‘আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা, পাঁচ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত রূপরেখা’

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা, পাঁচ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত রূপরেখা’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই অগাস্ট আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় আর কোনো ঘাটতি থাকবে না, সেইসাথে তাদের দেখভালে যারা অবহেলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সুচিকিৎসার দাবিতে বিক্ষোভে নামা আহতদের সঙ্গে আলোচনায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো পাঁচ দিনের মধ্যে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসা বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান

জানানো হয়, আন্দোলনে আহতদের একটি ইউনিক আইডি কার্ড থাকবে এবং এই আইডি কার্ডের মাধ্যমে আন্দোলনে আহতদের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

এরমধ্যে রয়েছে সব সরকারি হাসপাতালে আমৃত্যু বিনা মূল্যে চিকিৎসা, স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে।

এমনকি যেসব বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে সরকারের চুক্তি হবে সেখানে তারা বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাবেন এবং চিকিৎসার ব্যয়ভার আংশিক সরকার বহন করবে ।

ইতিমধ্যে আহতরা চিকিৎসার জন্য যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছেন সেগুলা যথাযথ কাগজপত্র পাওয়ার পর ফেরত দেওয়া হবে ।

যারা অন্ধ হয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যারা পঙ্গু হয়েছেন তাদের জন্য যেসব মেশিন, চিকিৎসাসেবা এবং যে ধরনের যন্ত্রপাতি সহায়তা প্রয়োজন হয় তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে এসব প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে প্রকাশ করার কথাও জানানো হয়। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগগুলো দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘মন্ত্রীর একক ক্ষমতা ও দায়মুক্তির বিধান অবৈধ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দিতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন করেছিল। যার বিতর্কিত দুটি বিধান বৃহস্পতিবার অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

কেননা ওই আইনের অধীনে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেত না। চুক্তি করার বিষয়ে মন্ত্রীর একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া ছিল। চুক্তির বিষয়ে কেউ দায়ী হলে তাকে বিচারিক জবাবদিহির ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে।যে কারণে এটি দায়মুক্তি আইন হিসেবে পরিচিতি পায়।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার বিতর্কিত বিধান দুটি অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

১৪ বছর আগে দায়মুক্তি আইনটি করার সময় বলা হয়েছিল, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাময়িক সময়ের জন্য এটা করা হচ্ছে। ২০০৯–১০ সালের দিকে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সাময়িক সময়ের জন্য করা এই আইনকে সমর্থন দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু পরবর্তীতে দফায় দফায় এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরমধ্যে আইনের অধীনে নেওয়া হয় শতাধিক প্রকল্প। খরচ করা হয় লাখ কোটি টাকা।

বিশেষ বিধান আইনে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়েছে জ্বালানির নিশ্চয়তা ছাড়াই। এর ফলে সক্ষমতা থাকলেও চাহিদা অনুসারে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না।

চুক্তি অনুসারে প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ বা কেন্দ্র ভাড়া দিতে হয় পিডিবির। বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও এটি দিতে হয়, না করলেও এটি দিতে হয়। তবে অলস বসিয়ে রেখে কেন্দ্র ভাড়া দিলে পিডিবির লোকসান বেড়ে যায়।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘No one, not even PM, will be able to abuse power’ অর্থাৎ, ‘কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবে না, এমনকি প্রধানমন্ত্রীও না’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বৈরাচারী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারবে না বলে নিশ্চয়তা দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

তিনি জানান, সরকারের সর্বোচ্চ দফতর থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।

ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন বিদেশী মিশনের কূটনীতিক, সুশীল সমাজের সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে লন্ডন থেকে অনলাইনে সেমিনারে অংশ নিয়ে এসব প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

তিনি বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যেকোনো ব্যক্তির মেয়াদ টানা দুই মেয়াদে সীমিত করার প্রস্তাব করেন।

সরকার পরিচালনায় বিজ্ঞ ও দক্ষ পেশাদারদের প্রতিনিধিত্ব এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য, দলটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব দেয়।

সেইসাথে আইনসভা, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী শাখার মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার কথা জানান।

তিনি বলেন, একটি নিয়ম-ভিত্তিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ পদ্ধতিগতভাবে বিশ্বজুড়ে বেসরকারি বিনিয়োগ ও পুঁজি আকৃষ্ট করবে।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘ভারত থেকে হাসিনার বক্তব্যে সরকারের তীব্র অসন্তোষ

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতে বসে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারবাহিকভাবে রাজনৈতিক বক্তব্য-বিবৃতিতে দেশটির কাছে একাধিকবার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে এ ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি দেয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক তৌফিক হাসান।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেয়া হবে কিনা-সাংবাদিকরা তার কাছে এমন প্রশ্ন জানতে চাইলে তৌফিক হাসান বলেন,

“এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হলে আমরা যথাযথ পদক্ষেপ নেব। এখন পর্যন্ত আমাদের কিছু জানানো হয়নি”।

ভারতের ভিসা পাওয়ার জটিলতা সম্পর্কে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে বারবার বলে আসছি। ভারত লোকবল সঙ্কটের কথা জানিয়েছে।

উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের জেনেভা সফরের সময়ে বিমানবন্দরে অপ্রীতিকর ঘটনার পর বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনকে প্রটোকল ও নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে তৌফিক হাসান বলেন, জেনেভায় যা ঘটেছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। এটার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মিশনের শ্রম কাউন্সেলর মুহাম্মদ কামরুল ইসলামকে 'স্ট্যান্ড রিলিজ' করা হয়েছে। এছাড়া মিশনের স্টাফ মেম্বার মিজানকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘আয় থেকে ব্যয় বেশি সংসার আর চলে না

প্রতিবেদনে নিত্যপণ্যের বাজারের বেসামাল পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা বলেছেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য ক্রেতা হিসেবে আমিও চাপে আছি।'

বেশির ভাগ মানুষের রোজগার স্থির থাকলেও খরচাপাতি যেন দৌড়াচ্ছে। অনেক ক্রেতা বাজার কমিয়ে দিয়েছেন, সাশ্রয়ী দামে পণ্য কিনতে টিসিবি ও খাদ্য অধিদপ্তরের ট্রাকের পেছনে লাইন ধরছেন মধ্যবিত্তরাও।

অনেক পরিবারের খাবার তালিকা ছোট হয়ে আসায় শরীরে দেখা দিচ্ছে পুষ্টির ঘাটতিও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাজার ব্যবস্থাপনা দ্রুত ঠিক করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা যেন সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাজারে প্রতিযোগিতার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়।

পাশাপাশি টিসিবির সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রির আওতা বাড়িয়ে নতুন পণ্য যুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন তারা।

এদিকে দাম বাড়ার পেছনে দুই বছর ধরে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বড় কারণ। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি নয় শতাংশের বেশি।

এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে টাকার প্রবাহ হ্রাস, সুদের হার বৃদ্ধি, শুল্ক কমানো এবং বাজার তদারকি জোরদার করলেও সফলতা আসেনি।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সরকারকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায়। শিল্পের কাঁচামাল আমদানির পথ সচল রাখতে হবে, আয় বাড়াতে হবে।

প্রতিবেদনে, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ১০০ দিন উপলক্ষে ব্রাসেলসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের নানা পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।

নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন এই সরকার আরো এক বছর এবং সম্ভবত এর চেয়েও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরো উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংস্কারের জন্য জনসমর্থন ধরে রাখতে দ্রুত ফলাফল দৃশ্যমান করা অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

এ সরকারের অনেক বেশি সময় ক্ষমতায় থাকাটা এড়ানো উচিত এবং নতুন পদক্ষেপের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে।

দেশের বাইরের পক্ষগুলোর উচিত সহায়তার হাত বাড়ানো। বিশেষ করে, ভারতের উচিত বাংলাদেশের জনগণের মাঝে দেশটির ভাবমূর্তি মেরামতে কাজ করা।

ক্রাইসিস গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার শাসনব্যবস্থার উন্নতি করার এবং আরেকটি স্বৈরাচারী সরকারের উত্থান ঠেকানোর এমন সুযোগ ‘এক প্রজন্মে একবারই’ আসে। কিন্তু কাজের পরিমাণ বিশাল।

ক্রাইসিস গ্রুপের গবেষণা প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিগত ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদ এবং অনুগত অযোগ্যদের নিয়ে গঠিত প্রশাসনব্যবস্থা যাতে ফিরে আসতে না পারে তা নিশ্চিত করা সংস্কারের লক্ষ্য।

ইউনূসের টিম এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কতটা সফল হতে পারবে তা স্পষ্ট নয়। তবে বিকল্পগুলো সুখকর নয় বলেই মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রি বাবদ ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ারের পাওনা ৭৩২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আর এই পাওনা অর্থ পরিশোধ করা হবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়েও দ্রুতগতিতে।

সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এ অর্থ পরিশোধের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে ৩০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে আদানি পাওয়ার।

যেখানে কিনা আওয়ামী লীগ আমলে প্রতি মাসে ২০-২৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হতো।

এখন থেকে আদানি পাওয়ারকে প্রতি মাসে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিপিডিবির বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। জ্বালানির মূল্য থেকে শুরু করে বিদ্যুতের দাম পর্যন্ত সবদিক দিয়েই চুক্তিটি অসম বলে অভিযোগ তুলেছেন তারা।

আবার শুরু থেকেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বিল পরিশোধ নিয়েও দেখা দিয়েছে নানা জটিলতা। বিল বাবদ পাওনা বাড়তে থাকায় এক পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দেয় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক আদানির বকেয়া পরিশোধে চলতি বছরের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ এবং এখন থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত কেনা বিদ্যুতের আর্থিক গ্যারান্টি দিয়েছে।

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, ‘Yunus pledges labour sector reform to boost foreign investment’ অর্র্থাৎ, ‘ইউনূস বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে শ্রম খাত সংস্কারের অঙ্গীকার করেছেন’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তার সরকার দেশের উত্পাদন খাতে আরও বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে গুরুত্বপূর্ণ শ্রম সংস্কার করবে।

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনের ফাঁকে বৃহস্পতিবার সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে-এর সাথে বৈঠককালে ইউনূস এই প্রতিশ্রুতি দেন।

"শ্রম ইস্যুটি আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকারগুলির মধ্যে একটি এবং আমরা সকল শ্রম সমস্যা সমাধান করতে চাই," বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করার সময় মুহাম্মদ ইউনুস তাকে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রম সমস্যা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন মে। তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নেতার সাথে মানব পাচার ও অভিবাসন সমস্যা নিয়েও আলোচনা করেন।

ইউনূস আইনি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অভিবাসন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি ঝুঁকি ও অনিয়মিত অভিবাসন কমাবে এবং মানব পাচার প্রতিরোধ করবে।