের্নিহিভে গোলা পড়েছে, যদিও শহরটিতে এখনো পর্যন্ত মাত্র একটি আহত
হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরী পরিষেবা দপ্তর বলছে, বোমা হামলা শুরু হয় স্থানীয় সময় রাত দুইটার দিকে।
সংস্থাটির মতে, রকেট একটি কিন্ডারগার্টেনের ভবনে আঘাত হানে, যার ফলে তাতে
আগুন লেগে যায়।
সেন্ট্রাল মার্কেটের একটি দোকানের পাশাপাশি একটি পাঁচতলা আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট
ভবনেও হামলা হয়েছে। এতে একজন নারী সামান্য আহত হয়েছেন।
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে আগে চেরনিহিভে ইউক্রেনিয় সেনাদের টহল।
বেশ কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে, বেলারুশ - যারা রাশিয়ান সৈন্যদের জন্য ইউক্রেনে ঢোকার পথ করে দিয়েছে – তারা এখন রাশিয়ান আক্রমণে সহায়তা করার জন্য ইউক্রেনে
নিজস্ব সৈন্য পাঠানোরও প্রস্তুতি নিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট বলেছে
যে, বেলারুশ সেনা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা আজ থেকে শুরু হতে পারে।
বিবিসি নিশ্চিত করতে হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগনকে ইমেল করেছে।
এদিকে, কিয়েভ ইন্ডিপেন্ডেন্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে যে, বেলারুশের প্যারাট্রুপারদের
মোতায়েন করা হতে পারে।
রাশিয়ার দীর্ঘদিনের মিত্র বেলারুশের উত্তরে ইউক্রেনের সীমান্ত রয়েছে। এর স্বৈরাচারী
সরকার রবিবার তার অ-পারমাণবিক অবস্থা পরিত্যাগ করার জন্য ভোট দিয়েছে । এতে করে রাশিয়ার
জন্য সেখানে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের পথ সুগম হলো।
রবিবার, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন যে, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট
আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো তাকে একটি ফোন কলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে বেলারুশের সেনাদের
ইউক্রেনে পাঠানো হবে না।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, বেলারুশ সীমান্ত
ইউক্রেনের ‘স্থান’ ইউরোপে- ফন ডার লায়েন
রোববার ইউরোনিউজকে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরজুলা ফন
ডার লায়েন বলেছেন, ইউক্রেন ইউরোপিয় ইউনিয়নে অংশ এবং দেশটি সময় মতো জোটে যোগ দেয়াকেই
সমর্থন করবে।
“সময়ের সাথে সাথে তারা আমাদেরই অংশ। তারা আমাদেরই এবং আমরা
তাদেরকে নিজেদের মধ্যে চাই,” তিনি বলেন।
এই মন্তব্যের পর ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করা হবে কিনা তা
নিয়ে ২৭ জাতির ইইউ জোটে একটি ঐতিহাসিক ভোটাভুটি
হয়।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ইউরোপিয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরজুলা ফন ডার লায়েন
যুদ্ধে ঝরছে শিশুদেরও প্রাণ
ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের সময় নিহত বেসামরিক নাগরিকদের
সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।
রোববার পর্যন্ত ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার জানিয়েছেন যে,
দেশটিতে এ পর্যন্ত ২১০ জন নিহত হয়েছে যার মধ্যে বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে।
নিহতদের মধ্যে পলিনা নামে এক মেয়ে শিশু ছিল যে রাজধানী
কিয়েভের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।
কিয়েভের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলছে, রাজধানীর উত্তর-পশ্চিম এলাকায়
একটি রাস্তার উপর তাকে এবং তার বাবা-মাকে গুলি করে হত্যা করে টহলরত এবং সহিংস রাশিয়াপন্থী
একটি দল।
পলিনার ভাই এবং বোনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তার বোন নিবিড়
পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছে এবং ভাইকে আরেকটি শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
আরো কয়েকজন বেসামিরক নাগরিক নিহত হয়েছে।
একটি কিন্টারগার্টেনে হামলায় সাত বছর বয়সী একটি মেয়ে শিশু
নিহত হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনের জাতিগত গ্রিক সম্প্রদায়ের একটি গ্রামে হামলার কারণে
ওই সম্প্রদায়ের ১০ জন নিহত হয়েছে।
ছবির উৎস, Volodymyr Bondarenko/Facebook
ছবির ক্যাপশান, পলিনাদের গাড়িকে লক্ষ্য করে যখন গুলি ছোড়া হয় তখন সে তার পরিবারের সাথেই ছিল।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- জেলেনস্কি
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সাথে এক টেলিফোন আলাপে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে, ইউক্রেন জুড়ে যুদ্ধ চলমান থাকার এই সময়ে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা দেশটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্রের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আলাপের
সময়, রাশিয়ার আক্রমণের সময় থেকে মি. জেলেনস্কির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন মি. জনসন।
মি. জনসন আশ্বাস দিয়েছেন যে, যুক্তরাজ্য ও এর মিত্রদের কাছ
থেকে প্রতিরক্ষা সহায়তা যাতে পৌঁছায় তা নিশ্চিতে সব ধরণের ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
দুই নেতাই ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতে সম্মত হয়েছেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নিয়ে পঞ্চম দিনে বিবিসি বাংলার সরাসরি আয়োজনে আপনাকে স্বাগতম। রিপোর্ট করছেন মুন্নী আক্তার।