পত্রিকা: 'বেশি চিন্তা তৈরি পোশাকে, কারখানা বন্ধের শঙ্কা'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বেশি চিন্তা তৈরি পোশাকে, কারখানা বন্ধের শঙ্কা— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যে ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে বসায় চিন্তায় পড়েছে দেশের ব্যবসায়ীরা, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের রপ্তানিকারকেরা।

তারা বলছেন, এই শুল্কহার যদি শেষ পর্যন্ত বহাল থাকে, তাহলে ভয়ানক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে রপ্তানি খাত। প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে অর্থনীতির যেমন ক্ষতি হবে, তেমনি কাজ হারাতে পারে অনেক শ্রমিক।

তৈরি পোশাক কারখানার মালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, "শেষ পর্যন্ত যদি ৩৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক বহাল থাকে, তবে আমাদের পোশাক খাতে শুল্ক ৫০ শতাংশের বেশি হবে। কারণ পাল্টা শুল্ক আরোপের আগে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করতো। এটা আমাদের রপ্তানিকে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে দেবে।"

ভিয়েতনাম, ভারতসহ প্রতিযোগী দেশগুলো বাংলাদেশের বাজার দখল করে নিতে পারে— এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে এখন বাংলাদেশি পণ্যের দাম কমাতে হবে। আর দাম কমালে কারখানাগুলো লোকসানে পড়বে।

আজকের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজকের পত্রিকা

মার্কিন শুল্ক কমানো সম্ভব না হলে ভিয়েতনামের চেয়ে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা— বণিক বার্তা পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

বলা হয়েছে, বিশ্বে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে চীনের পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে গত বছর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল এক শতাংশেরও কম। অন্যদিকে, বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি ছিল নয় শতাংশের বেশি।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেশটির বাজারে ভিয়েতনামের পণ্য রফতানিতে ২০ শতাংশ শুল্কহার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের জন্য এ হার ৩৫ শতাংশ।

এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শুল্কহারে ছাড় না পেলে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, মার্কিন শুল্কের কারণে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলে সেক্ষেত্রে দেশটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ক্রয়াদেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারবে।

আর, ভারত ও পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলে তারা বাংলাদেশের বাকি ৮০ শতাংশ ক্রয়াদেশের ওপর প্রভাব ফেলার ক্ষেত্র তৈরি হবে।

এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দরকষাকষির মাধ্যমে শুল্কের পরিমাণ কমানো সম্ভব না হলে সেটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ নিয়ে ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম —Dhaka pins hope on last-minute talks

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লেখা এক চিঠিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, তা নিরসনে চলমান আলোচনার ওপর ভরসা রাখছে ঢাকা।

এমনটাই বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

অর্থনীতিবিদদের বরাতে এতে বলা হয়, প্রস্তাবিত এই শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের আঘাত আসতে পারে। তাই চলমান আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রকে এই শুল্ক হ্রাসে রাজি করাতে না পারলে দেশের জন্য তা গুরুতর হতে পারে।

বাংলাদেশের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা এস কে বশির উদ্দিন, যিনি গত চৌঠা জুলাই ওয়াশিংটনে পৌঁছান। আলোচনাটি আগামী ১১ই জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তারা যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করতে পারবে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানীয়, সামরিক সরঞ্জাম ও বোয়িং বিমানের মতো পণ্য আমদানি করবে।

নিউ এজ
ছবির ক্যাপশান, নিউ এজ

ডেঙ্গু আতঙ্কের জনপদ— মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

বরগুনা থেকে এই প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। কারণ এই জেলায় প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে মানুষ মারা যাচ্ছে।

গত তিন মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। জেলা শহর থেকে উপজেলাগুলোর গ্রামে গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। এই জেলার প্রায় ঘরে ঘরেই এখন ডেঙ্গু রোগী।

প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে কোনও শয্যা খালি নেই। জেলা জুড়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এখানকার চিকিৎসক ও সেবিকারা।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সিঁড়ি, বেলকনি, রিসেপশন কক্ষসহ যেখানেই একটু জায়গা মিলছে, সেখানেই মেঝেতে বিছানা পেতে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বরগুনায় ডেঙ্গুর ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণ হিসাবে আইইডিসিআর'র একটি গবেষক দল জানিয়েছেন, জেলাটিতে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার কারণে এডিসের লার্ভা থেকে ডেঙ্গু ব্যাপক আকারে ছড়িয়েছে।

সদর উপজেলায় লার্ভার ঘনত্ব মিলেছে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত সাড়ে ৮ গুণ বেশি।

বরগুনার উপজেলাভিত্তিক মোট আক্রান্তের মধ্যে বরগুনা সদরে তিন হাজার ১৭৯ জন, পাথরঘাটায় ১৭৫ জন, বামনায় ১১৪ জন, তালতলীতে ৫৭ জন, আমতলীতে ৪৩ জন এবং বেতাগীতে ৩৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

মৃতদের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৫শে মার্চ থেকে আটই জুলাই পর্যন্ত ৩১ জন মৃত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে ২৫ জনের বাড়ি বরগুনা সদরে, চার জনের বেতাগীতে ও দুই জনের পাথরঘাটায়।

মানবজমিন
ছবির ক্যাপশান, মানবজমিন

টানা বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগ— সংবাদ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, টানা বর্ষণের ফলে দেশের বিভন্ন এলাকা, বিশেষ করে দক্ষিণের জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। অনেক স্থানে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি।

উদাহরণস্বরূপ, গত পাঁচদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও গতকাল সোমবার সন্ধ্যা থেকে টানা বর্ষণে পটুয়াখালী শহরের নিম্নাঞ্চল গুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সড়কে পানি ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরবাসী।

টানা বর্ষণের প্রভাবে জেলার উপকূলীয় রাঙ্গাবালী উপজেলাসহ নিম্নাঞ্চল গুলোতেও সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। অধিকাংশ খাল ভরাট, স্লুইস গেট ও জলকপাট অকেজো এবং পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় কৃষিজমি এবং বীজতলা তলিয়ে যাচ্ছে।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গতকাল সোমবার দুপুর ১২টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২২৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মাহাবুবা খুশী জানান, আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদ
ছবির ক্যাপশান, সংবাদ

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের জটিলতার অবসান কবে— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশসংক্রান্ত জটিলতা এখনো কাটেনি। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) দেওয়া প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থাকলেও অনেক পেশাদার সাংবাদিক সেই কার্ড দেখিয়ে সচিবালয়ে ঢুকতে পারছেন না।

যদিও একটি অস্থায়ী তালিকায় নাম থাকা সাংবাদিকেরা প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড থাকার মানে কী?

সাংবাদিকেরা বলছেন, মাসের পর মাস ধরে এই জটিলতা চললেও এর কার্যকর সমাধান হচ্ছে না। এতে সাংবাদিকেরা পেশাগত কাজে প্রতিবন্ধকতায় পড়ছেন। কবে এ সমস্যার সমাধান হবে, সেটাও স্পষ্ট করে বলছে না সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পিআইডি।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডধারীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার। যদিও পরে আওয়ামী লীগ সরকার তখন মূলধারার প্রতিটি গণমাধ্যমের কার্ডের কোটা কমিয়ে দিয়েছিল।

ফলে, বৈধ কার্ডের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় দুই হাজার ৯০০।

তবে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন দফায় মোট ১৬৭ জনের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করে পিআইডি।

ঢালাওভাবে কার্ড বাতিলের পদক্ষেপ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতের অন্তরায় বলে প্রতিবাদ জানায় সম্পাদক পরিষদ।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

নির্বাচনে নতুন ভয় এআই— দেশ রূপান্তর পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আপত্তিকর ছবি, ভিডিও বা অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বিশ্ব্যাবপী।

বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ডিপফেক ভিডিও, অ্যালগরিদমে ভর জনমত প্রভাবিতকরণে এআইর ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। আগামী নির্বাচনে এআইকে হাতিয়ার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আগামী নির্বাচনে এআইয়ের অপব্যবহারকে নির্বাচন কমিশন বড় হুমকি হিসেবে দেখছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে সিইসি এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে কানাডার সহায়তা চেয়েছেন। কারণ, সম্প্রতি কানাডার নির্বাচনে এ বিষয়টির মোকাবিলা করতে হয়েছে তাদের।

এআই প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার ও বৈচিত্র্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন দেশ আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার রোধে এখনো আইনি কাঠামো নেই।

সম্প্রতি 'সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫'-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এআই ব্যবহারের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

দেশ রূপান্তর
ছবির ক্যাপশান, দেশ রূপান্তর

সংবিধানে 'গণভোট' ফেরানোর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম যাতে বলা হয়েছে, গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে এক যুগ আগে আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানে যে পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছিল, তার কিছু অংশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার এই রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে আদালত বলেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের ৫৮ক অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে তা বাতিল ঘোষণা করা হলো।

রায়ে বলা হয়েছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো হিসেবে ধারা দুটি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। তবে ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনী আইনটি সামগ্রিকভাবে বাতিল করা হয়নি।

কালের কণ্ঠ
ছবির ক্যাপশান, কালের কণ্ঠ

পদ্মা সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আকস্মিক পদ্মার আগ্রাসী থাবায় জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধের প্রায় ১৫০ মিটার অংশ বিলীন হয়ে গেছে।

পদ্মার দুই ঘণ্টার এই ভাঙনে বাঁধের পাশে থাকা ১২টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও একটি টিন শেড বাড়ির আটটি কক্ষ নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

এ সময় অনেক চেষ্টা করেও শ্রমিক সঙ্কট ও বৈরী আবহাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর রক্ষা করতে পারেনি।

এদিকে ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে পদ্মার তীরবর্তী আলমখার কান্দি, হাজী ওসিমুদ্দিন মাদবর কান্দি ও স্থানীয় মঙ্গল মাঝির বাজার।

স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. আলতাফ খান বলেন, পদ্মা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে এই ভাঙন দেখা দিয়েছে। একে এই বাঁধে তিনবার ভাঙনের সম্মুখীন হওয়ায় এই এলাকার নদীতীরবর্তী গ্রামের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে অচিরেই হারিয়ে যাবে নাওডোবা এলাকার পদ্মা তীরবর্তী দু'টি গ্রাম ও মঙ্গলমাঝির হাট।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তারেক হাসান বলেন, এই বাঁধটি নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধটিতে আরও দুইবার ধস হওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে।

 নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়া দিগন্ত

মালয়েশিয়ায় 'জঙ্গিবাদে' জড়িত ৩৫ প্রবাসীর বিরুদ্ধে মামলা— দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, এই মামলা হয়েছে ঢাকার বিমানবন্দর থানায়।

ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান গত রবিবার মামলার এজাহার গ্রহণ করে আগামী ১১ই অগাস্ট প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ঠিক করে দিয়েছেন।

অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ইনটেলিজেন্স শাখার পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল বাতেন গত পাঁচই জুলাই বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

বিমানবন্দর থানার প্রসিকিউশনের এসআই এস এম বখতিয়ার খালেদ জানিয়েছেন 'জঙ্গিবাদে জড়িত' থাকার অভিযোগে মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো তিন জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় গত শুক্রবার।

গতকাল মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে হাজির করে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

দৈনিক ইত্তেফাক
ছবির ক্যাপশান, দৈনিক ইত্তেফাক