আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি সংযুক্ত আরব আমিরাতে

আফগানিস্তানে ফিরছেন শীর্ষ তালেবান নেতারা। সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা জোরদার হচ্ছে। প্রথমবারের মত সংবাদ সম্মেলন করে তালেবান বলেছে, 'আমরা আজ বিশ বছর আগের তালেবান নই'। আফগানিস্তানের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিবিসির লাইভ রিপোর্টিং:

সরাসরি কভারেজ

সায়েদুল ইসলাম and মানসী বড়ুয়া

  1. বিশ্বের সামনে নিজেদের তুলে ধরতে শুরু করেছেন তালেবান নেতারা

    কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে বিশ্বের সামনে নিজেদের তুলে ধরতে শুরু করেছেন তালেবানের নেতারা। ‘’এখন আর লুকোছাপার কিছু নেই,’’ রয়টার্সকে বলেছেন একজন জ্যেষ্ঠ নেতা।

    গত ২০ বছর ধরে এই নেতারা যেভাবে আত্মগোপনে থাকতেন, এটা তার একেবারেই বিপরীত।

    যেমন তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার তালেবানের সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকরা এই ব্যক্তির বক্তব্য পেতেন, কিন্তু কখনো তাকে দেখতে পাননি।

    ওই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও জানিয়েছেন, তালেবান সদস্যদের আদেশ দেয়া হয়েছে যেন তারা বিজয় উদযাপন না করেন। সেই সঙ্গে বেসামরিক ব্যক্তিদের অস্ত্র ও গুলি জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  2. ক্ষমতা পোক্ত করতে আজ কাবুল পৌঁছুবেন আফগান নেতারা

    ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে মোল্লাহ আবদুল গনি বারাদারসহ তালেবানের শীর্ষ নেতারা আজ রাজধানী কাবুলে পৌঁছবেন বলে জানা যাচ্ছে।

    এরই মধ্যে মধ্যম সারির তালেবান নেতারা নতুন সরকার গঠন নিয়ে আগের সরকারের রাজনৈতিকদের সঙ্গে আলোচনা করে যাচ্ছেন।

    রবিবার পালিয়ে যাওয়া আফগানিস্তান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আজমল আহমাদে বিবিসিকে বলেছেন, তার ধারণা তালেবানের শাসনে আগামী দিনগুলো এর মধ্যেই দেশের বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক অবস্থা আরও খারাপ হবে। কারণ দাতা সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

    তিনি বলছেন, বিদেশি সহায়তা কমে যাওয়ার কারণেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে, মূল্যস্ফীতি আর দারিদ্র বেড়েছে।

  3. তালেবান বাহিনীর হুমকির মুখেও বিপজ্জনক কাজ করছেন যে নারী

  4. পরিবহন বিমানের চাকায় মানব দেহাবশেষ পাওয়ার ঘটনা তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে যে, সামরিক পরিবহনের চাকায় মানব দেহাবশেষ পাওয়ার একটি ঘটনার ব্যাপারে তারা তদন্ত শুরু করেছে। কাবুল থেকে ওই বিমানটি সোমবার ছেড়ে আসে।

    সামাজিক মাধ্যম ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কাবুল বিমানবন্দরে মরিয়া আফগানরা সি-১৭ পরিবহন বিমানে ওঠার চেষ্টা করছে। বিমানটি আকাশে উঠতে শুরু করার পর অন্তত দুইজন ব্যক্তি সেটি থেকে নীচে পড়ে গেছেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

    একটি বিবৃতিতে মার্কিন এয়ারফোর্স জানিয়েছে যে, ‘’বিমান ঘিরে সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় সি-১৭ বিমানের কর্মীরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।‘’

    পরবর্তীতে সেটিকে কাতারের মার্কিন ঘাঁটির দিকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

    ‘’বিমানটি থেকে মানব দেহাবশেষ সংগ্রহ এবং আবার চলাচল উপযোগী রয়েছে কিনা, সেসব পর্যবেক্ষণ করার জন্যকরার জন্য সেটিকে ঘাটিতে রাখা হয়েছে।‘’ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

  5. আফগান আর্মির সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজারের কম?

    গত কয়েক সপ্তাহেই একে-৪৭ বা এর চেয়েও ছোট অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রায় বিনা বাধায় পুরো আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে তালেবান।

    এর কারণ হিসাবে বিবিসি নিউজনাইটকে জানানো হয়েছে যে, আফগান ন্যাশনাল আর্মি সম্পর্কে সরকারিভাবে যেসব তথ্য দেয়া হয়েছে, বাস্তবে তার তুলনায় বাহিনী অনেক ছোট।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অনেকবার বলেছেন, তিন লাখ সদস্যের আফগান আর্মিকে কোটি কোটি ডলারের সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

    কিন্তু সেখানকার দুইজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, আসলে সেই সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজারেরও কম।

    বিবিসি এই তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি। কিন্তু সেটা যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তালেবানের পক্ষে খুব সহজেই কাবুল ও আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার কারণ পরিষ্কার হয়ে যায়।

    প্রেসিডেন্টের কাছে আফগান আর্মির ৫০ হাজার সেনা সদস্য থাকার কোন গোয়েন্দা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে কিনা, সেটি হোয়াইট হাউজের কাছে জানতে চেয়েছে বিবিসি।

    তবে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র এই প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি।

  6. আফগানিস্তানে যাওয়া ছিল নিকৃষ্টতম সিদ্ধান্ত - ডোনাল্ড ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের শেন হ্যানিটির কাছে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, আফগানিস্তানে (লড়াই করতে) যাওয়ার সিদ্ধান্তই ছিল ‘আমাদের দেশের ইতিহাসের নিকৃষ্টতম সিদ্ধান্ত’।

    ‘’আমরা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করে দিয়েছি...এটার পেছনে আমাদের হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ হয়েছে, লাখ লাখ জীবন চলে গেছে, কিন্তু আগের তুলনায় সেখানে কোন পরিবর্তন আসেনি। এটা সবচেয়ে বেশি খারাপ, কারণ সেখানে আপনাকে সব কিছু পুনঃর্নির্মাণ করতে হবে, এটা আসলে টুকরো টুকরো করে ফেলার মতো,’’ তিনি বলছেন।

    ‘’সেখানে থাকা মানে চোরাবালিতে আটকে যাওয়ার মতো একটা ব্যাপার,’’ তিনি বলেছেন।

    যেভাবে আফগানিস্তান সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেজন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সমালোচনা করেছেন মি.ট্রাম্প। তিনি ক্ষমতায় থাকলে সেটি ভিন্নরকম হত বলে দাবি করেছেন।

    ‘’সেখান আমি সৈন্য সংখ্যা ২০ হাজার থেকে আড়াই হাজারে নামিয়ে এনেছিলাম। সামরিক বাহিনীকে সরিয়ে আনার আগে বেসামরিক লোকজন, অনুবাদক এবং অন্যান্য লোকজনকে সরিয়ে আনলে সেটা আমাদের জন্য সহায়ক হতো। আগে আমাদের সেখান থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে আসা উচিৎ, সামরিক বাহিনীকে তারপরে প্রত্যাহার করা উচিৎ।’’ তিনি বলছেন।

  7. আফগানিস্তান থেকে সব কূটনীতিবিদকে সরিয়ে এনেছে ভারত

    আফগানিস্তান থেকে রাষ্ট্রদূত এবং অন্য কূটনীতিবিদকে সরিয়ে এনেছে ভারত। মঙ্গলবার একটি বিশেষ সামরিক বিভাগে তাদের ভারতে নিয়ে আসা হয়।

    ওই বিমানে ১৫০ জন ছিলেন, যাদের মধ্যে কূটনৈতিক, কর্মকর্তা, নিরাপত্তা কর্মী এবং আটকে পড়া বেশ কিছু ভারতীয় নাগরিককে নিয়ে আসা হয়েছে।

    তবে ভারতের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে এখনো বেশ কিছু ভারতীয় আটকে রয়েছে। বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হলে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

  8. আফগানিস্তান ফিরেছেন গানি বারাদার, অন্য তালেবান নেতাদের সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

    আফগানিস্তানে ফিরতে শুরু করেছেন তালেবানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা।

    মঙ্গলবার কান্দাহারে ফিরেছেন তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং জ্যেষ্ঠ নেতা মোল্লাহ আবদুল গানি বারাদার। তিনি তালেবানের রাজনৈতিক কার্যালয়েরও প্রধান।

    এটা পরিষ্কার নয় যে, তিনি কোন দেশে থেকে ফিরেছেন। তবে তালেবানের বেশিরভাগ নেতা কাতারের রাজধানী দোহায় ছিলেন। সেখানে তারা যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে আলোচনা করছিলেন।

    কান্দাহার শহরটি তালেবানের আধ্যাত্মিক জন্মস্থান। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী তাদের বিতাড়িত করার আগে পর্যন্ত এই শহরটি ছিল তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি।

    তালেবানদের নেতৃত্ব কাঠামো ও বাদবাকী নেতাদের সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে, জানতে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি

  9. শহরজুড়ে তল্লাশি বসিয়েছে তালেবান

    কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর শহরজুড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে তালেবান।

    বিবিসির সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ এখন তালেবানের কাছে। তারা শহর জুড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে। এমনকি বিমানবন্দরে প্রবেশের সবগুলো মুখেই তাদের পাহারা রয়েছে।

    ফলে যেসব আফগান দেশ ছাড়তে চান, তাদের এসব তল্লাশি চৌকি পার হয়ে যেতে হচ্ছে।

    শহরের রাস্তাঘাট ফাঁকা, খুব একটা গাড়ি চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে না।

    মানুষজন ভীত এবং যেকোনো সময় কিছু একটা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। তাই সবাই ঘরের ভেতরেই থাকছেন।

    বিবিসি সংবাদদাতা মালিক মুদাচ্ছের জানাচ্ছেন, শহরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে তালেবান, এমনকি যান চলাচল ব্যবস্থারও। তাদের সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে, প্রতিটা মোড়ে তারা দাঁড়িয়ে রয়েছে। তারা যে শহরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেটা তারা নিশ্চিত করছে।

    তালেবান সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা শহরের শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে।