'ভোজ্যতেলের দাম বিশ্বে কমছে, দেশে বাড়ছে'

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'ভোজ্যতেলের দাম বিশ্বে কমছে, দেশে বাড়ছে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে সয়াবিন, পাম অয়েল ও সয়াবিন বীজের দাম গত তিন বছরে সবচেয়ে কম হলেও বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ডলারের দাম বাড়া, ব্যাংক সহায়তা না পাওয়া ও শুল্ক পুনর্বহাল হওয়ায় এই দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে ক্যাব বলছে, এটি ব্যবসায়ীদের মুনাফা বাড়ানোর কৌশল।
হিসাব অনুযায়ী, প্রতি লিটারে ব্যবসায়ীরা অন্তত ১২ টাকা লাভ করছেন। দেশে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার টন তেলের চাহিদা, বছরে প্রায় ৩০ লাখ টন প্রয়োজন হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরে গত সাড়ে তিন মাসে ২৩টি জাহাজে প্রায় পাঁচ লাখ টন অপরিশোধিত তেল ও সয়াবিন বীজ এসেছে, যার বেশিরভাগই কেনা হয়েছে যখন আন্তর্জাতিক দাম ছিল সবচেয়ে কম। তা সত্ত্বেও দাম বাড়ানো হয়েছে।
২০২৪ সালে চার-পাঁচবার দাম ওঠানামা করেছে। শুল্ক ছাড় থাকলে দাম কমেছে, ছাড় শেষ হলে আবার বাড়ানো হয়েছে।
বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে পাঁচটি বড় গ্রুপ। এদের হাতেই আমদানি হওয়া তেলের ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ।
তেলের সরবরাহ এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি, বিশেষ করে পাইকারি মোকামে। ফলে চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়ে গেছে, যা দাম বাড়ার আরেকটি কারণ।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'রাষ্ট্রের মূলনীতি পরিবর্তনে জোর আপত্তি বিএনপির'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সংবিধান সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয় বিএনপি। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনের প্রস্তাবে তারা একমত নয়।
বিশেষ করে 'ধর্মনিরপেক্ষতা' বাদ দিয়ে 'আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস' ফিরিয়ে আনার পক্ষে দলটি।
মৌলিক অধিকার, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিএনপি কিছুটা নমনীয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের ফোরামে আলোচনা করে।
দলটি সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার প্রস্তাব নীতিগতভাবে মেনে নিলেও নির্বাচনি পদ্ধতি নিয়ে তাদের দ্বিমত রয়েছে।
তারা সংসদের মেয়াদ চার বছরে নামানোর প্রস্তাব ও ৭০ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতার বিষয়েও ভিন্নমত পোষণ করেছে।
বিএনপি মনে করে, সংবিধান সংশোধনের জন্য নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই কাজ হওয়া উচিত।
বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে, তবে তা যেন আইনানুগ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় হয়—সে বিষয়ে তারা জোর দিয়েছে।
তারা গণভোটের প্রয়োজন মনে করে শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ক্ষেত্রে, সব বিষয়ে নয়। আলোচনা আগামী রবিবার আবার শুরু হবে।
বিএনপি জানিয়েছে, তারা কিছু বিষয়ে কাছাকাছি এসেছে, তবে অনেক বিষয়ে এখনও মতভেদ রয়েছে। সবকিছু যেন জনগণের সম্মতিতে হয়, সেটিই তাদের মূল বক্তব্য।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ''নির্বাচনের সময় নিয়ে ধোঁয়াশা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ডিসেম্বর থেকে আগামী জুনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও সুনির্দিষ্ট তারিখ দেননি।
এতে বিএনপি অসন্তুষ্ট, তারা বলছে—রমজান, পরীক্ষা আর বর্ষার কারণে ডিসেম্বরের পর নির্বাচন কঠিন।
অন্যদিকে ছোট দলগুলো দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে নয়, তারা সময় নিতে চায়। তবে ইসলামী দলগুলো ও জামায়াতে ইসলাম চায় রমজানের আগেই নির্বাচন হোক।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা নির্বাচন নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন।
কেউ বলছেন, আগে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার ও প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে তবেই নির্বাচন হওয়া উচিত।
আবার কেউ বলছেন, সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দাঁড় করানো উচিত নয়।
নির্বাচন কমিশন জুলাই মাসে কর্মপরিকল্পনা দেবে বললেও রোডম্যাপ ঘোষণা নিয়ে কমিশনারদের মধ্যেও মতভেদ আছে।
নতুন ভোটার তালিকা, সীমানা নির্ধারণ, নারী আসনে সরাসরি ভোট—এসব বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিশিষ্টজনদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ হলো দ্রুত, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া। সব দলকে নিয়ে যৌক্তিক সময় ঠিক করে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব দূর করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ''ঐকমত্য কমিশনের স্প্রেডশিটে 'বিভ্রান্ত' বিএনপি, রোববার ফের বৈঠক'
বিএনপি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পাঠানো সংস্কার-সংক্রান্ত স্প্রেডশিট নিয়ে বিভ্রান্ত হয়েছে বলে জানায়।
দলটির নেতারা বলছেন, এই স্প্রেডশিটে যেসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সঙ্গে সংস্কার কমিশনের মূল সুপারিশগুলোর অনেক ফারাক রয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান, বিচার বিভাগ, নির্বাচনসহ নানা বিষয়ে বিএনপি বিস্তারিত মতামত দিয়েছে এবং দফায় দফায় আলোচনা চলবে।
তারা জানিয়েছে, ২৫টি প্রস্তাবে একমত, ২৫টিতে আংশিক একমত, বাকিগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।
ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং সংস্কারের ক্ষেত্রেও দলটি আগ্রহ দেখাচ্ছে।
তবে সালাহউদ্দিন জানান, সংক্ষেপে হ্যাঁ/না মতামত চাওয়ার ধরন বিভ্রান্তিকর এবং এতে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে।
বিএনপি বলছে, তারা দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারের পক্ষে ছিল এবং তাদের দেওয়া ৩১ দফা প্রস্তাব এখনও গ্রহণযোগ্য। নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপিই দেশে বড় সংস্কার এনেছে—বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংসদীয় ব্যবস্থা ও গ্রাম সরকার তার উদাহরণ।
সবশেষে তিনি বলেন, জনগণের মতই সবচেয়ে বড় বিষয়, আর বিএনপি জনগণের স্বার্থেই কাজ করছে। আলোচনা চলবে এবং সংলাপের পরবর্তী ধাপ রোববার হবে।

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ''লন্ডন বৈঠকে বরফ গলছে বিএনপি জামায়াতের'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক লন্ডন বৈঠকে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে যে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, তা দুই দলের সম্পর্কের বরফ গলানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রাজনীতি, সংস্কার ও নির্বাচন ইস্যুতে তাদের কথাবার্তা হলেও জোট গঠনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানানো হয়।
যদিও জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা রমজানের আগেই সংসদ নির্বাচন চায়—যা বিএনপির অবস্থানের কাছাকাছি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ বৈঠকের কারণে দুই দলের মধ্যে দূরত্ব কমছে এবং নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে একমত হওয়াও সহজ হতে পারে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, সংস্কার শেষে ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় তারা। জামায়াতও এখন প্রায় একই কথা বলছে, যদিও আগে তাদের অবস্থান ছিল ভিন্ন।
দুই দলের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন থাকলেও এখন পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মতপার্থক্য মেনে চলার ইঙ্গিত দিচ্ছে জামায়াত।
জামায়াতের আমির বলেন, বিএনপি তাদের শত্রু নয় বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহচর। আর বিএনপি বলছে, নির্বাচন নিয়ে জোট নয়, বরং গণতান্ত্রিক দলগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তারা এগোতে চায়।
সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে আবার কাছাকাছি আসার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে যা দেশের নির্বাচনি রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, ''Bangladesh seek's Pakistan's apology for 1971 genocide' '১৯৭১ সালের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়ার দাবি বাংলাদেশের'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি নতুন করে তুলেছে।
এ সময় আরও দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করা হয়—একটি হলো পাকিস্তানের কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৪.৩২ বিলিয়ন ডলার পাওনা ফেরত চাওয়া এবং অন্যটি হলো বাংলাদেশে আটকে থাকা পাকিস্তানি নাগরিককে তাদের দেশে ফেরত নেওয়ার অনুরোধ।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন জানান, এই বিষয়গুলো সমাধান না হলে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলা কঠিন।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ঢাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনার সময় পাকিস্তান এসব বিষয় নিয়ে সংলাপে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান তিনি।
এছাড়াও তিনি জানান, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আগামী ২৭-২৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সফর করবেন।
এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এই আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ অতীতের বিরোধ মিটিয়ে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। ২০১০ সালের পর এই প্রথমবার দুই দেশের মধ্যে 'ফরেন অফিস কনসালটেশন' (FOC) অনুষ্ঠিত হলো।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ''No IMF deal yet, talks to continue' 'আইএমএফের সাথে এখনও কোনো চুক্তি হয়নি, আলোচনা অব্যাহত থাকবে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএএমএফ) এখনও ঋণের পরবর্তী কিস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি।
দুই সপ্তাহের আলোচনা শেষ হলেও রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনা ও বিনিময় হার নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে চুক্তি হয়নি।
আইএমএফ চায়, বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত যেন বাড়ানো হয় এবং বিনিময় হার যেন আরও নমনীয় হয়।
এই আলোচনা আবার শুরু হবে আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সভার সময়।
যদিও আগের তিন দফা পর্যালোচনায় সমঝোতা হয়েছিল, তৃতীয় দফা পরবর্তীতে থেমে যায় এই একই বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে।
আইএমএফ-এর দল জানায়, তারা বাংলাদেশের পাশে থাকবে, কারণ দেশের অর্থনীতি বর্তমানে ধীরগতির প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈদেশিক অর্থের চাপের মুখে আছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে দিন দশমিক তিন শতাংশে নেমেছে, আর মার্চে মুদ্রাস্ফীতি ছিল নয় দশমিক চার শতাংশ।
আইএমএফ বলছে, সরকারকে কর সংস্কারে মনোযোগ দিতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে অর্থনৈতিক নীতিতে সতর্ক থাকতে হবে।
তারা আরও নমনীয় বিনিময় হার চায়, যাতে রপ্তানি বাড়ে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী হয়।
বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের লক্ষ্য পূরণে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছে আইএমএফ।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'দৃশ্যমান বিনিয়োগ যৎসামান্য, বড় পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্কা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মিরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প প্রকল্প হলেও ১২ বছরেও আশানুরূপ বিনিয়োগ বা উন্নয়ন হয়নি।
৩৪ হাজার একর জমির এ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা, হয়নি বড় আকারের কর্মসংস্থানও।
গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন।
অন্যদিকে, শিল্পাঞ্চল তৈরির জন্য উপকূলীয় বনভূমি ধ্বংস করা হয়েছে, কাটা হয়েছে ১৩ লাখের বেশি গাছ। এতে হরিণ, শিয়াল, মেছোবাঘসহ বহু প্রাণী বিলুপ্তির মুখে পড়েছে।
বন বিভাগ বলছে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এখন অব্যবহৃত ৪ হাজার ১০৪ একর বনজমি ফেরত নেয়া জরুরি।
বেজার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পুরোনো অবাস্তব পরিকল্পনার বদলে এখন প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং ২১ হাজার একরে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
যদিও মাত্র তিনটি কারখানা উৎপাদনে গেছে এবং কর্মসংস্থান হয়েছে মাত্র আড়াই হাজারের মতো মানুষের।
এদিকে পরিবেশবিদ ও বন বিভাগ মনে করছে, শিল্পায়ন প্রয়োজন হলেও উপকূলীয় বন রক্ষা না করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশের প্রধান মহাসড়ক ও রেলপথ হুমকিতে পড়বে।
ফলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে হলেও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

নিউ এজের প্রধান শিরোনাম, ''CPC amendment approved to speed up civil case disposal' 'দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি দ্রুত করার জন্য সিপিসি সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শতবর্ষ পুরানো দেওয়ানি কার্যবিধিতে (সিপিসি) সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, বিচার সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এসব সংশোধনী করা হয়েছে।
সংশোধনীতে মোবাইল এসএমএসসহ ডিজিটাল মাধ্যমে সমন পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে সময় ও খরচ বাঁচে।
মিথ্যা মামলা বা হয়রানিমূলক মামলার জরিমানা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
রায়ের পর আলাদা এক্সিকিউশন কেস না করে মূল রায়েই তা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ ঠেকাতে মামলার শুনানিতে কতবার মুলতবি নেয়া যাবে, তার সীমা নির্ধারণ করা হবে।
প্রতিদিন আদালতে কতটি মামলা আংশিক বা পূর্ণ শুনানির জন্য রাখা হবে, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণের ব্যবস্থাও থাকছে।
এছাড়া ব্যাংক খাত, রাজস্বনীতি ও অডিট ব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য কয়েকটি খসড়া অধ্যাদেশও অনুমোদিত হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক সংশোধনী, ব্যাংক রেজুলেশন, সরকারি হিসাব ও অডিট, এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ।
একইসঙ্গে ১৯৯২ সালের জাতিসংঘের পানি সুরক্ষা কনভেনশন অনুমোদনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।








