পত্রিকা: 'তীব্র অর্থ সংকটে সরকার'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।
Published
পড়ার সময়: ৬ মিনিট

তীব্র অর্থ সংকটে সরকার— যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজস্ব আদায় কমা, বিগত সরকারের নেওয়া ঋণ পরিশোধ বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়ায় তীব্র আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আর্থিক দুরবস্থার কারণে সরকার কৃচ্ছ সাধনের নীতি গ্রহণ করেছে। উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় একেবারেই কম।

এই সংকট মোকাবেলা করে সামনে এগোতে ও সরকারের পরিকল্পিত চলতি ব্যয় মেটাতেও ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ বাড়ছে। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ কমে যাচ্ছে। সরকারি খাতের ঋণ বাড়ায় সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহ সামান্য বেড়েছে।

দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সূচকগুলোর হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদনে সরকারি খাতের ঋণ কমাতে এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে বলেছে।

তারা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ অব্যাহতভাবে নিম্নমুখিতাকে উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

যুগান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে মিলেছে ভারী প্রাকৃতিক খনিজ ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট, জিরকন, রুটাইল ও মোনাজাইট।

সেখানে এ ধরনের মূল্যবান খনিজ সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক সাত লাখ টন।

এই সম্পদের আর্থিক হিসাব না মিললেও বাণিজ্যিকভাবে তা উত্তোলন করা গেলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা দেবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা।

সোনাদিয়া দ্বীপের মূল্যবান সম্পদ নিয়ে সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা জার্নাল 'ডিসকভার জিওসায়েন্স'-এ একটি গবেষণাপত্রে এসব তথ্য ওঠে এসেছে।

গবেষণাটি করেছে নিউজিলান্ডের ডুনেডিনের ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টিন বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক।

গবেষণায় দ্বীপটিতে যে পরিমাণ ভারী খনিজ সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা যৎসামান্য বলে মনে করে ইনস্টিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জি (আইএমএমএম)।

সরকারের এ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আমিনুর রহমান জানান, 'কক্সবাজার, টেকনাফ, মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপের ভারী খনিজ সম্পদ নিয়ে ১৯৮০ সালেও গবেষণা হয়। তখনকার গবেষণায় ওই অঞ্চলে ২১ মিলিয়ন (২ কোটি ১০ লাখ) টন ভারী খনিজ সম্পদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়।'

বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, সরকার এখন নদীর বালিকে প্রক্রিয়ার দিকে এগোচ্ছে। এজন্য লজিস্টিক সক্ষমতার প্রকল্পও নেয়া হয়েছে এরই মধ্যে।

তবে সমুদ্র বা দ্বীপাঞ্চলের বালি নিয়ে সরকার এখনই ভাবছে না। প্রতি বছর নদীতে যে পরিমাণ পলি আসে তার ১০ ভাগও যদি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারী খনিজের বাণিজ্যিক ব্যবহার করা যায় তাহলে বছরে ২ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন প্রতিষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বণিক বার্তা

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— নির্বাচনকালে ডিসি পদে 'যোগ কর্মকর্তা' পাওয়া কঠিন হচ্ছে

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দেওয়া নিয়ে বিপাকে পড়েছে সরকার। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য কর্মকর্তা।

সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের এবার নির্বাচনের সময় মাঠ প্রশাসনে রাখা হবে না।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এখন যারা ডিসি হওয়ার যোগ্য, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ কর্মকর্তা ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন।

আবার যারা দায়িত্বে ছিলেন না, তাঁদের অনেকের ডিসি হওয়ার মতো যোগ্যতা নেই।

কারণ, শর্তানুযায়ী মাঠ প্রশাসনে দুই বছর দায়িত্ব পালন না করলে ডিসি পদে নিয়োগ দেওয়া যায় না।

আবার কিছু কর্মকর্তা আছেন, যারা শর্ত পূরণ করেন, তবে দায়িত্ব পালন ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে।

এদিকে, ডিসি পদে যোগ্য কর্মকর্তা খুঁজে বের করতে গত বুধবার থেকে উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সাক্ষাৎকারে বিসিএস ২৯তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

প্রথম আলো

রাজনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা করছে সরকার— সমকালের প্রধান খবর এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ইতোমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের সঙ্গে কথা বলেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা।

এরপর গতকাল শুক্রবার দুপুরে মিন্টো রোডে মন্ত্রিপাড়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা নিজেরা বৈঠক করেছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক সমঝোতার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত আদেশ জারি হতে পারে, এমন তথ্য জানিয়েছেন তিন উপদেষ্টা।

সমকাল

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— সংকটের জন্য দায়ী সরকার: ফখরুল

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে যে গণ্ডগোল লেগেছে তার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে দায়ী করেলন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে একটি দলের সম্মেলনে তিনি বলেন, 'আজকে দেশে সংকট সৃষ্টি করেছে এই অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশন।'

তবে এ সংকট কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিএনপি মহাসচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তার আহ্বান, 'যা হওয়ার হয়ে গেছে। আপনারা দয়া করে ওই সমস্যাগুলো সমাধান করুন, যাতে সবাই একসঙ্গে নির্বাচনের দিকে যেতে পারি।'

যদিও সরকারকে অন্যায়ভাবে চাপ দিচ্ছে বিএনপি, এমন অভিযোগ তুলেছে জামায়াত। এ নিয়েও একটি প্রতিবেদন করেছে আজকের পত্রিকা।

যেখানে বলা হয়েছে, জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, জাতীয় ঐকমত্য প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার পরও বিএনপি এখন অবস্থান পরিবর্তন করে অন্যায়ভাবে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে ।

তিনি বলেছেন, বিএনপি যদি সংস্কার না মানতে চাইত, প্রক্রিয়ার শুরুতেই সেটি জানাতে পারত। দীর্ঘ আলোচনা, সময় ও পরিশ্রমের পর যখন সব রাজনৈতিক দল একটি অভিন্ন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, তখন বিএনপি পিছিয়ে গিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।

আজকের পত্রিকা

জুলাই সনদ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া অনৈকের বড় কারণ কখন গণভোট হবে তা নিয়ে। দেশ রূপান্তর প্রথম পাতার তাদের এক প্রতিবেদনে বলছে— সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের সম্ভাবনা কম

এই খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তবে সরকার, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায় থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তাতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনা কম।

গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠকের পর অনির্ধারিত এক আলোচনায় উপদেষ্টাদের অনেকে সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠানের বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

তবে মুহাম্মদ ইউনূস তখন এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি।

দেশ রূপান্তর

Increasing unidentified bodies cause concern; অর্থাৎ অজ্ঞাত মৃতদেহ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাত মরদেহের সংখ্যা বাড়ছে, যা উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে ৪৬১টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

যেখানে ২০২৪ ও ২০২৩ সালে একই সময়ের মধ্যে এই সংখ্যা ছিল ৩৭৩ ও ২৫০।

শুধুমাত্র গত সেপ্টেম্বরেই কমপক্ষে ৫২টি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় এমএসএফ। দুই-তিনটি ঘটনা বাদে এসব মৃতদেহের বেশিরভাগই অজ্ঞাত রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মীরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনায় বেশিরভাগই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত শত্রুতা বা বিরোধের কারণে খুন হচ্ছেন।

নিউ এজ

কালের কণ্ঠের শেষ পৃষ্ঠার একটি সংবাদ— আগের চক্রেই জিম্মি ঢাকার বাস খাত

এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকার সড়ক পরিবহন, বিশেষ করে বাস খাতে প্রকাশ্যে নেতাদের পরিবর্তন হয়েছে।

তবে কৌশলে বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আত্মীয়-স্বজনসহ অন্য ঘনিষ্ঠরা।

পরিবহন কোম্পানির রাস্তায় চলাচলের জন্য সব প্রক্রিয়ার সঙ্গেও পুরনো চক্রের সদস্যরা যুক্ত হয়ে আছেন।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলমের ভাষ্য, শাখা কমিটি গঠন করতে না পারায় আগের চক্রের বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হয়নি।

কালের কণ্ঠ

Pirate gangs return to Sundarbans after 2024 uprising; চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর সুন্দরবনে ফিরেছে জলদস্যুরা। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর সুন্দরবনে আবারও দস্যুদের উৎপাত বেড়েছে। যাদের বড় অংশই পুরনো দস্যু ও জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, কমপক্ষে নয়টি দস্যু বাহিনী এখন সেখানে সক্রিয় রয়েছে। যদিও এই সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ এর মধ্যে বলে অসমর্থিত সূত্রে জানা যাচ্ছে।

তারা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক তৈরি করে জেলে ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আগাম 'সুরক্ষার অর্থ' আদায় করছে।

যারা অর্থ দিচ্ছে, তাদেরকে বনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। আর টাকা না দিয়ে ধরা পড়লে তাদেরকে অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হয়েছে সুন্দরবন। এরপর এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমগুলো ঘন ঘন ঘটছে, এমন অভিযোগ আসছে।

প্রসঙ্গত, সুন্দরবনে সক্রিয় ৩২টি দস্যুদলের সদস্যরা ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের অক্টোবরের মধ্যে অস্ত্র জমা দিয়ে পর্যায়ক্রমে আত্মসমর্পণ করেছিল।

এরপর ২০১৮ সালের পহেলা নভেম্বর সুন্দরবনকে 'দস্যুমুক্ত' ঘোষণা করেছিল সরকার।

ঢাকা ট্রিবিউন