জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার
বাস্তবায়ন আদেশ) এবং গণভোট অর্ডিন্যান্স- সংবিধানের সঙ্গে 'সাংঘর্ষিক হওয়ায়' এগুলো কেন
অবৈধ হবে না, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
পৃথক দুটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার এই রুল জারি
করেন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করা আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব জানান, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণিত জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার বাস্তাবয়ন আদেশ) কেন অবৈধ হবে
না এ বিষয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দেওয়ার নির্দেশনাও
দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে, গণভোট অর্ডিন্যান্স কেন অবৈধ হবে না এই বিষয়েও আদালত
রুল জারি করেছে বলেও জানান তিনি।
মি. মাহবুব বলেন, “এর মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ
সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন বিষয় হয়ে গেল। ঈদের পরে কোর্ট খুললে এর চূড়ান্ত শুনানি
হবে।”
তিনি বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ থাকা অধিকার
বলে রাষ্ট্রপতি গণভোটের অর্ডিন্যান্স জারি করেছেন। কিন্তু সেখানে উল্লেখ করা আছে যে, “রাষ্ট্রপতি এমন কোনো অর্ডিন্যান্স
জারি করতে পারবে না যে বিষয়বস্তু আমাদের সংবিধানে নাই,” বলেন মি. মাহবুব।
এছাড়া, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর থেকে ‘প্রেসিডেন্ট
অর্ডার’ বলে কোনো বিষয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোতে নেই বলেও উল্লেখ
করেন তিনি।