দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহারকে চ্যালেঞ্জ করে লিভ টু আপিলের অনুমতি পেলেন অধ্যাপক ইউনূস

ছবির উৎস, Getty Images
প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর অধ্যাপক মো. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার আইনসঙ্গত হয়েছে কী-না, সে বিষয়ে বৃহত্তর শুনানির জন্য লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছে আপিল বিভাগ।
আগামী ১৯শে নভেম্বর এ আবেদনের শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ বিবিসিকে বলেছেন, হাইকোর্টে মামলাটি বাতিল চেয়ে অধ্যাপক ইউনূসের একটি আবেদন পেন্ডিং ছিল।
"এ অবস্থায় সরকার পরিবর্তনের পর তারা আমাদের না জানিয়ে মামলা প্রত্যাহার করে ফেলে। এটি বিচারিক আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল।”
“জুলাইয়ের ২৪ তারিখ হাইকোর্ট কোয়াশমেন্ট আবেদন নামঞ্জুর করে ভারবাল আদেশ দেয়। কিন্তু আমরা নকল পেয়েছি অগাস্টের ২৪ তারিখে। তখন আমরা আইনানুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে লিভ টু আপিল করলাম।"
"আমরা চেম্বার জজে বললাম যেহেতু এটা হাইকোর্টে পেন্ডিং অবস্থায় ছিল দুদক এটা প্রত্যাহার করতে পারে না,” বলেন তিনি।
পরে চেম্বার জজ আদালত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।
সোমবার সকালে আপিল বিভাগে এ মামলাটির শুনানি হয়। আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেছে।
তিন যুক্তিতে আপিল বিভাগ আবেদন মঞ্জুর করেছে।
আবেদনের একটি যুক্তিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে - এমন প্রশ্ন যাতে কখনো না ওঠে সে কারণে আবেদনকারীর এ আবেদন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর গত ১১ই অগাস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলা প্রত্যাহারে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।
ঢাকার বিচারিক আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে।
এ মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রায় ২৫ কোটি টাকা লভ্যাংশ আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছিল।
মামলায় গত ১১ই সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য গ্রহনের দিন নির্ধারিত ছিল।
এর আগে গত সাতই অগাস্ট শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় কারাদণ্ড থেকে খালাস পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেয়।
