পত্রিকা: 'অত্যন্ত নাজুক বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা'

বণিক বার্তার আজকের প্রধান শিরোনাম 'ভূরাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং স্থানে অবস্থান:
এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই পরিণত হয়েছে আধুনিক যুদ্ধের প্রথম ও প্রধান প্রাচীর হিসেবে। প্রতিটি দেশ এখন আকাশকে পরিণত করছে রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র-নিয়ন্ত্রিত প্রতিরক্ষার অভেদ্য দুর্গে।
ভারত ও চীনের আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূলে এবং মিয়ানমারের সীমান্তসংলগ্ন বাংলাদেশ এখন ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থানে রয়েছে।
কিন্তু ভূরাজনৈতিকভাবে এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকা বাংলাদেশের আকাশ কতটা সুরক্ষিত? দেশের সামরিক বাহিনী কতটা প্রস্তুত একটি উচ্চগতির ফাইটার জেট, ক্রুজ মিসাইল বা স্টিলথ ড্রোন মোকাবেলা করতে?
তথ্য বলছে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী ও পূর্ণাঙ্গ আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে পারেনি।
বিশ্বের সামরিক শক্তিগুলো যখন নিজেদের নিরাপত্তা বলয় গঠনে 'মাল্টি-লেয়ার্ড এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম'-এর ওপর নির্ভর করছে, তখন বাংলাদেশ এখনো মূলত পুরনো স্বল্পপাল্লার প্রতিরক্ষা কাঠামোর মধ্যেই আবদ্ধ।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষার বর্তমান বাস্তবতা রীতিমতো উদ্বেগজনক।
সূত্র জানায়, ২০১১ সালে কেনা চীনের তৈরি এফএম-৯০ স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাই এখনো সবচেয়ে কার্যকর ভূমিভিত্তিক প্রতিরক্ষা অস্ত্র।
এ মিসাইল সিস্টেম ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমান শনাক্ত ও আঘাত হানার জন্য কার্যকর হলেও উচ্চগতির ফাইটার জেট বা দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইলের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'দেশে মাদকাসক্ত ৮৩ লাখ'- প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশে এখন মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা ৮৩ লাখ। মাদকাসক্তদের বেশির ভাগ পুরুষ। নারী ও শিশুদের মধ্যেও মাদকাসক্তি রয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক সমীক্ষায় মাদকাসক্ত জনসংখ্যার এই প্রাক্কলন করা হয়েছে। এ ধরনের সমীক্ষা এই প্রথম করেছে ডিএনসি।
এর আগে ২০১৮ সালে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট একটি সমীক্ষা করেছিল, সেখানে মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ৩৬ লাখ।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ উমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, মাদকাসক্ত মানুষের সংখ্যা যদি ৮৩ লাখে পৌঁছে যায়, তবে সেটি দেশের মাদক পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি নির্দেশ করে।
এটা প্রমাণ করে, দেশে মাদক একেবারেই নিয়ন্ত্রণে নেই। তিনি মনে করেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোর কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমীক্ষাটি শিগগিরই প্রকাশিত হবে। অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সমীক্ষায় দেশের আট বিভাগের ১৬টি জেলা থেকে ৫ হাজারের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে মাদকাসক্তির হিসাব তৈরি করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে গবেষকেরা স্বীকৃত গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন।
গবেষণার ফলাফলের অংশে বলা হয়, দেশে প্রাক্কলিত মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৮৩ লাখ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
জনসংখ্যা ধরা হয়েছে সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা শুমারি অনুযায়ী ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ৩০ হাজার।

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম 'মাদকের আগ্রাসন বাড়ছে'। এই খবরে বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বে শিথিলতা এবং অসাধু মাদক কারবার চক্রে জড়িয়ে পড়ায় দেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে মাদক।
স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনা থেকে শুরু করে রাজধানীর অলিগলিতে হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক।
শহরের বাইরে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও এখন সহজলভ্য মাদক। এর বাইরে অনলাইনেও মাদকের রমরমা কারবার চলায় দেশের তরুণসমাজ নিয়ে বিচলিত বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিদিন বাড়ছে মাদকসেবীর সংখ্যা। এরই মধ্যে দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশে মাদক কারবার ও সেবন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন স্বয়ং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মাদকসংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা তিনি।
অন্যদিকে, দেশে মাদকের গডফাদারদের তালিকা হালনাগাদ করে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ক্রমাগত মাদকের চাহিদা বাড়ায় প্রতিবছর দেশ থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি পাচার হয়ে যাচ্ছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০২৩ সালের জুনে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আংকটাড (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, শুধু মাদকের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৪৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বর্তমানে পাঁচ হাজার ৮৪১ কোটি টাকারও বেশি) পাচার হয়ে যায়।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম 'মতে-দ্বিমতে সবকিছুতে আটকে যাচ্ছে ঐকমত্য'। এ খবরে বলা হয়েছে, শর্ত সাপেক্ষে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের প্রস্তাবে একমত বিএনপি।
এ ক্ষেত্রে দলটির শর্ত—সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে সাংবিধানিক কমিটি করা যাবে না। তাই প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণে অধিকাংশ দল একমত হলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে গেল।
আবার জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিলের (এনসিসি) পরিবর্তে সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটির প্রস্তাবেও ঐকমত্য আটকে গেছে বিএনপি দ্বিমতের কারণে।
অন্যদিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিবিষয়ক প্রস্তাবটি বামপন্থীদের বিরোধিতার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আগামী সপ্তাহে কমিশন পেশ করবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে গতকাল বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ষষ্ঠ দিনে এসব আলোচনা হয়।
সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটি ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় এ দিন।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে কমিটি গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকালের বিষয়টি আলোচনায় আনার প্রস্তাব করেন।
তখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলে তারা স্বাগত জানাবেন।
এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, এ প্রস্তাবে বিএনপি একমত।
তবে সে ক্ষেত্রে কোনো সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় নিয়োগে কমিটি এ জাতীয় ধারণার সঙ্গে একমত নয়। দুটি কো-রিলেটেড।

'Consensus talks: Commission recasts the NCC proposal, drops pluralism' ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার এর প্রধান শিরোনাম। যার অর্থ, ঐক্যমত্য আলোচনা: এনসিসি প্রস্তাবে কমিশনের পুনর্বিবেচনা, বাতিল "বহুত্ববাদ"
জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশন গতকাল প্রস্তাবিত জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদের কাঠামো এবং কার্যাবলী সংশোধন করেছে।
বিএনপি, জামায়াত এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি ইসলামী দল এর বিরুদ্ধে থাকায় সংবিধানের প্রস্তাবিত মৌলিক নীতি থেকে "বহুত্ববাদ" বাদ দিয়েছে।
কমিশন গতকাল রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠকে সংশোধিত প্রস্তাবগুলি উপস্থাপন করে।
প্রস্তাবিত জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদের (এনসিসি) নামকরণ করা হয়েছে সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলিতে নিয়োগ কমিটি, এবং এতে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে না, কমিশনের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে একথা বলেন।
পরিবর্তনগুলি করতে হয়েছে কারণ বিএনপি এবং সমমনা দলগুলি প্রস্তাবিত এনসিসিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিল, ওই সদস্য যোগ করেছেন।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম 'দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্রের ফল'। এতে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ড একটি 'দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্রের' ফল বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিশনের সভাপতি বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কমিশন তদন্ত প্রতিবেদনের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছে, যা বর্তমানে কমিশনের সদস্যরা পর্যালোচনা করছেন। কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে এটি ছিল ষড়যন্ত্র।
গতকাল বুধবার পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকান্ড তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের তৃতীয় সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কমিশনের সভাপতি।
পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিশন দুজন পলাতক আওয়ামী লীগ নেতার সাক্ষ্য নিয়েছেন। ওই দুই নেতা ইমেইলে তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তারা হলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মির্জা আজম।
মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান বলেন, এই ঘটনার পর বেঁচে ফিরে আসা ১৫ জন অফিসারের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৫০ জন বেঁচে যাওয়া অফিসারকে লিখিত জবানবন্দি দেওয়ার জন্য সেনা সদরের মাধ্যমে ব্যক্তিগতভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

'আলোচনার কেন্দ্রে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি'- সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। এ খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের চালানো বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস হয়নি।
ভূগর্ভস্থ ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই হামলা দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রম শুধু কয়েক মাস পিছিয়ে দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিআইএ) প্রাথমিক মূল্যায়নে এমনটা বলা হয়েছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মূল্যায়ন প্রত্যাখ্যান করে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছেন। খোদ ইরানও স্থাপনাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে।
সিএনএন জানিয়েছে, ডিআইএর প্রাথমিক মূল্যায়ন ট্রাম্পের বারবার দাবির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ যে হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ গত রোববার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি এবং হামলার প্রভাব নিয়ে নানা পক্ষের বিশ্লেষণ চলছে।
তবে ডিআইএর মূল্যায়নসহ এখন পর্যন্ত যেগুলো সামনে আসছে, তার সবই আগের তথ্য বিশ্লেষণ এবং অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
সুতরাং স্থাপনাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস, না ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে– তার প্রকৃত তথ্য এখনও অজানা।

দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর 'হেভিওয়েটদের বিরুদ্ধেই লড়তে হবে এনসিপিকে'। এতে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) শীর্ষ নেতাদের কঠিন লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে হবে।
কারণ তাদের নির্বাচনি আসনগুলোতে বিএনপির অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে।
আবার জামায়াতে ইসলামীও শক্ত প্রার্থীর মনোনয়ন এক রকম চূড়ান্ত করে ফেলেছে। সেক্ষেত্রে গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এনসিপির শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনে জিতে আসা নিয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।
বিশেষ করে ভোটের মাঠে গণ-অভ্যুত্থানের আবেগ ও সমর্থনের ঝড় তুলতে ব্যর্থ হলে ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংস্কার ও বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভোট হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনি মাঠ গোছাতে তৎপর রাজনৈতিক দলগুলো।
শুধু তাই নয়, দলগুলোর শীর্ষ নেতারা কে কোন আসন থেকে লড়বেন সেটিও প্রায় নির্ধারণ করে ফেলেছেন। নির্বাচনি প্রচারণাও শুরু করেছেন।
তবে অনেকের আগ্রহ গণ-অভ্যুত্থানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নতুন দল এনসিপিকে নিয়ে। দলটির নেতারাও ইতোমধ্যে নিজ এলাকায় জোরেশোরে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।








