আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে আবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জয়ের জন্য ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের দরকার হলেও তার অন্তত ২৭৯টি ভোট নিশ্চিত হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী কমালা হ্যারিসের পক্ষে ২২৩টি ভোট। সেনেটের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে যাওয়ার পূর্বাভাস।

সরাসরি কভারেজ

  1. ট্রাম্পের দিকে ‘ঝুঁকছে’ নেভাডা - পূর্বাভাস

    বিবিসির মার্কিন মিডিয়া পার্টনার, সিবিএস নিউজ, তাদের রেস রেটিংয়ে জানিয়েছে যে, ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য নেভাডাতেও জয়ের ‘ঝোঁক’ ট্রাম্পের দিকে।

    এটা কোনও আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাস নয় - তবে লাস ভেগাসসহ পশ্চিমাঞ্চলীয় এই রাজ্য ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনকে ভোট দিয়েছিল।

    আর এবার যদি তা পাল্টে যায় তবে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়ে যাবেন আরও ছয়টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট।

    ৭৬ শতাংশ ভোট গণনার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট আর কমালা হ্যারিস পেয়েছেন ৪৬ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট।

  2. ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

    নেতানিয়াহুর পর আরেক বিশ্বনেতা যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার “ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ে” অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, “আগামী বছরগুলোতে আপনার সাথে কাজ করার অপেক্ষা করছি”।

    “সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে আমরা আমাদের মূল্যবোধ—স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং উদ্যোগী মনোভাব—রক্ষায় একত্রে কাজ করবো”।

    "আমি জানি যে উন্নতি এবং নিরাপত্তা থেকে শুরু করে উদ্ভাবন আর প্রযুক্তি পর্যন্ত যুক্তরাজ্য-আমেরিকার বিশেষ সম্পর্ক আটলান্টিকের উভয় পাড়েই আগামী বছরগুলোতে সমৃদ্ধি লাভ করবে”।

  3. 'ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রত্যাবর্তনে' ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানালেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু

    এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে বিজয়ী ঘোষণার পর কয়েকজন বিশ্বনেতা তাকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন।

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, "ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রত্যাবর্তনের জন্য অভিনন্দন! আপনার ঐতিহাসিক হোয়াইট হাউসে ফিরে আসা আমেরিকার জন্য একটি নতুন যাত্রা এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মহৎ অংশীদারিত্বের প্রতি শক্তিশালী প্রতিশ্রুতি”।

    তিনি আরও বলেছেন, “এটি একটি বিশাল বিজয়”।

    হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বানও একই রকম মন্তব্য করেছেন।

    তিনি বলেছেন, “মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রত্যাবর্তন! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার বিশাল বিজয়ের জন্য অভিনন্দন। পৃথিবীর জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিজয়!”মনে রাখা প্রয়োজন: ট্রাম্প বিজয় ঘোষণা করেছেন - কিন্তু তিনি এখনও প্রয়োজনীয় ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে জয় পাননি। এখনও ২৭০টি ভোট থেকে চারটি ভোট কম আছে তার। কমালা হ্যারিস পেয়েছেন ২১৯টি ভোট।

  4. ইলন মাস্ককে ‘নতুন তারকা’ বললেন ট্রাম্প

    ভিড়ের চিৎকারের মধ্যেই এমন একজন সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলতে শুরু করেন, যিনি তার প্রচারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন – তিনি এক্সের মালিক এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মস্ক।

    তিনি মাস্ককে রিপাবলিকান পার্টির “নতুন তারকা” হিসেবে বর্ণনা করেন।

    একইসঙ্গে ভাষণে একটি গল্প শোনান যে কীভাবে একবার স্পেসএক্স রকেটের একটি ভিডিও দেখার সময় একজন বিলিওনিয়ারকে ৪০ মিনিট ধরে হোল্ডে রেখে ছিলেন তিনি।

    তাকে “অদ্ভুত” একজন ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।

  5. ট্রাম্প বললেন, এটি একটি 'অসাধারণ বিজয়'

    ফ্লোরিডায় নির্বাচনি প্রচারণার ওয়াচ পার্টিতে হাজির হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তিনি একটি “অসাধারণ বিজয়” পেয়েছেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তার রানিং মেট জেডি ভ্যান্স, স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং তার প্রচারণা দলের সদস্যরা।

    ট্রাম্প আরও বলেন, এটি হবে আমেরিকার "স্বর্ণযুগ"।

    “এটি আমেরিকার মানুষের জন্য একটি অসাধারণ বিজয়, যা আমাদের আবার আমেরিকাকে মহান করতে সাহায্য করবে,” তিনি তার প্রচারণার স্লোগান যোগ করেন।

    ট্রাম্প নিজেই তার বিজয় ঘোষণা করেছেন, যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োজনীয় ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাননি তিনি।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া ভোটের হিসাবে তিনি ২৬৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে যাচ্ছেন। তবে জয়ের জন্য দরকার ২৭০টি ভোট।

  6. পেনসিলভেনিয়াতেও ট্রাম্পের জয়

    গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট পেনসিলভেনিয়াতেও জয় পেয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এই রাজ্যের ১৯টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেয়ে মোট ২৬৫টি ভোট নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প, যা প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে তার জয়কে বেশ এগিয়ে দিয়েছে।

  7. গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট পেনসিলভেনিয়া 'ট্রাম্পের দিকে ঝুঁকছে'

    বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, পেনসিলভেনিয়ার নির্বাচনি প্রতিযোগিতা “ট্রাম্পের দিকে ঝুঁকছে”।

    এটা কোনও আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাস নয়, তবে এই ট্রেন্ড জারি থাকলে তা রিপাবলিকান পার্টির জন্য সুসংবাদের।

    উল্লেখ্য, পেনসিলভেনিয়া একটি মূল্যবান সুইং স্টেট। কারণ এখানে ১৯টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট রয়েছে, যা অন্য যে কোনও ব্যাটলগ্রাউন্ডের চেয়ে বেশি।

  8. ট্রাম্পের ওয়াচ পার্টিতে চলছে বড় ভাষণের প্রস্তুতি

    নিউ ইয়র্কে ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনের সম্ভাব্য বিজয় পার্টির কথা।

    সেদিন হঠাৎ যখন সবাই বুঝতে পারে যে গল্পটা তেমন হতে যাচ্ছে না, যেমনটা তারা আশা করেছিল।

    হাসি আর নাচ চোখের জলে পরিণত হয়েছিল, হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিল সমর্থকরা।

    আজ রাতে ফ্লোরিডায় সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে।

    লোকজন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সাবেক এবং একইসঙ্গে সম্ভাব্য ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট এখানে খুব শিগগিরই এসে ভাষণ দিতে পারেন।

    ইতোমধ্যেই মঞ্চ প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সিক্রেট সার্ভিসও সক্রিয় হয়েছে।

    তার মোটরকেডও প্রস্তুত আর জানা গেছে যে তিনি বা জেডি ভ্যান্স কিংবা তারা দু'জনই হয়তো ভবনটিতে উপস্থিত আছেন।

  9. ভোটগ্রহণ শেষ, ডেমোক্র্যাটরা উদ্বিগ্ন আর উচ্ছ্বসিত রিপাবলিকানরা

    আলাস্কা ও হাওয়াইয়ের মাধ্যমে এই বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সব ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।

    আপনি যদি রাতভর এই নির্বাচনকে অনুসরণ করে থাকেন, তাহলে আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে বর্তমান পূর্বাভাসে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৪৬টি এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ১৮৭টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউসে জয়ের জন্য একজন প্রার্থীর ২৭০টি ভোট প্রয়োজন।

    এখন পর্যন্ত দু'টি সুইং স্টেটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে – নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়া। আর উভয় রাজ্যেই জয়ী হয়েছেন ট্রাম্প।

    এখনও পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সুইং রাজ্যের ফলাফল বাকি, যদিও প্রাথমিক পূর্বাভাসে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প এগিয়ে আছেন।

    এগুলো এমন কিছু এলাকা যেখানে বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে হ্যারিস বা ট্রাম্প যে কেউই জিততে পারেন আর সম্ভবত এগুলোই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করবে।

    আমাদের রিপোর্টাররা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী পার্টিগুলোর আপডেট নিয়ে রিপোর্ট করছেন।

    মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক দাতা এবং কৌশলবিদরা বিবিসির আইওন ওয়েলসকে জানিয়েছেন যে তারা “খুবই হতাশা” বোধ করছেন।

    অন্যদিকে, নাদা তাওফিক ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের শিবিরে “উত্তেজনা এবং লক্ষ্য স্থির করার” অনুভূতির কথা জানাচ্ছেন।

  10. পূর্বাভাস বলছে রিপাবলিকানরা সেনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে

    বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএসের একটি পূর্বাভাস অনুযায়ী, রিপাবলিকান পার্টি সেনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে।

    এখনও অনেক আসনের ভোট গণনা চলমান থাকলেও এটা স্পষ্ট যে ডেমোক্র্যাটরা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে।

    পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় প্রত্যাশিত ক্ষতি কমাতে একটি রিপাবলিকান আসন দখলের আশা করছিল ডেমোক্র্যাটরা।

    তবে পূর্বাভাস অনুযায়ী, টেক্সাসে তারা টেড ক্রুজকে পরাজিত করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা কি না দলটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল।

    স্থানীয় সময় দুপুর একটা পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা সেনেটে আসন পেয়েছে ৪০টি আর রিপাবলিকানরা পেয়েছে ৫১টি।

  11. গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেটে জয় উদযাপন করছেন ট্রাম্প সমর্থকরা

    গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেটে জয় উদযাপন করছেন ট্রাম্প সমর্থকরা।

    নির্বাচনি ফলাফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প এগিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে তার সমর্থকদের উল্লাসের ছবি সামনে আসছে।

    কেউ ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণার স্লোগান ‘মেইক অ্যামেরিকা গ্রেট এগেইন’, সংক্ষেপে ‘মাগা’ লিখা টুপি পরেছেন, আবার কেউ আমেরিকার পতাকা গায়ে জড়িয়েছেন।

    চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক:

  12. আরেক সু্ইং স্টেট জর্জিয়ায় জয় পেলেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল জানতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। তবে নির্বাচনের মাঠ দেখে মনে হচ্ছে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    নর্থ ক্যারোলাইনার পর এবার সুইং স্টেট জর্জিয়ায় জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প।

    ইলেক্টোরাল মানচিত্রের অবস্থা অনেকটাই ২০১৬ সালের নির্বাচনের মত, যখন নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন ট্রাম্প।

    যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে যেসব কাউন্টির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে সামান্য হলেও লক্ষণীয়ভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

    মূলত শহর ও শহরতলির কাউন্টিগুলোতে জো বাইডেনের মোট ভোটের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই ভোট পেয়েছেন কমালা হ্যারিস।

    তবে এখনও পর্যন্ত তা ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যবধান কমানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

  13. সেনেট দখলের দ্বারপ্রান্তে রিপাবলিকানরা

    ওহাইয়োতে ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর শেররড ব্রাউনের পরাজয়ের পর সেনেটে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

    দলটি ইতোমধ্যেই দুইটি আসন হারিয়েছে এবং মন্টানায় জন টেস্টার আরও একটি আসন হারানোর বড় ঝুঁকিতে আছেন।

    অন্য কোথাও ডেমোক্র্যাটরা জয় নিশ্চিত করতে না পারলে সেনেট রিপাবলিকানদের হাতে চলে যাবে।

    এই মুহূর্তে ডেমোক্র্যাটদের জন্য খুব একটা আশার আলো নেই।

    দুইটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন ফ্লোরিডা এবং টেক্সাস ইতোমধ্যেই হারানোর পথে।

    নেব্রাস্কার ৬৯ শতাংশ ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড্যান ওসবোর্ন বর্তমান রিপাবলিকান ডেব ফিশারের বিপক্ষে সামান্য পিছিয়ে আছেন।

    তবে ওসবোর্ন জিতলেও সেনেটে তিনি ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন দেবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট না।

    আর যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স টাই-ব্রেকিং ভোট দেন, তবে নেব্রাস্কায় কী ঘটলো তাতে কিছু যাবে আসবে না।

    একে রিপাবলিকানদের জন্য অত্যন্ত সফল রাত হিসেবেই দেখা যাচ্ছে।

  14. নর্থ ক্যারোলাইনায় ট্রাম্পের বড় জয়

    ১৬টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট নিয়ে নর্থ ক্যারোলাইনায় জয়ী হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের প্রচারণার জন্য এই জয় গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এর মাধ্যমে নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭০টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাওয়ার পথে এগিয়ে গেলেন ট্রাম্প।

    তবে বেশিরভাগ সুইং স্টেটের ফলাফল এখনও ঘোষণা হয়নি, যার ফলে পরিস্থিতি কমালা হ্যারিসের পক্ষে যেতে পারে।

    বিশেষ করে যদি তিনি রাস্ট বেল্টের তিনটি রাজ্য – উইসকনসিন, পেনসিলভেনিয়া ও মিশিগানে জিততে পারেন।

    নর্থ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকানদের জয় গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা ঐতিহাসিক ভোটের ধারাকে ধরে রেখেছে।

    ট্রাম্প ২০১৬ সালে সেখানে তিন দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং ২০২০ সালে এক দশমিক ৩৪ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

    ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিসেবে এই রাজ্যে সর্বশেষ ২০০৮ সালে বারাক ওবামা জয়ী হয়েছিলেন।

    তবে বারাক ওবামা ২০১২ সালে তার পুনর্নির্বাচনের সময় রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনির কাছে নর্থ ক্যারোলাইনা হারান।

  15. উইসকনসিনে দীর্ঘ রাতের জন্য প্রস্তুত ডেমোক্র্যাটিক প্রচারণাকারীরা

    উইসকনসিনের ম্যাডিসন শহরে ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর ট্যামি বালডউইনের দেওয়া নির্বাচনি রাতের পার্টি থেকে বিবিসি সংবাদদাতা কার্ল ন্যাসম্যান জানিয়েছেন, সেখানে বড় টিভি স্ক্রিনে প্রাথমিক ফলাফল প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং সেই ফলাফল দেখে উল্লাস করছেন সমর্থকরা।

    কারণ বালডউইন রিপাবলিকান প্রার্থী এরিক হভডেকে পিছনে ফেলে এগিয়ে ছিলেন। একইভাবে, তখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে দেখা গেছে যে কমালা হ্যারিসও রাজ্যজুড়ে সামান্য এগিয়ে আছেন।

    মানুষের উল্লাস শেষ হতে না হতেই উইসকনসিনের লেফটেন্যান্ট গভর্নর সারা রদ্রিগেজ মঞ্চে এসে বাস্তবতা তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, "আমি আপনাদের সঙ্গে সোজাসুজি কথা বলি। আরও অনেকক্ষণ গেলেও হয়তো আমরা চূড়ান্ত ফলাফল দেখতে পাবো না… এটি স্বাভাবিক। উইসকনসিনে বরাবরই এমনটা হয়।"

    সারা রদ্রিগেজ আরও বলেন, উইসকনসিনে এখনও অনেক মানুষ ভোট দিতে অপেক্ষা করছেন।

    বালডউইনের প্রচারণা দলের সদস্যরা বিবিসিকে জানিয়েছেন যে তারা একটি দীর্ঘ রাতের জন্য প্রস্তুত, কারণ চূড়ান্ত ফলাফল মধ্যরাতের পর আসতে পারে।

  16. ভোটার জালিয়াতির দাবি প্রত্যাখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কর্মকর্তাদের

    যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন চলাকালে যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন, তখন অনলাইনে ভোট গ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

    তবে, নির্বাচনী কর্মকর্তারা দ্রুততার সাথে কিছু অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন, যার মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও একটি অভিযোগ রয়েছে।

    একইসঙ্গে কিছু যৌক্তিক সমস্যার ভুল ব্যাখ্যার বিষয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন নির্বাচনী কর্মকর্তারা।

    ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে বলেছেন, 'ব্যাপক জালিয়াতির' কারণে ফিলাডেলফিয়ায় 'আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসছে'।

    তবে, তিনি এ অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ দেননি।

    ফিলাডেলফিয়া পুলিশ বিভাগ বিবিসি ভেরিফাইকে জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে কিছু জানে না।

    ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ডেট্রয়েটে 'অনেক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী' মোতায়েন করা হয়েছে।

    কিন্তু সেখানকার পুলিশ বিবিসিকে জানিয়েছে, “সম্প্রতি আমাদের জনবল বাড়ানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

    বিবিসি ভেরিফাই বহুল প্রচারিত দাবিগুলোকে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে।

  17. পেনসিলভেনিয়াতে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প সমর্থকরা

    পেনসিলভেনিয়াতে ৭২ শতাংশ ভোট গণনা হয়ে গেছে, এবং তাতে দেখা যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প এগিয়ে রয়েছেন।

    ফলে সমর্থকেরা স্বাভাবিকভাবেই উল্লসিত।

    পেনসিলভেনিয়ার এলেনটাউনের এক রিপাবলিকান পার্টির ওয়াচ পার্টি থেকে বিবিসি সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সেখানে উপস্থিত সমর্থকেরা আত্মবিশ্বাসী, কারণ ফলাফল ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে যাচ্ছে।

    উল্লসিত সমর্থকেরা হাসি মুখে জিন, টনিক ও বিয়ার খাচ্ছেন। তাদের মাঝে একজন হলেন চ্যাড হর্টন।

    তিনি পেনসিলভানিয়ায় রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে একজন সক্রিয় প্রচারক ও লেহাই কাউন্টির একজন বাসিন্দা।

    তিনি বলেন, “আপনি স্থানীয়ভাবে রেড ওয়েভ দেখছেন এবং আমি আশা করি জাতীয়ভাবেও দেখবেন।”

    “আমি খুব আত্মবিশ্বাসী। কারণ গত চার বছরে অর্থনীতি খুব খারাপ অবস্থায় ছিল।”

    তিনি আশা করছেন যে আগামী কয়েকদিন পেনসিলভানিয়া ও অন্যান্য ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলতে পারে।

    তবে তিনি মনে করছেন, “সবমিলিয়ে আমরা ভালো করছি।”

  18. যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২৪ নিয়ে বিবিসি বাংলার বিশেষ লাইভ

    যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২৪ নিয়ে বিবিসি বাংলার বিশেষ লাইভে অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মেহনাজ মোমেন।

  19. গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে এ পর্যন্ত কে এগিয়ে - ট্রাম্প না হ্যারিস?

    যুক্তরাষ্ট্রের যে ছয়টি রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে, সেগুলোর তিনটি হল জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং পেনসিলভানিয়া।

    এই তিনটি রাজ্যেই এগিয়ে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    অন্যদিকে, মিশিগানে কমালা হ্যারিসের পাল্লা ভারী। যদিও সেখানে এখন পর্যন্ত ১৯ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে।

    এছাড়া, অ্যারিজোনা এবং উইসকনসিনেও এগিয়ে আছেন মিজ হ্যারিস।

    এর আগে ২০১৬ এবং ২০২০ সালে নর্থ ক্যারোলাইনায় জিতেছিলেন ট্রাম্প।

    এছাড়া, ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জিতেছিলেন বাকি রাজ্যগুলো।

    যদিও মি. বাইডেন খুব কম ব্যবধানে জিততে পেরেছিলেন সেবার।

    এবারের নির্বাচনে এই রাজ্যগুলোতে সম্ভাব্য বিজয়ী কে?

    এই প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    সেখানকার পরিস্থিতি প্রতি মিনিটে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই এখনই কোনোকিছু নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

  20. যুক্তরাষ্ট্রে ৪০টিরও বেশি রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ

    যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যের মাঝে ৪০টিরও বেশ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ।

    আগামী এক ঘণ্টার মাঝে আভাস পাওয়া যাবে যে কোন রাজ্যে কে জিততে চলেছেন।

    তবে, কিছু রাজ্য আছে, যেগুলোর ফলাফল আসতে কিছুটা বেশি সময় লাগবে।

    বিশেষ করে, নেভাদাতে ভোটের ফল আসতে কয়েক দিন লাগতে পারে।

    কারণ, এই রাজ্যে মূলত মেইলে ভোট দেওয়া হয় এবং সেখানকার ভোট গণনা শনিবার পর্যন্ত চলবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় আজ রাত ১০টায় আরও তিনটি রাজ্যে ভোট শেষ হবে, যার মধ্যে শেষ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য হল নেভাদা।