আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সংঘর্ষের জেরে অগ্নিসংযোগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার রাতে গণপিটুনিতে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দিনের ঘটনাপ্রবাহ জানতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সার সংক্ষেপ

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ত
  • খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ
  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হলেই ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা
  • গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পাঁচজনকে গ্রেফতার
  • দুই দফায় গণপিটুনির পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার রাতে গণপিটুনিতে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দুঃখপ্রকাশ

সরাসরি কভারেজ

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহ গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহকে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার তালেবুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

মি. রহমান বলেন, “ পল্টন থানার পুলিশ তাকে রাতে গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করেছে”।

কাজী জাফর উল্ল্যাহর বিরুদ্ধে পল্টন থানায় হত্যা মামলা রয়েছে।

মি. রহমান জানান, “নিয়ে আসার সময় উনি অসুস্থ বোধ করায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। এখন তিনি সুস্থ আছেন। সেখানেই এখনও আছেন”।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যান। এর পর থেকে এ পর্যন্ত ৪০ জনের মত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপদেষ্টা ও শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এসব মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উপদেষ্টা, সিইসিসহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

এসব মামলার মধ্যে হত্যা মামলা যেমন রয়েছে, তেমনি অর্থপাচার, রাষ্ট্রদ্রোহ বিভিন্ন ধরনের মামলা করা হয়েছে।