পত্রিকা: 'ভাসমান ২ এলএনজি টার্মিনাল চালু, মধ্যরাত থেকে বাড়বে গ্যাস সরবরাহ'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হয়েছে, প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে।

মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এর ফলে সারাদেশে চলমান গ্যাস-সংকট ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে এলএনজিবাহী একটি কার্গো মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। শনিবার বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারাদেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, বেলা ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এদিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারাদেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা।

তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই, সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর— Bangladesh faces new charge on india electracity imports; অর্থাৎ ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ গুণতে হবে বাংলাদেশকে।

খবরটিতে বলা হয়েছে, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন এক মাশুল বা চার্জের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউনিটপ্রতি এই চার্জের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি।

বিদ্যুতের মূল শুল্ক বা ট্যারিফ থেকে এই চার্জটি আলাদা; যেটি কি না মূলত গ্রিড পরিচালনা, সময়সূচি নির্ধারণ (শিডিউল), মিটার ববাদ, জ্বালানির হিসাবরক্ষণ এবং আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ লেনদেন নিষ্পত্তির বিষয়ের জন্য নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যাপার নিগম লিমিটেড (এনভিভিএন) ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে মালয়েশিয়া যে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কাজ দিয়েছে, তার অধিকাংশই অখ্যাত।

কীসের ভিত্তিতে তাদের বাছাই করা হয়েছে, তা জানায়নি দেশটি।

এর আগেও দুবার সীমিত সংখ্যক এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর কাজ দিয়েছিল মালয়েশিয়া, যা পরবর্তী সময় সিন্ডিকেট নামে পরিচিতি পায়।

একপর্যায়ে কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এখন নতুন করে সেই

পুরোনো পদ্ধতি অনুসরণ করায় আবার সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালে তৎকালীন মন্ত্রী-এমপি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের এজেন্সি কর্মী পাঠানোর কাজ পেয়েছিল। এবারের তালিকায় সরাসরি এমপি বা বিএনপির কোনো নেতার এজেন্সি নেই। তবে পাঁচ এমপি এবং এক নেতার অনুগতদের প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

জনশক্তি ব্যবসায়ীদের একটি অংশের ভাষ্য, কাজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আসলে ওই নেতাদের 'ডামি'।

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— মুঠোফোনে ঋণের ভয়ংকর ফাঁদ

এই খবরে বলা হয়েছে, শাহীন হোসেন নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী ফিনক্যাশ অ্যাপের মাধ্যমে তিন ধাপে ৬ হাজার টাকা ঋণ নেন। মাসখানেক মেয়াদের এই ঋণে তাকে শোধ করতে হয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ সুদের হার ৮০০ শতাংশ।

বেশি টাকা চাইছে দেখে তিনি পরিশোধে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তখন ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

ফিনক্যাশের মতো দৈনিকটি এমন ৩০টি অ্যাপের খোঁজ পেয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশে ঋণ দেয়; কিন্তু এসব অ্যাপ অবৈধ।

ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এসব অ্যাপের নিয়ন্ত্রকেরা ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রলুব্ধ করতে বিজ্ঞাপন দেয়।

কেউ ঋণ নিতে অ্যাপ ডাউনলোড করলে ব্যক্তির অজান্তেই তার মুঠোফোন থেকে ছবি ভিডিও, সবার নম্বর, খুদে বার্তাসহ বিভিন্ন তথ্য নিয়ে নেয়।

পরে ঋণের বিপরীতে উচ্চ সুদ দাবি করা হয়। পরিশোধ না করলে মানুষকে হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়।

বাংলাদেশে এই প্রবণতা নতুন এবং এখনো খুব বেশি বিস্তার লাভ না করলেও ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এটা ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে বলে উল্লেখ করছে সেসব দেশের সংবাদমাধ্যম।

টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— Cabinet reshuffle: Tarique walks the old path; অর্থাৎ মন্ত্রিসভায় রদবদল: পুরোনো পথেই তারেক।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত ও দপ্তর রদবদল করলেও বর্তমান বিএনপি সরকারের কাঠামোতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন দেখছেন না রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পূর্ববর্তী সরকারগুলোর পরিচিত পথেই হাঁটছেন।

একটি 'নতুন বাংলাদেশ' গড়ার প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রী নির্বাচন, দপ্তর বণ্টন, ক্ষমতার একক কেন্দ্রিকতা এবং বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কোনো নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয় না বলে তারা উল্লেখ করেন।

গত শুক্রবার চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর মন্ত্রিসভার পরিধি আরও বিস্তৃত হলে এই উদ্বেগ নতুন করে দেখা দেয়।

ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে এত বড় মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা।

তারা বলছেন, বর্ধিত মন্ত্রিসভা এবং উপদেষ্টাদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা নির্বাচনের আগে দেওয়া সরকারি ব্যয় কমানোর প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী।

পাশাপাশি, কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কারের অভাবে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা যায়নি, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল ক্ষমতা আগের মতো একক ব্যক্তির হাতেই রয়ে গেছে।

এদিকে, বিতর্ক ও নানা অনিয়মের অভিযোগে সমালোচিত বেশ কয়েকজন মন্ত্রী স্বপদে বহাল থাকায় ছয় মাসের এই পর্যালোচনা পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে করা হয়েছে, নাকি রাজনৈতিক আনুগত্য ও দলীয় হিসাব-নিকাশের ওপর, সে প্রশ্ন উঠেছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সরকারি ট্রেজারি বিলের চারটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নিলামের মাধ্যমে বাজার থেকে মোট ৪৪ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়, যা আগের মাসের তুলনায় ৬ হাজার কোটি টাকা বা ১৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।

জুলাইয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকার ঋণের বিপরীতে একই মেয়াদি বিলের ৩৯ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ট্রেজারি বন্ড নিলামের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাইয়ে ২ থেকে ২০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের মোট তিনটি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

এসব নিলামের মাধ্যমে বাজার থেকে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেয় সরকার। একই সময়ে এমন বন্ডের ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়।

অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকারসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো বলছে, পাঁচ-সাত বছর আগে থেকেই সরকার ঋণের ফাঁদে পড়া শুরু করেছিল। ঋণ নিয়েই সরকারকে ঋণ শোধ করতে হচ্ছে। রাজস্ব আদায় পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ঋণের ভার আরো ভারী হবে। এর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ।

যুগান্তরের প্রধান সংবাদ— নয় ঝুঁকিতে মেট্রোরেল

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পর গঠিত কারিগরি নিরাপত্তা নিরীক্ষা কমিটি দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এ ৯টি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে।

এর মধ্যে অন্যতম ৭৩০টি বেয়ারিং প্যাড অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি বিকৃত করা।

এছাড়া পিয়ার ও বক্স গার্ডারে ফাটল, ট্র্যাক ও ভূমি বসে যাওয়া, অতিরিক্ত কম্পন, ট্রেনের অস্বাভাবিক ঝাঁকুনি এবং পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার বিভিন্ন ঘাটতিও পাওয়া গেছে।

কমিটির মূল্যায়নে এগুলো বিচ্ছিন্ন বা সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণজনিত ত্রুটি নয়। বরং নকশার নিরাপত্তা নিশ্চয়তা, তৃতীয় পক্ষের যাচাই, নির্মাণের মান নিয়ন্ত্রণ, গতিশীল কার্যক্ষমতা পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণের প্রস্তুতি এবং পরিচালন নির্ভরযোগ্যতায় বিস্তৃত দুর্বলতার ইঙ্গিত।

কয়েকটি বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা বা আন্তর্জাতিক তৃতীয় পক্ষের যাচাই শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে জরুরি ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি।

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে এনসিপি

এই খবরে বলা হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময় করে নিজের কর্মসূচি ও রাজনৈতিক লক্ষ্য তুলে ধরছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে নিয়মিতই যোগাযোগ হচ্ছে দলটির।

যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, ফ্রান্স ও জার্মানির কূটনীতিক ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতা, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এসেও বৈঠক করেছেন কূটনৈতিকরা।

দেশ রূপান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— ঢাবি শিক্ষকদের রহস্যময় তালিকা, দায় নিয়ে বিতর্ক

এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তালিকা করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটি গঠন নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

এ তালিকা সিন্ডিকেট সভা হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে পৌঁছালেও দায়িত্ব স্বীকার করছেন না কেউ।

কীভাবে নাম বাছাই হলো, কারা তালিকাটি করলেন? এমনকি অভিযোগের ধরন নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি অংশকে চাপে রাখার উদ্দেশ্যেই বর্তমানে প্রভাবশালী কয়েকটি পক্ষ হঠাৎ করে এমন তালিকা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২৮ জুলাই সিন্ডিকেট সভায় ২৩১ শিক্ষকের একটি তালিকা উপস্থাপন করা হয়। এই শিক্ষকরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধী ছিলেন বলে দাবি করা হয়।

তবে সেই তালিকার বড় একটি অংশ কোনো সময়েই রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

জ্বালানি সঙ্কটে থমকে আছে শিল্প— নয়া দিগন্তের প্রধান খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় একদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না, অন্যদিকে শিল্প কারখানাগুলোকে উৎপাদন কমাতে হচ্ছে।

বাংলাদেশের শিল্প খাতের বড় একটি অংশ জাতীয় গ্রিডের পাশাপাশি ক্যাপটিভ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি গ্যাস।

ফলে গ্যাসের চাপ কমে গেলে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ থাকলেও কারখানার নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে শিল্পে মাসিক গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ৪৩৩ কোটি ঘনফুট; ২০২৫ সালে তা কমে হয় প্রায় ৩৭৪ কোটি ঘনফুট। একই সময়ে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রে মাসিক সরবরাহ প্রায় ৪৬৭ কোটি ঘনফুট থেকে কমে ৩৯৯ কোটি ঘনফুটে নেমেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে শিল্প ও ক্যাপটিভ খাতে সরবরাহ আরো কমেছে বলে তিতাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ অবস্থায় শিল্পকারখানাকে বিকল্প হিসেবে ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে।

উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ প্রতি লিটার ডিজেলের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত খরচ করার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে, গ্যাস সংকটে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কারখানা তাদের উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।