আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

ইরানি নৌবাহিনীর ৪২টি জাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের, ইসরায়েল বলছে তেহরানে ১৬টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে

ইরান তার আশপাশের যেসব দেশে হামলা চালিয়েছে সেগুলোর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে”।

সরাসরি কভারেজ

  1. শনিবার সারাদিন যা যা হলো

    • যুক্তরাষ্ট্র তিন দিনে ইরানের "নৌবাহিনীর ৪২টি জাহাজ" ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়া ইরানের বিমান বাহিনী এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করার দাবি করেছেন তিনি।
    • ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অন্তর্গত কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
    • “আজ ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে!” নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এই বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    • প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে 'প্রথমে হামলা না হলে' ইরানও তাদের ওপর হামলা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে তার এই বক্তব্যের পরও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার তথ্য জানিয়েছে।
    • একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ব্যবস্থা ইরান ধ্বংস করেছে।
    • ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ বলেছেন, রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে যুক্ত ৬৫টি স্কুল এবং ১৩টি কেন্দ্র এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
    • হরমুজ প্রণালীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের গণমাধ্যম। এর আগে এক বিবৃতিতে হামলার খবরটি নিশ্চিত করছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি।
    • যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীর মধ্যে একটি, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে বিবিসি।
    • ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে নিজেদের কর্মীদেরকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে বিদেশি তেল কোম্পানিগুলো। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সংগৃহীত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কর্মীরা সাফওয়ান সীমান্ত পেরিয়ে কুয়েতে প্রবেশ করছেন।
    • বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, “জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। আগামী ৯ তারিখ আরো দুটি ভেসেল আসছে”।

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতা আজকের মতো এখানেই শেষ হলো। এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

    আরো খবর ও বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার মূল পাতায়

  2. ‘ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ প্রতিহত করা হয়েছে: কাতার

    কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা কাতারকে লক্ষ্য করে চালানো একটি ‘ক্ষেপণাস্ত্র হামলা’ প্রতিহত করেছে।

    মন্ত্রণালয় হামলাটি কারা চালিয়েছে তা তারা উল্লেখ করেনি, তবে এটি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসাউদ পেজেশকিয়ানের আগের বক্তব্যের পর এসেছে—যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইরান প্রথমে আক্রমণের শিকার না হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা করবে না।

  3. ইরানে হামলায় জড়ানোর বিষয়ে ব্রিটেনকে সতর্ক করলেন ইরানি রাষ্ট্রদূত

    ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ আলী মৌসাভি ব্রিটেনকে ইরানের ওপর হামলায় জড়িত না হওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

    রোববার সম্প্রচারের জন্য নির্ধারিত ‘সানডে উইথ লরা কুইন্সবার্গ ‘ অনুষ্ঠানের এক সাক্ষাৎকারে—মৌসাভিকে জিজ্ঞেস করা হয়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ভূপাতিত করলে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো কি বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

    তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা নিজেদের রক্ষা করব,” এবং “আমরা আশা করি অন্যরা, ব্রিটিশ সরকারসহ, তাদের কর্মকাণ্ডে অত্যন্ত সংবেদনশীল… অত্যন্ত সতর্ক থাকবে”।

    রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ব্রিটেন “এই আগ্রাসনে জড়িত ছিল না—এটি ভালো,” এবং তিনি বিশ্বাস করেন ব্রিটিশ সরকার ইরাক আক্রমণ থেকে শিক্ষা নিয়েছে এবং “তারা এই আগ্রাসনের বেআইনি চরিত্র সম্পর্কে জানে”।

  4. ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহতের দাবি আরব আমিরাতের

    সংযুক্ত আরব আমিরাত বলছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া “ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন” বাধা দিচ্ছে।

    দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বাসিন্দাদের জানিয়েছে যে এই হামলা প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

    এর আগে আজই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, ইরান প্রথমে আক্রমণের শিকার না হলে প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করবে না।

  5. তেহরান বিমানবন্দরে ১৬টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে: ইসরায়েল

    ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অন্তর্গত কুদস ফোর্সের ১৬টি বিমান ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।

    রাতে ওই স্থানে বিস্ফোরণ এবং বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে—যা ইরানের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলের প্রধান কেন্দ্র।

    ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলছে, মেহরাবাদ থেকে “অস্ত্রের চালানে ভরা” বিমানগুলো উড্ডয়ন করছিল ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে সরবরাহ দেওয়ার জন্য।

    তারা দাবি করেছে যে হামলায় ধ্বংস হওয়া ১৬টি বিমান হেজবুল্লাহকে দেওয়ার জন্য অস্ত্র পরিবহন করছিল। আইডিএফ আরও বলেছে যে “একাধিক ইরানি যুদ্ধবিমান”কেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

  6. পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ‘গুরুতর পরিণতি’ হতে পারে – ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন, ঠিক সেই সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির কিশ দ্বীপে একটি “পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রে” হামলা চালিয়েছে।

    তিনি বলেন, এই “ভয়ঙ্কর ও উন্মত্ত অপরাধ” ৩০টি গ্রামের পানির সরবরাহকে প্রভাবিত করেছে।

    আরাঘচি কোন হামলার কথা উল্লেখ করছেন তা স্পষ্ট নয়, তবে নিউ ইয়র্ক টাইমসের স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে কিশ দ্বীপে ইরানের একটি নৌঘাঁটিতে হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে।

    এক্সে আরাঘচি লিখেছেন, “ইরানের অবকাঠামোর ওপর আক্রমণ একটি বিপজ্জনক পদক্ষেপ, যার গুরুতর পরিণতি রয়েছে”।

    তিনি আরও যোগ করেন, “এই নজির সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান নয়”।

  7. ইরানি নৌবাহিনীর ৪২টি জাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের

    যুক্তরাষ্ট্র তিন দিনে ইরানের "নৌবাহিনীর ৪২টি জাহাজ" ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এছাড়া ইরানের বিমান বাহিনী এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করার দাবি করেছেন তিনি।

    শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকা ইরানে "খুব ভালো" করছে- "এটা অসাধারণ হয়েছে"।

    চলমান সংঘাতে ইতোমধ্যেই যেসব মার্কিন কর্মী নিহত হয়েছেন, এই বক্তব্যের পর তাদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানানোর কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা সকলেই "আমাদের দেশের মহান বীর", যারা "ইরান থেকে তাদের ধারণার চেয়ে ভিন্নভাবে দেশে ফিরছেন"।

    তিনি আরও বলেন যে, মার্কিন সৈন্যদের মৃত্যু "সর্বনিম্ন" রাখবে যুক্তরাষ্ট্র।

  8. রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী, জেমস ল্যান্ডেল, কূটনৈতিক সংবাদদাতা

    যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীর মধ্যে একটি, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে বিবিসি।

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে, জাহাজের ক্রুদের পাঁচ দিনের মধ্যে রওনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সাধারণত ১৪ দিন সময় রেখে জাহাজটির "যাত্রা শুরুর নোটিশ" দেওয়া হয়।

    এর ফলে এটি ভাবা হচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে হুমকির মুখে পড়া ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষায় ভূমধ্যসাগরে এই জাহাজটি মোতায়েন করা হতে পারে।

    এদিকে, শত্রুর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সাইপ্রাসকে রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।

    ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার, এইচএমএস ড্রাগন, মোতায়েন করা হয়েছে।

    এই বছরের শেষের দিকে উত্তর আটলান্টিক এবং আর্কটিক মহাসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা ছিল বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস। সেই লক্ষ্যে পোর্টসমাউথে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছিল এটি।

    উত্তর মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে মার্কিন, কানাডিয়ান এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে অপারেশন ফায়ারক্রেস্টে এই রণতরীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

    একজন প্রতিরক্ষা সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে যে, প্রিন্স অফ ওয়েলসের "সফরের জন্য পাঁচ দিনের নোটিশে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে”।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “আমরা জানুয়ারি মাস থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছি। ইতোমধ্যেই ব্রিটিশ জনগণ এবং এই অঞ্চলে আমাদের মিত্রদের সুরক্ষার জন্য টাইফুন, এফ-৩৫ জেট, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সাইপ্রাসে অতিরিক্ত ৪০০ জন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে”।

    “আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে, ব্রিটিশ বিমানগুলোকে ড্রোন ধ্বংস করতে দেখেছি এবং আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছি”।

  9. এক সপ্তাহে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান, দাবি জর্ডানের

    গত এক সপ্তাহে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে জর্ডানের ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে ইরান- জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী।

    এর মধ্যে ৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৯টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও তারা জানায়।

    জর্ডানের বিমান বাহিনী ১০৮টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকাতে ও ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলেও জানানো হয়।

    এছাড়া ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আটকে দিয়েছে জর্ডানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

    এসব ঘটনায় ১৪ জন আহত হওয়ার খবরও জানিয়েছে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী, যার বেশিরভাগই ‘সামান্য আঘাত’ বলেও দাবি করা হয়েছে।

  10. ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা 'স্পষ্ট'- বললেন মুখপাত্র

    "প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের বার্তা স্পষ্ট, যদি আমাদের উপর আক্রমণে এই অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা না করে, তাহলে আমরাও তাদের উপর আক্রমণ করব না"- ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের দেওয়া বার্তা নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের যোগাযোগ উপ-প্রধান।

    তিনি বলেন, "ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান কখনই আগ্রাসনের সামনে মাথা নত করে না এবং আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীর জারি করা নির্দেশিকা অনুসারে, যেকোনো আগ্রাসনের সমুচিত জবাব দেবে।"

    প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এর আগে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন এবং বলেছিলেন যে কোনো দেশ "প্রথমে আক্রমণ না করা পর্যন্ত" তাদের উপর আক্রমণ করবে না তেহরান।

    যদিও ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে শুক্রবারও ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিহত করার খবর পাওয়া গেছে।

  11. ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানের ছবি শেয়ার করলে ‘কঠোর’ প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের, বিবিসি মনিটরিং

    ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে তাদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।

    মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে ছবি তোলা এবং সেগুলোকে “সন্ত্রাসী স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, ভার্চুয়াল পেজ ও শত্রুপক্ষের কারো কাছে বা তাদের গণমাধ্যম চ্যানেলে” পাঠানো ব্যক্তিরা ইসরায়েলের হয়ে কাজ করা “ভাড়াটে”।

    মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা এই ধরনের “ইসরায়েলের সৈনিকদের” কর্মকাণ্ড নজরদারি করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

    পাশাপাশি জনসাধারণকে এমন কার্যকলাপের তথ্য জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

  12. দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু

    দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    লন্ডনের হিথ্রোর উদ্দেশে এমিরেটস এয়ারলায়েন্সের ফ্লাইট ইকে০০১, যা স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় টার্মিনাল ত্যাগ করার কথা ছিল, কয়েক ঘণ্টা বিলম্বের পর এখন ছেড়ে গেছে বলে জানানো হচ্ছে।

    বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরণের ভিডিও সামনে আসার পরই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ। যদিও ওই সিদ্ধান্তের কোনো ব্যাখ্যা তারা দেয়নি।

    দুবাই সরকারের মিডিয়া অফিসের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা একটি বার্তায় দাবি করা হয়েছে যে, বিমানবন্দরে কোনো ঘটনা ঘটেনি।

    পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "দুবাই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে একটি হামলা প্রতিহত করার সময় কিছু ধ্বংসাবশেষ পড়ে সৃষ্ট একটি ছোটখাটো ঘটনা সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি"।

    দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কোনো ঘটনা সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত প্রতিবেদনও কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে।

  13. আজ ইরানকে ‘খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে’: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি বার্তা শেয়ার করেছেন।

    ইরানের প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ইরান “তার মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং আত্মসমর্পণ করেছে এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে আর তাদের দিকে গুলি চালাবে না”।

    তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবিরাম হামলার কারণেই এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে”।

    প্রসঙ্গত, ইরান তার আশপাশের যেসব দেশে হামলা চালিয়ে সেগুলোর কাছে আজ দুঃখপ্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। কোনো দেশ থেকে ‘প্রথমে হামলা না হলে’ আক্রমণ করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    তবে ইরান তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা পুরোপুরি কমায়নি; দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি সন্দেহভাজন ড্রোন হামলা দেখা গেছে। কাতারও জানিয়েছে যে তারা একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।

    পোস্টের পরের অংশে ট্রাম্প বলেন, “আজ ইরানকে খুব কঠিনভাবে আঘাত করা হবে!”

    “সম্পূর্ণ ধ্বংস আর নিশ্চিত মৃত্যু জন্য গুরুতরভাবে বিবেচনাধীন” রয়েছে “এমন সব এলাকা ও ব্যক্তিগোষ্ঠী, যাদের এই মুহূর্ত পর্যন্ত লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়নি,” লিখেছেন তিনি।

  14. ইরাক থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিচ্ছে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো

    বিদেশি তেল কোম্পানিগুলো ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে তাদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সংগৃহীত ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কর্মীরা সাফওয়ান সীমান্ত পেরিয়ে কুয়েতে প্রবেশ করছেন।

    মার্কিন তেল কোম্পানি হ্যালিবার্টনের একজন নিরাপত্তারক্ষী, মোহাম্মদ তা'মেহ, রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, "ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে, সেখানকার তেল স্টেশনগুলোতে কর্মরত বিদেশি কর্মীরা কুয়েতে চলে গেছেন এবং সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নেবেন যে তারা কোথায় যাবেন।”

    এছাড়া এইচকেএন এনার্জি নামে আরেকটি মার্কিন তেল উৎপাদনকারী সংস্থা, ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলার’ খবর পাওয়ার পর, শুক্রবার থেকে তেল উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সপ্তাহব্যাপী সংঘাতে ওই অঞ্চলের অনেকগুলো তেলক্ষেত্র লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

  15. লেবাননে রাতভর হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

    লেবাননে হেজবুল্লাহর সক্ষমতা "ক্রমশ হ্রাস" পাচ্ছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েল সামরিক বাহিনী বা আইডিএফ।

    টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লিখেছে যে, তারা দক্ষিণ লেবানন এবং বেকা উপত্যকায় "রকেট লঞ্চার, অস্ত্র সংরক্ষণাগার এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা" চালিয়েছে।

    হেজবুল্লাহর অভিজাত কমান্ডো ইউনিট, রাদওয়ান ফোর্সের কমান্ডারদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে আইডিএফ।

    এছাড়া দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেল এলাকায় দুটি রাদওয়ান কমান্ড সেন্টার ধ্বংসের খবরও নিশ্চিত করেছে তারা। আইডিএফ এর দাবি, হামলার আগে "বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি কমানোর জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।"

    সম্প্রতি প্রকাশিত ছবিগুলোতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।

    এছাড়া হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া এলাকাগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে আইডিএফ এর নির্দেশনার কারণে হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

  16. ইরানের যুদ্ধজাহাজকে নোঙরের অনুমতি দিল ভারত

    ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস লাভানকে কোচি বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে ভারত।

    গত চৌঠা মার্চ ভারত মহাসাগরে আমেরিকার সাবমেরিন থেকে টর্পেডো হামলায় ডুবে যায় ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস দেনা। আইআরআইএস লাভানও দেনার মতো বিশাখাপট্টনমে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লিট রিভিউ ২০২৬-এর যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে এসেছিল।

    অবজার্ভার ফাউন্ডেশন ও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথভাবে আয়োজিত 'রাইসিনা ডায়লগ প্রোগ্রাম'-এ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আইআরআইএস দেনা জাহাজে আক্রমণের ঘটনার কয়েকদিন আগে ইরান ভারতের সাথে যোগাযোগ করে আইআরআইএস লাভানে প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা জানিয়েছিল।

    ২৮শে ফেব্রুয়ারি জাহাজটিকে 'যত তাড়াতাড়ি সম্ভব' বন্দরে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে ভারতকে অনুরোধ করেছিল ইরান। এই অনুরোধে সাড়া দিয়ে পয়লা মার্চ কেরালার কোচি বন্দরে আইআরআইএস লাভানকে নোঙর করার অমনুমতি দেয় ভারত।

    ওই জাহাজের ১৮৩ জন ক্রু বর্তমানে কোচিতেই অবস্থান করছেন।

    অন্যদিকে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারত সরকারের সূত্র উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, ইরানে যুদ্ধবস্থার অবনতির দিকে তাকিয়ে আইআরআইএস দেনাকেও ভারতে আশ্রয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত সরকার। যদিও এই অমন্ত্রণের কোনো উত্তর ইরান থেকে আসেনি।

  17. হরমুজ প্রণালীতে জ্বলন্ত জাহাজের ছবি ইরানি গণমাধ্যমে

    হরমুজ প্রণালীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজের ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের গণমাধ্যম।

    এর আগে এক বিবৃতিতে হামলার খবরটি নিশ্চিত করছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি।

    যেখানে "শত্রু দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্ব রয়েছে" এমন দেশগুলোর তেলবাহী ট্যাংকার এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে না দেওয়ার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে আইআরজিসি।

  18. দুটি ভেসেল আসছে, তেল নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, “জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। আগামী ৯ তারিখ আরো দুটি ভেসেল আসছে”।

    আগামীকাল থেকে মোবাইল কোর্ট কাজ শুরু করবে জানিয়ে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের মধ্যে প্যানিক কাজ করছে যার কোনো যুক্তি নাই। তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই। বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার”।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

  19. জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান: ব্লুমবার্গ

    একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০ কোটি ডলারের একটি রাডার ব্যবস্থা ইরান ধ্বংস করেছে, যা ভবিষ্যতে হামলা প্রতিহত করার আঞ্চলিক সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে।

    ব্লুমবার্গ জানায়, সিএনএনের বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে যে যুদ্ধের শুরুর দিকেই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত আরটিএক্স করপোরেশনের এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ও ব্যাটারিসহ সহায়ক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে।

    একজন মার্কিন কর্মকর্তা পরে এই সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বজুড়ে মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামও অন্তর্ভুক্ত।

    কেন্দ্র ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, প্রতিটি ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে প্রায় ৩০ কোটি ডলার রাডারের জন্য ব্যয় হয়।

  20. হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজে হামলার খবর জানালো ইরান

    উপসাগরীয় অঞ্চলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় একটি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার খবর জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি।

    টেলিগ্রামে শেয়ার করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, 'প্রাইমা' নামে একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে ড্রোন দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই প্রণালী দিয়ে "যান চলাচল নিষিদ্ধ" করার বিষয়ে আগেই "বারবার সতর্কতা" জারি করেছিল আইআরজিসি নৌবাহিনী।

    আইআরজিসি আরও জানিয়েছে যে, তারা "শত্রু দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে" এমন দেশের তেল ট্যাংকার এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকেও প্রণালী দিয়ে যেতে দিচ্ছে না।

    বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালী এবং বিশ্বের তেল ও গ্যাসের প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই যায়।

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। ইরান এই সপ্তাহের শুরুতে সতর্ক করেছিল যে, যেসব জাহাজ এই অঞ্চল দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে, সেগুলোতে ‘আগুন ধরিয়ে’ দেওয়া হবে।

    যদিও এই বার্তার বিপরীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে, 'প্রয়োজনে' মার্কিন নৌবাহিনী এই পথ দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে পাহারা দিতে পারে।