ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত, জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত

রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনী প্রধানদের সাথে সমন্বয়কদের কয়েক ঘণ্টার বৈঠকের পর ড, মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা ও খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এদিকে, গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা।

সার সংক্ষেপ

  • ড.ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত
  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে
  • দণ্ড মওকুফ করে খালেদা জিয়ার মুক্তি
  • কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন আন্দোলনকারীসহ বিএনপি ও জামায়াতের অনেক শীর্ষ নেতা
  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কিছু পদে রদবদল
  • ঢাকা বিমানবন্দরে আটক হয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক
  • শেখ হাসিনা দিল্লির গাজিয়াবাদে আধাসামরিক বাহিনীর একটি অতিথিশালায় রয়েছেন

সরাসরি কভারেজ

ড. ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করতে চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

শেখ হাসিনার পতনের পর দেশ পরিচালনার জন্য গঠিত হতে যাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নাম প্রস্তাব করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা নাহিদ ইসলাম। দ্রুত সময়ের মধ্যে অধ্যাপক ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করা এক ভিডিও বার্তায় প্রধান উপদেষ্টার নাম প্রস্তাব করেছেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মি.ইসলাম।

ওই সময় তার সঙ্গে সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এবং আবু বাকের মজুমদারও উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হওয়ার বিষয়ে ইতোমধ্যেই তারা অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানিয়েছেন মি. ইসলাম।

“ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে। তিনি ছাত্র-জনতার আহ্বানে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এই গুরু দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন,” বলেন সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যদের নাম দ্রুতই প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

এর আগে, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মি. ইসলাম বলেছিলেন, “ছাত্র-নাগরিকের সমর্থিত কিংবা প্রস্তাবিত সরকার ছাড়া আমরা কোনো ধরনের সরকারকে সমর্থন করব না। সেটা সেনা সমর্থিত সরকার হতে পারে কিংবা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার হতে পারে। এমন সরকারকে ছাত্র-জনতা গ্রহণ করবে না।”