ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড পরিমাণ ভোট পড়ার তথ্য জানালো নির্বাচন কমিশন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ হলো আজ। ভোটার তালিকা সংশোধন বা 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন', সংক্ষেপে 'এসআইআর'- নিয়ে বিতর্কের পর এই রাজ্যের প্রথম ভোট এটি।
সরাসরি কভারেজ
ভোটের যেমন চিত্র দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে আজ সকাল থেকে।
সকাল সাতটায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট নেওয়া শুরু হয়, তবে তারও আগে ভোর থেকেই প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সামনে ভোটযন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখান নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ভোটকর্মীরা ভোটকেন্দ্রগুলোয় পৌছে যান গত রাতেই।
অন্যদিকে সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে ভোটারদের লাইন চোখে পড়ছে।
পাঠকদের জন্য রইল ভোটগ্রহণ শুরুর কিছু ছবি-
ছবির উৎস, Subham Dutta
ছবির ক্যাপশান, মুর্শিদাবাদে ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের পরিচয়পত্র দেখে তা মিলিয়ে নেওয়া হচ্ছে ভোটার তালিকার সঙ্গে
ছবির উৎস, Subham Dutta
ছবির ক্যাপশান, মুর্শিদাবাদের একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে নারী ভোটারদের লাইন
ছবির উৎস, Subham Dutta
ছবির ক্যাপশান, ভোট দেওয়া হয়ে গেছে- এটা নিশ্চিত করতে ভোটারদের আঙুলে লাগানো হচ্ছে অমোচনীয় কালি
ছবির উৎস, CEO - West Bengal / X
ছবির ক্যাপশান, রাজ্যের সব আসনে ভোট গ্রহণের ওপরে নজরদারি চলছে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কক্ষে, একেবারে ডানদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল
ছবির উৎস, CEO - West Bengal / X
ছবির ক্যাপশান, 'গণতন্ত্রের উৎসবে আপনাকে স্বাগত'- বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে এই বার্তা লেখা ব্যানার লাগিয়েছে নির্বাচন কমিশন, কুচবিহার শহরে একটি কেন্দ্রের ছবি
প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ
ছবির উৎস, CEO - West Bengal / X
ছবির ক্যাপশান, উত্তরবঙ্গের একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটারদের লাইন
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকাল সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম পর্বের ভোটে।
ভোট গ্রহণ চলবে সন্ধ্যে ছয়টা পর্যন্ত। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও ইভিএম মেশিন কাজ না করায় ভোট গ্রহণ শুরু হতে বিলম্বের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে ১৫২টি কেন্দ্রে মোট ১৪৭৮ জন প্রার্থী
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের
মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ১৬৭ জন।
আগামী ২৯শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফা ভোট এবং চৌঠা মে ফল প্রকাশ করা হবে।
ঝাড়্গ্রামে বুথের কাছে হাতি
ছবির উৎস, PTI
ছবির ক্যাপশান, ঝাড়গ্রামে একটি বুথে কাছাকাছি চলে আসে একটি হাতি
ঝাড়গ্রামের একটি বুথের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল একটি হাতি।
বৃহস্পতিবার সকালে ঝাড়গ্রামের জিতুশোল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল ওই হাতিটি, যার নাম রামলাল।
তাকে ঘিরে উৎসাহী মানুষের ভিড় জমে যায়। পরে বন দফতরকে খবর দেওয়া হয় এবং হাতিটিকে সেখান থেকে সরিয়ে নিতে সক্ষম হন বন দফতরের কর্মীরা।
পশ্চিমবঙ্গে ভোট গ্রহণের প্রথম পর্বের শুরুতেই বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ-বিশৃঙ্খলা
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, মালদার একটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে নিরাপত্তাকর্মীরা
পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ শুরু হতেই বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষিপ্ত বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্রে সিপিআই (এম) ও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে চার জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর ফলে ২১৭ নম্বর বুথে ভোট দিতে যেতে পারছেন না স্থানীয়রা।
মুর্শিদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পরে মাইকিং করে মানুষকে ভোট দিতে যাওয়ার আবেদন ও নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলারই নওদা বিধানসভার শিবনগরে ভোটকেন্দ্রের কাছেই বোমাবাজির খবর এসেছে। তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে হুমায়ুন কবীরের পার্টি আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিরুদ্ধে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃ্ঙখলার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন হুমায়ুন কবীর নিজেই।
মালদা জেলার মোথাবাড়িতে ইভিএম মেশিনে সমস্যার জেরে প্রায় সাড়ে আটটা পর্যন্ত বন্ধ ছিল ভোটগ্রহণ। পরে সেক্টর অফিসার কেন্দ্রে এলে তার বিরুদ্ধে কর্তব্যে দেরির অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। তাকে ঘিরে দেখানো হয় বিক্ষোভও।
নির্বাচন কমিশন সুত্রে খবর, সমস্যা মিটিয়ে নিয়ে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ।
ভোটের শুরুতেই রাহুল গান্ধীর বার্তা
ছবির উৎস, Rahul Gandhi/Facebook
ছবির ক্যাপশান, রাহুল গান্ধী।
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরুর আগে বুধবার রাজ্যবাসীর
উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে তিনি ওই বার্তা
পোস্ট করে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভাই ও বোনেরা, এই
আদর্শের লড়াইয়ে একমাত্র কংগ্রেসই বিজেপিকে হারাতে পারে। ওরা
(বিজেপি) অধিকার কেড়ে নেয়, আমরা দিই। ওরা সংবিধান ধ্বংস
করে, আমরা
রক্ষা করি”।
“ওরা ভারতের
বৈচিত্র্য মুছে ফেলতে চায়,
আমরা বাংলাসহ প্রতিটি সংস্কৃতি ও প্রতিটি ভাষাকে সম্মান
করি”।
পাশাপাশি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন
প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেও বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
চলতি সপ্তাহে শ্রীরামপুর,
মেটিয়াবুরুজ এবং কলকাতায় তার সভা করার কথা রয়েছে। সভার অনুমতি মেলা নিয়ে সমস্যার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গবাসীর প্রতি নরেন্দ্র মোদীর বার্তা
ছবির উৎস, Narendra Modi/Facebook
ছবির ক্যাপশান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের
প্রথম দফা ভোট শুরু হতেই রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ভোটারদের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন,
“আপনারা গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করুন। বিশেষত তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের নারীদের প্রতি আমার
অনুরোধ— আপনারা বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন”।
এদিকে, কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে বৃহস্পতিবার দুটি জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। বিকেলে
হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথা আছে।
আজ যেসব আসনে ভোট, সবশেষে নির্বাচনে সেখানে ফল কেমন ছিল?
ছবির উৎস, ECI/FB
ছবির ক্যাপশান, দার্জিলিংয়ের একটি ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের লাইন পড়েছে সকাল থেকে
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফায় যেসব আসনে আজ ভোট গ্রহণ হচ্ছে, সেগুলো রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। উত্তরবঙ্গের ৫৪টি আসনই এই তালিকায় রয়েছে।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থান দেখা দিয়েছিল এই অঞ্চলের আসনগুলো থেকেই।
যে ১৫২টি আসনে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ চলছে, সেখানে ২০২১-র বিধানসভা
ভোটে তৃণমূল ভালো ফল করলেও বিজেপির ফল ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২১ সালে এই
১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৫৯টি আসন জিতেছিল
এবং তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৯৩টি আসন।
বিজেপির জন্য উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখা
অত্যন্ত জরুরি বলেই মনে করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা
ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের জন্যও এই আসনগুলো সমান গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচিত প্রার্থী কারা?
ছবির উৎস, Subham dutta
ছবির ক্যাপশান, মুর্শিদাবাদ জেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারের আঙুলে কালির দাগ দেওয়া হচ্ছে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে যে আসনটির দিকে বিশেষ নজর থাকবে, তা হলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম। সেখানে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। এই আসনেই মি. অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে গত বারের নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন।
মিজ. ব্যানার্জী অবশ্য নন্দীগ্রামে লড়ছেন না এবার। তিনি কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র, যেটি তার বাড়ির এলাকা, সেখান থেকেই নির্বাচনে লড়ছেন। আবার সেই কেন্দ্রেও প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর আসন থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী। তিনি কয়েক দশক পরে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন। এর আগে দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য মি. চৌধুরী লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতাও থেকেছেন।
ওই জেলারই রেজিনগর ও সুতি আসন দুটি থেকে ভোটে লড়ছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিজের দল গড়েছেন এবং তার জেলাতে ‘বাবরি মসজিদ’ এর আদলে একটি মসজিদ গড়ার পরিকল্পনা করেছেন, যা তাকে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
এছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন বিজেপির প্রাক্তণ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ওই জেলা থেকেই প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা ও মন্ত্রী মানস ভুঁইঞা।
আবার উত্তরবঙ্গের কুচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গায় ভোটে লড়ছেন প্রাক্তণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক আর ওই জেলারই দিনহাটা থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ।
উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তণ মন্ত্রী গৌতম দেবের এলাকাতেও আজকেই ভোটগ্রহণ চলছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ শুরু
ছবির উৎস, CEO West Bengal / x
ছবির ক্যাপশান, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন অনেক ভোটার, কুচবিহার জেলার একটি ভোটকেন্দ্রের ছবি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে আজ সকাল থেকে। ভোটার তালিকা সংশোধন বা 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন', সংক্ষেপে 'এসআইআর'- নিয়ে
বিতর্কের পর এই রাজ্যের প্রথম ভোট এটি।
প্রথম পর্যায়ে, বৃহস্পতিবার ভোট নেওয়া হচ্ছে রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে, ২৯শে এপ্রিল, সাতটি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে।
বিভিন্ন জেলা থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে সকাল থেকেই অনেক মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।
পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং, কুচবিহার, আলিপুর এবং কালিম্পঙে বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ চলছে।
এই দফায় এক হাজার ৪৭৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যাদের মধ্যে ১৬৭ জন নারী প্রার্থী।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটে মোট দুই হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তারক্ষী পাঠানো হয়েছে মুর্শিদাবাদের দুই পুলিশ জেলায়।
প্রতিটি বুথ থেকে সরাসরি ওয়েব কাস্টিং-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সময় সকাল সাতটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, তবে তার আগে ভোর থেকেই ‘মক পোল’ করা হয় ভোটকেন্দ্রগুলোতে।
এই ‘মক পোল’ হলো প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সামনে ভোটযন্ত্র সঠিক ভাবে কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করিয়ে দেখান ভোটকর্মীরা। এরপরে ভোটযন্ত্র সিল করে দেওয়া হয়। ভোট শুরুর নির্দিষ্ট সময়ে নতুন করে ভোট যন্ত্র চালু করা হয়।