আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

মানবতাবিরোধী মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড, রায় প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই তার বিরুদ্ধে প্রথম মামলার রায়। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবরে উচ্ছ্বাস

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং হতাহতের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনরা।

    আদালতের ভেতরে মধ্যে যারা উপস্থিত ছিলেন, রায় ঘোষণার পর তারাও খুশিতে চিৎকার করে ওঠেন। পরে অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান তাদেরকে শান্ত থেকে আদালতের পরিবেশ রক্ষা করতে বলেন।

    এদিকে, শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আদালতের বাইরে অবস্থান নিয়ে থাকা গণঅধিকার পরিষদ এবং মঞ্চ-২৪ এর নেতাকর্মীরাও মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

  2. যেদিন গ্রেফতার সেদিন থেকে সাজা কার্যকর, অ্যাটর্নি জেনারেল

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে সাজা দিয়েছে সেটি আসামিরা যেদিন গ্রেফতার হবে সেদিন থেকে কার্যকর হবে।

    আদালতে রায় ঘোষণার পর প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, “মামলায় দুজন আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর একজন রাজস্বাক্ষী হওয়ায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে”।

    তিনি জানান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে থাকা পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে সাজা দেওয়া হয়েছে।

    “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মামলায় যুগান্তরকারী রায় হয়েছে, যা প্রশান্তি আনবে ও বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে,” বলেছেন তিনি।

    "সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরাতে যত ধরনের পদক্ষেপ আছেন তা নেবেন বলে আশা করি," বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

  3. শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নামে দেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই নির্দেশ দেয়।

  4. তিনটি অভিযোগে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড, একটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড

    ট্রাইব্যুনাল বলেছে, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

    পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য একটি অভিযোগ তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মানুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

  5. ব্রেকিং, শেখ হাসিনার মৃৃত্যুদণ্ডের রায়

    বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করে। এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    রায় ঘোষণার সময় জনাকীর্ণ আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই অগাস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    রায়ে আদালত বলেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। একটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অন্য দুটি অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মামলার শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ বারবারই অভিযোগ করেছিলো যে, “শেখ হাসিনা ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী সব ধরনের অপরাধের মাস্টারমাইন্ড অর্থাৎ পরিকল্পনাকারী, হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার বা সর্বোচ্চ নির্দেশদাতা”।

    এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়া বাকি দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    সাবেক আইজিপি মি. মামুন এই মামলার একমাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি। তিনি এই মামলায় অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর এই ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়।

    পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়।

    গত বছরের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিনই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।

    ওইসময় শেখ হাসিনাই মামলাটির একমাত্র আসামি ছিলেন।

    পরে এ বছরের মার্চে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাবেক আইজিপিকে এ মামলায় আসামি করতে প্রসিকিউশনের করা আবেদন মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল।

    চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালকে বলেছিলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের সময় ২০০৯ সালের ছয়ই জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট পর্যন্ত।

    ১০ই জুলাই তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে যে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো হলো:

    • উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া
    • হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের 'হত্যা করে নির্মূলের নির্দেশ' দেওয়া
    • রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় প্ররোচনা, উসকানি, ষড়যন্ত্র, সহায়তা, সম্পৃক্ততার অভিযোগ
    • গত বছরের পাঁচই অগাস্ট রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা ছয়জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ
    • আশুলিয়ায় জীবিত একজনকেসহ মোট ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে

    এই মামলায় আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী, আহত ব্যক্তি ও প্রতক্ষ্যদর্শী, আহতদের চিকিৎসা দানকারী চিকিৎসকসহ মোট ৫৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    এছাড়া শেখ হাসিনার কথোপকথনের অডিও, ভিডিও, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন, জব্দ করা গুলি ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

    সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে গত ১২ই অক্টোবর এ মামলার যুক্তি-তর্ক শুরু হয়। শেষ হয় ২৩শে অক্টোবর।

    ওইদিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি জানান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

  6. ব্রেকিং, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা শুরু

    শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

  7. ব্রেকিং, শেখ হাসিনাসহ তিনজনের অপরাধ প্রমাণিত

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

    ট্রাইব্যুনাল বলেছে, শেখ হাসিনা ড্রোন, হেলকপ্টার এবং প্রা্ণঘাতী অস্ত্র ব্যহারের নির্দেশ দিয়ে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি করেছেন।

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইজিপি প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ পালন করেছেন। শেখ হাসিনা তাদের এই নির্দেশ দিয়েছেন।

    তারা যেসব অপরাধ করেছেন, তা সর্বোচ্চ শাস্তি পাওয়ার উপযুক্ত বলে মন্তব্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

  8. অডিও-ভিডিও'র তথ্যউপাত্ত ও ফোনালাপের বিবরণ উঠে এসেছে রায়ে

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় পড়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

    রায়ের শেষ অংশ পড়া শুরু করেছে ট্রাইব্যুনাল, যেখানে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে–বিপক্ষের যুক্তিতর্কের বিবরণ চলছে।

    কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    বিচারকাজ চলার সময় অডিও, ভিডিওসহ যেসব তথ্যউপাত্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে সেসবও বর্ণনা করেন বিচারক।

    ঘটনার শিকার ও সাক্ষীরা কী বলেছে তার বর্ণনা দেওয়া হয়।

    ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য–প্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

    এছাড়া ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যেভাবে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছে, সেগুলোর ভিডিও ও তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দেওয়া হয়।

    এর আগে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্টের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল।

    গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোনে কথোপকথনগুলো শোনানো হয়। এর মধ্যে ছিল ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামালের সাথে ফোনালাপ।

    আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কার্যক্রম শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ের ছয়টি অংশ রয়েছে।

  9. রায় পড়া এখনো চলছে

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া এখনো চলছে।

    প্রথম পর্যায়ে শুরুতে বিচারক ট্রাইব্যুনালের জুরিসডিকশন, আসামিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং রোম স্ট্যাটিউট অনুযায়ী সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির গ্রাউন্ড আদালতে পড়ে শোনান।

    শুরুতেই বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার জানান যে রায়টি ছয় ভাগে মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার।

    আন্দোলন দমন করার জন্য প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলির ‘নির্দেশে’ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল এবং সাবেক মেয়ার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথন তুলে ধরেন তিনি।

    একই সময়ে হেলিকপ্টার থেকে ‘ছত্রী সেনা নামানোর’ বিষয় শেখ হাসিনা এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন তুলে ধরা হয়।

  10. মামলার অভিযোগ পড়া শেষ হয়েছে

    শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অভিযোগ পড়ে শোনানো শেষ করেছে আদালত।

    এর আগে মামলার বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের বিবরণ দিয়েছে আদালত।

    এছাড়া অডিও-ভিডিওসহ যেসব তথ্যপ্রমাণ আদালতের বিচারের সময় উপস্থাপন করা হয়েছিলো সেগুলোর বিবরণ দেওয়া হয়েছে ট্রাইব্যুনালে।

    এর আগে ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন পড়ে শোনান।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

  11. ধানমন্ডি ৩২ এর কাছে উত্তেজনা

    ধানমন্ডি ৩২ এর আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।

    সেখানে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত আছেন সেখানে।

    সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করছে পুলিশ।

  12. আদালতের বাইরে গণঅধিকার পরিষদ ও মঞ্চ ২৪ এর অবস্থান

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারে শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আদালতের বাইরে অবস্থান নিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও মঞ্চ-২৪ এর নেতাকর্মীরা।

    আদালতের বাইরে থেকে বিবিসির সাংবাদিক মুকিমুল আহসান জানাচ্ছেন, সেখানে তারা 'শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই' বলে স্লোগান দিচ্ছেন।

    হাইকোর্ট মাজার গেটের সামনে চেয়ার-টেবিল নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন মঞ্চ-২৪ এর সদস্যরা।

  13. ধানমন্ডি ৩২-এর সামনে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

    ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।

    এছাড়া বিপুল সংখ্যক সেনা ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এক দল মানুষ দুটি বুলডোজার ধানমন্ডি ৩২ এ প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দেয় পুলিশ। তারা বলছে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এর আগে ধানমন্ডির দিকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার সময় সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা এখানে আছেন।

    পরে পুলিশ বুলডোজার সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

  14. চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বিমর্ষ মুখে চুপচাপ রায় শুনছেন

    বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

    ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এই মামলার একমাত্র আসামি, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি উপস্থিত রয়েছেন আদালত কক্ষে।

    তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    রায় ঘোষণার সময় আদালত কক্ষে তাকে বিমর্ষ মুখে চুপচাপ রায় শুনতে দেখা গেছে।

    সকালে কারাগার থেকে তাকে আদালতে আনা হয়।

  15. আদালতে উপস্থিত আছেন যারা

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা রায় ঘোষণার সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে উপস্থিত আছেন জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে নিহত কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন।

    আদালতের উপস্থিত আছেন- নিহত সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা সামছি আরা জামান, মীর মুগ্ধর ভাই মীর স্নিগ্ধ। এছাড়াও আছেন জুলাই-অগাস্টে আহতের কয়েকজন।

    আদালতে আছেন জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকারীরা, আছেন ডাকসুর ভিপি ও জিএস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতা আবিদুল ইসলাম আবিদ ও শেখ তানভীর বারী হামিম।

  16. রায় ঘোষণায় ঘণ্টাখানেক সময় লাগতে পারে- বিবিসিকে চিফ প্রসিকিউটর

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণায় সর্বোচ্চ ঘণ্টাখানেক সময় লাগতে পারে বলে বিবিসিকে জানিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

    আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

  17. ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়, ছয় ভাগে রায় ঘোষণা হবে

    বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে হওয়া মামলার রায় পড়ছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার রায় পড়ছেন।

    তিনি বলেছেন এই রায় ৪৫৩ পৃষ্ঠার এবং ছয় ভাগে রায় ঘোষণা হবে।

    ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

  18. রায় পড়া শুরু হয়েছে ট্রাইব্যুনালে

    বাংলাদেশে গত বছরের জুলাই-অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া শুরু করেছে ট্রাইব্যুনাল।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করছেন।

    এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মামলার রায় ঘোষণার আগে আদালত কক্ষে কয়েকশত মানুষ উপস্থিত হন।

    এর মধ্যে আইনজীবী, জুলাই আন্দোলনকারী এবং গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা রয়েছেন।

    আদালত কক্ষ কানায় কানায় পূর্ণ, বসার আসন ভরে যাওয়ায় দাঁড়িয়ে রায় শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন অনেকে।

    ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ওঠা পাঁচটি অভিযোগের বিস্তারিত সম্বলিত কাগজ দেখা যায় অনেকের হাতে।

    আদালত কক্ষ থেকে সরাসরি রায় ঘোষণা দেখতে ক্লিক করুন বিবিসির ফেসবুক পাতায়, এই লিংকে

  19. ধানমন্ডি ৩২-এ বুলডোজার নিয়ে প্রবেশের চেষ্টায় পুলিশের বাধা

    এক দল মানুষ দুটি বুলডোজার ধানমন্ডি ৩২ এ প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। তারা বলছে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজ করতে দেওয়ার সুযোগ নেই।

    এর আগে ধানমন্ডির দিকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার সময় সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা এখানে আছেন।

    জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ এর আহ্বায়ক পরিচয় দিয়ে নাহিদ হাসান নামের একজন বলেন,"যেবার প্রথম শেখ হাসিনা বক্তব্য দেয় পালিয়ে যাওয়ার পর, সেবার আমরা প্রথম ধানমন্ডি ৩২ ভেঙেছিলাম। তখন নিশ্চিহ্ন করতে পারিনি। আজকে যেহেতু শেখ হাসিনার রায়, আজকের রায়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের রাজনীতি আমরা আশা করছি ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে"।

  20. আদালত কক্ষ থেকে সরাসরি

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের মামলার রায় ঘোষণার আগে এই মূহুর্তে আদালত কক্ষে কয়েকশত মানুষ উপস্থিত হয়েছেন।

    এর মধ্যে আইনজীবী, জুলাই আন্দোলনকারী এবং গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা রয়েছেন।

    আদালত কক্ষ কানায় কানায় পূর্ণ, বসার আসন ভরে যাওয়ায় দাঁড়িয়ে রায় শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন অনেকে।

    ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ওঠা পাঁচটি অভিযোগের বিস্তারিত সম্বলিত কাগজ দেখা যাচ্ছে অনেকের হাতে।

    ঘরের আরেক প্রান্তে বিচারকদের জন্য রাখা তিনটি খালি দেয়ার দেখা যাচ্ছে।

    বিচারপতি গোলাম মোর্তুজা মজুমদার রায় পড়ে শোনাবেন।