'দ্রুত নির্বাচন চায় বিদেশিরা'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর, 'দ্রুত নির্বাচন চায় বিদেশিরা'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচন চেয়ে বিদেশি দেশগুলো চাপ বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও তারা দ্রুত নির্বাচনের দাবি জোরালো করেছে।

দুই মাস ধরেই সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলাপ-আলোচনা জোরালো হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মার্কিন নির্বাচনে জো বাইডেনের দলের পরাজয়ের পর থেকে বাংলাদেশ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের আলোচনা বাড়ে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করেছে বলে জানান ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেটি।

আঞ্চলিক দুই প্রভাবশালী দেশ ভারত, চীনসহ আরও কয়েকটি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

নির্বাচনে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশে কাজ শুরু করছে। ইউএনডিপির একটি প্রতিনিধিদল এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেছে।

বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর দাবির প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মহল দ্রুত নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক চাপের ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা ত্বরান্বিত হচ্ছে।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'ঘোষণাপত্র প্রকাশে মতৈক্য, আরও আলোচনা হবে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে, তবে এর প্রকৃতি ও প্রকাশের সময় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ঘোষণাপত্র তৈরির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সঠিক বার্তা দেওয়া সম্ভব।

বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা গত ১৫ বছরের আন্দোলন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনা, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব দেন।

কিছু দল ঘোষণা তৈরির জন্য একটি খসড়া কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে সবার মতামত অন্তর্ভুক্ত করা যায়। বৈঠকে অংশ নেওয়া দলগুলো দ্রুত তবে সঠিক প্রক্রিয়ায় ঘোষণাপত্র তৈরি করার কথা বলেছে।

এ সময় বিএনপি দেরিতে খসড়া পাওয়ার সমালোচনা করে। তবে সবাই সম্মত হয়েছে যে এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য নষ্ট না করে যথাযথভাবে তৈরি করা উচিত।

বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তবে সিপিবি ও ১২-দলীয় জোট বৈঠকে উপস্থিত ছিল না।

সিপিবি সময়মতো আমন্ত্রণ না পাওয়ার অভিযোগ করেছে। বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, ঘোষণাপত্র তৈরিতে আরও আলোচনা হবে এবং দ্রুত একটি কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে।

পত্রিকা

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'সাবেক ইসি'র বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুদক'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে তারা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছেন। এই নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক অর্থ অপচয় এবং ভোট কারচুপির অভিযোগ রয়েছে।

২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে কাজী রকিবউদ্দিন কমিশন ২৬৪ কোটি টাকা ব্যয় করেছিল। ২০১৮ সালে নুরুল হুদা কমিশন তা বাড়িয়ে ৭০০ কোটি টাকায় নেয়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ব্যয় ছিল ২৩শ কোটি টাকা।

এসব নির্বাচনে ব্যালট ভরার মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালের "রাতের ভোট" নামে পরিচিত নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট বাক্স ভরা হয়। ১০৩টি কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে দাবি করা হয়, যা অস্বাভাবিক।

তদন্তে সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সম্পদ ও দায়িত্ব পালনের সময় রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ক্ষতির বিষয়টি নিয়েও অনুসন্ধান চলবে।

দুদক জানিয়েছে, নির্বাচন ব্যবস্থার অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ, তবে রাষ্ট্রের অর্থ ও গণতন্ত্র রক্ষায় এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পত্রিকা

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর, '৩,৫৬৩ কোটির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার আদালত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম ও তার পরিবারের মালিকানাধীন ২৪টি কোম্পানির তিন হাজার ৫৬৩ কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন।

এসব কোম্পানির ৩২ কোটির বেশি শেয়ারের মালিকানা রয়েছে তাদের। দুদকের আবেদনের পর আদালত এই সিদ্ধান্ত নেয়।

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত।

তাদের মালিকানাধীন শেয়ার হস্তান্তরের চেষ্টা করার তথ্য পাওয়ায় এসব শেয়ার অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে তাদের ২০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১২৫টি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করা হয়। ৭ই অক্টোবর তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এস আলম গ্রুপের ২৪টি কোম্পানি, যেমন এস আলম ট্যাংক টার্মিনাল, এস আলম সিমেন্ট, এবং এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এসব শেয়ারের অন্তর্ভুক্ত।

আদালত মনে করছে, এসব শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। এই মামলায় তদন্ত চলমান, এবং দুদক এই সম্পদ ও অর্থপাচারের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

পত্রিকা

সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'কিছু খাতে শুল্ক-কর পুনর্বিবেচনা'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রেস্তোরাঁ মালিকদের আন্দোলনের পর সরকার ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর কিছু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রেস্তোরাঁ খাতে পাঁচ শতাংশ ভ্যাট বহাল রেখেছে এবং ই-বুক আমদানি ও সরবরাহে ভ্যাট অব্যাহতি দিয়েছে।

এছাড়া, পোশাক, মিষ্টি, মোটরগাড়ির গ্যারেজ ও ওয়ার্কশপের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

হজযাত্রীদের বিমান টিকিটের ওপর আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, মোবাইল ইন্টারনেটের বাড়তি শুল্ক বাতিল হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ খাত, যেমন ওষুধ ও পোশাক, এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ভ্যাট পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে, ৯ই জানুয়ারি সরকার রেস্তোরাঁ, মিষ্টি, এবং পোশাকসহ শতাধিক পণ্যে ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

তবে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ এবং মানববন্ধনের পর এই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা হয়। রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির দাবি ছিল, বর্ধিত ভ্যাট জনস্বার্থ ও ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের জন্য ই-বুক সহজলভ্য করতে এ খাতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে সংবাদপত্র, পত্রিকা বা সাময়িকীতে এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়। চলমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় সরকার ভ্যাট হ্রাসের বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, '7 hurt as cops foil march for adivasis' অর্থাৎ, 'আদিবাসীদের মিছিল বানচাল, পুলিশের হামলায় আহত ৭'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আদিবাসীদের অধিকারের দাবিতে মিছিলে পুলিশের বাধার মুখে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হয়ে বিক্ষোভকারীরা মিছিল শুরু করেন।

তারা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড

(এনসিটিবি) অফিসের সামনে আদিবাসী শব্দটি বই থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে আগে থেকেই আন্দোলন করছিল।

মিছিলটি শিক্ষাভবনের সামনে এলে পুলিশ বাধা দেয়। বিক্ষোভকারীরা বাধা অতিক্রমের চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, লাঠিচার্জ এবং সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

এতে ছয়জন শিক্ষার্থীসহ সাতজন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, আদিবাসীদের ওপর আগের হামলার ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। সরকার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বুধবারের হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, অভিযুক্ত সংগঠনের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, জাগ্রত নাগরিক কমিটি নামের একটি সংগঠন তাদের একজন সদস্যকে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে বহিষ্কার করেছে। আহতদের জন্য চিকিৎসা ও বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, '১৭ লাখ ইমাম-মুয়াজ্জিন পাবেন সরকারি ভাতা'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ১৭ লাখ ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেমকে সরকার সম্মানী ভাতা দেবে।

এই ভাতা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের ১০ শতাংশ মসজিদে এই কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে সব মসজিদকেই এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।

ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেমদের যথাক্রমে পাঁচ হাজার, চার হাজার এবং তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন একটি সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে, যারা সারা দেশের মসজিদগুলোর তালিকা প্রস্তুত করবে।

মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০০৬ যুগোপযোগী করা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মরতদের সম্মানী নিশ্চিত করার জন্য এই কমিটি কাজ করবে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিত ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও একইভাবে ভাতা পাবেন। সরকারের পরিকল্পনায় ৫৬৪টি মডেল মসজিদ এবং ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্তদের সম্মানী পর্যায়ক্রমে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বর্তমানে, মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পে কর্মরত ৪৯ হাজার ৭১৯ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানী পাচ্ছেন।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে গত ছয় মাসে কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কার কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হলেও প্রাথমিক শিক্ষায় তার উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা নেই।

শীর্ষ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যারা আছেন, তাদের বেশিরভাগই প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা কম। এতে প্রাথমিক শিক্ষার নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার সামঞ্জস্য হচ্ছে না।

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা বহু সংকটে জর্জরিত। শিক্ষকদের দক্ষতার অভাব, শিক্ষাব্যবস্থার বৈচিত্র্য, রাজনৈতিক প্রভাব, এবং নীতিনির্ধারণী দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ।

শিক্ষকরা মানসম্মত বেতন না পাওয়ায় মেধাবীরা এই পেশায় আসতে চান না। পাঠদান পদ্ধতি এবং মূল্যায়নেও সংস্কার প্রয়োজন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন খাতে সংস্কার উদ্যোগ নিলেও প্রাথমিক শিক্ষায় তা সীমিত ছিল পরামর্শক কমিটি গঠনের মধ্যে। কমিটি এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিয়ে আসা জরুরি। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

কিন্তু অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নেয়া সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শিক্ষাখাতে স্থায়ী উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার চুক্তি অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার বৈঠক স্থগিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে শর্ত পাল্টানোর অভিযোগ তোলেন। হামাস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এরই মধ্যে গাজার বাসিন্দারা যুদ্ধবিরতি ঘোষণায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৮১ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, ছয় সপ্তাহের জন্য সংঘর্ষ বন্ধ থাকবে। হামাস বন্দিদের মুক্তি দেবে, আর ইসরাইল ধীরে ধীরে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।

চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশর মধ্যস্থতা করছে। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভও দেখা গেছে, যেখানে চুক্তিকে আত্মসমর্পণ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

হামাস জানিয়েছে, চুক্তি তাদের শর্ত পূরণ করেছে, যা ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার, বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসন এবং যুদ্ধের স্থায়ী সমাধানের দিকে এগিয়েছে।

নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চুক্তি সমর্থনের জন্য। যদিও গাজার মানুষ এখনো যুদ্ধের ক্ষতি থেকে মুক্ত হতে পারেনি।