পত্রিকা: 'শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে আইনি পদক্ষেপে বাংলাদেশ'

সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর তাঁকে ভারত থেকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে খবর প্রকাশ করেছে ঢাকার অনেক সংবাদপত্র। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের নানা প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতা নিয়েও খবর রয়েছে। এছাড়া অপরাধ ও অর্থনীতি সংক্রান্ত খবরও গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে সংবাদপত্রগুলো।

'শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে আইনি পদক্ষেপে বাংলাদেশ' সমকালের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাদের ফেরত আনতে চিঠি প্রস্তুত করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলেও নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারতকে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের চিঠির সঙ্গে রায়ের অনুলিপি পাঠানো হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ রায় পাঠাবে না। নোট ভারবাল (চিঠি) হিসেবে পাঠানো হবে।

চিঠি দেওয়া হয়েছে কিনা- উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, প্রস্তুত হচ্ছে। হয়তো আজকে (মঙ্গলবার) পাঠানো হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্দিবিনিময় সহজ করতে ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি বন্দি প্রত্যর্পণ চুরি হয়। এর প্রায় আড়াই বছর পর প্রথম বন্দি হস্তান্তরের ঘটনা জানা যায়। ২০১৫ সালে ২৪ ঘণ্টার বাবধানে হস্তান্তর করা হয় অনুপ চেটিয়া ও নূর হোসেনকে।

এর প্রায় এক যুগ পর প্রত্যর্পণ চুক্তি আলোচনায় এলো ভারতে আশ্রয় নেওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর।

নয়াদিগন্ত

'হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ভেঙে পড়েছে আ'লীগ' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলার প্রথম রায় গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঘোষণা করেছেন।

দলটির সর্বোচ্চ নেতা শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা হওয়ায় মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে তৃণমূল থেকে শীর্ষ নেতৃত্ব। রায় যাতে ঘোষণা করতে না পারে সেজন্য গত কিছুদিন যাবৎ অন্তর্বর্তী সরকার ও আদালতকে নিয়ে নানা হুমকি ধমকিসহ তির্যক মন্তব্য ছুড়ে বক্তব্য দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিশেষ করে রায় ঠেকাতে গত এক সপ্তাহ ধরে লকডাউন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল এবং শাটডাউনের মতো কর্মসূচি ঘোষণা করে জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক তৈরির ছক কষে পতিত দলটি।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতার চিন্তা বাদ দিয়ে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার বিচার কার্যক্রমকে নিয়ে বেশি চিন্তিত।

এই খবরে বলা হয়েছে, ১৭ তারিখ অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলার জন্য ঢাকাকে বেছে নেয়া হলেও নেতাকর্মীরা ওইভাবে কেউ মাঠে নামেনি।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'আ.লীগের ভবিষ্যৎ কোনদিকে' যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের পর দলটির ভবিষ্যৎ রাজনীতি কী হবে-দেশের রাজনীতিতে এখন এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

দলটির সমর্থকদের পাশাপাশি সুধী সমাজের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কি? দলটি কি টিকে থাকবে?

থাকলে কার নেতৃত্বে টিকে থাকবে সে প্রশ্নও সামনে আসতে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটেছে। কারণ শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ যাই বলুক না কেন, এটাই এখন বাস্তবতা। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনকানুন মেনেই এ বিচার সম্পন্ন হয়েছে।

যদিও ভারতে পলাতক থাকায় হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পথে অনেক বাধা রয়েছে; কিন্তু দলটির রাজনীতি কার নেতৃত্বে চলবে, নাকি এখনকার মতো দুর্বল অবস্থায় টিকে থাকবে সে প্রশ্নে নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। কেউ বলছেন, সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দেওয়া হতে পারে আপৎকালীন নেতৃত্ব।

পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসাবে সাবেক এমপি সাবের হোসেন চৌধুরীর নাম নিয়ে রাজনীতিতে আলোচনা আছে। এর বাইরে কেউ কেউ কারাগারে থাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর কথাও বলছেন।

তবে এই সবকিছুই ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার ওপর নির্ভর করছে। তিনি সবুজ সংকেত না দিলে দলের সামনে আসতে কেউ রাজি হবেন না।

যুগান্তর

'১০ মাসে সারাদেশে ৩,২৩০ হত্যাকাণ্ড' সংবাদের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের গত ১০ মাসে (অক্টোবর পর্যন্ত) সারাদেশে প্রায় তিন হাজার ২৩০টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এই হিসেবে প্রতি মাসে গড়ে ৩২৩টি খুন হয়েছে।

রাজধানীতে গত ১০ মাসে ৩৭১টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। প্রতি মাসে গড়ে ৩৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটছে। তবে ডিএমপির দাবি, প্রতি মাসে রাজধানীতে গড়ে ১৯-২০টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

পুলিশ বলছে, সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল; রাজনৈতিক বিরোধ, পারিবারিক বিরোধসহ নানা কারণে দেশে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে সারাদেশে ২৯৪টি হত্যা মামলা তারা রেকর্ড করেছে। তার মধ্যে রাজধানীতেই ৩৬টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

আর ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৩০০ খুনের ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে ডিএমপিতে ৩৮টি খুন হয়েছে। মার্চ মাসে ৩১৬টি খুন এবং যার মধ্যে রাজধানীতেই ৩৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এপ্রিলে দেশে ৩৩৬টি এবং মে মাসে ৩৪১টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

গত জুন মাসে ৩৪৪টি খুনের ঘটনার মধ্যে রাজধানীতে ৪৯টি খুন ছিল। জুলাই এসে তা দাঁড়ায় ৩৬২টিতে। জুলাই মাসে রাজধানীতে ৭৫টি হত্যাকাণ্ড হয়।

আর আগস্টে ৩২১টি হত্যার মধ্যে রাজধানীতে ঘটে ৩২টি হত্যাকাণ্ড। সেপ্টেম্বরে ২৯৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তার মধ্যে রাজধানীতে ২৫ জন খুন হয়। অক্টোবরে ৩১৯টি হত্যার ঘটনার মধ্যে রাজধানীতে ২২টি হত্যাকাণ্ডের তথ্য রেকর্ড করে পুলিশ।

পুলিশ সদর দপ্তরের মাসভিত্তিক অপরাধের পরিসংখ্যান থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে হত্যাকাণ্ডের এসব তথ্য জানা গেছে।

সংবাদ

'বিদেশিদের কবজায় বন্দর!' কালের কণ্ঠের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বন্দরগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতির রক্তপ্রবাহ হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক দশকে অর্থনীতির যে উত্থান ও প্রসার, তার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রাখছে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বন্দর।

রাজস্ব আয়, পণ্যের অবাধ চলাচল আর সহনীয় ফি ও মাশুলের কারণে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের কাছে বন্দরের গুরুত্ব বাড়লেও এখন এমনভাবে তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে যে, সামনে বন্দরই হতে পারে অর্থনীতির গলার কাটা।

গোপন চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বন্দরের সাতটির মধ্যে পাঁচটি টার্মিনালই তুলে দেওয়া হয়েছে বিদেশিদের হাতে।

আপত্তির মুখে গোপনে এরই মধ্যে তড়িঘড়ি করে ৩০ বছর মেয়াদি কঠিন চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বন্দরের এসব টার্মিনাল ব্যবহারের সব নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে বিদেশি কম্পানির হাতে।

যারা ফি ও মাশুল আরোপসহ যেকোনো ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করতে পারবে। এতে দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'EC, govt going full steam ahead with polls prep' 'নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে পুরোদমে আগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন, সরকার'।

খবরে বলা হচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে ডিসেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণার আগেই পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন ও সরকার।

এর অংশ হিসেবেে গতকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া দুটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিশ্চিত করেছে এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে।

একই দিনে, সরকার তৃণমূল পর্যায়ের নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার এবং নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার লক্ষ্যে ৬৪টি জেলা ও ৩০০উপজেলায় ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে।

প্রশাসনের শীর্ষ পদেও চলছে ব্যাপক রদবদল। ৫০টি জেলার জেলা প্রশাসক ইতিমধ্যেই বদলি করা হয়েছে। সোমবার থেকে পুলিশ সুপারদের বদলি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদক্ষেপগুলো নির্বাচনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্বচ্ছ করার একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গতকালও ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

দ্য ডেইলি স্টার

'অনুশোচনা নেই শেখ হাসিনার' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ বিবেচনায় নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, তার একটি ছিল উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও ঘৃণা বা বিদ্বেষপূর্ণ (হেইট স্পিচ) বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা, রায় ঘোষণার সময় এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি অবজ্ঞাসূচক বা তাচ্ছিল্যপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন, এটিও ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে।

ঘোষিত রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। তিনি ক্ষমাও চাননি; বরং তিনি 'হেইট স্পিচ'-এর মাধ্যমে সময়ে-সময়ে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে গত সোমবার রায় ঘোষণা করার সময় ট্রাইব্যুনাল কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেন, এর কোনো কোনোটি ছিল শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত।

অবজ্ঞাসূচক ও ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে এর আগে শেখ হাসিনার প্রতি আদেশ দেওয়া হয়েছিল বলে রায় ঘোষণার সময় উল্লেখ করেন ট্রাইব্যুনাল। ঘোষিত রায়ে বলা হয়, দলীয় নেতা শাকিলের (গাইবান্ধা বাড়ি) সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা ঘৃণাসূচক ও অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছিলেন।

ওই কথোপকথনে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, যেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে ২২৬টি মামলা হয়েছে, সে জন্য ২২৬ জনকে হত্যার 'লাইসেন্স' পেয়েছেন।

'জোটবদ্ধ নির্বাচনে প্রতীক নিয়ে বেকায়দায় বিএনপি' প্রথম আলোর আরেকটি শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে প্রতীকের বিধান নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে বিএনপি। আরপিওর সংশোধনীর কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এর ফলে জোট করলেও দলগুলোকে নিজস্ব প্রতীকে ভোট করতে হবে; যা জোটবদ্ধ ছোট দলগুলোর জয়ের সম্ভাবনাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে বলে মনে করছে বিএনপি। এ নিয়ে দলটির মিত্র নিবন্ধিত ছোট দলগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ কাজ করছে বলে জানা গেছে।

এ পরিস্থিতিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনীতে আবার পরিবর্তন আনতে সরকারের ওপর চাপ তৈরির চিন্তা করছে বিএনপি। এ ক্ষেত্রে ছোট দলগুলোও যাতে মাঠে ভূমিকা রাখে, সে প্রত্যাশাও করে বিএনপি।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, গত দেড় দশকে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের শাসনামলের অনিয়ম-দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত ব্যাংকগুলোর একটি জনতা ব্যাংক পিএলসি। রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকের বিতরণকৃত ঋণের তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি এখন খেলাপি।

নগদ অর্থের তীব্র সংকটে থাকা এ ব্যাংক কেবল গত বছরই ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি নিট লোকসান গুনেছে। ঋণ দেয়ার মতো অবস্থা না থাকায় ব্যাংকটির ১৪ হাজারের বেশি কর্মীর এখন তেমন কোনো কাজ নেই। কর্মীদের কেউ কেউ কেবল দৈনন্দিন লেনদেন ও আমানত সংগ্রহে কাজ করলেও তাদের অনেকে প্রায় অলস সময় কাটাচ্ছেন।

২০০৯ সাল-পরবর্তী সময়ে লুটপাটে দেউলিয়া হয়ে পড়া বেসিক ব্যাংক গত এক যুগে ৫ হাজার ৫১৩ কোটি টাকা নিট লোকসান গুনেছে। প্রায় ৭০ শতাংশ খেলাপি ঋণ নিয়ে ধুঁকতে থাকা এ ব্যাংকে কর্মরত রয়েছেন দুই হাজারের বেশি কর্মী।

এক যুগের বেশি সময় ধরে এ কর্মীদের বড় অংশের তেমন কোনো কাজ নেই। সময় যত যাচ্ছে বেসিক ব্যাংকের আর্থিক পরিস্থিতি ও লোকসানের ক্ষত তত গভীর হচ্ছে।

বণিক বার্তা