আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্ত হবেন কি না দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হবে কি না এই বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া থেকে সরে আসতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. ইরানের আরাক হেভি ওয়াটার পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলা: রয়টার্স

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ইরানের টেলিভিশনের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের আরাক হেভি ওয়াটার পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

    এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হুমকি দিয়েছিলো যে, রিঅ্যাক্টরের আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা যেন অবিলম্বে এলাকা ত্যাগ করেন।

    এই হামলা ইসরায়েল-ইরান চলমান উত্তেজনা একটি গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  2. ট্রাম্পের অবস্থান কীভাবে বদলালো?, বাহমান কালবাসি, বিবিসি পার্সিয়ান, নিউ ইয়র্ক থেকে

    যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোভাব পাল্টে যাওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

    তিনি ট্রাম্পকে যুদ্ধের পক্ষে রাজি করাতে ধারাবাহিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেছেন।

    প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ইসরায়েলের প্রথম রাতের হামলা সফল হওয়ায় অর্থাৎ যে হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা নিহত হন, তা ট্রাম্পকে মুগ্ধ করে এবং তাকে যুদ্ধের কার্যকারিতা সম্পর্কে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

    বুধবার সন্ধ্যায় ট্রাম্প নিজেও বলেন, “প্রথম দিনের আঘাতে তারা (ইরানিরা) সত্যিই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে… এই সংঘাতের এক পক্ষ ভেঙে পড়েছে।”

    নেতানিয়াহুর পরিকল্পনা যে কার্যকর হতে পারে, এই বিশ্বাস ট্রাম্পকে যুদ্ধপন্থী শিবিরের দিকে আরও টেনে নিতে পারে। তবে তার এই অবস্থান স্থায়ী হবে কিনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

    ট্রাম্প তার বিবৃতির পর পাঁচ ছয় মিনিটের বক্তব্যে বারবার বলেন, এখন আর আলোচনার সময় নেই। “ইরান আমাদের প্রস্তাব মেনে নিলে ভালো হতো।”

    তবুও তিনি সরাসরি আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ করেননি। বলেন, “আমরা হয়তো এগোবো, হয়তো কিছুই করবো না,” এবং সিদ্ধান্ত “শেষ মুহূর্তেই” নেওয়া হবে, কারণ যুদ্ধের ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত সবকিছু বদলে যেতে পারে।

  3. ট্রাম্প ইরানে হামলার কথা ভাবছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বাড়ছে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেননি। বিবিসিসহ মার্কিন গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

    এর মূলে আছে ফোর্দো সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য অপরিহার্য ভূগর্ভস্থ একটি স্থাপনা। এটি ধ্বংস করার সক্ষমতা কেবল যুক্তরাষ্ট্রেরই আছে।

    ট্রাম্প কী করবেন তা জনসমক্ষে স্পষ্ট করে বলেননি। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, “আমি এটা করতে পারি, আবার নাও করতে পারি। কেউ জানে না আমি কী করতে চাই। তবে এতটুকু বলতে পারি, ইরান বড় সমস্যায় আছে এবং আলোচনায় ফিরতে চায়।”

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার জেনেভায় যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্সের মন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে যাচ্ছেন।

    এদিকে ইসরায়েল ইরানে আবার রাতভর হামলা চালিয়েছে। তেহরানে ধারাবাহিক হামলার পাশাপাশি আরাক ও খানদাবের বাসিন্দাদের সরে যেতে সতর্ক করেছে তারা।

  4. ইরানের ফোর্দো সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র কী?

    ফোর্দো ইরানের একটি গোপন পারমাণবিক স্থাপনা, যা রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার (৬০ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত।

    এটি ইরানের দুটি প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের একটি, যা দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এই স্থাপনাটি মাটির প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মিটার গভীরে অবস্থিত, এতটাই গভীরে যে ইসরায়েলের বোমা দিয়ে এটি ধ্বংস করা সম্ভব নয়।

    শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন শক্তিশালী “বাঙ্কার বাস্টার” বোমা আছে, যা এতো গভীরে পৌঁছাতে পারে।

    ফোর্দো ইরানের নাতাঞ্জ কেন্দ্রের চেয়েও অনেক গভীরে অবস্থিত। ইসরায়েল নাতাঞ্জ স্থাপনায় ইতোমধ্যেই হামলা চালিয়ে বড় ক্ষতি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ২০০৯ সালে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ফাঁসের পর ইরান এই গোপন স্থাপনাটির অস্তিত্ব স্বীকার করে।

    ফোর্দোতে দুটি প্রধান সুড়ঙ্গ রয়েছে, যেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে সেন্ট্রিফিউজ বসানো আছে। ইসরায়েল আশঙ্কা করছে, এগুলো পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

  5. 'ট্রাম্পের 'নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি' নিয়ে খেলছেন নেতানিয়াহু'

    যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাবে কি না, তা নিয়ে যখন বিশ্বের মানুষ উৎকণ্ঠায় , তখন ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসের সাবেক কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর অ্যান্থনি স্কারামুচি বিবিসি নিউজনাইটকে বলেছেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ধারাবাহিকতা বা নীতিভিত্তিক কৌশল নেই।

    তিনি বলেন, “এটা মুহূর্তের সিদ্ধান্ত, কোন কৌশলগত চিন্তাভাবনা ছাড়াই নেওয়া হয়”

    স্কারামুচির দাবি, ট্রাম্পের মধ্যে "নিজেকে কঠোর ও শক্ত নেতা দেখানোর যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি আছে", সেটাকে কাজে লাগাচ্ছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। যেন ট্রাম্পকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেওয়া যায়।

    ইরানে সরকার পতনের চেষ্টা বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য জড়িত থাকার প্রসঙ্গে স্কারামুচি বলেন, “গত দুই দশকে আমরা কিছুই শিখিনি। আমার কাছে এটা পরিষ্কার না যে, এই ধরনের পরিবর্তনের নেতৃত্ব মার্কিনিদেরই নেওয়া উচিত কিনা।”

  6. যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে কী ধরনের সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে?

    ইসরায়েল-ইরান চলমান যুদ্ধের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হামলায় অংশ নিতে পারে, এমন জল্পনা কল্পনার মধ্যেই ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি জড়ো করতে শুরু করেছে।

    এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।

    গত কয়েকদিনে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৩০টি সামরিক উড়োজাহাজ আমেরিকার ঘাঁটি থেকে ইউরোপে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    এগুলো সবই ট্যাংকার বিমান, যেগুলো যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানগুলোকে মাঝ আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করতে ব্যবহৃত হয়।

    দক্ষিণ চীন সাগর থেকে ইউএসএস নিমিৎজ নামের একটি বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। এর সঙ্গে রয়েছে কয়েকটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার (নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ)।

    ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আরো কিছু যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যেগুলো ইতোমধ্যে ইসরায়েলকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সহায়তা করেছে।

    রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এফ-১৬, এফ-২২ এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে স্থানান্তর করেছে।

  7. খামেনি হত্যার সম্ভাব্য 'ষড়যন্ত্রের' প্রতিক্রিয়ায় পুতিন বলেছেন: "আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।"

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার একট গোলটেবিল আলোচনায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত ইরান রাশিয়ার কাছে কোনো সাহায্য চায়নি।

    এ বৈঠকের আরও কিছু বিস্তারিত এখন সামনে এসেছে।

    ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার আশঙ্কা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে পুতিন বলেন, “আমি এই আশঙ্কা বা অনুমান নিয়ে কিছু বলতে চাই না। একেবারেই না।”

    তিনি আরো বলেন, “আমি এসব শুনেছি, কিন্তু আমি এটা নিয়ে কিছু ভাবতেও চাই না বা বলতেও চাই না।”

    খামেনিকে হত্যা করার 'ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনার' প্রসঙ্গ প্রথম উঠে আসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যে। তিনি বলেন, খামেনিকে “হত্যা” যুদ্ধ শেষ করতে “সাহায্য করতে পারে।”

    এরপর আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে খামেনি কোথায় আছেন, তবে “এ মুহূর্তে তাকে হত্যার কোনো পরিকল্পনা নেই।”

  8. ইসরায়েলের উচিত আমেরিকাকে যুদ্ধে টেনে না আনা: সেনেটর টিম কেইন

    মার্কিন সেনেটর টিম কেইন ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের মধ্যে আমেরিকার যেকোনো সম্পৃক্ততার বিরোধিতা করেছেন।

    মি. কেইন, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক ও সশস্ত্র পরিষেবা কমিটির সদস্য, তিনি বলেন, “তিনি সবসময় ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তার পক্ষে ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি ইরানে বোমা হামলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের পাশে আমেরিকার থাকার বিরোধিতা করছেন।

    “তারা (ইসরায়েল) নিজেদের রক্ষা করুক, কিন্তু তারা যেন আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার চেষ্টা না করে,” বিবিসির সংবাদদাতা সুমি সোমাসকান্দাকে বলেন সেনেটর কেইন।

    ভার্জিনিয়ার এই সেনেটর আরও বলেন, যদি আমেরিকা যুদ্ধে জড়ায়, তাহলে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে বলে যে হুমকি দিয়েছিলো, তিনি সে বাপারে বেশ উদ্বিগ্ন।

    শুধু মার্কিন কংগ্রেসই ট্রাম্পকে যুদ্ধের জন্য সবুজ সংকেত দিতে পারে।

    সেনেটর কেইন বলেন, কংগ্রেসে তার কোনো সহকর্মী এখন পর্যন্ত যুদ্ধ নিয়ে কোনো প্রস্তাব আনেননি। তার মানে, আমেরিকান জনগণের বড় অংশই এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জড়ানোকে সমর্থন করছে না।

    তিনি বলেন, “আমি একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টার জন্য ভার্জিনিয়াবাসী বা আমেরিকানদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলতে রাজি নই।”

  9. বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যা যা হলো

    • বুধবার রাতেও ইরান এবং ইসরায়েল একে অপরের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইরান নতুন করে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং তারা দাবি করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সফলভাবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেছে।
    • ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন কোনো হামলার কথা স্বীকার করেনি, তবে তারা বলেছে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ওপর ইসরায়েল নিজেরাও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
    • ইরানের ওপর হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা আছে কী-না এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “আমি যোগ দিতেও পারি, নাও দিতে পারি। কেউ জানে না আমি কী করতে চাই”। ইরানের আলোচকরা হোয়াইট হাউজে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।
    • ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের কূটনৈতিক মিশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বলেছে, “কোনো ইরানি কর্মকর্তাকে পা চাটার জন্য হোয়াইট হাউজের দরজায় বসে থাকতে বলা হয়নি।"
    • ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র তেহরানে বিবিসিকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ইরান।
    • ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক্স-নেটে লিখেছেন যে ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ভবন ধ্বংস করা হয়েছে। তার দাবি এটি ইরানের সরকারের দমনমূলক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্র।
    • বিবিসি ভেরিফাই বলছে, স্যাটেলাইট ইমেজিং বা উপগ্রহের মাধ্যমে ছবি তোলা বিশেষজ্ঞ কোম্পানি ম্যাক্সারের সবশেষ তোলা কিছু ছবি বিবিসির হাতে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে তাবরিজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির অন্তত নয়টি ভবন ও ঘাঁটিতে পৌঁছানোর দুটি টানেল ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংস হয়েছে।
    • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, “ইরান, এর জনগণ এবং এর ইতিহাস সম্পর্কে জানা ব্যক্তিরা কখনোই এই জাতির সাথে হুমকির ভাষায় কথা বলেন না। কারণ ইরানিরা আত্মসমর্পণ করে না।" ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তার এই বক্তব্য পাঠ করা হয়। উপস্থাপক নিজেইএটি পড়ে শোনান, খামেনি নিজে নন।
    • আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ইরানের দুটি সেন্ট্রিফিউজ উৎপাদন কেন্দ্র ইসরায়েলি হামলায় আক্রান্ত হয়েছে। এর আগে ইসরায়েলও তাদের রাতভর হামলায় ইরানের সেন্ট্রিফিউজ উৎপাদন কেন্দ্র আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলো। সেন্ট্রিফিউজ সিস্টেম ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    • যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে বুধবার টেলিফোনে এক আলোচনা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি এক বিবৃতি দিয়ে জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ৩৫ মিনিট আলোচনা হয় মূলত ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে গত মাসের ‘যুদ্ধ’ তিনিই থামিয়েছিলেন।

    বিবিসি বাংলার আরও খবর পড়তে ওয়েব সাইটের মূল পাতায় ক্লিক করুন।

  10. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়। রিপোর্ট করছেন সানজানা চৌধুরী।

    বিবিসি বাংলায় আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে