চার বছরের সন্তানকে খুনে অভিযুক্ত সূচনা শেঠ সম্বন্ধে যা জানা যাচ্ছে

Published

ভারতের গোয়ায় চার বছরের বালকের ব্যাগবন্দী দেহসহ তার মাকে সম্প্রতি গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, সূচনা শেঠ নামে ওই মহিলা তার নিজের ছেলেকে হত্যা করেছেন।

প্রাথমিক তদন্তের ফলাফল ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, শ্বাসরোধ করে ওই শিশুকে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগ অবশ্য তিনি অস্বীকার করেছেন বলে গোয়া পুলিশ জানিয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স) নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংস্থা ‘মাইন্ডফুল এআই ল্যাব’-এর সিইও সূচনা শেঠ। বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা সূচনা শেঠের নাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কাজে পারদর্শী এমন ১০০ জন কৃতী নারীর তালিকায় রয়েছে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক নামকরা প্রতিষ্ঠানের রিসার্চ ফেলো হিসেবে তিনি যুক্ত ছিলেন।

মিজ শেঠের সঙ্গে তার স্বামী ভেঙ্কট রামনের বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। প্রাথমিক তদন্তের পর দাম্পত্য কলহকে এই হত্যার একটি কারণ বলে ধারণা করা হলেও এছাড়া অন্য কোনও মোটিভ আছে কি না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নর্থ গোয়ার পুলিশ সুপার নিধিন ভলসন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “ওই খুনের মামলার তদন্ত আমরা এখনও চালাচ্ছি।”

তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দফায় দফায় জেরা করা হয়েছে সূচনা শেঠকে।

মি. ভলসন বলেন, “ওই চার বছরের শিশুর মাকে আমরা আদালতে পেশ করার পরে ছয় দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় ওই শিশুর বাবা বিদেশে ছিলেন। তিনি দেশে আসার পর তদন্তের বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতাও করছেন।”

চিত্রদুর্গের হিরিউর তালুক হাসপাতালের প্রশাসনিক আধিকারিক ড. কুমার নায়েক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অন্তত ৩৬ ঘণ্টা আগে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। কোনও ধস্তাধস্তি বা প্রতিরোধের চিহ্ন মেলেনি। গলায় কোনও হাতের ছাপ মেলেনি। সম্ভবত মুখে কাপড় গুজে বা বালিশ চাপা দিয়ে তাকে মারা হয়েছে।”

তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ মিজ শেঠ যে সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন সেখান থেকে কফ সিরাপের দুটি খালি বোতল উদ্ধার করেছে। পুলিশের অনুমান, ওই শিশুকে কফ সিরাপ খাইয়ে ঘুম পাড়ানোর পর তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।

নিয়মমাফিক ‘ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড হিউম্যান বিহেভিয়র’-এ তাকে সাইকোলজিকাল টেস্টের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা জানার চেষ্টা করছেন, পদার্থ বিজ্ঞান ও ডেটা সায়েন্স নিয়ে গবেষণা করা এই নারী যিনি সংস্কৃত নিয়েও পড়াশোনা করেছেন তার মানসিক স্থিতি কেমন ছিল।

ঘটনা প্রবাহ

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর গোয়ার ক্যান্ডোলিমের একটি বিলাসবহুল হোটেলের সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টে গত ছয়ই জানুয়ারি ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে আসেন ৩৯ বছরের সূচনা শেঠ। আটই জানুয়ারি মাঝ রাতে তিনি ওই সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টের কর্মচারীদের ট্যাক্সি ডেকে আনার কথা বলেন।

ট্যাক্সি ভাড়া করে গোয়া থেকে বেঙ্গালুরু ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি। ট্যাক্সি ভাড়া করে বেঙ্গালুরু ফেরার চেয়ে বিমানপথে ফিরতে কম সময় ও অর্থ লাগবে বলে কর্মচারীরা জানান তাকে।

যদিও মিজ শেঠ কারও কথায় রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত রাত একটা নাগাদ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক ট্যাক্সি চালক তাকে বেঙ্গালুরু নিয়ে যেতে রাজি হন।

তিনি চলে যাওয়ার পরের দিন হোটেলের কর্মচারীরা রুম পরিষ্কার করতে গিয়ে একটি টাওয়েলে রক্তের দাগ দেখতে পান। হোটেলে ‘চেক ইন’-এর সময় মিজ শেঠের সঙ্গে তার ছেলেকে দেখা গেলেও ‘চেক আউটের’ সময় যে সে ছিল না, সে বিষয়টিও লক্ষ্য করেন কর্মচারীরা। হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়।

পুলিশ এসে নিশ্চিত করে সূচনা শেঠ যে ঘরে ছিলেন সেখানে পাওয়া দাগ রক্তের। হোটেলের কর্মচারীদের কাছ থেকে ট্যাক্সি ড্রাইভারের ফোন নম্বর নিয়ে চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি যে যাত্রীকে নিয়ে যাচ্ছেন তার সঙ্গে কোনও বাচ্চা ছেলে আছে কি না। সে সময়ে মিজ শেঠের সঙ্গেও পুলিশের কথা হয়।

জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, তার পুত্র এক বন্ধুর কাছে গোয়ার মারগাঁওতে আছে। পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে মিজ শেঠ বন্ধুর যে ঠিকানাটা দিয়েছেন সেটা ভুয়ো।

সময় নষ্ট না করে পুলিশ আবার যোগাযোগ করে ওই ট্যাক্সি চালকের সঙ্গে। সে সময় তিনি কর্ণাটকের চিত্রদুর্গের উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন। ট্যাক্সি চালককে কোঙ্কণী ভাষায় কাছের পুলিশ স্টেশনে যোগাযোগ করার কথা বলে পুলিশ, যাতে মিজ শেঠ তাদের কথা বুঝতে না পারেন।

ইতিমধ্যে চিত্রদুর্গের পুলিশকেও বিষয়টি সম্পর্কে দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হয়।

কথামতো একটি থানায় গাড়ি নিয়ে যান ওই চালক। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ট্যাক্সির ট্রাঙ্কে থাকা মিজ শেঠের স্যুটকেস থেকে ওই বালকের দেহ উদ্ধার করে।

তাকে গ্রেফতার করে প্রথমে চিত্রদুর্গের আদালতে পেশ করা হয়। এরপর ট্রান্সিট রিমান্ডে নিয়ে গোয়ার আদালতে পেশ করা হলে তাকে ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়া পুলিশের এক নারী কর্মকর্তা বলেন, “কয়েকদিন ধরে গোয়া তো খবরের শিরোনামে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অহরহ জানতে চাইছেন এই খুনের ঘটনার বিষয়ে। প্রতিবার কথা বলতে গিয়ে গা কাঁপছে। খুনের ঘটনা দেখেছি কিন্তু সুটকেসে পুরে বাচ্চার দেহ কোনও মাকে নিয়ে যেতে দেখিনি আমি।”

তদন্তে এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে

পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে যে সময়টাতে মিজ শেঠ ছেলেকে নিয়ে গোয়া গিয়েছিলেন, সে সময় বালকের বাবা মি ভেঙ্কট রামন ইন্দোনেশিয়াতে ছিলেন।

জানা গিয়েছে, মিজ শেঠ তার সঙ্গে বার কয়েক টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। ছেলের সঙ্গে খুব সামান্য সময়ের জন্য তার হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথাও হয়।

মিজ শেঠ চাইছিলেন না ছেলের সঙ্গে বাবা কথা বলুক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে জেরার সময় মিজ শেঠ বিভ্রান্ত করতে দাবি করেছেন, ছেলে যাতে বাবার সঙ্গে না কথা বলতে পারে তাই তিনি, বালিশ চাপা দিয়েছিলেন। এরপর ঘুমিয়ে পড়েন। উঠে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান।

প্রসঙ্গত, মিজ শেঠের হাতে একটি ক্ষত রয়েছে, ছেলেকে হত্যার পর তিনি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন কি না সে বিষয়টিও জেরার সময় জানতে চাওয়া হয়েছে তার কাছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গ্রেফতারের পর থেকে দফায় দফায় জেরা করা হলেও কখনোই ভেঙে পড়েননি তিনি। তার মধ্যে কোনও অনুতাপও দেখা যায়নি।

সূচনা শেঠ কে?

পদার্থ বিজ্ঞান এবং ডেটা সায়েন্স নিয়ে গবেষণা করেছেন সূচনা শেঠ। জন্মসূত্রে তিনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা। বাবা ব্যাংকে কাজ করতেন এবং সেই কাজের সূত্র ধরেই তিনি চেন্নাইতে বড় হয়েছেন।

স্কুল শেষ করে তিনি ফিরে আসেন কলকাতায়। ভবানীপুর সোসাইটি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতক হওয়ার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। বেঙ্গালুরুর রমন রিসার্চ ইনস্টিটিউটে রিসার্চ ফেলো হিসাবে গবেষণা করেন তিনি।

নিউ ইয়র্কের মোজিলা ডেটা অ্যান্ড সোসাইটি রিসার্চ ইনস্টিটিউটেও ফোর্ড মোজিলা ওপেন ওয়েব ফেলো হিসাবে গবেষণা করেছেন।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্কম্যান ক্লেইন সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

তা ছাড়া ডেটা অ্যানালিস্ট হিসেবে তিনি চাকরি করেছেন বেঙ্গালুরুতে। বছর খানেক আগে ‘মাইন্ডফুল এআই ল্যাব-এর সিইও হিসাবে কাজ শুরু করেন।

দাম্পত্য জীবনে কলহ

মেধাবী ছাত্রী ও কর্মজীবনে কৃতী সূচনা শেঠের সঙ্গে ভেঙ্কট রামনের বিয়ে হয়েছিল ২০১০ সালে। তাদের একমাত্র সন্তানের জন্ম হয় ২০১৯ সালে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ২০২১ সাল থেকেই আলাদা থাকছিলেন তিনি।

তাদের বিবাহ বিচ্ছদের মামলা প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে। গত বছর স্বামীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলা দায়ের করেন তিনি, খোরপোষের দাবিও করেন।

ভেঙ্কট রামন গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ অস্বীকার করেন। দু’জনের সম্পর্কের আরও অবনতি হতে থাকে।

ওই মামলায় গত বছর আদালত তাকে মাসে ২০ হাজার টাকা খোরপোষ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

মিজ শেঠের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না রাখা এবং তাদের ফ্ল্যাটে না যাওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। যদিও ছেলের সঙ্গে সপ্তাহে একদিন রবিবার দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয় আদালতের পক্ষ থেকে।

যদিও এই শর্তে রাজি ছিলেন না মিজ শেঠ।

মনোবিদরা কী বলছেন?

এই ঘটনার তদন্তের সময় অভিযুক্ত সূচনা শেঠের মানসিক স্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, লাইফলাইন ফাউনডেশনের ডেপুটি ডিরেক্টর মলি থাম্বি বলেন, “আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, হয়ত এটা কোনও সাইকোপ্যাথিক ডিসঅর্ডারের বহিঃপ্রকাশ। জীবনের মোড় ঘোরানো ঘটনাগুলো তো আমাদের মনের উপর তীব্র প্রভাব ফেলে হতে পারে ... সেখান থেকে রাগের বশে হয়তো তিনি এই কাজটা করে ফেলেছেন।”

কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটছে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সাইকিয়াট্রিস্ট ড. ওম প্রকাশ সিং বলেন, “ধীরে ধীরে দেখা যাচ্ছে মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। শুধু নিজেকে নিয়েই ভাবা, নিজের ভালো থাকাটা ক্রমশ বেশি প্রয়োজনীয় উঠছে যেন। অন্য কিছুর সঙ্গে অ্যাটাচমেন্ট নেই, সমস্ত অ্যাটাচমেন্ট নিজের সঙ্গে।”

“তাদের জীবনে যারা রয়েছেন, তাদের উপস্থিতিটাও নিজেদের ভালোর কথা ভেবে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে হাই অ্যাচিভারদের মধ্যে এই প্রবণতা কিন্তু দেখা যায়। তাছাড়া অন্যের প্রতি রাগটাও হয়তো একটা কারণ। এই ঘটনায় জানা গিয়েছে, উনি চাননি বাচ্চাটি তার বাবার সঙ্গে কথা বলুক। সে কারণে তিনি শিশুটিকে হত্যা করেছেন”, বলছিলেন ড. সিং।

সন্তান জন্মের পর ডিপ্রেশনের কারণে মা সন্তানকে হত্যা করেছে সে ঘটনা দেখা গেলেও সূচনা শেঠের ঘটনাটি কিন্তু বিরল। “আমি এরকম কোনও ঘটনা দেখিনি। তবে পোস্ট পার্টাম স্টেজে হরমোনাল বা অন্যান্য কারণের জন্য মা সন্তানকে হত্যা করেছেন এমন ঘটনা আমরা দেখেছি।”

এই জাতীয় ঘটনা এড়াতে, শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ ও কাউন্সেলর সত্য গোপাল দে অবশ্য জোর দিয়েছেন, ‘প্ল্যানড প্যারেন্টিং’-এর উপর।

তিনি বলেন, “এখানে দুটো জিনিস দেখতে হবে। প্রথম হলো, ওই মায়ের মানসিক পরিস্থিতি কেমন ছিল। আর দ্বিতীয় হলো, পেরেন্টিং। এখন দম্পতিরা হয়তো সন্তানের বিষয়টি আগে থেকে পরিকল্পনা করে থাকেন। কিন্তু প্ল্যানড বেবি হলেও প্ল্যানড পেরেন্টিং হচ্ছে না। আগেকার দিনেও প্ল্যানড পেরেন্টিং হত না। কিন্তু যৌথ পরিবার ছিল, প্রতিবেশীরা বাচ্চাদের দেখতেন, তাই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। এখন তো আর সেটা হয় না।”

পেরেন্টিং কন্সাল্টেন্ট পায়েল ঘোষ জোর দিয়েছেন “আমাদের তো বিভিন্ন ভূমিকা থাকে জীবনে যেমন বাবা-মা হিসাবে, অফিসের বস হিসাবে। এই ভূমিকাগুলোর মধ্যে কয়েকটাকে আমরা মন থেকে মেনে নিতে পারি আবার কিছু ক্ষেত্রে পারি না।”

তার কথায়, “নিকট দৃষ্টি দিয়ে ভাবলে মনে হতে পারে এটা করে আমাদের হয়তো লাভ নেই বা এই ভূমিকা পালন করতে আমার ভাল লাগছে না। হয়তো পরিকল্পনা করে সন্তানের জন্ম হলো কিন্তু পরে, আর ভাল লাগছে না। বাচ্চার দেখাশোনা, তার লেখা-পড়া, তার জন্য রাত জাগা এমন বিভিন্ন বিষয় খেয়াল রাখতে হয় বাবা-মায়েদের।"

"এই বিষয়গুলো নজরে রাখতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের বিরক্তির উদ্রেক হয়। তখন নিজের প্রতি ভালবাসা বা লাভ সেল্ফ বা ফ্রি লাইফ বিষয়গুলো মনে আসে। কিন্তু সব সময় আমাদের ভাবতে হবে এটা দূরদৃষ্টি নয়। আর নিজেদের মনকে বোঝাতে হবে বাবা-মায়ের ভূমিকা পালন করতে গিয়ে আমরা কিন্তু অনেক কিছু শিখি। আর ছোট ছোট খুশিগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।”