আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

বিজয় দাবি করে মোদী বললেন 'আজকে আমি ভীষণ, ভীষণ খুশি'

ভারতের লোকসভায় নির্বাচনে এখন পর্যন্ত পাওয়া ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি কিংবা কংগ্রেস- কেউই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক আসন পায়নি। কাজেই ক্ষমতার আসনে বসতে হলে তাদেরকে অন্যদলের সঙ্গে জোট গঠন করতে হবে বলেই মনে হচ্ছে। তবে এর মধ্যেই বিজয়ের দাবি করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

সার সংক্ষেপ

  • ভারতের জাতীয় নির্বাচনে বিজেপি অথবা কংগ্রেস- কোন দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি
  • সরকার গঠন করতে হলে জোট সঙ্গীদের ওপর নির্ভর করতে হবে
  • বিজয় দাবি করে জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী
  • বিজেপি সরকার গঠন করলে জওহরলাল নেহেরুর পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসাবে টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদী
  • কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, তাদের লড়াই ছিল সংবিধান বাঁচানোর লড়াই

সরাসরি কভারেজ

  1. পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের দিকে যে কারণে নজর জাতীয় স্তরে

    ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন যেসব রাজ্যে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম।

    দেশটিতে ৫৪৩ আসনবিশিষ্ট লোকসভার সবচেয়ে বেশি আসন উত্তর প্রদেশে, যে রাজ্যে রয়েছে ৮০টি আসন। তারপরই আছে ৪৮টি আসনের মহারাষ্ট্র। তিন নম্বরেই পশ্চিমবঙ্গ, সেখানে লোকসভা আসন ৪২টি।

    এত বেশি সংখ্যক আসন থাকার কারণেই রাজনৈতিক দলগুলি সবসময়েই পশ্চিমবঙ্গের দিকে বরাবরই বিশেষ নজর দিয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

    বিজেপি তাদের দলের জন্য যে টার্গেট স্থির করেছে, তার কাছাকাছি পৌঁছতে হলে যে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের মধ্যে ভালো সংখ্যক আসনে জিততে হবে দলকে, সেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ অমিত শাহ্-এর মতো নেতারা বোঝেন। তারা বারবার বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত ৩৫ টি আসন জেতার টার্গেট আছে তাদের।

    সেই কারণে ভোট ঘোষণার আগে চারটি, আর পরের দেড় মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদী স্বয়ং একটি রোড শোর পাশাপাশি ২০টি জনসভায় বক্তৃতা করেছেন।

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা ব্যানার্জী ও তার লেফটেন্যান্ট অভিষেক ব্যানার্জী রাজ্যের প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই সভা করেছেন।

    গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছিল ২২টি আসনে, বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি আসন। পরে বিজেপির এক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় পদত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রী তিনি। দুটি আসন পেয়েছিল কংগ্রেস।

  2. নরেন্দ্র মোদী পিছিয়ে

    ভারতের নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, উত্তরপ্রদেশের বারাণসী লোকসভা আসনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেসের প্রার্থী অজয় রাইয়ের তুলনায় প্রথম রাউন্ডের ভোট গণনা শেষে ছয় হাজারেরও বেশি ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন।

    এই কেন্দ্র থেকে ২০১৪ ও ২০১৯ সালের দুটো নির্বাচনেই নরেন্দ্র মোদী বিপুল ভোটে জিতেছিলেন। এবারে তার দলের কর্মী-সমর্থকরা স্লোগান তুলেছিলেন দশ লক্ষেরও বেশি ভোটে মোদীকে জেতাতে হবে।

    তবে প্রথম রাউন্ডের ফল থেকে অবশ্য বড় কোনও সিদ্ধান্তে আসা সমীচীন হবে না বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  3. ভোটের আগেই জয়ী যে প্রার্থী

    লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হতে চলেছে আজ। বাকি প্রার্থীরা তাদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা করলেও ব্যতিক্রম ঘটেছে গুজরাটে সুরাটের প্রার্থীর ক্ষেত্রে।

    ওই কেন্দ্রের প্রার্থী মুকেশ কুমার চন্দ্রকান্ত দালালকে গত এপ্রিলে জয়ী ঘোষণা করা হয়। ভোটের লড়াইয়ে কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন তিনি। স্বাক্ষরে গরমিলের অভিযোগে কংগ্রেসের দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল।

    আরও আটজন প্রার্থী প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন প্রার্থী ভারতীয় নিউজ পোর্টাল 'নিউজলন্ড্রি'কে এর কারণ হিসাবে জানিয়েছেন, "বাড়িতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ" ছিল।

  4. পশ্চিমবঙ্গের ট্রেন্ড : এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ

    যাদবপুর লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সায়নী ঘোষ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী, বিজেপির জাতীয় স্তরের তাত্ত্বিক নেতা অনির্বান গাঙ্গুলির চেয়ে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন।

    এই আসনে সিপিআইএম দলের যুব নেতা সৃজন ভট্টাচার্যকে নিয়ে বেশ আলোচনা চলছিল। একদা ছাত্র নেতা, বর্তমানে যুবক মি. ভট্টাচার্য ভোটের প্রচারে বেশ জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত তিনি মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজারের কিছু বেশি ভোট পেয়েছেন।

    এক সময় কংগ্রেসের গড় বলে পরিচিত ছিল যে মালদা জেলা; সেখানকার দক্ষিন মালদা আসনে জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী ইশা খান চৌধুরী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিজেপির শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর থেকে ১১ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন। এই আসনে এখন তৃতীয় স্থানে আছেন তৃণমূল প্রার্থী।

  5. পশ্চিমবঙ্গের সর্বশেষ ট্রেন্ড: কারা এগিয়ে

    পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ১৩টি আসনে এগিয়ে আছে, বিজেপি দুটিতে এবং কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে দুটি আসনে।

    যেসব আসনের ট্রেন্ড আসতে শুরু করেছে, তার মধ্যে আছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জী যে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে লড়ছেন, সেটিও।

    মি. ব্যানার্জী ওই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী অভিজিত দাসের থেকে আট হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশিথ প্রামাণিক কোচবিহার কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার থেকে পাঁচ হাজরেরও বেশি ভোটে পিছিয়ে আছেন।

    প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনার পর এখন সারা দেশের সঙ্গেই পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়ে গেছে ইভিএমের ভোট গণনা। ভারতের নির্বাচন কমিশন গণনা কেন্দ্রগুলির রিটার্নিং অফিসারদের দেওয়া তথ্য সরাসরি নিজেদের ওয়েবসাইটে আপলোড করছে।

    বিবিসি সেই তথ্যই জানাচ্ছে আপনাদের।

  6. ভোট গণনা করা হয় কীভাবে, কারা করেন

    লোকসভা নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ ছাড়াও পোস্টাল ব্যালট ও কাগজের ব্যালটে ভোট নেওয়া হয়।

    গণনাকেন্দ্রে ভোট গণনা শুরু হয় প্রথমে পোস্টাল ও পেপার ব্যালটগুলোর মাধ্যমে, তাতে কেন্দ্রভেদে আধঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টাও সময় লেগে যেতে পারে।

    ফলে সকাল আটটা থেকে ভোটগণনা শুরু হলেও ইভিএম ভোট গণনা শুরু হতে হতে প্রায় ন’টা বেজে যায় বেশিরভাগ কেন্দ্রেই।

    প্রতি দফার ভোট শেষ হওয়ার পরই ইভিএমগুলো সিলগালা করে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বিভিন্ন সংসদীয় কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে বা নিরাপদ কক্ষে রাখা হয়ে থাকে।

    গণনার দিন সকালে সেই ইভিএমগুলো স্ট্রংরুম থেকে বের করে গণনা কেন্দ্রে এনে সব অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর প্রতিনিধিদের সামনে তার সিল ভাঙা হয়।

    প্রতিটি ইভিএমের ‘কন্ট্রোল ইউনিট’ ভালো মতো সিল করা ছিল কি না, সঠিকভাবে কাজ করছে কি না- গণনা শুরু করার আগে তা বারবার ভালো করে পরীক্ষা করে ও সব দলের প্রতিনিধিদের সম্মতি নিয়েই গণনা প্রক্রিয়া শুরু করার কথা।

    প্রতিটি কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন ‘কাউন্টিং সুপারভাইজর’ ও ‘কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট’– যাদের নিয়োগ করেন ওই সংসদীয় আসনের রিটার্নিং অফিসার।

    ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিটে প্রত্যেক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট এক এক করে দেখানো হতে থাকে।

    এক দফায় ১৪টি ইভিএম পরপর গণনা শেষে এক একটি রাউন্ডের ফল ঘোষণা করা হয় এবং তারপর আরও ১৪টি ইভিএম গণনা শেষ হলে ঘোষিত হয় পরবর্তী রাউন্ডের ফল।

    এইভাবে সব ইভিএম গণনা শেষে ওই কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন এবং সবচে' বেশি ভোট পাওয়া প্রার্থীর হাতে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিজয়ীর সার্টিফিকেট তুলে দেন।

  7. যেভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে

    ভারতে বিগত বহু বছর ধরেই লোকসভা নির্বাচনে সব কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ করা হয়ে থাকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমের মাধ্যমে, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    তবে নিজের কেন্দ্রের বাইরে কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মী বা সেনা সদস্যরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

    বছরকয়েক হলো নির্বাচন কমিশন অতি বয়স্ক নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সেখানে বসেই ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু করেছে, যাতে তাদের পোলিং বুথে আসার কষ্ট করতে না হয়।

    আর এগুলো সবই হলো পেপার ব্যালট, অর্থাৎ কাগজের ব্যালট।

  8. ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল চার মাস ধরে

    ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬৮টি ধাপে। নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত সময় ছিল ফেব্রুয়ারি, কিন্তু হিমাচল প্রদেশের প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির পূর্বাভাস ছিল, তাই ১৯৫১ সালের অক্টোবর মাসে সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও নির্বাচন হয়নি। কংগ্রেস ৪৮৯টি আসনের মধ্যে ৩৬৪টি আসনে জয়ী হয়, সিপিআই ১৬টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়। বোম্বে, এখনকার মুম্বাইয়ের শহরতলি ভিখরোলির একটি কারখানায় প্রথম ব্যালট বাক্স তৈরি হয়েছিল। একেকটি ব্যালট বাক্স তৈরি করতে খরচ হয়েছিল পাঁচ আনা। দেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার ছিলেন একজন বাঙালী – সুকুমার সেন।

  9. ভোটের ফলাফল জানবেন কীভাবে

    ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে ৪ঠা জুন মঙ্গলবার ভোটগণনা শুরু হয়েছে।

    আজকেই জানা যাবে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের মধ্যে কারা সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

    দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোটগণনার সর্বশেষ ‘ট্রেন্ড’ ও ফলাফল জানা যাবে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে

    এছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপও চালু করেছে তারা, যেটি গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

    সবশেষ ফলাফলের গতিপ্রকৃতি মিলবে এই অ্যাপেও।

  10. পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে

    ভারতে লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম ও শেষদফা ভোট গ্রহণ হয়েছে শনিবার সকাল আটটা থেকে। পশ্চিমবঙ্গের দুটি কেন্দ্রের দুটি বুথসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে পুনর্নির্বাচনও হয়েছে। আজ চৌঠা জুন ভোট গণনা শুরু, ভাগ্য নির্ধারণ হবে নির্বাচনে অংশ নেয়া ৮৩৬০ জন প্রার্থীর।

    ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি লোকসভা আসনের ভোট গণনা করা হবে ৫৫টি কেন্দ্রে । প্রতিটি কেন্দ্রকে ইতিমধ্যেই ঘিরে ফেলা হয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে।

  11. ভোট পড়ার সংখ্যায় বিশ্বরেকর্ড

    ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, দেশটিতে এবারের লোকসভা নির্বাচন মোট ভোট পড়ার সংখ্যায় ‘সারা বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড’ ভেঙে দিয়েছে।

    দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানান, সাত দফা মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৬৪ কোটি ২০ লাখেরও বেশি– যা একটি সর্বকালীন বিশ্বরেকর্ড।

    যদিও এবারের ভোটে ভারতে মোট নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন প্রায় ৯৭ কোটি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, “সবগুলো জি-সেভেন দেশ মিলিয়ে যত ভোটার, এই সংখ্যা তার দেড় গুণ। আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টা দেশ মিলিয়ে যত ভোটার, আমাদের সংখ্যা তার আড়াই গুণ!”

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভারতের নির্বাচনকে একটি ‘মিরাকল’ বা অলৌকিক ঘটনা বলেও বর্ণনা করেন। তার কথায় "সারা বিশ্বে এর কোনও তুলনাই নেই!”

  12. সংখ্যাগরিষ্ঠতায় কারা এগিয়ে?

    ভারতের নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তার দল বিজেপি-র নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ একটানা তৃতীয়বার দেশটির ক্ষমতায় আসার জন্য লড়ছে।

    বিজেপির লক্ষ্য সফল হলে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু'র পর নরেন্দ্র মোদীই হবেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি পরপর তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করবেন।

    অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের মূল জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতারাও আশাবাদী যে তারা সরকার গঠনের জন্য যে গরিষ্ঠতা দরকার, তা অর্জন করতে পারবেন।

    ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর দাবি করেছেন তাদের জোট ২৯৫ বা তার কাছাকাছি আসন পাবে বলে তাদের ধারণা।

    লোকসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য দরকার অন্তত ২৭২টি আসন।

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ বা বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বাইরেও অবশ্য বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক দল রয়েছে – অর্থাৎ এই দলগুলো ভোটে লড়েছে কোনও জোটের অংশ না হয়েই।

    এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওড়িশার বিজু জনতা দল, অন্ধ্রের ওয়াই এস আর কংগ্রেস, উত্তরপ্রদেশের বহুজন সমাজ পার্টি প্রভৃতি রাজনৈতিক দল।

  13. ভারতের ভোট নিয়ে বিবিসি বাংলার লাইভে স্বাগতম

    ভারতে ৪৭দিন ধরে যে ভোট গ্রহণ হয়েছে, মঙ্গলবার তার ফলাফল জানা যাবে।

    এই নির্বাচনের সর্বশেষ সব খবর নিয়ে বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাকে স্বাগতম।

    এখানে সারাদিন ধরে ভারতের নির্বাচনের ফলাফল, প্রতিক্রিয়া, বিশ্লেষণসহ নানা খবর পাওয়া যাবে।

  14. ভারতে আজ ভোট গণনা শুরু, কে বসবেন মসনদে

    ভারতে ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে সুদীর্ঘ ভোটগ্রহণ পর্বের শেষে ৪ঠা জুন মঙ্গলবার এক সঙ্গে সারা দেশের ভোট গণনা শুরু হতে যাচ্ছে।

    মঙ্গলবার ভারতের সময় স্থানীয় সকাল ৮টায় এবং বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টায় শুরু হয়েছে ভোটগণনা।

    যেহেতু ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়েছে, তাই বিকেলের আগেই দেশটির নির্বাচনি ফলাফল জানা যেতে পারে।

    প্রায় দেড় মাস ধরে মোট সাত দফায় ভোট হয়েছে, আর নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা হয়েছিল গত ১৬ মার্চ – অর্থাৎ আড়াই মাসেরও বেশি আগে।

    অবশেষে সেই নির্বাচনি প্রক্রিয়া এখন তার চূড়ান্ত পর্বে প্রবেশ করছে।