আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'হ্রাস পেলেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে এখনো শুল্ক দিতে হবে ৩৬.৫%'
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'হ্রাস পেলেও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে এখনো শুল্ক দিতে হবে ৩৬.৫%'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে এখন গড়ে ৩৬ দশমিক পাঁচ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে, যার মধ্যে ১৬ দশমিক পাঁচ শতাংশ পুরনো এবং ২০ শতাংশ নতুন পাল্টা শুল্ক।
যদিও এই হার চীন ও ভারতের তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক, তবুও রফতানিকারকরা দীর্ঘমেয়াদে এতে চাপ অনুভব করছেন।
কারণ শুল্কভার আমদানিকারকের ওপর থাকলেও তা শেষমেশ রফতানিকারকের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে।
অনেক ক্রেতা এখন শুল্ক ভাগ করে নিতে বলছেন, যার ফলে অটোমেশনের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে উৎপাদনকারীদের, এতে কম দক্ষ শ্রমিক, বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের কর্মসংস্থান হুমকিতে পড়ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, অটোমেশনের কারণে গড়ে ৩০ শতাংশের বেশি শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। বিজিএমইএ জানিয়েছে, যদি পোশাকে অন্তত ২০ শতাংশ মার্কিন তুলা ব্যবহার করা হয়, তাহলে বাড়তি শুল্ক মাফ পাবে।
তাই দ্রুত কাঁচামালের উৎস পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন তারা। কিন্তু ক্রেতাদের অযৌক্তিক শর্ত মানতে গিয়ে রফতানিকারকরা অসুস্থ প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়ছেন, যা পুরো খাতের জন্য ক্ষতিকর।
বর্তমানে পোশাক শিল্পে কর্মসংস্থান ২৮ থেকে ৩২ লাখের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যেখানে একসময় ছিল ৫০ লাখের বেশি। নতুন শুল্কব্যবস্থা মোকাবেলায় কঠোর অবস্থানে না থাকলে, শিল্প ও শ্রমিক দুই-ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উৎপাদন কৌশলে ধাপে ধাপে পরিবর্তন এলেও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কর্মসংস্থানে।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'দলগুলোর মতামত পাওয়ার পর জুলাই সনদ চূড়ান্ত হবে'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদে রাষ্ট্রীয় সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হলেও এখনো চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হয়নি।
বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা হয়নি, যা বিলম্বের কারণ হতে পারে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সনদটিকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতে চায়, যাতে ভবিষ্যতে এর বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক হয়।
ইতিমধ্যে ১৫টি দল মতামত দিয়েছে, তবে কেউ কেউ আপত্তি জানিয়েছে। খসড়ায় তিনটি অংশ রয়েছে, পটভূমি, সম্মত সংস্কার প্রস্তাব এবং বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।
বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচনের পর দুই বছরের মধ্যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন হবে। জামায়াত ও এনসিপি চাইছে সনদটিকে আইনগত ভিত্তি দিতে, নইলে এটি অর্থহীন হবে।
কিছু দল গণভোট বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইনি কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। কমিশন আশা করছে, দলগুলোর মতামত পাওয়ার পর দ্রুত খসড়া চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।
সংস্কারের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে সর্বসম্মতি হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে সংসদীয় কমিটি, জরুরি অবস্থা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
তবে ১০টি বিষয়ে কিছু দলের ভিন্নমত রয়েছে, যেমন সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, নারী প্রতিনিধিত্ব, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইত্যাদি।
কমিশনের আশা, আইনি ভিত্তি তৈরির বিষয়েও শিগগিরই রাজনৈতিক ঐকমত্য হবে।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে জট'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই ঘোষণাপত্র ঘিরে এখনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে জটিলতা রয়ে গেছে।
সরকার জানিয়েছে, ৫ই অগাস্ট এই ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে সব পক্ষের উপস্থিতিতে।
যদিও সরকার বলছে এটি সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে, এখনো স্পষ্ট নয় কোন ধারা বা কাঠামোর মাধ্যমে তা ঘটবে।
এনসিপি বলছে, ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের প্রস্তাবনায় যুক্ত করতে হবে।
বিএনপি অবশ্য এটি পুরো সংবিধানে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা দেখছে না, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে আর্কাইভে সংরক্ষণের পক্ষে।
তারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে সংক্ষেপে এর উল্লেখ করতে চায়। জামায়াত কোনো স্পষ্ট মন্তব্য করেনি, বরং বলেছে তারা খসড়ায় পরামর্শ দিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের।
ঘোষণাপত্রে ২৬টি দফা রয়েছে। এতে উল্লেখ আছে মুক্তিযুদ্ধ, জনগণের ইতিহাস, গুম-খুন, দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা।
শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধী দলের সংগ্রাম এবং অতীত রাজনৈতিক ঘটনা যেমন ৭ই নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব, ১৯৭৯ সালের পঞ্চম সংশোধনীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা নিয়েও ব্যাখ্যা রাখা হয়েছে এতে। এখন প্রশ্ন, এটি শুধুই রাজনৈতিক দলিল থাকবে, নাকি নতুন সংবিধানের পথ তৈরি করবে।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'এখনই সংবিধান সংশোধনের সুযোগ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ পথ হলো সংসদের মাধ্যমে, যেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিল পাস করতে হয়।
তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায়, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এখন একটি নতুন ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
"জুলাই সনদ ২০২৫" ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেক্ষিতে অনেকেই বলছেন, যদি জনগণের বিপুল সমর্থন বা গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে একটি নতুন ম্যান্ডেট তৈরি হয়, তাহলে সেটি "ডি ফ্যাক্টো" বাস্তবতা হিসেবে গণ্য হতে পারে।
ড. কামাল হোসেন মনে করেন, সংবিধান সংশোধন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই হওয়া উচিত, তবে জনগণের ইচ্ছাকে উপেক্ষা করা যায় না।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বলেন, যদি সংসদ বৈধতা হারায়, তখন জনগণের হাতেই থাকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা, যা দিয়ে নতুন সংবিধানিক কাঠামো গঠন সম্ভব।
সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, জনগণের ম্যান্ডেট রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে, তবে পরে তা বিচারিক ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পেলে টেকসই হবে না।
অর্থাৎ, জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে পরিবর্তন শুরু হলেও, তাকে গণতান্ত্রিক ও আইনগত কাঠামোর ভেতর আনাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে, "জুলাই বিপ্লব" বাংলাদেশের জন্য এক সংবিধানিক সন্ধিক্ষণ তৈরি করেছে, যার স্থায়িত্ব নির্ভর করবে বৈধতা ও স্বীকৃতির ওপর।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'CA may unveil polls month on Aug 5 or 8' অর্থাৎ, '৫ অথবা '৮ই অগাস্ট নির্বাচনের মাস ঘোষণা করতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস আগামী ৫ বা ৮ই অগাস্ট টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাস ঘোষণা করতে পারেন।
সরকার সূত্র জানায়, এখনো নির্দিষ্ট দিন ও সময় চূড়ান্ত হয়নি। তবে ৫ই অগাস্ট তারিখে ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ওই দিন ছিল ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের বার্ষিকী।
অন্যদিকে, ৮ই অগাস্ট ইউনুসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনের দিন।
ইউনুস জানিয়েছেন, তিনি দ্রুতই নির্বাচনের সময়সূচি জানাবেন এবং এরপর নির্বাচন কমিশনকে জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা করতে বলবেন।
তিনি আগেই বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে এবং ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিল ২০২৬-এ নির্বাচন হতে পারে।
বিএনপির তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠকে রমজানের আগেই ভোটের ইঙ্গিত দেন। সরকার একই সঙ্গে ৫ই অগাস্ট "জুলাই ঘোষণা" প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে।
গত বছর ১লা জুলাই কোটা বাতিলের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়ে ৫ই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে তা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সময় প্রায় ১,৪০০ জন আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়।
সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে এই "জুলাই ঘোষণা" তৈরি করছে। ছাত্র ও নাগরিক সংগঠনগুলোর দাবির প্রেক্ষিতেই সরকার এই দায়িত্ব নেয়।
এখন সরকার বলছে, সব পক্ষের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হবে, যা ঐতিহাসিক আন্দোলনের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, 'রাজধানীতে এনসিপি ও ছাত্রদলের সমাবেশ আজ'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রোববার ঢাকায় দুটি বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি হচ্ছে। একটি করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যারা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে 'জাতীয় ইশতেহার' ঘোষণা করবে। আরেকটি হচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমাবেশ, যা অনুষ্ঠিত হবে শাহবাগে।
এনসিপি বলছে, তাদের ইশতেহার হবে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, যা 'জুলাই সনদ'-এর ভিত্তিতে তৈরি।
দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, পরবর্তী নির্বাচন ও সংসদ গঠন এই সনদের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত।
তারা চান, সরকার ৫ই অগাস্টের মধ্যেই জুলাই সনদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট করুক।
অন্যদিকে, ছাত্রদল এই দিনটিকে গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের স্মরণে পালন করছে। শাহবাগে তাদের সমাবেশে দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ আশা করা হচ্ছে।
থাকবে শহিদ পরিবারের সদস্য এবং লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।
ছাত্রদল এই সমাবেশকে শক্তি প্রদর্শনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছে এবং কর্মসূচি শৃঙ্খলাভিত্তিকভাবে পরিচালনার ছয় দফা নির্দেশনাও দিয়েছে।
তারা চায়, এই সমাবেশের মাধ্যমে ছাত্রসমাজকে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সম্পৃক্ত করা হোক এবং ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার দাবিও তোলা হবে।
ঢাকায় একসঙ্গে দুটি বড় কর্মসূচি ও এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় যানজটের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে এনসিপি, তবে তারা ঢাকাবাসীর কাছে আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছে।
সমকালের প্রধান শিরোনাম, '২৫৪ কোটি টাকার প্রকল্পের সমীক্ষা প্রতিবেদনই জাল'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় মিরপুর দুই ও তিন নম্বরে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ২৫৪ কোটি টাকার দুটি আবাসিক প্রকল্পে নকল সমীক্ষা প্রতিবেদন ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে একটি নামকরা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সই ও সিল জাল করা হয়েছে, যা তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রকল্পে ১৮১টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু পরামর্শকের অনুমোদন ছাড়া এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, কারা এই অনিয়মে জড়িত তা শনাক্ত করা যায়নি, তবে ২০২৩ সালের নথি দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এদিকে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ফ্ল্যাট পাওয়ার জন্য বিশেষ কোটা ছিল, এমনকি মন্ত্রীদের জন্য ১৭ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা আত্মীয়দের নামেও ফ্ল্যাট নিয়েছেন। কর্মচারীদের দাবি, যখন কর্মকর্তারা একাধিক ফ্ল্যাট পান, তখন তাদের প্রকল্প আটকে দেওয়া হয়।
লালমাটিয়ায় ২০২৩ সালে ৫৪টি ফ্ল্যাট শুধুমাত্র কর্মচারীদের জন্য নির্মাণ করা হয়, পরে মিরপুর প্রকল্প নেওয়া হয়, কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে এক কর্মচারী গ্রেপ্তার হলে প্রকল্প থেমে যায়।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অডিট আপত্তির পরিমাণ ৮৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, এই ফ্ল্যাট কোটার অপব্যবহার বন্ধ করে তা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত।
মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'যশোরে ব্যবসায়ীকে গর্তে পুঁতে নির্যাতন, ৪ কোটি টাকা চাঁদা আদায়'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, যশোরের অভয়নগরে এক ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ কবীরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বুক সমান গর্তে পুঁতে রেখে মোট চার কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থগিত থাকা বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান জনি ও এক সাংবাদিক মফিজ উদ্দিন দপ্তরীর বিরুদ্ধে।
২০২২ সালের আগস্ট থেকে নওয়াপাড়া এলাকায় বিএনপি নেতার চাঁদাবাজিতে ব্যবসায়ীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
গত বছরের ২রা সেপ্টেম্বর আসাদুজ্জামান জনি শাহনেওয়াজকে তার কার্যালয়ে ধরে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন, যা পরে ব্যাংক থেকে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরে আবারও তাকে ধরে কনা ইকোপার্কে আটকে রেখে আরো দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এই সময় তাকে বুক পর্যন্ত গর্তে পুঁতে রাখা হয়।
ব্যবসায়ীর পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তিনি এলাকাও ছেড়ে গেছেন। তার স্ত্রী আসমা খাতুন সেনা ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনো সহায়তা পাননি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা অভিযোগকে সঠিক বলে মনে করেন। পুলিশ এখনও তদন্ত করছে, তবে লিখিত অভিযোগ মেলেনি বলে জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার কারণে শাহনেওয়াজের ব্যবসা বন্ধের পথে, পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ এবং তারা জীবিকার তাগিদে কষ্টে আছেন। তারা সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে চার কোটি মানুষ'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে অন্তত চার কোটি মানুষ এখনো বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ।
তারা শুধু অর্থনৈতিক নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক জীবনমান থেকেও বঞ্চিত। অনেকের ঘরে বিদ্যুৎ ও মোবাইল ফোন থাকলেও সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে বা রোগে হাসপাতালে নিতে পারছে না, বিশুদ্ধ পানিও মেলে না।
এটি দারিদ্র্যের বাস্তব রূপ। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ২০১৯ সালের জরিপের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই সূচক প্রকাশ করেছে।
এতে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার ছিল ২৪ শতাংশ, যা আয়ভিত্তিক দারিদ্র্যের তুলনায় বেশি। সূচকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনমান এই তিনটি মাত্রা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
শিশুদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার বেশি, ১৮ বছরের নিচে ২৯ শতাংশ। শহরে দারিদ্র্যের হার ১৩ শতাংশ হলেও গ্রামে তা ২৭ শতাংশ।
জেলাভিত্তিকভাবে বান্দরবানে এই হার সবচেয়ে বেশি, ৬৫ শতাংশ। শিশুদের স্কুলে না যাওয়া, অপুষ্টি ও বসবাসের অযোগ্য ঘরবাড়ি, এই সমস্যাগুলো দারিদ্র্যকে আরও বাড়িয়েছে।
এই সূচক জেলা ও বিভাগভিত্তিক বৈষম্য চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে এবং লক্ষ্যভিত্তিক সরকারি পরিকল্পনা তৈরি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, 'Unknown fever sweeps country' অর্থাৎ, 'দেশজুড়ে অজানা জ্বরের আতঙ্ক'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে এক অজানা ভাইরাসজনিত জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পুরো পরিবারকে আক্রান্ত করছে এবং হাসপাতালে ভিড় বাড়িয়ে তুলেছে।
ইতিমধ্যেই দেশ করোনাভাইরাস, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও টাইফয়েডে ভুগছে, তার মাঝেই নতুন এই জ্বর পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
যদিও মৃত্যুহার কম, তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, আয়-ব্যয় এবং কর্মঘণ্টা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীরা সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা, গাঁটে ব্যথা, কাশি ও সর্দি নিয়ে আসছেন, কিন্তু পরীক্ষায় অনেক ক্ষেত্রেই করোনা, ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া ধরা পড়ছে না।
তখন চিকিৎসকরা একে ভাইরাল জ্বর হিসেবে ধরছেন।
ব্যক্তি প্রতি বেসরকারি হাসপাতালে এসব রোগ শনাক্তে খরচ হয় প্রায় ৬ হাজার টাকা এবং সরকারি হাসপাতালে ১২০০ টাকা।
শিশু হাসপাতালে দেখা গেছে, এক সপ্তাহে ২১১০ শিশুর মধ্যে ১৯১৭ জনই জ্বরে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষাকালে আর্দ্র পরিবেশে ভাইরাস শক্তিশালী হয় এবং ছড়িয়ে পড়ে।
গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখনো এই ভাইরাস নিয়ে কোনো গবেষণা শুরু করেনি, বরং সতর্কতা হিসেবে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দিয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা গবেষণা ও সচেতনতা জরুরি মনে করছেন। জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেললেও, সরকার ও জনগণের মধ্যে এটি নিয়ে এখনো যথাযথ গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে না।