আমেরিকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ফলাফল ২০২০: ছয় রাজ্যে শেষ হলো ভোট
চরম বিভাজন আর তিক্ত প্রচারণা শেষে আমেরিকায় ভোটের দরোজা বন্ধ হতে শুরু হয়েছে। ছয়টি অঙ্গরাজ্যে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। এগুলো হচ্ছে জর্জিয়া, ইন্ডিয়ানা, কেন্টাকি, সাউথ ক্যারোলাইনা, ভারমন্ট ও ভার্জিনিয়া।
সরাসরি কভারেজ
মাসুদ হাসান খান and পুলক গুপ্ত
নর্থ ক্যারোলাইনায় ভোটারদের জন্য ফ্রি রাইড
ছবির উৎস, NACA
শ্যামল কুমার দাস, নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে
স্থানীয় টিভি টিভি স্পেকট্রাম নিউজের খবর থেকে জানা যাচ্ছে, অনেকগুলো অ্যাক্টিভিষ্ট সংস্থা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে রাইড প্রদান করছে।
২০১৬ সালের নির্বাচনে নতুন ভোটারদের মধ্যে ৩৫% ভোট দিতে যাননি শুধুমাত্র যাতায়াতের অসুবিধের জন্য।
এদের মধ্যে একটি বিরাট অংশ সংখ্যালঘু আফ্রিকান-আমেরিকান জাতিসত্তার মানুষ।
নাকা নামের একটি সংস্থা শার্লটের ৫০টি ভ্যানের মাধ্যমে এ কাজটি করছে যার ফলে বড় একটি জনগোষ্ঠী ভোট কেন্দ্রে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ ভ্যানগুলোতে পিপিই সরঞ্জামসহ সব ধরনের তাপমাত্রা মাপক এবং মাস্ক রয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন চ্যারিটি সংগঠন এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলোও বিশেষ সার্ভিস দিচ্ছে।
শার্লট নর্থ ক্যারোলাইনার ফলাফল নির্ধারণী একটি অঞ্চল যেখানে সংখ্যালঘু ভোটারদের আধিক্য রয়েছে।
পোল-ওয়াচার, জালিয়াতি ইত্যাদি নিয়ে নানা রকম প্রমাণবিহীন দাবি
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটারদের লাইন
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০কে ঘিরে ভোটার জালিয়াতি, ভোটারদের ওপর নজরদারি, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন –
ইত্যাদি নানা রকম দাবি কোন রকম প্রমাণ ছাড়াই ভাইরাল হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে ।
বিবিসির ডিসইনফরমেশন এ্যান্ড
সোশ্যাল মিডিয়া রিপোর্টার ম্যারিয়না স্প্রিং
জানাচ্ছেন, ভোটের দিনের আগে থেকেই বেশ কয়েক সপ্তাহ জুড়েই জালিয়াতি এবং ডাকযোগে
দেয়া ভোট নিয়ে প্রমাণবিহীন নানা রকম অভিযোগ ছড়াচ্ছিল।
ভোটার জালিয়াতি ছাড়াও আছে পোল-ওয়াচার নিয়ে গুজব।
কিন্তু পোল-ওয়াচার জিনিসটা কী?
এরা হচ্ছেন প্রশিক্ষণ পাওয়া এক ধরণের পরিদর্শক – যাদেরকে বিভিন্ন দল বা
প্রচারণা-শিবিরের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়।
এরা এক একটি নির্বাচনী কেন্দ্রে নিরবে বসে থাকেন,অস্বাভাবিক কোন
কিছু দেখলে তার নোট নেন, এবং তা পার্টি বা প্রচারণা-শিবিরের আইনজীবীকে জানান।
তারা যা ঘটছে তা দেখেন, কিন্তু তাতে কোনভাবে হস্তক্ষেপ করেন না, বরং একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে কাজ করেন – যাতে বেআইনি
বা অস্বাভাবিক কিছু ঘটলে এবং তা নিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ বা মামলা হলে তারা ঘটনার বিবরণ
দিতে পারেন।
আমেরিকান নির্বাচনে উনবিংশ শতাব্দী
থেকেই এটা চলে আসছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই – তাদের রিপোর্ট করার মত কিছুই ঘটে না।
কিন্তু এবার এই পোল ওয়াচারদের তৎপরতা গোলমালের কারণ হতে পারে এমন আশংকা
করেছেন অনেকে।
বিভিন্ন পত্রিকার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার তার সমর্থকদের আহ্বান
জানিয়েছেন যেন তারা ভোটকেন্দ্রগুলো গিয়ে সেখানে কিভাবে ভোট হচ্ছে তার ওপর নজর
রাখে।
ইউএসএ টুডে পত্রিকা জানাচ্ছে,পোল ওয়াচাররা যেন ভোটদানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না
পারে সে জন্য পুলিশ ও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর ওপর নজর রাখছেন।
এখন পর্যন্ত অবশ্য তেমন কোন ঘটনার খবর আসেনি।
ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর ফলেনির্বাচনের ফলাফলের ওপর অনাস্থা তৈরি হতে পারে,
এমন কি গোলমালও বেধে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
ফ্লোরিডায় ভোটের জোয়ার ভাটা
ছবির উৎস, gett
মোহাম্মদ নুরুল হুদা, ফ্লোরিডার পাম বীচ থেকে
আমি আজ দুপুরে ৩১৫৮ নাম্বার কেন্দ্রে ভোট দিলাম। তেমন ভিড় ছিল না।
সবাই মাস্ক পরে এবং দূরত্ব বজায় রেখেই ভোট দিলেন।
সকালের দিকে অনেক ভোটারকে দেখা গেছে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। কিন্তু দুপুরবেলা ভোটারদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। সন্ধ্যার দিকে এটা বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
নির্বাচন অফিস সূত্র জানিয়েছে, পাম বীচ কাউন্টিতে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি ভোট পড়েছে।
প্রতি নির্বাচনেই ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি বিশেষ অবস্থান থাকে।
ফ্লোরিডার রয়েছে ২৯টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট।
এই ভোটগুলো জেতার জন্য রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট – দুই প্রার্থীই বার বার করে এই রাজ্যে আসেন ভোটারদের মন জয় করার জন্য।
আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে কত খরচ হয়?
আমেরিকায় ভোটে এখন পর্যন্ত যা ঘটেছে
ছবির উৎস, Getty Images
বিবিসি বাংলার
লাইভ পেজে আপনি যদি এখনই যোগ দিয়ে থাকেন:
আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনে লক্ষ লক্ষ ভোটার এখন তাদের রায় দিচ্ছেন। এই নির্বাচনে মোট ভোটরা সংখ্যা প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ১০ কোটি ইতোমধ্যেই ভোট দিয়ে ফেলেছেন।
ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
চেষ্টা করছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে পুননির্বাচিত হতে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট
হিসেবে নির্বাচনে সর্বশেষ পরাজিত প্রার্থী ছিলেন জর্জ ডাব্লিউ বুশ। তিনি ১৯৯২ সালে
পুননির্বাচিত হতে ব্যর্থ হন।
জনমত জরিপে জো বাইডেনের এগিয়ে থাকার কথা
বলা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলিতে দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র লড়াই
চলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ভোট হচ্ছে এমন এক পটভূমিতে যেখানে করোনাভাইরাস
মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ১০০০ করে মানুষ মারা যাচ্ছে।
ভোটাভুটি প্রথম শেষ হবে পুর্ব উপকূলের রাজ্যগুলিতে
স্থানীয় সময় সন্ধ্যে ৬টায়। কিন্তু পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে ভোট শেষ হতে বুধবার হয়ে
যাবে।
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হতে হলে'ইলেকটোরাল কলেজ'
নামে নির্বাচকমণ্ডলীর ভোটে প্রার্থীকে জিততে মোট ইলেকটোরাল ভোটের
সংখ্যা ৫৩৮, জিততে হলে প্রয়োজন হবে ২৭০টি ভোট।
জয় পরাজয়
নির্ধারণের চাবিকাঠি কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল কলেজের হাতে, যেগুলোকে ব্যাটলগ্রাউন্ড স্টেট বলা হয়।
এসব খবর নিয়ে
বিস্তারিত জানতে এই লাইভ পেজে স্ক্রল করুন।
চীনা মিডিয়া: ভোটের ঠিক আগের দিন বাইডেনের দিকে নজর
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, জো বাইডেনের সমর্থনে এক জনসভায় লেডি গাগা
কেরি এ্যালেন, বিবিসি মনিটরিং
গত কয়েক মাস ধরে চীনা মিডিয়ার মনোযোগ ছিল প্রধানত: ট্রাম্পের দিকে। ট্রাম্প কীভাবে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করছেন, চীনকে নিয়ে তিনি কী মন্তব্য করছেন, এবং যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বর্ণবাদী উত্তেজনা - এসব বিষয়ে এখানকার পত্রিকাগুলো নিয়মিতভাবে মি. ট্রাম্পের সমালোচনা করছিল।
তবে এর অর্থ কিন্তু এই নয় যে ট্রাম্প জয়লাভ করুন - এটা চীন চায় না। চীন বরং তাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে একজন দুর্বল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে থাকে।
আর চীনের সাধারণ মানুষ মি. ট্রাম্পকে অপছন্দ করতে খুব পছন্দ করে।
কিন্তু ভোটের ঠিক আগে যখন হাতে সময় কম – তখনই হঠাৎ করে চীনা মিডিয়ার মনোযোগ ঘুরে গেছে। মিডিয়া আউটলেটগুলোতে দেখা যাচ্ছে বাইডেনকে নিয়ে নানা খবরের প্রাধান্য।
রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস মঙ্গলবার খবর দিচ্ছে, মার্কিন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. এ্যান্টনি ফাউচিকে ‘বরখাস্ত করতে চান না’ জো বাইডেন, বরং তাকে তিনি ‘নিয়োগ করেত’ চান।
চীনে লেডি গাগার বিপুলসংখ্যক ভক্ত আছেন। তাই গ্লোবাল টাইমস তার একটি ভিডিও শেয়ার করে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে লেডি গাগা সমর্থন জানাচ্ছেন জো বাইডেনের প্রতি।
পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক হু শিজিন বলছেন, তার ধারণা বাইডেন এখন স্পষ্টত:ই সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন।
তিনি বলছেন, ট্রাম্পের সমর্থকরা তার মতে বেশি ‘উগ্র ও আক্রমণাত্মক’ এবং রাষ্ট্রীয় সিসিটিভিও ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন সময়ে উগ্রবাদ নিয়ে একই রকম উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
মঙ্গলবার সংবাদ চ্যানেলটিতে কিছু ফুটেজ প্রচার করে সতর্ক করা হয়, নির্বাচনের আগে আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় বন্দুক কেনার হিড়িক পড়েছে।
‘বাইডেন’ লেখা ফেসমাস্ক পরা এক মহিলার সাক্ষাৎকারও প্রচার করা হয় – যেখানে তিনি বলেন, ‘বয়স্ক যে মানুষরা ভোট দিতে আসবেন তাদের নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন’, কারণ তারা ‘বাইরে বন্দুকধারী একদল লোককে দেখলে তারা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাবেন।'
আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে এখনও ভোটগ্রহণ চলছে। আমরা নির্বাচনের তাজা আারও খবরাখবর নিয়ে আসছি বিবিসির এই লাইভ পেজে। আপনাদের কাছে খবর ও বিশ্লেষণ পৌঁছে দেবেন সহকর্মী মাসুদ হাসান খান ও পুলক গুপ্ত।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প নিজের ভোটটি দিয়েছেন ফ্লোরিডার পাম বীচ কেন্দ্রে। ভোটদানের পর তাকে দেখা যাচ্ছে পাম বীচ-এর নির্বাচিনী সুপারবাইজার ওয়েন্ডি সারটরি লিংক-এর সাথে ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে। ফার্স্ট লেডির ভোটদানের সুবিধার্থে কেন্দ্রটি ৪৫ মিনিট বন্ধ ছিল। ফ্লোরিডায় ২৯টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে। ফলে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য ফ্লোরিডা বেশ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য।
অ্যারিজোনায় ভোটের চিত্র
আমেরিকার দক্ষিণ পশ্চিমে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে এখন বেলা বাড়ছে। ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড়ও বাড়ছে। ফিনিক্স শহরে ভোট দিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা চৌধুরী সালাউদ্দিন টিটো। সেখানে একটি মসজিদে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। মসজিদ লাগোয়া কার পার্কে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ভোটদাতারা।
ছবির উৎস, Chowdhury salauddin Tito
ছবির ক্যাপশান, ফিনিক্স শহরের একটি মসজিদে ভোট কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।
ছবির উৎস, Chowdhury salauddin Tito
ছবির ক্যাপশান, মসজিদের কার পার্কে ভোটদাতারা লাইন ধরে অপেক্ষা করছেন ভোট দেবার জন্য। সকাল ১১টার চিত্র।
নর্থ ক্যারোলাইনার ভোটের চিত্র
শ্যামল দাস, নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে
"নর্থ ক্যারোলাইনাতে ভোট শুরু হয়েছে সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে। মোটামুটি ভোটার টার্ন আউট অনেক
বেশি বলে মনে হচ্ছে। কোন কোন সেন্টারে ভোটার টার্ন আউট ৮০% ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে লোকাল পত্রিকাকে জানিয়েছেন ব্রান্স উইক কাউন্টির নির্বাচন প্রতিনিধি। তিনি বলেছেন পুরো নর্থ ক্যারোলাইনাতে ৬০%এর উপর ভোট পড়বে বলে তারা মনে করছেন।
লেল্যান্ড কালচারাল সেন্টার নামের একটি নির্বাচন
কেন্দ্রে সকাল থেকেই অনেকে ভোট দিতে এসেছেন। এদিকে
শারলটের মত বড় শহরে বড় একটি টার্ন আউট আশা করছেন সেখানকার নির্বাচন প্রতিনিধি। মনে
রাখা দরকার,শারলটে একটি বড় জনগোষ্ঠী এসেছে ভারতীয়
উপমহাদেশীয় ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে।
২০১৬তে ট্র্যাম্পের জয়ের পেছনে একটি বড় বিষয় কাজ করেছিল। সে বছর প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার
আফ্রিকান-আমেরিকান ভোটার ভোট দিতে যাননি, যারা ২০১২ সালে ভোট দিয়েছিলেন।এবছর আবার সেই ২০০৮ এবং ২০১২ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।
নর্থ ক্যারোলাইনাতে প্রচুর বাঙালি ভোটার
আছেন। আমি কিছুক্ষণ আগে এমন একজনের সাথে কথা বলছিলাম যিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের
সিনিয়র প্রফেসর এবং প্রশাসক হিসেবে কাজ করেছেন। তার কাছে আমি নর্থ ক্যারোলাইনার ভোটিং বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম।
তাঁর মতে, নর্থ ক্যারোলাইনাতে ডেমোক্র্যাটিক রেজিষ্টার্ড ভোটার সব সময়ই বেশি, এবং
দেখা যায় স্থানীয় সরকারগুলোতে তারাই প্রাধান্য বিস্তার করে থাকেন, কিন্তু জাতীয়
নির্বাচনগুলোতে দেখা যায় এদের মধ্যে ২-৩% ভোটার রিপাবিলকান প্রার্থীর দিকে ঝুঁকে
যায়। এই ঝুঁকে যাওয়ার কারণেই এটি এত দীর্ঘ সময় ধরে রিপাবলিকান স্টেট হিসেবে পরিচিতি পেয়ে এসেছে। নর্থ ক্যারোলাইনা একটি
রেড স্টেট সেই সিভিল ওয়ারের সময় থেকেই। এই বিষয়টি জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কাজ
করে বলে তার ধারণা।
এই নির্বাচন- অভিজ্ঞ ভোটারের মতে, যদি শারলট,
রলি-ডারহাম, এবং চ্যাপেল হিল অঞ্চলে ভোটার টার্ন আউট প্রচুর হয় আজ তবে প্রেসিডেন্ট
ট্র্যাম্প নর্থ ক্যারোলাইনাতে জিতবেন না। এ অঞ্চল গুলোতে প্রচুর মাইনরিটি ভোটার
আছেন যারা নর্থ ক্যারোলাইনার জয়-পরাজয় নির্ধারণ করে থাকেন। এবার ডেমোক্র্যাটরা ভোটারদের বিশেষ করে মাইনরিটি ভোটারদের কেন্দ্রে নেয়ার ব্যপারে খুবই উদ্যোগী ছিলো।"
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, নর্থ ক্যারোলাইনার একটি ভোট কেন্দ্র
রাশিয়ার টিভি চ্যানেল যখন খোলাখুলি জো বাইডেনের বিপক্ষে
অ্যাডাম রবিনসন, রাশিয়া বিশ্লেষক, বিবিসি মনিটরিং
"নির্বাচনী প্রচারণা যখন একেবারে শেষ পর্যায়ে, রাশিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক
টিভি চ্যানেল ‘রাশিয়া টুডে’ তখন একবারে সর্বশক্তি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী
জো বাইডেনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এই নির্বাচনে ক্রেমলিন নিয়ন্ত্রিত টিভি চ্যানেলটির সব খবর, মন্তব্য
এবং টুইট ছিল প্রায় পুরোপুরি ডো বাইডেনের
বিপক্ষে।
গত এক মাসে আরটি’র ওয়েবসাইটের মতামত বিভাগে যে তিরিশটির বেশি নির্বাচন
বিষয়ক লেখা বেরিয়েছে, তার অল্প কটিতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমালোচনা আছে।
এর একটিতে তার সমালোচনা করা হয় রাশিয়ার অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের জন্য। আরেকটি রাশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক মিত্র চীনের বিরুদ্ধে খুবই
আগ্রাসী মনোভাব নেয়ার জন্য।
কিন্তু আরটি’র বেশিরভাগ লেখাতেই আসলে আছে জো বাইডেন এবং ডেমোক্রেটিক
পার্টির সমালোচনা।
আরটি অবশ্য বলে থাকে তাদের মন্তব্য কলামগুলোতে থাকে লেখকদের
ব্যক্তিগত মতামত। কিন্তু তাদের মন্তব্য কলামগুলো সবসময় এরকম গুটিকয় লেখকের কাছ
থেকে আসে যা তাদের সম্পাদকীয় লাইনটা আসলে কী, সেটা ভালো করেই বুঝিয়ে দেয়।"
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, রাশিয়ার আরটি সরাসরি বাইডেন বিরোধী অবস্থান নিয়েছে
আজ যুক্তরাষ্ট্রে অন্য গুরুত্বপূর্ণ যে নির্বাচন হচ্ছে
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, সেনেটে আসনের জন্য লড়ছেন নভোচারী মার্ক কেলি, ফুটবল কোচ টমি টিউবারভিল এবং ব্যবসায়ী কেলি লোয়েফলার
যদিও আজ সবার চোখ
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে- হোয়াইট হাউসের লড়াই কে জিতবেন – ট্রাম্প না বাইডেন
সেই দিকে, কিন্তু একই সাথে আজ মার্কিন কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত
হচ্ছে।
কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস
অফ রেপ্রেজেনটেটিভস বা প্রতিনিধি পরিষদ এখন নিয়ন্ত্রণ করছে ডেমোক্র্যাটরা। তারা এই
নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য লড়ছে। তারা উচ্চ কক্ষ সেনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠা পেতে লড়ছে।
ডেমোক্র্যাটরা মনে করছে
তারা যদি হাউস এবং সেনেট দুটিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে, তাহলে ডোনাল্ড ট্রাম্প
দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য আবার নির্বাচিত হলে তারা তার বিভিন্ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন
আটকে দিতে পারবে এবং জো বাইডেন ক্ষমতায় গেলে মি. বাইডেনের প্রথম মেয়াদে তার নেয়া পরিকল্পনাগুলো তারা দ্রুত পাশ করে দিতে পারবে।
কুইনসে ভোটদাতাদের লম্বা লাইন
নিউ ইয়র্কের কুইনসে উডসাইড এলাকার ভোটকেন্দ্র এটি। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় দুশোর বেশি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ভোট দেবার জন্য। অভিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ভোটদানের জন্য ভিড় বাড়ছে। জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা মুস্তাফিজ রহমান। যিনি আজ ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন সকাল ১১টা নাগাদ।
কুইনস থেকে মুস্তাফিজ রহমানের ভিডিও:
ভিডিওর ক্যাপশান, নিউইয়র্কের কুইনসে উডসাইড এলাকায় লম্বা ভোটের লাইন
নিউ ইয়র্কের এই ভোট কেন্দ্র কেন ফাঁকা
ছবির ক্যাপশান, ব্রুকলিনের এই ভোট কেন্দ্রে মোটেই ভিড় নেই
লরা ট্রেভেলিয়ান, বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ আমেরিকা
"নির্বাচনের দিন সকাল সাড়ে আটটায় নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন হাইটসের সেইন্ট
ফ্রান্সিস কলেজ ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের কোন লাইনই নেই।
লোকজনকে ১ দশমিক ৮ মিটার দূরত্বে থাকার কথা মনে করিয়ে দিয়ে পুরো
ব্লকের ফুটপাথ জুড়ে স্টিকার সাঁটানো।তবে
সেখানে কেউ দাঁড়িয়ে নেই। নির্বাচন কর্মীরা বেশ বিস্মিত।
নিউ ইয়র্কে আসলে আগাম ভোটের ব্যাপারটি ঘটেছে খুবই সফলভাবে। ১১ লাখ
মানুষ আগাম ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রগুলো কেন এত ফাঁকা সেটা এ থেকে
বোঝা যায়।
যদি কোন রাজনৈতিক ভূমিকম্প না হয় জো বাইডেন নিউ ইয়র্কের ২৯টি ইলেকটোরাল
কলেজ ভোট পাবেন বলে ধরে নিতে পারেন। আর এই ব্রুকলিনে ডেমোক্রেটরা মনে হচ্ছে তাদের
ভোট এরই মধ্যে পেয়ে গেছে।"
ভোটকেন্দ্রে বিনোদনের ব্যবস্থা ফিলাডেলফিয়াতে
ফিলাডেলফিয়াতে মানুষ যখন ভোট দেবার জন্য লাইনে অপেক্ষা করছেন, তখন নেচে গেয়ে তাদের বিনোদন জোগাতে উদ্যোগী হয়েছে নিরপেক্ষ অরাজনৈতিক গোষ্ঠী 'জয় টু দ্য পোলস্'। তারা বলছে তাদের উদ্দেশ্য উত্তেজনা কমানো এবং ভোট কেন্দ্রে সঙ্গীতের আবহ সৃষ্টি করা।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না
End of X post
কমালা হ্যারিস এবং পনির টিক্কা- ভারতে কেন টপ ট্রেন্ড
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের দিন ভারতে টুইটারে
ট্রেন্ডিং এর শীর্ষে আছে একটি বিখ্যাত ভারতীয় রান্না, পনির টিক্কা।
যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেট কংগ্রেসওম্যান প্রমিলা জয়াপাল
একজন ভারতীয়-আমেরিকান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমালা হ্যারিসের
সন্মানে পনির টিক্কা রান্নার সিদ্ধান্ত নেন।
কমালা হ্যারিসের মায়ের জন্ম ভারতে। তিনি ভারতীয় রান্নার
যে একজন ভক্ত, সেটি জানিয়েছিলেন একবার।
তবে প্রমিলা জয়াপাল যেভাবে পনির টিক্কা রেঁধেছেন সেটি
ভারতে টুইটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে বেশ আলোড়ন তুলেছে। অনেকে তার রেসিপিটি মিলিয়ে
দেখেছেন এবং বলেছেন, ভারতীয় পনির টিক্কায় এত
ঝোল থাকে না।
অনেকে আবার তাকে নিয়ে বিদ্রূপও
করেছেন নানা রকমের রান্নার ছবির সঙ্গে ভুল নাম জুড়ে দিয়ে।
পনির টিক্কা একটি নিরামিষ রান্না। এটি তৈরি করা হয় পনির,
মশলা এবং ঝলসানো সবজি দিয়ে। সাধারণত
পরিবেশন করা হয় পুদিনার সস এবং কাঁচা পেঁয়াজের সঙ্গে।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না
End of X post
মিশিগানে ভোট গ্রহণ চলছে- ভোটকেন্দ্র থেকে নাস্তার ব্যবস্থা
মিশিগানে
স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ। সকালে কর্মক্ষেত্রে যাবার আগে অনেকে নিজের
ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। এখানে আজ সকাল থেকে প্রচণ্ড ঠান্ডার (৪ সেলসিয়াস) মাঝেই সকলে
ভোট দিচ্ছেন। অনেক কেন্দ্রে ভোট দানে উৎসাহিত করতে ভোটারদের জন্য বিনামূল্যে সকালের
নাস্তা ও কফির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ভোটকেন্দ্রের পক্ষ থেকে।
সাইফুল
আজম সিদ্দিকী, মিশিগান থেকে
ছবির উৎস, Saiful Azam Siddique
ছবির ক্যাপশান, মিশিগানে ভোটারদের জন্য বিনামূল্যে নাস্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে
ছবির উৎস, Saiful Azam Siddique
ছবির ক্যাপশান, মিশিগানের ভোট কেন্দ্র্র
বিশ্ব গণমাধ্যমে মার্কিন নির্বাচন: দীর্ঘস্থায়ী সংকটের আশংকা
ছবির ক্যাপশান, .আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সারা বিশ্বের ওপরই
গভীর অভিঘাত তৈরি করতে পারে। কাজেই এটি যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খবরের প্রধান
শিরোনাম- তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
রাশিয়ায় আজ চ্যানেল ওয়ান টিভির সকালের অনুষ্ঠানে বলা হয়, “এই নির্বাচন এক দীর্ঘস্থায়ী
রাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে।”
আরেকটি চ্যানেল ‘রুশিয়া ২৪’ বলেছে, বিক্ষোভকারী আর লুটেরাদের
কাছ থেকে রক্ষায় আমেরিকার সর্বত্র বিভিন্ন ভবন, দোকানপাটে এখন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ সিবিএস টিভিকে
যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, দেশটির ইংরেজি ভাষার টিভি চ্যানেল প্রেস টিভি সে বিষয়ে একটি
খবর প্রচার করেছে।
তিনি বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সঙ্গে বিদ্বেষমূলক
আচরণ বন্ধ করে, তাহলে হোয়াইট হাউসে যিনিই থাকুন, পরিস্থিতি কিন্তু বদলে যাবে।”
আরব গণমাধ্যমে এই নির্বাচনের খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার
করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের আল আরাবিয়া টিভি বলেছে, “অভূতপূর্বভাবে
বিভক্ত এবং খুবই উত্তেজনাকর এক পরিবেশে এই নির্বাচন হচ্ছে, দাঙ্গা এবং বিক্ষোভের আশংকা
করা হচ্ছে।”
তুরস্কের সরকারপন্থী গণমাধ্যমের খবরে মনে হচ্ছে যেন
তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পুন:নির্বাচনের পক্ষে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বেশ উষ্ণ সম্পর্ক।
তবে উদারপন্থী ‘কারার’ এবং জাতীয়তাবাদী ‘ইয়েনিক্যাগ’
পত্রিকায় বলা হয়েছে, এই নির্বাচন হয়তো পুলিশ স্টেশনে গড়াতে পারে এবং প্রার্থীরা
হয়তো ভোটের ফল নিয়ে আপত্তি জানাতে পারেন।
ছবিতে নির্বাচন: ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড়
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, কেনটাকির এক স্কুলে ভোটারদের ভিড়
আজ সকাল থেকেই শত শত ভোটার আমেরিকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে
লাইন দিয়েছেন। স্কুল, লাইব্রেরি থেকে শুরু করে নানা জায়গায় এবার ভোট কেন্দ্র বসানো
হয়েছে।
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, আটলান্টা, জর্জিয়ায় নির্বাচন কর্মীরা ভোটগ্রহণের আগে শপথ নিচ্ছেন
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, মেইন রাজ্যের ওয়াটারভিলে সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইন দাঁড়িয়ে ভোটাররা
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে ভোটকেন্দ্রের বাইরে একটি সাইনবোর্ড লাগাচ্ছেন এক নির্বাচন কর্মী
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, পেনসিলভেনিয়ার অ্যামব্রিজে সূর্যোদয়ের আগেই লাইনে দাঁড়ান ভোটাররা
আমেরিকায় নির্বাচন করতে কত খরচ হয়?
ভিডিওর ক্যাপশান, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে কত খরচ হয়?