পত্রিকা: 'সরকারে গেলে কী করবে বিএনপি জানতে চাচ্ছেন কূটনীতিকরা'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তারা কী কী অগ্রাধিকার দেবে তা জানতে আগ্রহী হয়েছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা।

এই প্রেক্ষাপটে লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কাতার, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।

তারা বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার পরিকল্পনা, রাজনৈতিক রূপরেখা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করছেন।

বিদেশিরা বিশ্বাস করছেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপির জয় সম্ভাবনাময় এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের একটি নতুন সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।

গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয় এবং শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন।

এমন একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। এ সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক মহলে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে, বলা হয়েছে এই খবরে।

এতে আরও বলা হয়, আগে এসব বৈঠক নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানালেও এখন কূটনীতিকরা সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।

সবমিলিয়ে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিএনপির সম্ভাব্য ক্ষমতা গ্রহণ এবং সংস্কার উদ্যোগের দিকে আশাবাদী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'তপশিল ঘোষণা ডিসেম্বরে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রোজা শুরুর আগেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে এবং নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে হয়।

এই চিঠির মাধ্যমে সরকার ইসিকে নির্বাচন আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, তফসিল ঘোষণা হবে ডিসেম্বর মাসে এবং প্রস্তুতি শেষ হবে অক্টোবরের মধ্যেই।

এ নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও সবার আস্থা অর্জনই বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইসি এরই মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্র চূড়ান্তকরণ, নির্বাচন সীমানা নির্ধারণ, আইন ও বিধিমালা সংশোধন এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের বদলির কাজ শুরু করেছে।

প্রবাসীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে 'না ভোট', দলীয় প্রতীকে ভোট, এবং ইভিএম বাদ দেওয়ার প্রস্তাবসহ বেশ কিছু সংস্কার আসছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পর্যবেক্ষক দল সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশে আসবে।

সবমিলিয়ে, নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করতে সরকার ও ইসি সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপেও বসতে চায়।

ইসি আশা করছে, এবারের নির্বাচন হবে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সফল।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'নির্বাচনমুখী হচ্ছে দলগুলো'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এখন নির্বাচনি প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র ও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাকে বিএনপি স্বাগত জানালেও জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন এতে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

তারা নির্বাচনকালীন প্রশাসন, নিরাপত্তা ও 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' নিশ্চিতের দাবি তুলেছে।

এসব দল মনে করে, প্রশাসন এখনো পক্ষপাতহীন নয় এবং মাঠ পর্যায়ে এখনো একটি নির্দিষ্ট দলের আধিপত্য আছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিবন্ধক।

তারা চায় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি হোক এবং ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হোক।

যদিও ভোটের সময়সীমা নিয়ে তারা আপত্তি তোলেনি, তবুও প্রক্রিয়াটি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।

অন্যদিকে বিএনপি বলছে, নির্বাচন দ্রুত করতে হবে এবং সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের দাবি জানায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন, এখন থেকে সব দলই নির্বাচনের দিকে এগোবে।

তবে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, এটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

যুগান্তর
ছবির ক্যাপশান, যুগান্তর

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'ঐক্যবদ্ধ থাকুন, যেন মুখ দেখাদেখি বন্ধ না হয়'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বিএনপির বিজয় র‍্যালির সংক্ষিপ্ত সমাবেশে যুক্ত হয়ে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে। তবে গণতন্ত্রের স্বার্থে সকলকে আলোচনার মাধ্যমে ঐক্য ধরে রাখতে হবে, যেন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক ছিন্ন না হয়।

তিনি জানান, জুলাই ঘোষণাপত্র ও সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ দেশের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং এই সুযোগ কাজে লাগালে আর ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না।

তিনি দাবি করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা, গুম, হত্যা হয়েছে।

বিএনপি ৩১ দফা এবং সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে জনগণের কাছে ভবিষ্যৎ সরকারের রূপরেখা দিয়েছে জানিয়ে এই দফাগুলোর বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সহযোগিতা চান তারেক রহমান।

বিজয় র‍্যালিতে যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে কারাভোগ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।

সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র নেতারা দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।

দ্য ডেইলি স্টার
ছবির ক্যাপশান, দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'Anatomy of BGB shootings in Rampura' অর্থাৎ, 'রামপুরায় বিজিবির গুলিবর্ষণের রূপরেখা'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই শুক্রবার ঢাকার রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) গুলিতে ১৪ বছর বয়সী আশিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিসহ কমপক্ষে ২৩ জন নিহত হয়।

ওই দিন বিকেল ৬টা ১৪ মিনিটে বনশ্রীর জি ব্লকে এক ছোট গড়নের বিজিবি সদস্য একে একে কয়েকটি গুলি চালান।

দ্বিতীয় গুলিতে এক ব্যক্তি পাশের এক দোকানের সামনে পড়ে যান, পরে জানা যায় তার নাম আশিকুল।

চোখের সামনে এই দৃশ্য দেখেছিলেন তার বন্ধু শাহ আলম। আশিকুল একটি বাড়িতে ঢোকার আগ মুহূর্তে পেছনে ফিরে তাকাতেই গুলি লাগে কানে, মাথার অন্য পাশ ছিঁড়ে যায়।

ঘটনার সময় বিজিবি সদস্যরা "শুট-অন-সাইট" (দেখামাত্র গুলি) নির্দেশ পালন করছিল বলে জাতিসংঘের রিপোর্টে উল্লেখ আছে।

প্রতিদিনের মতো প্রতিবাদে অংশ নিতে আসা আশিকুলের মৃত্যুর খবর রাতে তার মা জানেন। তিনি জানান, তিনি ছেলেকে অনেক কষ্টে বড় করেছেন। তার মৃত্যুতে তিনি মূর্ছা যান।

এই ঘটনার পেছনে যে কর্মকর্তা গুলি চালিয়েছিলেন, ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণে তাকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদওয়ানুল ইসলাম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

সরকারি প্রতিবেদন গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করলেও জাতিসংঘ, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে এটি খারিজ হয়ে যায়।

নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়া দিগন্ত

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'সাঈদ হত্যার লাইভ ভিডিও'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রংপুরে ছাত্র আন্দোলনের সময় আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দুইজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

একজন হলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিনা মূর্মু এবং অপরজন এনটিভির সাংবাদিক এ কে এম মঈনুল হক।

রিনা বলেন, তিনি নিজ চোখে দেখেছেন, দুই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করে। ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলার পর সাঈদ প্রতিবাদে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ালে গুলি করা হয়।

এনটিভির সাংবাদিক মঈনুল জানান, তিনি ও তার সহকর্মী ওই ঘটনার সময় লাইভ সম্প্রচারে ছিলেন এবং গুলির মুহূর্তসহ পুরো দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করেন।

তিনি জানান, ভিডিওতে দেখা যায় সাঈদকে পুলিশ গুলি করে, সে পড়ে যায়। আর সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এই ফুটেজ পেনড্রাইভে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষ্য চলাকালে শেখ হাসিনার আইনজীবীরা রিনার বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেন এবং ভিডিও ফুটেজকে 'এআই দিয়ে তৈরি' বললে আদালত তা উড়িয়ে দেন।

বিচারক বলেন, তদন্ত সঠিকভাবে যাচাইয়ের জন্যই আইনজীবীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রশাসন ও ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি উঠছে।

ঢাকা ট্রিবিউন
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা ট্রিবিউন

ঢাকা ট্রিবিউনের 'icddr,b: Lead exposure found in 98% of 500 Dhaka children under 5' অর্থাৎ, ''আইসিডিডিআর,বি: ঢাকার ৫ বছরের কম বয়সী ৫০০ শিশুর মধ্যে ৯৮% এর শরীরে সিসার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে''

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে এক ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সংকট।

২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, দুই থেকে চার বছর বয়সী ৫০০টি শিশুর মধ্যে ৯৮ শতাংশের রক্তে ক্ষতিকর মাত্রায় সিসা পাওয়া গেছে।

মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি অনুযায়ী যেখানে নিরাপদ মাত্রা হিসেবে প্রতি লিটারে ৩৫ মাইক্রোগ্রাম নির্ধারণ করেছে, সেখানে গবেষণায় পাওয়া গেছে গড় মাত্রা ৬৭ মাইক্রোগ্রাম, প্রায় দ্বিগুণ।

বিশেষ করে যেসব শিশু সিসা-নির্ভর শিল্পকারখানার এক কিলোমিটারের মধ্যে বাস করে, তাদের রক্তে সিসার পরিমাণ ৪৩ শতাংশ বেশি।

গবেষক ড. জেসমিন সুলতানা বলেন, এটি একটি ভয়াবহ সতর্ক সংকেত, কারণ শিশুরা দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত দূষণের শিকার হচ্ছে।

আলোচনায় জানানো হয়, সিসা দূষণের উৎসের মধ্যে রয়েছে- অনিয়ন্ত্রিত কারখানা, ঘরের ধুলাবালি, সিগারেটের ধোঁয়া, প্রসাধনী ও রান্নার পাত্র।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুর স্নায়ু ও মস্তিষ্কের বিকাশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আইসিডিডিআর,বি'র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমীদ আহমেদ বলেন, যদি এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সিসাদূষণে ধ্বংস হয়ে যাবে।

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'দেশে চাল উৎপাদনের তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি বছর বোরো মৌসুমে ভালো ধান উৎপাদন হলেও চালের দাম গত তিন মাস ধরে বেড়েই চলেছে।

সরকার বলছে, সামনে আমন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় আগেভাগেই চাল আমদানি করে জরুরি মজুদ ঠিক রাখা হচ্ছে।

তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, দেশে চাল উৎপাদন ও মজুদের নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই, যার ফলে বাজারের ওপর এর প্রভাব পড়ে না।

সরকার ৪ লাখ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমদানি প্রক্রিয়ার সময় ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিনে আনা হয়েছে।

বেসরকারি খাতকেও পাঁচ লাখ টন আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও সরকারি গুদামে প্রায় ২১ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে, তারপরও বাজারে চালের দাম বাড়ছে।

চালের উৎপাদনের পরিসংখ্যান যথাসময়ে না পাওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়াও জটিল হয়ে পড়ছে।

বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংকট দেখা দিতে পারে বলে সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এদিকে বাজারে মিনিকেট চালের দাম ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চালকল মালিকরা মজুত ছাড়ছেন বিদেশি চাল আসার আশঙ্কায়।

বর্তমানে দাম কিছুটা স্থিতিশীল হলেও অনেকেই মনে করছেন, বাজারে সিন্ডিকেট ও সরকারি নিয়ন্ত্রণের ঘাটতির কারণে মৌসুমে উৎপাদন ভালো হলেও দাম কমছে না।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
ছবির ক্যাপশান, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, 'Beximco Textiles gets a lifeline: $20m Japanese deal to reopen factories' 'বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের জন্য সুযোগ: কারখানা পুনরায় চালু করার জন্য ২০ মিলিয়ন ডলারের জাপানি চুক্তি'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের বন্ধ হয়ে থাকা কারখানাগুলো আবার চালু হতে যাচ্ছে।

একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় জাপানের রিভাইভাল প্রজেক্ট লিমিটেড, জনতা ব্যাংক এবং বেক্সিমকো গ্রুপ এই উদ্যোগ নিচ্ছে।

এতে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। রিভাইভাল প্রজেক্ট ২০ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে ইন্ডিটেক্স-এর অর্ডার অনুযায়ী তৈরি পোশাক উৎপাদন করবে।

এই চুক্তির আওতায় রিভাইভাল একটি সার্ভিস চার্জ পাবে এবং বাকি লাভ দিয়ে বেক্সিমকোর প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানি নীতিমালা সহজ করবে এবং সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ও নীতিগত সহায়তা দেবে।

কারখানাগুলো ১০ মাস ধরে বন্ধ ছিল বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনের কারণে।

বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, ১৫ই অগাস্টের মধ্যে নতুন কার্যকর মূলধনের বিষয়ে আলোচনা চলবে।

সরকার জানিয়েছে, নতুন করে কোনো সরকারি ঋণ দেওয়া হবে না। তবে নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এ উদ্যোগ পুরোপুরি অর্থনৈতিক প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক কারণ নয়। জনতা ব্যাংক যদি স্বল্পমেয়াদি ঋণ দিতে না চায় তবে অন্য ব্যাংককে বিবেচনায় আনা হবে।