পত্রিকা: 'আশ্রয় চাওয়া বাংলাদেশীদের আফ্রিকায় পাঠিয়ে দিতে চায় ইউরোপীয় পাঁচ দেশ'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে তৃতীয় কোনো দেশে 'রিটার্ন হাব' প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের পাঁচ দেশ।

জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস ও গ্রিস যৌথভাবে এ পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। এর আওতায় এ দেশগুলোর কোনোটিতে আশ্রয়ের আবেদন চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হলে বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের আশ্রয়প্রার্থীদের অস্থায়ীভাবে তৃতীয় কোনো দেশে রাখা হবে।

এক্ষেত্রে সম্ভাব্য হোস্ট দেশ হিসেবে কেনিয়াসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ ও উজবেকিস্তানের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।

পাঁচটি দেশের মধ্যে গ্রিস রিটার্ন হাব বাস্তবায়নে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রস্তাবিত নতুন রিটার্ন রেগুলেশন থেকেই পাঁচ দেশের এ উদ্যোগের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। প্রস্তাবিত এ আইনি কাঠামোয় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে ইইউর বাইরে 'রিটার্ন হাব' প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

বণিক বার্তা
সমকাল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে স্কেল) ঘোষণার প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের যে প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, তা আপাতত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবটি আরও পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বৈঠকে নতুন পে স্কেলের আর্থিক প্রভাব, সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় আইএমএফের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়টিও আলোচনায় আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিষয়টি নিয়ে আরও কয়েক দফা বৈঠক হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ভিত্তিতে অর্থ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করবে।

তবে সরকার দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে। অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রাজস্ব আয় এবং বাজেটের ওপর সম্ভাব্য চাপ বিবেচনা করেই নতুন পে স্কেলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- 11-party alliance falling apart অর্থাৎ ভাঙনের মুখে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। জোটের অন্যতম শরিক খেলাফত মজলিস ঘোষণা দিয়েছে, তারা আর জোটের কর্মসূচিতে অংশ নেবে না। এর আগে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনও একই অবস্থান জানায়।

এদিকে হেফাজতে ইসলাম কওমিভিত্তিক সাতটি ইসলামী দলকে নিয়ে নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে জামায়াতের দাবি, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন এখনও ১১ দলীয় জোটের সদস্য। পাশাপাশি হেফাজতের এই উদ্যোগকে সরকারবিরোধী আন্দোলন দুর্বল করার একটি ষড়যন্ত্র বলেও অভিযোগ করেছে দলটি।

মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

২৭ বছর আগে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে চলন্ত ট্রাকে আগুন দেয়ার ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে প্রাণ যায় চালক নওশাদ নসুর। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন।

আসামি করা হয় বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সহ ২৯ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর তদন্তের পর অভিযোগপত্রও দেয় পুলিশ।

এতে প্রধান আসামিসহ অব্যাহতি দেয়া হয় ২০ জনকে। এরপর কেটে গেছে আরও প্রায় ২৪ বছর। মামলার ৮ আসামি এখনো আদালতে ঘুরছেন। বিচার এখনো শেষ হয়নি। বরং সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়েই আটকে আছে বিচারপ্রক্রিয়া।

অভিযোগপত্রে থাকা ১৭ সাক্ষীর কেউই ২৭ বছরে আদালতে এসে সাক্ষ্য দেননি। সাক্ষী হাজির করতে আদালত থেকে সমন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, এমনকি জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। তবু সাক্ষীদের আদালতে হাজির করা যায়নি।

এই মামলায় অন্তত ২৬০ বার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য হয়। প্রতিবারই কোনো না কোনো কারণে শুনানি পিছিয়েছে। প্রতিবার রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সাক্ষী হাজির করতে সময় চাওয়া হয়। আদালতও বিরতিহীনভাবে সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এভাবেই বছরের পর বছর ঝুলে আছে মামলাটি। ভুগছে মামলার ৮ আসামি।

টাইমস অফ বাংলাদেশ

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- False July cases put complainants in dock অর্থাৎ ভুয়া জুলাই মামলা, এবার অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের করা শতাধিক মামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায়, অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতের কাছে আবেদন করেছে পুলিশ।

তদন্তে দেখা গেছে, অনেক মামলায় কাল্পনিক ঘটনা, ব্যক্তিগত বিরোধ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্দোষ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। এমনকি কিছু মামলায় যাদের মৃত দাবি করা হয়েছিল, তারা জীবিত রয়েছেন। আবার কিছু অভিযোগকারী বা ভুক্তভোগীরও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, এসব ভুয়া মামলা প্রকৃত ঘটনার তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করছে। একই সঙ্গে ময়নাতদন্ত ছাড়াই অনেক মরদেহ দাফন হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণও নষ্ট হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখন আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারবেন।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার শীর্ষ খবর- LNG terminal still offline, power output down 1,500MW অর্থাৎ এলএনজি টার্মিনাল এখনও অচল, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ১,৫০০ মেগাওয়াট

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনালটি এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি, কবে স্বাভাবিক হবে তাও নিশ্চিত নয়।

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ মেগাওয়াট কমে গেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে, আর গ্যাস সংকটে ভুগছে বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র।

এদিকে জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। কেউ উৎপাদন কমিয়েছে, কেউ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করছে। এতে সামনের দিনে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুগান্তর

অনেক গুরুতর প্রশ্নের মুখে সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, ইসলামী ব্যাংক দখলে এস আলম গ্রুপকে সহায়তা করাসহ বিভিন্ন বিষয় এখন সামনে চলে আসছে। দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ার অভিযোগও কম নয়।

শুধু তাই নয়, গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে জুলাই গণহত্যায় তার সমর্থন থাকার বিষয়টিও।

সম্প্রতি হাইকোর্টে দাখিল করা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদনে ইসলামী ব্যাংকের ৮০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারিতে মো. সাহাবুদ্দিন ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স জড়িত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার এ বিষয়ে শুনানিও হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি থাকাবস্থায় দায়মুক্তি দেওয়ায় মো. সাহাবুদ্দিনকে এসব অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে কি না-সেই প্রশ্ন এখন টক অব দ্য কান্ট্রি।

কালের কণ্ঠ

রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম থানাধীন শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের দুটি গয়নার দোকান থেকে ২৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন ওই মার্কেটের পাঁচজন নিরাপত্তাপ্রহরী।

গতকাল রবিবার সকাল ৬টার দিকে এই চুরির ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করছে দারুসসালাম থানার পুলিশ। এই পাঁচ প্রহরী ভুয় পরিচয়পত্র ও ঠিকানা দিয়ে সিকিউরিটি কম্পানিতে চাকরি নিয়েছেন এবং সোনা চুরির মধ্য দিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান।

জানা যায়, শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার আল রাজ্জাক জুয়েলার্স ও এ হোসেন জুয়েলার্স থেকে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি হয়। দোকান দুটির মালিক যথাক্রমে মো. জসিম উদ্দিন ও আবুল হোসেন।

এ ঘটনায় দারুসসালাম থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। তবে গতকাল রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। চুরি হওয়া কোনো স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

দারুসসালাম থানার ওসি মো. দুলাল হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এটি একটি সুপরিকল্পিত চুরির ঘটনা।'

নয়া দিগন্ত

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে দেশ

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের বড় একটি অংশে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পরিবেশবিষয়ক সংস্থা এসডোর এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতে (৭৬.৫ শতাংশ) অতি সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণা রয়েছে। শিশুদের টুথপেস্ট থেকে শুরু করে সংবেদনশীল দাঁতের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ টুথপেস্টও এর বাইরে নয়।

এসডো ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথভাবে পরিচালিত এক বছরব্যাপী এই গবেষণায় ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করা হয় এবং ২,৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানো হয়।

গবেষকরা বলছেন, দেশে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা নির্ধারণে কোনো জাতীয় মানদণ্ড বা নিয়মিত নজরদারি ব্যবস্থা নেই। তাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত কার্যকর নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

প্রথম আলো

সরকার ১১টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের। এর আগে কখনোই সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে একসঙ্গে এত দলীয় লোক নিয়োগ দিতে দেখা যায়নি।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে বাইরে থেকে কাউকে নিয়োগ দিতে আইনি কোনো বাধা নেই। তবে এত দিন ধরে এসব পদে আমলা নিয়োগ প্রচলিত একটা ব্যবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডসহ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রাজনীতিবিদদের বসানো হয়েছিল। পরে বিভিন্ন সরকারের সময় এমন নিয়োগ হলেও তা ছিল সীমিত পরিসরে।

জনপ্রশাসনবিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাজনীতিবিদদের নিয়োগের সুফল আগে পাওয়া যায়নি। এখন দেখার বিষয়, নতুন নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা নিজ নিজ পদে কেমন ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি আইনে এমন নিয়োগের অবারিত সুযোগের অপব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

নবনিযুক্ত ব্যক্তিদের বেশ কয়েকজন গতকাল রোববার নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডসহ আরও কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে দলীয় লোক নিয়োগের চিন্তাভাবনা চলছে।