পত্রিকা: 'সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সমঝোতায় স্বস্তিতে বিএনপি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ; রাষ্ট্রপ্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন— এ সংক্রান্ত খবর আজ শনিবার ঢাকার পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া, জোরপূর্বক শ্রম রোধে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৮৬টি দেশের জন্য মার্কিন নতুন শুল্ক এবং বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায় পণ্য পরিবহনে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে ৫০ শতাংশ— এমন খবরও রয়েছে।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— Shahabuddin deal lets BNP breathe; অর্থাৎ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সমঝোতায় স্বস্তিতে বিএনপি।

এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ শাসনামালে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে পদত্যাগ করেছেন।

তিনি সরে দাঁড়ানোয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তবে এটি হুট করে ঘটা কোনো ঘটনা নয়।

সরকারের সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সাহাবুদ্দিনকে পদে বহাল রাখা হবে কি না, তা নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। বিষয়টি সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিও জানতেন।

শেষ পর্যন্ত অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তার পদত্যাগ; বিএনপি সরকার ও রাষ্ট্রপতি— উভয় পক্ষের জন্যই সম্মানজনক সমাধান হিসেবে সামনে এসেছে।

বিএনপি ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন বলেও নিশ্চিত করছেন নেতারা।

এর ফলে একদিকে নতুন সরকার রাজনৈতিক সংঘাত বা সাংবিধানিক সংকট এড়াতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিও অভিশংসনের মতো বিতর্কিত প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না হয়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে দায়িত্ব ছাড়ার সুযোগ পেয়েছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— 'I resigned without any pressure': Shahabuddin tells Star; অর্থাৎ সাহাবুদ্দিন জানালেন, কোনও চাপ ছাড়াই তিনি পদত্যাগ করেছেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিনের পাঁচ বছরের মেয়াদের আরও এক বছর নয় মাস বাকি ছিল। তবে তার আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে সরে গেলেন তিনি।

পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি দৈনিকটির সাথে কথা বলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই কথোপকথনে সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। এছাড়া, বঙ্গভবনের জীবনকে তিনি সীমাবদ্ধ বলে বর্ণনা করেছেন এবং এখন নিজেকে মুক্ত মনে করছেন। এই 'মুক্তিকে' তিনি বড় অর্জন বলেও মনে করছেন।

'আমি দীর্ঘদিন ধরেই পদত্যাগের কথা ভাবছিলাম। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে না পারায় মানসিক চাপের মধ্যে ছিলাম'— যোগ করেন সদ্য সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে দলগুলোর প্রতিক্রিয়া কী, তা নিয়ে প্রথম পাতায় একটি খবর ছেপেছে এই ইংরেজি দৈনিক। যেটির শিরোনাম— Resignation draws mixed reactions

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, 'আমরা এটিকে (রাষ্ট্রপতি পদ) একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখি। আমরা দেখেছি তিনি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি আমাদের সরকারকে সহযোগিতা করেছেন।'

জুলাই অভ্যুত্থানের আগে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, 'তিনি যেহেতু স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তাই সেই সময়কার কিছু সমালোচনা ছিল।'

'তবে, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগে ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত তিনি যে ভূমিকা পালন করেছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সংকটের সময়ে রাষ্ট্রকে সাংবিধানিক পথে রাখার ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার' যোগ করেন তিনি।

এদিকে, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বলেছে, সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল।

রাষ্ট্রপ্রধানের পদত্যাগের পর জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান তার সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলন ডাকেন। যেখানে তিনি বলেছেন, দেরিতে হলেও অবশেষে জাতির কাঁধ থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেল।

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে এনসিপি। তাকে যেন নিরাপদে দেশ ত্যাগের সুযোগ দেওয়া না হয়, সেজন্য আহ্বান জানিয়েছে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর— বঙ্গভবন ছেড়ে কাল উঠছেন গুলশানে নিজের ফ্ল্যাটে

এই খবরে বলা হয়েছে, পদ ছাড়লেও আরও দুই দিন বঙ্গভবনে অবস্থান করবেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ শনিবার বঙ্গভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিদায়ী বৈঠক করবেন তিনি। পদত্যাগের পরে মো. সাহাবুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন— এমন গুঞ্জন ছড়িয়েছিল গতকাল শুক্রবার বিকেলে। তবে সেটি নাকচ করেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম।

তিনি আরও বলেছেন, পদত্যাগ করলেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রটোকলের (রাষ্ট্রাচার) বাইরে যাননি । নিয়ম অনুযায়ী আগামী ছয় মাস তিনি প্রটোকল পাবেন। নিয়ম মোতাবেকই তিনি বঙ্গভবন থেকে বিদায় নেবেন।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন গুলশান-১ নম্বরে নিজের ফ্ল্যাটে থাকতেন। বঙ্গভবন থেকে বিদায় নেওয়ার পরে তিনি পুরোনো ঠিকানাতেই ফিরবেন বলে জানা গেছে।

প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান খবর— বিএনপির স্থায়ী কমিটি থেকেই আসতে পারেন নতুন রাষ্ট্রপতি

খবরটিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও গত দুই দিনে সম্ভাব্যদের তালিকায় নতুন কয়েকটি নাম যুক্ত হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর ভাষ্য, সম্ভাব্যদের তালিকা এখন অনেকটাই সংক্ষিপ্ত।

সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন—এমন একটি সূত্র জানিয়েছে, বাইরে থেকে নয়, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থেকেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি।

ওই সূত্র জানিয়েছে, সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরী নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে অত্যন্ত সন্তর্পণে।

এই খবরে বলা হয়েছে, শ্রমমান ও জোরপূর্বক শ্রমসংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে পরিচালিত তদন্তের ভিত্তিতে ৬০টি অর্থনীতির আওতাভুক্ত ৮৬টি দেশের জন্য ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। এই তালিকায় আছে বাংলাদেশও।

বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর হলো, সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে রয়েছে।

বিপরীতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে পড়তে হয়েছে সর্বোচ্চ ১২.৫ শতাংশ শুল্কের আওতায়।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী থাকতে পারে বলে মনে করছে সরকার।

তবে অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করেছেন, কেবল কম শুল্ক সুবিধা দীর্ঘ মেয়াদে যথেষ্ট হবে না। শ্রমমান উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে দ্রুত উদ্যোগ না নিলে এই সুবিধা ধরে রাখা কঠিন হবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরান সংঘাতকে কেন্দ্র করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা, জাহাজ সংকট এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান বন্দরগুলোয় ক্রমবর্ধমান জটের কারণে বাংলাদেশ, ভারতসহ এ অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে কনটেইনার পরিবহন ব্যয় গত দুই সপ্তাহে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবমুখী পণ্য পরিবহন ভাড়া তিন মাস ধরে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় তিন গুণেরও বেশি।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিবহন বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ড্রিউরির 'কনটেইনার ফ্রেইট রেট ইনসাইট' প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ড্রিউরির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামনে দক্ষিণ এশিয়া থেকে পণ্য পরিবহনের ভাড়া আরও বাড়তে পারে। ইরান সংঘাত চলমান থাকা এবং সরাসরি উপসাগরীয় জাহাজসেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ভাড়া অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

জেদ্দা ও অন্যান্য সৌদি বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজে হুথিদের হামলার ঝুঁকিও পরিবহন কার্যক্রমে নতুন করে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় ১৮ হাজার মানুষ। তাদের বেশিরভাগই শিশু। পানিতে ডুবে শহরের চেয়ে গ্রামে প্রাণহানি বেশি ঘটছে।

জনস্বাস্থ্য গবেষণায় দেখা গেছে, এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। তা সত্ত্বেও জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিতে বিষয়টি এখনো প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাবে, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় তিন লাখ মানুষ ডুবে মারা যায়। এর প্রায় ৯০ শতাংশ ঘটনাই ঘটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।

নদী, খাল, বিল, পুকুর ও জলাশয়বেষ্টিত বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হলেও এ খাতে সরকারি বিনিয়োগ ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা এখনো সীমিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে বাড়ির অদূরেই থাকা পুকুর, ডোবা বা জলাশয়ে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টার মধ্যে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। ওই সময়টায় অভিভাবকেরা গৃহস্থালি বা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকেন। বর্ষা মৌসুম এলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর— তীব্র গ্যাস সংকট, সিএনজি স্টেশনের দীর্ঘ লাইন

এই খবরে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের ত্রুটি শনাক্তে বিদেশ থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা টার্মিনালটি পর্যবেক্ষণ করছেন। কিন্তু তারা এখনও ত্রুটি শনাক্ত করতে পারেননি।

এ অবস্থায় অর্ধেক আরএলএনজি সরবরাহ নিয়ে ভয়াবহ গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

গ্যাস না থাকায় রাজধানীর বাসাবাড়ির চুলা জ্বলছে না। সিএনজি স্টেশনের বাইরে লম্বা লাইন ধরেছে গ্যাসচালিত গাড়ি। কোথাও কোথাও থমকে গেছে শিল্পের চাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ত্রুটি শনাক্তের পর তা ঠিক করতেও সময় প্রয়োজন হবে। সংগত কারণে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না, কখন সরবরাহ বৃদ্ধি করা যাবে।

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দেশে দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও এত দিন সরবরাহ করা হচ্ছিল প্রায় ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

তবে সাম্প্রতিক সংকটে সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৬৫ মিলিয়ন ঘনফুটে। এতে করে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।

এদিকে, গ্যাসের সংকট সামাল দিতে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমানো হয়েছে।

সমকালের প্রথম পাতার একটি খবর— মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শক্তিশালী 'ছাতা বোমা'

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় একটি ছাতার ভেতরে রাখা বোমা উদ্ধার করে সেটি নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল।

এ সময় স্প্লিন্টারের আঘাতে মিরাজ আহমেদ নামে এক পথচারী আহত হয়েছেন।

পুলিশ বলেছে, নিষ্ক্রিয় করা বোমাটি আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস)। এটি খুব শক্তিশালী ধরনের বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এটি 'সালফারবেজড' বোমা। এর ভেতরে ছোট ছোট স্টিলের বল ও ডেটনেটর ছিল।

ছাতা খোলার সুইচে অসাবধনতাবশত কেউ চাপ দিলে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

ডিএমিপর মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেছেন, কে বা কারা কখন বোমা রেখে গেছে, তা জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে একাধিক সংস্থা তদন্ত করছে।