‘অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি: বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করেছে ইইউ’

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে আসছে সেপ্টেম্বরে নতুন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর কথা ছিল।

তবে বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ আলোচনা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরবর্তী দিনক্ষণ এখনো ঠিক করা হয়নি।

ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ জোসেফ বোরেল ফন্টেলেসের গত ৩০শে জুলাই এ সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করে।

মূলত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর ঘোষণা এসেছিল গত বছরের অক্টোবরে।

বিবৃতিতে জোসেফ বোরেল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগ এনে এ ঘটনার নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে ঘটা নিয়মবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা, নির্যাতন, গণগ্রেফতার ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় আমরা নিন্দা জানাই। এছাড়া আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের নিহত হওয়া ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতিসাধন নিয়েও আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

বিবৃতিতে এসব ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

এ খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে ‘আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত বল প্রয়োগ, নির্বিচারে গ্রেপ্তার এবং নির্যাতনের’ মতো বিষয়গুলোতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন।

ভবিষ্যৎ নির্যাতন বন্ধে দীর্ঘ মেয়াদে নিরাপত্তা খাতের সংস্কার জরুরি বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশন তথ্যানুসন্ধান (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং) দল পাঠাতে প্রস্তুত, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বিশ্বাস তৈরিতে সহায়তা করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে এমনটাই বলেছেন ভলকার টুর্ক। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে গত ২৩শে জুলাই তিনি এ চিঠি লেখেন।

চিঠিতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিচার ও জড়িতদের জবাবদিহি নিশ্চিতে সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং স্বচ্ছ তদন্ত যেমন জরুরি তেমনি ভবিষ্যৎ নির্যাতন বন্ধ করতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষায়, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে করতে দিতে দীর্ঘ মেয়াদে নিরাপত্তা খাতের সংস্কারও জরুরি।

এ খবরে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটাবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সহিংসতার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

বুধবার সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় মৎস সপ্তাহ-২০২৪’ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এমনটা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা জাতিসংঘের কাছেও আবেদন করেছি, আন্তর্জাতিকভাবেও বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে দেশে-বিদেশে তাদের কাছেও আমরা সহযোগিতা চাই যে এই ঘটনার যথাযথ সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং যারা এতে দোষী তাদের সাজার ব্যবস্থা হোক।’

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘কারণ, আমি জানি এতে আমার কোনো ঘাটতি ছিল না।’

কোটাবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনার তদন্তে আমরা ইতোমধ্যেই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি।’

‘তারা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করেছে। স্থাপনা যে ধ্বংস করেছে সেগুলোতো পুনর্গঠন করা যাবে কিন্তু যে প্রাণগুলো ঝরে গেল সেগুলোতো আমরা আর ফিরে পাব না।’ তিনি বলেন।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে বুধবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষ।

এই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন আন্দোলনকারীরা। এ সময় ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব স্থান থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেককে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পালটাপালটি ধাওয়া হয়েছে। এছাড়া বগুড়া, যশোর, ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি স্থানে বাধা উপেক্ষা করে কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিভিন্ন স্থানে পুলিশ শিক্ষার্থীসহ শতাধিক লোককে আটক করেছে। এতে সাংবাদিকসহ অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে দফায় দফায় লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে আহত হয়েছেন ১৫ জন। পুলিশ ১০ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে।

সিলেটে পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রথমে বাধা, পরে টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় শিক্ষার্থীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ' নামে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘মানুষের মৃত্যু সন্ত্রাসীদের গুলিতে, বলছে পুলিশ’। এ খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকায় বিক্ষোভকালে নিহত অন্তত ৬৪ জনের ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ।

এসব মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী বা দুষ্কৃতকারীদের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে।

পুলিশ বাদী হয়ে করা ৩৪টি মামলা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মামলাগুলোর এজাহারের শেষাংশে বর্ণনা প্রায় একই রকম।

তাতে বলা হয়, বিএনপি ও জামায়াত এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে সন্ত্রাসী অথবা দুষ্কৃতকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করে।

নিহতের ঘটনা ঘটেছে কোটাবিরোধী আন্দোলনের আড়ালে থাকা সন্ত্রাসী বা দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে।

পুলিশের মামলার বাইরে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে। মামলার নথিতে বাদী হিসেবে নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের নাম রয়েছে। এসব মামলায়ও ‘সন্ত্রাসীদের গুলিতে’ মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।

এর মধ্যে দুটি মামলার নথিতে উল্লেখ করা বাদীর নম্বরে ফোন করা হলে তারা প্রথম আলোকে বলেন, মামলার বিষয়টি তারা তেমন বোঝেন না। স্বজনদের মরদেহ নেওয়ার সময় তাঁদের বিভিন্ন কাগজে সই নেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদে যুক্ত জামায়াত-শিবির নেতাদের তালিকা করা হতে পারে। এরই মধ্যে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এই দাবি জানানো হয়েছে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। প্রক্রিয়া শেষ হলেই ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।

জামায়াত-শিবির নেতাদের তালিকা করার ব্যাপারে ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি হলো জামায়াতকে নিষিদ্ধ শুধু নয়, তাদের নিষ্ক্রিয় করতে হবে।

দলটির যারা সশস্ত্র নেতাকর্মী আছেন তাদের যেকোনোভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এটা করা না গেলে তারা সমাজে ঘাপটি মেরে থাকার সুযোগ পাবেন।

সরকার, আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, নির্বাহী আদেশে জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা হলেই তারা থেমে যাবে না।

এ কারণে এই সংগঠনগুলোর যারা সন্ত্রাসে যুক্ত, এদের অর্থ জোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো, বিদেশি সংযোগগুলোকেও চিহ্নিত করার পথে হাঁটতে চায় সরকার।

জামায়াত নিষিদ্ধের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর পর্যায়ক্রমে এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

সংবাদের প্রধান শিরোনাম, ‘তোপের মুখে ওবায়দুল কাদের’। এ প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাবেক ছাত্রনেতাদের মতবিনিময়ের জন্য ডেকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের তোপের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এ সময় ভিন্ন একটি কারণে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাককেও ছাড় দেননি সাবেক ছাত্র নেতাদের কয়েকজন।

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের কেউ কেউ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন।

বুধবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মতবিনিময় করতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল।

উপস্থিত ছাত্রনেতাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা মতবিনিময় না করেই গণমাধ্যমের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে শুরু করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্যে করে ছাত্রনেতাদের মধ্যে একজন বলে ওঠেন, ‘ডেকে এনে আপনি একাই কথা বলা শুরু করলেন, আমাদেরওতো বহু কথা আছে।’

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম, ‘দেশ ছাড়েন দুই ডজন মন্ত্রী-এমপি’। প্রতিবেদনে বলা হয়, ছাত্রদের কোটা আন্দোলন ও দেশের পরিস্থিতি সহিংস হওয়ার মধ্যেই অনেক মন্ত্রী-এমপি দেশ ছেড়েছেন। আবার বিদেশে অবস্থান করা কেউ কেউ ফিরে এসেছেন।

এ সংবাদটিতে বলা হচ্ছে, গত ১৪ই জুলাই দেশের পরিস্থিতি নাজুক দেখে বিদেশ থেকে ফ্লাইটের টিকিট কেটে ঢাকা ছাড়েন অনেক প্রভাবশালী।

তারা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড, চীন এবং দুবাই পাড়ি জমান।

এ পরিস্থিতিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন বিশিষ্টজনেরা। দেশের এই টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে তাদের এই বিদেশযাত্রা নিয়ে সরকারি দলের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৫ই জুলাই মধ্যরাতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) তার পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে রাত একটা ৪০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

এক দিন পর ১৬ই জুলাই লন্ডন যান এমপি ইলিয়াস মোল্লা। পরে তিনি ২৬শ জুলাই দেশে ফিরে আসেন বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে।

একই দিন পরিবারের ১১জন সদস্য নিয়ে কুমিল্লা-১১ আসনের এমপি ও সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রুমানা আলী ১৬ই জুলাই যান মালয়েশিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন পরিবারের চার সদস্য।

ময়মনসিংহ-৮ আসনের এমপি মাহমুদ হাসান সুমন পরিবারের চার সদস্য নিয়ে গেছেন সিঙ্গাপুরে, এবং কুমিল্লা-৮ আসনের এমপি আবু জাফর মোহাম্মদ শফি উদ্দিন গেছেন চীন।

এছাড়া ১৭ই জুলাই রাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে যান চট্টগ্রাম-১ আসনের এমপি মাহবুব উর রহমান।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘Harun, Biplab among six DMP officials transferred’ অর্থাৎ, ‘হারুন, বিপ্লবসহ ডিএমপির ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ এবং যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারকে নিজ নিজ পদ থেকে বদলি করা হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আটক ছয় সমন্বয়কারী পুলিশ হেফাজতে ডিবি কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার কয়েকদিন পর হারুনের বদলির আদেশ জারি করা হয়।

প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য সমন্বয়কারী এবং কো-অর্ডিনেটররা এই ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন যে এটি বন্দুকের মুখে জোর করে নেওয়া হয়েছিল।

বুধবার রাতে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে এ বদলির কথা জানানো হয়।

হারুনকে ডিএমপি সদর দফতরের অপরাধ ও অপারেশনের অতিরিক্ত কমিশনার এবং বিপ্লবকে অ্যাডমিন ও গোয়েন্দা-দক্ষিণের যুগ্ম কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।